ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজবাড়ীতে ভিমরুলের বাসা পোড়াতে দেওয়া আগুনে পুড়ল পাঁচ দোকান


রাজবাড়ীতে ভিমরুলের বাসা পোড়াতে দেওয়া আগুনে পুড়ল পাঁচ দোকান

রাজবাড়ীর পাংশা বাজারে ভিমরুলের বাসা পোড়াতে দেওয়া আগুনের কারণে পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে শহরের বাড়েক মোড় এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়েক মোড় এলাকার একটি বসতবাড়ির রান্নাঘরের পাশে পাটকাঠির পালায় ভিমরুলের বাসা ছিল। শুক্রবার দুপুরে ভিমরুলের বাসা পোড়াতে পাটকাঠির পালায় আগুন দেওয়া হয়। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

 

মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের বাজারের দোকানগুলোতে। এতে পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে পাংশা বণিক সমিতির সভাপতির দুটি দোকান, কাঠের ফার্নিচার ব্যবসায়ী ক্ষীরোদ পালের একটি দোকানসহ মোট পাঁচটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খবর পেয়ে পাংশা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও কালুখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

 

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পাংশা বণিক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘বাজারের পাশের একটি বসতবাড়িতে ভিমরুলের বাসা পোড়াতে গিয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে সেই আগুন ছড়িয়ে আমার দুটি দোকানসহ আরো তিনটি দোকানে লাগে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

কাঠের ফার্নিচার ব্যবসায়ী ক্ষীরোদ পাল জানান, শুক্রবার দোকান বন্ধ ছিল।

 

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে তিনি দোকানে ছিলেন না। দোকানের মালামাল কেনার জন্য প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নগদ রাখা ছিল। আগুনে নগদ টাকা ও দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে। রাজবাড়ী জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দাওয়ান সোহেল রানা বলেন, ‘রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পাংশা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও কালুখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপার সেল কার বাজারে’ গাড়িপ্রেমীদের ভিড়, মুখর আইসিসিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


সুপার সেল কার বাজারে’ গাড়িপ্রেমীদের ভিড়, মুখর আইসিসিবি

 

