ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিস্তার পানি বৃদ্ধি, খুলে দেওয়া হলো জলকপাট


তিস্তার পানি বৃদ্ধি, খুলে দেওয়া হলো জলকপাট

তিস্তায় আবার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোমবার রাত ৯টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি ছিল ৫১.৯৭ সেন্টিমিটার; যা বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

সোমবার সকাল ৯টায় পানি ছিল ৫১ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার; যা বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে। দুপুর ১২টায় পানি আরও দুই সেন্টিমিটার কমে ৫১.৭৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল; যা বিকাল ৩টা পর্যন্ত একই লেভেলে ছিল।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

তিনি আরো বলেন, মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়। পরে রাত ৯টায় আরও সাত সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে তিস্তা নদীর পানি ২৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

অপরদিকে, ভারতের দোমোহনী পয়েন্টে রাত ৯টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার (৮৫.৯৫) ৩৬ সেন্টিমিটার (৮৫.৬৯) নিচ দিয়ে এবং মেখলিগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার (৬৫.৯৫) দশমিক ২০ সেন্টিমিটার (৬৬.১৫) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানা যায়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, “উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর জন্য কমলা সংকেত জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি নদী তীরবর্তী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে, পানি বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেকেই নদীর পানি বৃদ্ধির খবর জানার জন্য খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: বালিয়াডাঙ্গীতে পতিলাভাষা যুব সমাজের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত

তবে তিস্তার পানি আরও বাড়তে থাকলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৩ জুন ২০২৬: আজকের নামাজের সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ এম


২৩ জুন ২০২৬: আজকের নামাজের সময়সূচি

আজ মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, ৭ মহররম, ১৪৪৮।

ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু হবে ১২টা ০৪ মিনিটে।

আসরের সময় শুরু হবে ৪টা ৪০ মিনিটে।

মাগরিবের সময় ৬টা ৫৩ মিনিটে।

এশার সময় শুরু হবে ৮টা ১৯ মিনিটে।

আগামীকাল ফজরের সময় শুরু হবে ৩টা ৪৭ মিনিটে।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ১২ মিনিটে।

সূত্র: ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিসা ও কনস্যুলার ফি পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ এম


ভিসা ও কনস্যুলার ফি পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে সংগৃহীত ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন ব্যবস্থার আওতায়, স্থানীয় ভিসা প্রসেসিং এজেন্টরা অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা ফি সংশ্লিষ্ট দূতাবাস, তাদের বিদেশস্থ কার্যালয় বা নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর সুযোগ পাবেন।

সোমবার (২২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার প্রকাশ করা হয়। সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে পাঠানোর সময় কিছু নির্দিষ্ট শর্ত অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক হবে। ভিসা ফি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দূতাবাস দ্বারা নির্ধারিত হারে সংগ্রহ করতে হবে। সেইসাথে, দূতাবাস বা তাদের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের ইস্যুকৃত ইনভয়েস সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক।

এছাড়া, প্রতিটি আবেদনকারীর কাছ থেকে সংগৃহীত ফি সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সংকলন করতে হবে। বিদেশে অর্থ প্রেরণের আগে প্রযোজ্য সকল ধরনের কর যথাযথভাবে কর্তন করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করাও আবশ্যক। নতুন নির্দেশনার ফলে ভিসা ফি পরিশোধ ও বিদেশে প্রেরণের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত এবং সুশৃঙ্খল হবে বলেও উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে, এ ধরনের লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে বলেও তাদের ধারণা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষকের শ্রম আল্লাহর কুদরতের এক অনন্য নিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ এম


কৃষকের শ্রম আল্লাহর কুদরতের এক অনন্য নিদর্শন

কৃষিকাজ যে একটি অতি শ্রেষ্ঠ পেশা, এটি আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শনের মধ্যে একটি এবং মানুষের অন্তরে ঈমানকে সুদৃঢ় করার একটি মাধ্যম।

এটি মহান আল্লাহর একত্ববাদের স্পষ্ট প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, 'তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমরা যে বীজ বপন করো? তোমরাই কি তা উৎপন্ন করো, নাকি আমরাই উৎপন্নকারী?' (সুরা : আল-ওয়াকিয়া, আয়াত : ৬৩-৬৪)

কৃষিজগতের বিভিন্ন বৈচিত্র্য আল্লাহর কুদরতের এক মহান নিদর্শন। এখানে দেখা যায়, কিছু শস্য, কিছু ফল, কিছু ফুল, কিছু ঘাস, কিছু ফলমূল, কিছু শাক-সবজি, কিছু লতানো এবং কিছু মাচাবিহীন—এগুলো সবই আল্লাহর সৃষ্টির বিস্ময়। আল্লাহ তাআলা বলেন, 'অতএব মানুষ যেন তার খাদ্যের প্রতি দৃষ্টি দেয়।

আমিই প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করেছি, অতঃপর আমি জমিনকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করেছি। তারপর তাতে উৎপন্ন করেছি শস্য, আঙুর, শাক-সবজি, জলপাই, খেজুর, ঘন বৃক্ষরাজির উদ্যান, ফলমূল ও ঘাস—তোমাদের ও তোমাদের পশুদের ভোগের জন্য।' (সুরা : আবাসা, আয়াত : ২৪-৩২)

