ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বন্দিশিবিরে আসামের চেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি


পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম বন্দিশিবিরে আসামের চেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি

অ্যাসারুল শেখ আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে কেরালা থেকে তার বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার একটি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। মুর্শিদাবাদের এই প্রবাসী শ্রমিককে বাংলাদেশি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয় এবং ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লালগোলা বন্দিশিবিরে (ডিটেনশন সেন্টার) নিয়ে যাওয়া হয়—এমনটাই জানিয়েছেন অ্যাসারুলের ভাইঝি রোজিনা খাতুন।

ভারতীয় গণমাধ্যম স্ক্রোল-এর পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, জুন মাস থেকে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ অন্তত ৯ জন মুসলিম পুরুষ এবং ২ জন শিশুকে আটক করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি হওয়ার অভিযোগ এনেছে।

পুলিশ কিসের ভিত্তিতে এসব লোকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে তার কোনো কারণ জানায়নি। এমনকি কোনো অফিসিয়াল অভিযোগ বা এফআইআরও দায়ের করেনি। কথিত এই অবৈধ বিদেশিদের পুলিশি অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা কিংবা নাগরিকত্ব প্রমাণের কোনো সুযোগও দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত

"অ্যাসারুলকে আটক করার ২০ দিনেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে, কিন্তু পুলিশ আমাদের এমন কোনো নথি বা নোটিশ দেয়নি যেখানে তাকে বাংলাদেশি বলে সন্দেহ করার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে," স্ক্রোলকে বলেন রোজিনা।

অ্যাসারুলের ভাইঝি আরও জানান, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং তিনি সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভোটও দিয়েছেন। "কিন্তু তারা আমাদের নথিপত্র দেখতেই অস্বীকৃতি জানায়," বলেন তিনি। জুন মাস থেকে আটক হওয়া আরও চারজন ব্যক্তির নামও একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত হয়েছিল।

শনাক্ত, নাম বাতিল এবং বহিষ্কার

মে মাসে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরপরই, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কথিত অবৈধ অভিবাসীদের রাখার জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা বন্দিশিবির গড়ে তোলার ঘোষণা দেয়। এটি তাদের "শনাক্ত, নাম বাতিল এবং বহিষ্কার" নীতির একটি অংশ।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে স্পষ্ট বার্তা দিল ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এই নীতি প্রতিবেশী রাজ্য আসামের নাগরিকত্ব নির্ধারণ ব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দেয়, যা প্রায়শই স্বেচ্ছাচারী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে সমালোচিত হয়ে আসছে। আরও আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, গবেষক ও আইন বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ব্যবহৃত ‘বিদেশি শনাক্তকরণ পদ্ধতি’ আসামের চেয়েও বেশি নির্মম ও কঠোর। কারণ এটি কোনো প্রকার বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার সুযোগ না রেখে পুলিশ ও প্রশাসনের হাতে একচ্ছত্র ক্ষমতা তুলে দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী সংঞ্জয় হেগড়ে বলেন, বাংলার (পশ্চিমবঙ্গ) এই প্রক্রিয়া পুলিশকে একাধারে নাগরিকত্বের বিচারক, জুরি এবং জল্লাদ হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। তিনি আরও যোগ করেন, "এই প্রক্রিয়ায় শনাক্তকরণ বা বহিষ্কারের বিষয়টি পর্যালোচনা করার জন্য কোনো বিচারবিভাগীয় বা আধা-বিচারবিভাগীয় কর্তৃপক্ষের অস্তিত্বই রাখা হয়নি।"

আসামে অন্তত অভিযুক্তদের ‘ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল’-এ হাজির করে ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট’-এর অধীনে তাদের নাগরিকত্ব বিচার করা হয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পুলিশ যাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, তাদের সরাসরি সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে তুলে দিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, অথবা মাসের পর মাস বন্দিশিবিরে আটকে রাখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল হলো আসামের একটি বিশেষ আধা-বিচারবিভাগীয় সংস্থা যা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত মামলাগুলোর নিষ্পত্তি করে। হেগড়ে বলেন, ‘কমপক্ষে আসামে তো লোকজনকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হতো, সেখানে আইনি প্রক্রিয়ার একটি ন্যূনতম নিয়ম মেনে চলার নামমাত্র উপস্থিতি ছিল।’

