বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১৫ এম
দিনাজপুর বেকারী মালিক সমিতি খোলা ও বস্তায় করে চানাচুর, বিস্কুটসহ বেকারীর খাদ্য সামগ্রী বিক্রি বন্ধের ঘোষণা করেছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুরে একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত একটি জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর বেকারী মালিক সমিতির সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম শেখ সঞ্চালনা করেন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শফিউল্লাহ খান শুক্লা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আইয়ুব আলী শেখ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হোসেন প্রমুখ। মো. সাইফুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি কিছু লাইসেন্স বিহীন বেকারী খোলা আকাশের নিচে বস্তায় করে চানাচুর, বিস্কুটসহ খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করছে। এটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এসব পণ্য স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রী এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে, যাদের পেটের পীড়া, পাতলা পায়খানা সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব পণ্য খোলা ও বস্তায় বিক্রি বন্ধ করা জরুরি।
সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় খোলা চানাচুর, বিস্কুটসহ বেকারীর পণ্য সামগ্রী বিক্রি বন্ধ করতে হবে। অবৈধ ও লাইসেন্স বিহীন বেকারী বন্ধ করার পাশাপাশি ১০ টাকার পাউরুটি ৫০ গ্রাম এবং চানাচুর, বিস্কুটসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী প্যাকেটজাত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসম্মত পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। সভায় মো. আইয়ুব আলীকে আহবায়ক করে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট সদর ইউনিয়নের রাজারহাট-তিস্তা মহাসড়ক থেকে হেলাল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত সড়কে সিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে, যার ব্যয় প্রায় ৩ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সড়কটির সিসি কাজের উদ্বোধন করেন রাজারহাট সদর ইউনিয়নের ইউনিয়ন প্রশাসক ও উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এ.টি.এম. রিয়াসাদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কফিল উদ্দিন, রাজারহাট সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ব্যাপারি এবং ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সড়কটির সিসি কাজ সম্পন্ন হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। বিশেষ করে বৃষ্টি ও বর্ষা মৌসুমে সড়কে কাদা ও পানি জমে চলাচলে যে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়, তা অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরলে মানবিক সহায়তা হিসেবে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে বিরল উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করেন দিনাজপুর-০২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনিসুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মির্জা সাহেরুল আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাদশা প্রমুখ।
উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় মোট ২৩৩ জন দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একসাথে তিন পুত্র সন্তান জন্ম দেওয়ার পর কল্পনা বেগম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন, এমন খবর গত রবিবার কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ যখন সংবাদটি দেখেন, তখন তিনি আজ সোমবার দুপুরে কল্পনা বেগম ও তার পরিবারকে নিজ দপ্তরে ডেকে ১০ হাজার টাকা নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। কল্পনা বেগম (২৫) নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ এলাকার জায়দুল হকের স্ত্রী।
বর্তমানে কল্পনা বেগম তার তিন সন্তান নিয়ে ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার গ্রামে তার দিনমজুর বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। কল্পনার স্বামী একজন বাকপ্রতিবন্ধী এবং তিনি হোটেলে দিনমজুরের কাজ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ আগস্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কল্পনা তিন সন্তানের জন্ম দেন। তিন সন্তানের নাম রাখা হয়েছে হাসান, হোসাইন ও বেল্লাল। জন্মের পর হাসানের ওজন ছিল ২ কেজি এবং হোসাইন ও বেল্লালের ওজন ছিল ১ কেজি ৯০০ গ্রাম করে।
সন্তান তিনটির বয়স একমাস পেরিয়েছে। যদিও তিনটি নবজাতক সুস্থ রয়েছে, তবে কল্পনা বেগম অপারেশন স্থলে ইনফেকশন হওয়ার কারণে এক মাস ধরে অসুস্থ। বর্তমানে তিন নবজাতক ও অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা খরচ এবং খাবার জোগাতে গিয়ে ওই দিনমজুর পরিবারের চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে।
কল্পনা বেগম জানান, বর্তমানে তার নিজের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০ টাকার ওষুধ এবং তিন নবজাতকের জন্য দুই প্যাকেট দুধ প্রয়োজন। এতে প্রায় ৬০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে।
তিনি বলেন, "ইউএনও স্যার আমাকে আজ দশ হাজার টাকা দিয়েছেন। আমি খুব খুশি। আমার সন্তান তিনটিকে বাচাতে সকলের সহযোগিতা চাই।"
উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, পরিবারটির খোঁজ খবর নিয়ে প্রথমে তিন হাজার টাকা নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। আজ (সোমবার) ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাকৃতিক প্রাচুর্যের একসময়কার উত্তাল ব্রহ্মপুত্র নদ এখন রূপ হারাতে বসেছে। নদীর বুকজুড়ে চর এবং নাব্যতা সংকটের কারণে চিরচেনা সেই পরিবেশ আজ অনুপস্থিত হয়ে পড়েছে।
কাঙ্ক্ষিত মাছের অভাবে চরম দুর্বিষহ জীবন পার করছেন ব্রহ্মপুত্র তীরবর্তী শতাধিক জেলে। পেটের টানে বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন তারা।