কৃষকের কাজ আল্লাহর কুদরতের প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট। কৃষক মাটিতে একটি বীজ বপন করে, আল্লাহর দেওয়া পানি দিয়ে তা সেচ দেয়, আল্লাহর তৈরি জমি প্রস্তুত করে এবং আল্লাহর দেওয়া যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। এরপর সে অপেক্ষা করে—এই বীজ থেকে কী বের হয়।

কিন্তু কে সেই বীজকে বিদীর্ণ করে অঙ্কুর বের করেন? কে মাটিকে ভেদ করে ফসল বের করেন? আল্লাহ ছাড়া আর কে? ফসল দুনিয়ার ক্ষণস্থায়িত্বের জীবন্ত উদাহরণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, 'পার্থিব জীবনের দৃষ্টান্ত হলো এমন—যেমন আমি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি, ফলে তার দ্বারা জমিনের উদ্ভিদ মানুষের ও পশুর খাদ্যের সঙ্গে মিশে যায়। অবশেষে যখন জমিন তার সৌন্দর্য ধারণ করে এবং সুশোভিত হয়, আর তার অধিবাসীরা মনে করে যে তারা এর ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান, তখন আমার আদেশ রাত বা দিনে এসে পড়ে। অতঃপর আমি তাকে এমনভাবে কেটে ফেলি যেন গতকাল এখানে কিছুই ছিল না। এভাবেই আমি চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শনগুলো বিস্তারিত বর্ণনা করি।' (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ২৪)

এই উদাহরণের মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে বুঝিয়েছেন—মানুষও প্রথমে দুর্বল অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে, পরে যৌবনে শক্তিশালী হয় এবং মনে করে সে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকবে, সব কিছু করতে পারবে।

তারপর বার্ধক্য আসে, শক্তি কমে যায়, অবশেষে তার জীবনও সেই ফসলের মতো হয়ে যায়, যা প্রথমে সবুজ ছিল, পরে শুকিয়ে কেটে ফেলা হয়। ফসল, উত্তম কথা ও দান একে অপরের সঙ্গে গভীর সম্পর্কযুক্ত।

আল্লাহ তাআলা উত্তম ও মন্দ কথার উদাহরণ দিয়ে বলেন, 'তুমি কি দেখনি, আল্লাহ কিভাবে দৃষ্টান্ত দিয়েছেন? উত্তম বাক্য হলো উত্তম বৃক্ষের মতো, যার মূল সুদৃঢ় এবং যার শাখা আকাশে। সে তার রবের অনুমতিতে সর্বদা ফল দান করে। আর মন্দ বাক্যের দৃষ্টান্ত হলো মন্দ বৃক্ষের মতো, যা জমিনের ওপর থেকে উপড়ে ফেলা হয়েছে, যার কোনো স্থায়িত্ব নেই।' (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ২৪-২৬)

অতএব, উত্তম কথা ও সৎকর্মের সঙ্গে ফসলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কৃষিকাজ ও আল্লাহর ইবাদতের মধ্যে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ। উদ্ভিদ আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করে। আল্লাহ বলেন, 'সাত আসমান, জমিন এবং এতে যা কিছু আছে সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। এমন কোনো বস্তু নেই যা তাঁর প্রশংসাসহ তাসবিহ করে না; কিন্তু তোমরা তাদের তাসবিহ বুঝতে পারো না।' (সুরা : আল-ইসরা/বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৪৪)

উদ্ভিদ আল্লাহর সামনে সিজদা করে। আল্লাহ বলেন, 'আর তৃণলতা ও বৃক্ষ উভয়েই সিজদা করে।' (সুরা : আর-রহমান, আয়াত : ৬) ফসলের মধ্যে জাকাত রয়েছে। আল্লাহ বলেন, 'আর ফসল কাটার দিন তার হক (জাকাত) প্রদান করো।' (সুরা : আল-আনআম, আয়াত : ১৪১)

কৃষিকাজ ও হজের সম্পর্কও উল্লেখযোগ্য। হজের সময় মক্কার পবিত্র এলাকার উদ্ভিদ ও গাছপালা নষ্ট করা নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'আল্লাহ মক্কাকে হারাম (পবিত্র) করেছেন। আমার আগে বা আমার পরে কারোর জন্য এটি বৈধ নয়। আমার জন্যও দিনের কিছু সময়ের জন্য বৈধ করা হয়েছিল। এর ঘাস কাটা যাবে না, গাছ কাটা যাবে না, শিকার তাড়ানো যাবে না...' (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৩৩)