আরও পড়ুন: রুয়ান্ডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

তবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তালহা আব্দুল রহমান একটি ভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, ‘এর অর্থ এই নয় যে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল পরিস্থিতিকে অনেক ভালো করে তোলে। কারণ আমার মতে, ট্রাইব্যুনালগুলো নিজেরাও এক ধরণের প্রহসনের আদালত (ক্যাঙ্গারু কোর্ট) এবং সেগুলো আইনি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে ব্যর্থ।’

সাংবিধানিক নিয়ম লঙ্ঘনের এই অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশকে (ডিজিপি) ইমেইল করেছিল স্ক্রোল। তার কোনো উত্তর পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হবে বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমটি।

মে ২০২৫-এর নির্দেশিকা

স্ক্রোল-এর পর্যালোচনা করা ৯টি বিষয়ের মধ্যে অন্তত একটি ক্ষেত্রে দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কোনো এক ব্যক্তিকে আটক করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২ মে, ২০২৫-এ জারি করা একটি আদেশকে হাতিয়ার করেছে। ওই আদেশে দেশের সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন তারা সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের 'হোল্ডিং সেন্টারে' আটকে রাখে। সেখানে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তির দাবি করা নিজ রাজ্য ও জেলার কর্তৃপক্ষকে ৩০ দিনের মধ্যে তার নাগরিকত্ব যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদি তারা এক মাসের মধ্যে যাচাই করতে ব্যর্থ হয়, তবে অভিযুক্তকে ফেরত বা বহিষ্কার করা যাবে।

আরও পড়ুন: নেসেটের স্পিকারকে অপসারণের জন্য আলোচনা শুরু করেছে আরব দলগুলো

কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটক নিহত হওয়ার পর গত বছর এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়।

বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে পুলিশ গত বছর এই আদেশ প্রয়োগ করে বাংলাভাষী মুসলিম পরিযায়ী শ্রমিকদের জোরপূর্বক বহিষ্কার করেছিল। স্ক্রোল-এর পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে যেমনটা জানা গিয়েছিল, বহু ক্ষেত্রে পুলিশ শ্রমিকদের নিজ জেলা থেকে যাচাইকরণ প্রতিবেদন আসার জন্য অপেক্ষাও করেনি, তার আগেই তাদের তাড়িয়ে দিয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আদেশ মেনে না চললেও, নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই লোকজনকে তুলে নিয়ে গিয়ে আটক করতে শুরু করে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রথম যেসব ব্যক্তিদের ওপর এই মে ২০২৫-এর আদেশ জারি করেছিল, তাদের একজন হলেন মুর্শিদাবাদ জেলার নাসির মোল্লা। ১৮ জুন বিকেলে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি থানা থেকে পুলিশ কর্মীরা তার গ্রাম দয়ারামপুরের বাড়িতে এসে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়।

সম্প্রতি সমাপ্ত এসআইআর-এ নাসির মোল্লার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল, তবে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার আপিল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। তার ভাই সুমন মোল্লা এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু হাইকোর্ট নাসিরকে লালগোলা বন্দিশিবির থেকে মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আদালত যুক্তি দেয় যে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫-এর অধীনে নাসির তার নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

আরও পড়ুন: স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় কোপা দেল রে’র ২৪টি ম্যাচ স্থগিত

মোল্লার আইনজীবী মোকারম হোসেন স্ক্রোল-কে বলেন যে, তারা হাইকোর্টের এই আদেশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছেন। ‘পুলিশ কীভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাল যে তিনি একজন বিদেশি?’ প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘প্রমাণ কোথায়? এটি তো এমন কোনো বিষয় নয় যে তাকে সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার সময় ধরা হয়েছে। তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ পরিবারের দাবি, নাসির মোল্লা জন্মসূত্রে ভারতীয় এবং ১৯৫০-এর দশক থেকে তাদের পরিবারের জমির রেকর্ড রয়েছে।