এক পাশে ঝকঝকে নতুন গাড়ি রয়েছে, অন্য পাশে রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ির সারি দেখা যাচ্ছে। কোথাও গাড়ির ইঞ্জিন, মডেল এবং কাগজপত্র নিয়ে আলোচনা চলছে, আবার কোথাও ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে তাদের পছন্দের গাড়িটি দেখছেন।কেউ বিক্রেতার সঙ্গে দরদাম করছেন, আবার কেউ ব্যাংকের প্রতিনিধির কাছে জানতে চাইছেন, গাড়ি কিনতে কত টাকা ঋণ পাওয়া যাবে।সব মিলিয়ে গাড়িপ্রেমী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যস্ততায় শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি)।জাঁকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজ আইসিসিবি প্রাঙ্গণে যাত্রা শুরু করেছে ‘সুপার সেল কার বাজার’। উইজার্ড শোবিজ ও আইসিসিবির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কার বাজার প্রতি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।এখানে একই জায়গায় নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি দেখার পাশাপাশি কেনাবেচার সুযোগও থাকবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।তিনি মন্তব্য করেন, নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত যানবাহন এক ছাদের নিচে যাচাই করার সুযোগ এবং সহজ ফাইন্যান্সিং সুবিধার মাধ্যমে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও সুবিধাজনক আন্তর্জাতিক মানের প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে সুপার সেল কার বাজার।আইসিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দীন জানান, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করাই আইসিসিবি কার বাজারের মূল লক্ষ্য।এতে ক্রেতারা ন্যায্য ও প্রকৃত মূল্যে পছন্দের গাড়ি কেনার সুযোগ পাবেন। একটি গাড়ি একটি পরিবারের স্বপ্ন, তাই কেনার আগে গাড়ি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এখানে রয়েছে বিশেষজ্ঞ টেকনিক্যাল টিম। পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় থাকছে সহজ অর্থায়নের সুবিধা। ভবিষ্যতে কৃষি যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন কমার্শিয়াল ভেহিকলও এ আয়োজনে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বসুন্ধরার উদ্যোগগুলো যেমন মাইলফলক তৈরি করে, আশা করা হচ্ছে এই কার বাজারও বাংলাদেশের জন্য তেমন একটি মাইলফলক হবে।বারভিডার মহাসচিব রিয়াজ রহমান মন্তব্য করেন, বসুন্ধরা ও ইব্রাহিম সাহেবের উদ্যোগে এমন একটি সুন্দর পরিবেশে কার বাজার আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। এখানে নতুন ও পুরনো গাড়ি এক জায়গায় দেখার সুযোগ থাকায় ক্রেতাদের জন্য বিষয়টি অনেক সহজ হয়েছে। এটি আমাদের জন্য একটি ভালো সূচনা। আগামী সপ্তাহগুলোতে আয়োজনটি আরো বড় ও সুন্দরভাবে করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।তিনি আরও বলেন, বৃষ্টিসহ বিভিন্ন প্রতিকূল আবহাওয়াতেও এখানে গাড়ি দেখার সুযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে দালালদের বিভিন্ন ঝামেলা এড়িয়ে সরাসরি গাড়ি কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী ৫, ৬ ও ৭ নভেম্বর আরো বড় পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ আয়োজনে ক্রেতা ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান তিনি।এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. ওয়াহিদ ইবনে শাহেদ, আইপিডিসি ফাইন্যান্সের হেড অব রিটেইল বিজনেস মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, উইজার্ড শোবিজের সিইও আরিফুজ্জামান রাসেলসহ দেশের অটোমোবাইল খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।এ ছাড়া আয়োজক প্রতিষ্ঠানসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, গাড়ি ব্যবসায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন গাড়ি ও বাইকিং কমিউনিটির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।আয়োজকরা জানান, আধুনিক ও নিরাপদ পরিবেশে গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে গাড়ি মালিক ও ক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে দেশের অটোমোবাইল বাজারকে আরো গতিশীল করতেও ভূমিকা রাখবে ‘সুপার সেল কার বাজার’।সুপার সেল কার বাজার’-এর অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হলো, গাড়ি কেনাবেচার পাশাপাশি ক্রেতারা সরাসরি বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে অটো লোন, গাড়ি ফাইন্যান্সিং ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। ফলে গাড়ি কেনার পুরো প্রক্রিয়াটি হবে আরো সহজ, স্বচ্ছ ও সুবিধাজনক।আজ থেকেই প্রতি শুক্রবার আইসিসিবি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে এই কার বাজার। আগ্রহী ক্রেতারা একই স্থানে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের গাড়ি দেখে নিজেদের পছন্দের গাড়ি নির্বাচন করতে পারবেন। পাশাপাশি যারা গাড়ি বিক্রি করতে চান, তারাও তাদের গাড়ি সম্ভাব্য ক্রেতাদের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন।আয়োজকদের প্রত্যাশা, সুপার সেল কার বাজার’ খুব শিগগির গাড়িপ্রেমী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় অটোমোবাইল মার্কেটপ্লেস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী আমলের জ্বালানি খাত ধ্বংসের মাশুল দিচ্ছে সরকার: প্রিন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


আওয়ামী আমলের জ্বালানি খাত ধ্বংসের মাশুল দিচ্ছে সরকার: প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স দাবি করেছেন যে, গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জ্বালানি খাতে ঘটে যাওয়া অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার ফলস্বরূপ বর্তমান সরকারকে এর মাশুল দিতে হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে বিএনপি জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সরকারও একটি বিপর্যস্ত রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে, এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই প্রক্রিয়ায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার গোহাটা মাঠে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রিন্স বলেন, এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা উচিত নয়, যা বিএনপি বা সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিরোধী দলের সাম্প্রতিক কর্মসূচির সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রাম ও নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপির সঙ্গে ছিল। ভবিষ্যতেও জনগণ বিএনপির পাশে থাকবে। তবে বিরোধী দল লংমার্চের নামে জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করলে সাধারণ মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক একেএম এনায়েত উল্লাহ কালাম। বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নূরুল হক, বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামছুল হক শামছু, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম কামাল, সাধারণ সম্পাদক মহিবুল হক টুটুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নূরুজ্জামান সোহেল, বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার এবং জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি হযরত আহম্মেদ সাকিবসহ স্থানীয় নেতারা।

সভা শেষে গোহাটা মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানে সাজানো র‍্যালিটি তারাকান্দা উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার

খালেদা জিয়ার যোগ্য সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার’বক্তারা বলেছেন, ‘নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনে বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার। তিনি সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বক্তারা এ কথা তুলে ধরেন। জামালপুর সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে ‘সালাম তালুকদার : নেতা ও মানুষ’ শিরোনামে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে জামালপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম উপস্থিত ছিলেন।প্রধান আলোচক ছিলেন সমিতির মহাসচিব ও ক্যান্সার প্রতিরোধ আন্দোলনের পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।প্রধান আলোচক তাঁর বক্তব্যে বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনে বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়া যখন বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন স্বৈরাচারী এরশাদের নানা প্রলোভনে দলের বড় নেতারা তাকে ছেড়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারকে মহাসচিবের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল, যিনি ছিলেন সবচেয়ে যোগ্য ও আস্থাভাজন।তিনি এই আস্থার মর্যাদা রেখেছেন। তাঁর গভীর দেশপ্রেম, প্রশ্নাতীত সততা, উন্নত শিক্ষা ও মননশীলতা, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ তাঁকে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে জনমনে বিশেষ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করেছে।ডা. রাসকিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন, কিভাবে তিনি নিজের চিকিৎসক হওয়ার পাশাপাশি অর্থবিত্তের পেছনে না ছুটে ক্যান্সার প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন এবং ঢাকা ও দিনাজপুরে অলাভজনক সেবামূলক ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ে তোলার উদ্যোগে শামিল হয়েছেন।সভায় মাহমুদুর রহমান মান্না মন্তব্য করেন, রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানোর জন্য মানুষের অভাব নেই, কিন্তু নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো প্রজ্ঞাবান মানুষের বড় অভাব রয়েছে। ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদার ছিলেন এমনই একজন বিরল রাজনীতিবিদ, যিনি ক্ষমতার ভেতরে থেকেও বিনয়ী থাকতে জানতেন এবং দলের সংগঠনকে সুসংগঠিত রাখতে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।নব্বইয়ের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ও প্রতিপক্ষের প্রতি সৌজন্যবোধ আজকের রাজনীতিতে একটি বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম বলেন, ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদার কেবল জামালপুর বা বিএনপির নেতা ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন এ দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের অভিভাবক। ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কাছে তিনি এক বটবৃক্ষের মতো ছিলেন, যার ছায়াতলে থেকে দেশপ্রেম ও রাজনীতির আসল পাঠ গ্রহণ করেছেন। তিনি দেখিয়ে গেছেন, ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে থেকেও কিভাবে মাটির কাছাকাছি থাকা যায় এবং মানুষের মন জয় করা যায়। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই তিনি নিজেকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত করতে চান।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহসভাপতি আফজাল খান, সহসভাপতি ও সাবেক মহাসচিব মো. নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. মুজিবুর রহমান, আবু বকর সিদ্দিক, হাসিনুর রহমান চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. হাসানুজ্জাম শিবলী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুর রব ও ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম। সভাটি সঞ্চালনা করেন সমিতির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবীর আকন্দ। সভার শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে তারেক রহমানের বিকল্প নেই: ড.মোশাররফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


দেশে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে তারেক রহমানের বিকল্প নেই: ড.মোশাররফ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা ও সুস্থ ধারার রাজনীতিতে কোনো বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান একজন অসাধারণ ও অনন্য ব্যক্তিত্বসম্পন্ন রাজনীতিক। স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি প্রতিকূল ও ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে দেশকে উদ্ধারের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়া জনগণকে টেকসই উন্নয়ন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছেন। একইভাবে, তারেক রহমানও ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপের বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা পরিষদ মাঠে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালী পূর্ব বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দেশে বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র এবং টেকসই উন্নয়ন সবই বিএনপির অর্জন। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমান একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ দেশ গঠনে কাজ করছেন। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে তাঁর ডায়নামিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ হবে- 'বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল'।

বর্ষীয়ান নেতা ড. মোশাররফ উল্লেখ করেন, সামাজিক অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছে। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সূচিত সুস্থ ধারার রাজনীতিকে জনগণ বিপুল সমর্থন জানাচ্ছে। তিনি জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান যে, প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ধারার উন্নয়নের রাজনীতিতে সামিল হতে হবে।

মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. রমিজউদ্দিন লন্ডনীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন, বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভুঁইয়া এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেম। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন, আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব এস.এম সালাহউদ্দিন সরকার।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালে প্রথম জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ড. খন্দকার মোশাররফ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিকশিত করার জন্য বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিলো তাঁর অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অভিশপ্ত একদলীয় 'বাকশাল' প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল। শহীদ জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক দলগুলোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। আজকের এই গৌরবময় দিনে আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্বাস উদ্দিন কমান্ডার, ওসমান গণি ভূঁইয়া ও তৌহিদুল ইসলাম বাবু, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূঁইয়া, মেঘনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মেজবাহ উদ্দিন বায়েজিদ, মেঘনা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন, ডা. আবদুল কাইউম, আবদুল গাফফার, মো. সলিমউল্লাহ, দিলারা শিরীন ও আবু ইউসুব নয়ন, মেঘনা যুবদলের আহবায়ক আতাউর রহমান ও সদস্য সচিব আবদুল হান্নান প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%