কৃষিকাজ একটি নৈতিক শিক্ষালয়। কৃষি মানুষকে বহু উত্তম চরিত্র শিক্ষা দেয়। যেমন—

১. আমানতদারি: কৃষকের হাতে মানুষের জীবনধারণের একটি বড় আমানত রয়েছে, যা সঠিকভাবে রক্ষা করা জরুরি। ইউসুফ (আ.) মিসরের রাজার স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছিলেন— 'তোমরা সাত বছর ধারাবাহিকভাবে চাষ করবে। অতঃপর যা কাটবে তা শীষের মধ্যে রেখে দেবে, সামান্য যা খাবে তা ছাড়া। এরপর আসবে সাতটি কঠিন বছর, যা তোমাদের সঞ্চিত সব খেয়ে ফেলবে...' (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৪৭-৪৯)

তাঁদের এই পরামর্শ অনুসরণের ফলে আল্লাহর ইচ্ছায় তারা দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা পেয়েছিল।

২. বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করা: ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে বের হওয়ার পর আল্লাহ তাঁর জন্য ইয়াকতিনগাছ উৎপন্ন করেছিলেন, যা তাঁর দুর্বলতা দূর করেছিল। আল্লাহ বলেন, 'অতঃপর আমি তাকে তীরে নিক্ষেপ করলাম, তখন সে ছিল অসুস্থ। আর আমি তার ওপর একটি ইয়াকতিনগাছ উৎপন্ন করলাম।' (সুরা : আস-সাফফাত, আয়াত : ১৪৫-১৪৬)

এভাবেই মরিয়ম (আ.)-এর জন্য খেজুরের ব্যবস্থা করা হয়েছিল— 'আর তুমি খেজুরগাছের কাণ্ড তোমার দিকে নাড়াও, তা তোমার ওপর পাকা তাজা খেজুর ফেলবে।' (সুরা : মারইয়াম, আয়াত : ২৫)

৩. আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা: কৃষক প্রতিদিন নিজের চোখের সামনে আল্লাহর নিয়ামত দেখতে পায়। তাই তার উচিত আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। দুই বাগানের মালিকের ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয়—সে আল্লাহর নিয়ামত অস্বীকার করেছিল। তার মুমিন বন্ধু তাকে বলেছিল— 'তুমি যখন তোমার বাগানে প্রবেশ করলে তখন কেন বললে না—মাশাআল্লাহ, আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোনো শক্তি নেই?' (সুরা : আল-কাহফ, আয়াত : ৩৯)

কিন্তু সে শিক্ষা গ্রহণ করেনি, তাই তার বাগান ধ্বংস হয়ে যায়।

উপসংহার: কৃষকদের জন্য এর চেয়ে বড় সম্মান আর কী হতে পারে যে মহান আল্লাহ তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবিদের উদাহরণ দিয়েছেন ফসলের মাধ্যমে। আল্লাহ বলেন, 'মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল এবং তাঁর সঙ্গীরা কাফিরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি দয়ালু। তুমি তাদের দেখবে তারা রুকু ও সিজদায় অবনত, তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে। তাওরাত ও ইনজিলে তাদের দৃষ্টান্ত হলো এমন একটি চারাগাছের মতো, যা প্রথমে কুঁড়ি বের করে, পরে শক্তিশালী করে, তারপর তা মোটা ও দৃঢ় হয় এবং নিজের কাণ্ডের ওপর দাঁড়িয়ে যায়—যা কৃষকদের আনন্দ দেয়।' (সুরা : আল-ফাতহ, আয়াত : ২৯)

অতএব, কৃষিকাজ শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়; বরং এটি আল্লাহর নিদর্শন, ইবাদতের একটি ক্ষেত্র এবং মানবতার সেবার এক মহান পথ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির কাছে রেকর্ড হারিয়ে মুখ খুললেন ক্লোসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ এম


মেসির কাছে রেকর্ড হারিয়ে মুখ খুললেন ক্লোসা

১৮ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে লিওনেল মেসি এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে এই নতুন রেকর্ডটি গড়েন তিনি। যদিও মেসির কাছে রেকর্ডটি হারানোর পরেও বিষয়টি ক্লোসা বেশ রসিকতার ছলে এবং ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের নতুন কীর্তি গড়ায় লিওনেল মেসিকে তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘জিউডডয়েচে সাইটুং’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লোসা বলেন, ‘আমি সব সময়ই বলেছি, মেসি(রেকর্ড ভাঙলে) মোটেও মন্দ নয়! আমার চোখে লিওনেল মেসিই সর্বকালের সেরা ফুটবলার। অভিনন্দন, চ্যাম্পিয়ন!’

জানা যায়, এর আগে ১৬ গোল নিয়ে দীর্ঘ সময় জার্মান কিংবদন্তি ক্লোসার দখলে ছিল বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসন। তবে গত সোমবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আর্জেন্টিনার ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে নিজের ১৭ ও ১৮তম গোলটি করে ক্লোসাকে ছাড়িয়ে যান মেসি।

চলতি বিশ্বকাপে নিজের এই রেকর্ড ভেঙে যাবে এমনটা টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে সংবাদমাধ্যমটিকে ক্লোসা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। রেকর্ড তো একদিন না একদিন ভাঙবেই, আর মেসি যদি সেটা ভাঙে তবে তাকে স্বাগত। আমি সবসময়ই মেসির একজন বড় ভক্ত। মেসি এক কথায় একজন জিনিয়াস।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%