আইনজীবী হোসেন ২০২৪ সালের ‘রহিম আলী’ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক মামলার কথা স্মরণ করিয়ে দেন, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল যে—কাউকে বিদেশি বলে অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সেই অভিযোগ আনা হয়েছে, প্রাকৃতিক বিচারের নিয়ম অনুযায়ী তা ওই ব্যক্তির সাথে ভাগ করে নিতে হবে। আইনজীবী হোসেন বলেন, ‘মোল্লা বা তার পরিবারকে এ জাতীয় কোনো নথিপত্র দেওয়া হয়নি।’

এমনই এক আটকের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একই ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ মুর্শিদাবাদ থেকে ৩৯ বছর বয়সী শাহিদুল শেখকে তার বাড়ি থেকে কেন তুলে নেওয়া হলো—তা ব্যাখ্যা করে পুলিশকে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

আদালত পুলিশ সুপারকে (এসপি) নির্দেশ দিয়েছে, শেখকে আটক করার পর থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্য কী পদক্ষেপ নিয়েছে সে বিষয়ে রিপোর্ট দাখিল করতে। বিচারপতি মন্তব্য করেন, ‘১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে বহু হাজার মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করে এসেছে। আপনি কি সবার বিরুদ্ধে এভাবে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করবেন? এবং এভাবে? মানবাধিকার লঙ্ঘন করে?’

আরও পড়ুন: জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী

চ্যালেঞ্জের মুখে আদেশের বৈধতা

আইন বিশেষজ্ঞরা আরও নির্দেশ করেছেন যে, মে ২০২৫-এর এই নির্দেশিকাটি নিজেই সংবিধান প্রদত্ত বেশ কয়েকটি সুরক্ষাকবচ লঙ্ঘন করে। সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন এক বাংলাভাষী মুসলিম নারীর ছেলে, যাকে মুম্বাই পুলিশ আটক করে এই বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছিল।

এই আদেশে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার বিষয়ে কোনো কথা বলা হয়নি। এমনকি এটি আগের সেই পদ্ধতিকেও ছেঁটে ফেলেছে, যার মাধ্যমে পুলিশ সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীদের জাতীয়তা সম্পর্কিত তথ্য সংশ্লিষ্ট হাই কমিশনের সাথে যাচাই করতে বাধ্য থাকত।

গৌহাটি হাইকোর্টে বেশ কয়েকটি নাগরিকত্ব সংক্রান্ত মামলার পক্ষে লড়াই করা আইনজীবী দীপেশ আগরওয়ালা তুলে ধরেন যে—এমনকি কথিত বিদেশি নাগরিকরাও সংবিধানের ২১ ও ২২ অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য এবং হেফাজতে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতেই হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইন জীবী রহমান বলেন, এই বিজ্ঞপ্তিতে যে এসওপি দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী ও অবৈধ।

‘এই এসওপি আসলে বিচারহীনভাবে মানুষকে গায়েব বা গুম করার শামিল,’ স্ক্রোলকে বলেন রহমান। ‘পুলিশ কর্মকর্তার ইচ্ছা এবং তিনি কাকে বিদেশি বলে মনে করছেন—তার ওপর ভিত্তি করেই লোকজনকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। 'অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশি বা মিয়ানমারের নাগরিকদের' কীভাবে শনাক্ত করা হবে সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই, যা বিচারিক প্রক্রিয়ার জায়গায় ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ও পক্ষপাতকে জায়গা করে দিচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের আরও এক আইনজীবী প্রসন্ন এস. তুলে ধরেন এক মৌলিক বৈপরীত্যের কথা। তিনি জানান—‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫’ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মে মাসের আদেশের মধ্যে মারাত্মক অমিল রয়েছে, যা ব্যবহার করে পুলিশ এই সংক্ষিপ্ত আটক ও জোরপূর্বক বিতাড়ন চালাচ্ছে। পরবর্তী নির্দেশিকাটি এমন একটি সংবিধিবদ্ধ কাঠামোর অধীনে জারি করা হয়েছিল যা চার মাস পর ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫’ এবং ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অর্ডার, ২০২৫’ দ্বারা প্রতিস্থাপিত বা বাতিল হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘একটি প্রশাসনিক এসওপি কখনো কোনো সংবিধিবদ্ধ আইনে থাকা আইনি সুরক্ষাকে লঙ্ঘন বা বাতিল করতে পারে না। ফলে এই আইনি কাঠামোর বিচারে আদেশের নীতিটি বিচারসাপেক্ষে বাতিলযোগ্য।’ প্রসন্ন এস. শাহিন ফকিরের পক্ষে মামলা লড়ছেন, যিনি গত জুন মাসে তার মাকে আটক করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার পর অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিতাড়ন সংক্রান্ত মে ২০২৫-এর এসওপির আইনি বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন।