এই বিপর্যয়ের পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন ও আবহাওয়ার মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নদীকর্মী জাহানুর রহমান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বর্ষা মৌসুমে আগের মতো নিয়মিত ও পরিমিত বৃষ্টিপাত হচ্ছে না।” তিনি আরও জানান, “কখনো দীর্ঘস্থায়ী খরা, আবার কখনো অসময়ে আকস্মিক বন্যা দেখা দিচ্ছে।” এতে মাছের স্বাভাবিক প্রজননচক্র ব্যাহত হচ্ছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে নদীর পানির স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রাতেও পরিবর্তন ঘটছে। ফলে দেশীয় অনেক প্রজাতির মাছ মারা যাচ্ছে।
আবার অনেক প্রজাতি ডিম ছাড়ার উপযোগী পরিবেশ হারাচ্ছে। তিনি বলেন, “শুষ্ক মৌসুমে নদী শুকিয়ে বালুচর জেগে ওঠা এবং বর্ষায় অতিরিক্ত ঢলের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ও পরিবেশ ব্যবস্থা নষ্ট হচ্ছে।” এতে মাছের নিরাপদ আবাসস্থল ও খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে পড়ছে।
পর্যাপ্ত পানি না থাকায় নদী তার গভীরতা হারাচ্ছে। ফলে দেশীয় মাছের প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয় গভীর ও নিরাপদ স্থানও কমে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম জেলায় চলতি ২০২৬ সালে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত কুড়িগ্রামে মোট ৯৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে জুনে ৪৭৩ মিলিমিটার, জুলাইয়ে ৩৭৮ মিলিমিটার এবং আগস্টে মাত্র ১২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক শামছুদ্দোহা সৌমিক বলেন, “গত দুই-তিন বছরে মৌসুমি বন্যার স্থলে আকস্মিক স্বল্পস্থায়ী সাময়িক বন্যার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।” জেলার নদ-নদী অববাহিকায় মৌসুমি বড় বন্যার জন্য টানা এক থেকে দুই সপ্তাহ ভারী বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে বৃষ্টির ধরনে একটা পরিবর্তন এসেছে।
“যখন যতটা হওয়ার কথা তখন ততটা হচ্ছে না।” অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত বৃষ্টি হচ্ছে। বাকি সময় থাকছে বৃষ্টিহীন।
বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মতে, ব্রহ্মপুত্রের গভীর ও উপযুক্ত স্থানগুলোতে স্থায়ী ‘মৎস্য অভয়াশ্রম’ ঘোষণা করতে হবে, যেখানে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এছাড়াও অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে।
নদের নাব্য ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত ও পরিকল্পিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, যাতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ও গভীরতা বজায় থাকে। বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, পেশা বদলাতে বাধ্য হওয়া জেলেদের জন্য সরকারিভাবে ভিজিএফ সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি গবাদি পশু পালন, কুটির শিল্প বা অন্যান্য জীবিকায় বিশেষ প্রশিক্ষণ ও সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।
জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন পয়েন্টে গত কয়েক বছর ধরে মাছের প্রাপ্তি আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। একসময় বড় আকৃতির নানা দেশীয় মাছে জেলের জাল ভরপুর থাকলেও এখন সারাদিন জাল ফেলে ছোট কিছু পুঁটি বা টেংরা পাওয়াও মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর ফলে নদীপাড়ের মাছ ধরা পরিবারগুলোতে নিয়মিত অভাব-অনটন লেগেই রয়েছে। জেলেরা জানান, নদীতে আগের মতো মাছ না পাওয়ায় জাল-নৌকা মেরামত ও সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে।
ঋণ করে কিংবা অন্য পেশার মানুষের কাছে হাত পেতে তাদের দিন পার করতে হচ্ছে। অনেকে বাধ্য হয়ে পেটের দায়ে রাজমিস্ত্রির জোগালি, দিনমজুর কিংবা রিকশা চালানোর মতো ভিন্ন পেশা বেছে নিচ্ছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, চিলমারীসহ ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন ঘাটে নৌকাগুলো অলস পড়ে আছে। অনেক জেলে জাল বুনছেন বা ঠিক করছেন ঠিকই, কিন্তু নদীতে নামার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।
নদীর বুক চিরে জেগে ওঠা বিশাল বালুচরে মাছ ধরার ব্যস্ততার পরিবর্তে এখন কেবল নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। জোড়গাছে জেলে পাড়ার অঞ্জলী বলেছেন, “আগের মত নদীতে মাছ নাই, যে মাছ পাওয়া যায় তা বিক্রি করে সংসার চালানো দায় হয়ে গেছে।” তাই পেশা বদলাচ্ছেন, ঢাকায় গেছে বহু জেলে।
তিনি আরও বলেছেন, “শুধুমাত্র সরকারি সহায়তা দেয়া হয়, যখন ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ থাকে।” সেই সময়ে কার্ডধারী জেলেদের কিছু পরিমাণ চাল দেয়া হয়। সুশান্ত নামে এক জেলে আক্ষেপ করে জানান, “বাপ-দাদার আমল থ্যাকি আমাগো বংশের সবাই নদীত মাছ ধরিই সংসার চালাইছে।
কিন্তু এ্যালা নদীত আর মাছ নাই বললেই চলে।” সারাদিন জাল টানিও তেলের দাম উঠছে না। “পোলাপান লিয়াই তো বিপদে আছি, পেটের দায়ে বাধ্য হয়া অন্য কামকাজ শুরু করছি।” শুনীল নামে অপর এক জেলে জানিয়েছেন, “আগে নদীতে জাল ফেললে মাছ পাওয়া যেত।
আর এখন আগের দিনের মত মাছ পাওয়া যায় না।” সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়েছে। এর জন্য অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য দিকে আয়ের পথ খুঁজছেন।
এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অ.দা.) মো: এমদাদুল হক জানিয়েছেন, “ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমে যাওয়া এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে মাছের প্রজনন কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।” তবে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় তারা নিয়মিত নদীতে অভিযান চালাচ্ছেন এবং অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারী জাল জব্দের পাশাপাশি ধ্বংস করা হচ্ছে। তাছাড়া জেলেদের বিকল্প আয়ের পথ তৈরিতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সহায়তার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