‘সংবিধানের পরিপন্থী’

অভিযুক্ত ব্যক্তি যে এলাকার বাসিন্দা, সেখানকার জেলা সংগ্রাহকের (ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর) কাছ থেকে রিপোর্ট চাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী রহমান। কোনো কারণে ৩০ দিনের মধ্যে যদি এই প্রতিবেদন না পাওয়া যায়, তবে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ‘ফরেনার্স রিজিনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস’কে (এফআরআরও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লোকটিকে তাড়িয়ে দিতে।

‘‘এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী। রাজ্যের ব্যর্থতার কারণে একজন ভারতীয় নাগরিককে অবৈধভাবে অন্য একটি দেশে ‘ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া’ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, যে দেশের সাথে তার কোনো সম্পর্কই নেই,’’ তিনি বলেন। গৌহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী আগরওয়ালা উল্লেখ করেন, পুলিশ যদি মে ২০২৫-এর নির্দেশিকা অনুসরণও করে, তবুও এই বিতাড়ন প্রক্রিয়া ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫’-এর অধীনে হতে হবে।

‘শুধুমাত্র অবৈধ অভিবাসী হওয়ার সন্দেহে কাউকেই তাড়িয়ে দেওয়া যায় না,’ তিনি বলেন। ‘আইন অনুযায়ী যেকোনো বিতাড়নের আগে জাতীয়তা যাচাই করা বাধ্যতামূলক। পুলিশ একই সাথে বিচারক ও জল্লাদ হতে পারে না। এটি আমাদের সাংবিধানিক কাঠামোর সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি: সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ শোনা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি: সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ শোনা হলো

সুনামগঞ্জ, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা প্রশাসকের গণশুনানি সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার বেলা ১১ টায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সাপ্তাহিক এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান উপস্থিত থেকে আগত সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের অভাব-অভিযোগ ও আবেদনের বিষয়গুলো শোনেন।

গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সেবাপ্রার্থীরা তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যা এবং সহায়তার আবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খাঁন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তাপস শীলসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান মনোযোগ সহকারে আগত সকলের বক্তব্য শোনেন। তিনি আবেদনকারীদের সমস্যাসমূহ দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, "সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়া এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন সব সময় আন্তরিক।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের গণশুনানি নাগরিকদের প্রশাসনিক বিভিন্ন সুবিধা লাভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনকে ১০ কোটি কানাডীয় ডলার সহায়তার ঘোষণা কানাডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


ফিলিস্তিনকে ১০ কোটি কানাডীয় ডলার সহায়তার ঘোষণা কানাডার

কানাডা ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরের জনগণের জন্য নতুনভাবে ১০ কোটি কানাডীয় ডলার সহায়তার ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই ঘোষণা দেন।

ঘোষিত অর্থের মধ্যে ৮ কোটি কানাডীয় ডলার মানবিক সহায়তার জন্য ব্যয় করা হবে। বাকি ২ কোটি ডলার উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্যক্রমে বরাদ্দ করা হবে। এর মধ্যে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কানাডার বহুবছরের কর্মসূচিতে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হবে। কার্নি নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূল হলে গাজাতেও একই ধরনের প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের প্রস্তুতির কথাও উল্লেখ করেন।

কার্নি বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিরা ‘ব্যাপক মানবিক দুর্ভোগের’ মধ্যে রয়েছে। তিনি ইসরায়েলিদের হামাস ও ইরান এবং তাদের মিত্রদের কাছ থেকে আসা নিরাপত্তা হুমকির কথাও তুলে ধরেন। কানাডার নতুন সহায়তার লক্ষ্য হিসেবে তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা ধরে রাখার কথা বলেন।

কানাডা জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনি বেসামরিক জনগণের জন্য দেশটির মোট সহায়তার অঙ্গীকার ৬০ কোটি কানাডীয় ডলারের বেশি হয়েছে।

এর আগে জুন মাসে কানাডা ফিলিস্তিনের জন্য আরো ১০ কোটি কানাডীয় ডলার আন্তর্জাতিক সহায়তা ঘোষণা করেছিল। সেই অর্থের বড় অংশ জরুরি চিকিৎসা, খাদ্য, পানি, স্যানিটেশন, আশ্রয় ও সুরক্ষা কার্যক্রমে ব্যয়ের পরিকল্পনা ছিল।

সূত্র: কানাডিয়ান প্রেস, কানাডা সরকার, আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদের সরকারের আমলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে দুর্নীতি হয়েছে ভাণ্ডারিয়ায়: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তরিকুল ইসলাম, ভাণ্ডারিয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


ফ্যাসিবাদের সরকারের আমলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে দুর্নীতি হয়েছে ভাণ্ডারিয়ায়: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মনজুর এমপি বলেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কিছু অসাধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির ধারা থেকে বেরিয়ে এসে সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ ঘটিকায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে সমাজে কোনো দুর্নীতি স্থান পাবে না। আপনারা সবাই দায়ীত্বশীল ও সৎ হলে কোনো অসাধু চক্র দুর্নীতি করতে সাহস পাবে না। সমাজ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়া এলাকাকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই দৃশ্যমান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া। এ কাজে সাংবাদিক, পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ সকল দায়িত্বশীল নাগরিকের সহযোগিতা কাম্য।
এছাড়াও তিনি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মোটরসাইকেল চলাচলে হেলমেট ও বৈধ কাগজপত্র নিশ্চিত করা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরা জোরদার করা, কোচিং ও শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক তদারকি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জল হালদার, থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসানসহ সরকারি দপ্তর সমূহের প্রধান কর্মকর্তাগণ।

সভা শেষে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির আয়োজনে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুরের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যারাডোনা করোনায় মারা যেতে পারেন—আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


ম্যারাডোনা করোনায় মারা যেতে পারেন—আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি

ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত চলমান মামলায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আদালতের নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাবলো ফেরারি জানিয়েছেন, ২০২০ সালে ম্যারাডোনার মৃত্যুর পেছনে করোনাভাইরাসের প্রভাব ছিল কিনা, তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করা সম্ভব নয়।

এই চাঞ্চল্যকর দাবি আর্জেন্টিনার সান ইসিদ্রো আদালতে মামলার শেষ পর্যায়ের সাক্ষ্যগ্রহণের সময় উঠে এসেছে। ফেরারি আদালতে মন্তব্য করেন, ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তের সময় কোভিড-১৯ পরীক্ষা না করাটা ছিল একটি পদ্ধতিগত ভুল।

ফেরারির মতে, “আমরা এটা উড়িয়ে দিতে পারি না যে, তিনি কোভিডে মারা গেছেন।” তিনি আরও বলেন, “করোনাভাইরাস শ্বাসনালির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রোগীর শারীরিক অবস্থার ভয়াবহ অবনতি ঘটিয়ে মৃত্যু ঘটাতে পারে।”

ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে আর্জেন্টিনার তিগ্রেতে নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুর দুই সপ্তাহ আগে তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন। এতদিন তার মৃত্যুকে হৃদরোগের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধরা হয়েছিল।

আদালতে ফেরারি আরও দাবি করেন, ম্যারাডোনার মৃত্যুর সময় দীর্ঘ যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন না, “তার যন্ত্রণার সময় কয়েক মিনিটের বেশি হওয়ার কথা নয়।”

এই বিশেষজ্ঞের বক্তব্য ম্যারাডোনার চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের দেওয়া প্রতিরক্ষা যুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। লুকের দাবি ছিল, ফুসফুসে হঠাৎ তরল জমে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় লুকসহ সাত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। মামলার চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক আগামী ৬ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%