ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খালি পেটে চা পান করলে অন্ত্রের ক্ষতির সম্ভাবনা: বিশেষজ্ঞদের মতামত


খালি পেটে চা পান করলে অন্ত্রের ক্ষতির সম্ভাবনা: বিশেষজ্ঞদের মতামত

দিনের শুরুতে কিংবা বিকেলের অবসরে এক কাপ চা অনেকের কাছে পছন্দের পানীয় হয়ে উঠেছে। কর্মব্যস্ত দিনের মাঝে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে আড্ডা দেওয়ার অভ্যাসও বেশ জনপ্রিয়। তবে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর খালি পেটে চা পান করার স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে, এ অভ্যাসের ফলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও হজমের প্রক্রিয়ায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে কি না, তা জানা জরুরি।

চা পান করলেই যে অন্ত্রের ক্ষতি হবে, এমন কোনো প্রমাণ নেই। তবে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, চায়ের ধরন, ঘনত্ব এবং ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীলতার ওপর নির্ভর করে খালি পেটে চা পান করলে কারও কারও হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

খালি পেটে চা পান করলে কী সমস্যা হতে পারে?

আরও পড়ুন: ‘পর্যটন মেলা, ২০২৬’ বৃহস্পতিবার শুরু, প্রযুক্তি ও টেকসই পর্যটন নিয়ে আলোচনা

অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকার পর কড়া চা পান করলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের পেটে অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই অ্যাসিডিটি বা হজমের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বুকজ্বালা, বমি বমি ভাব, পেট ফাঁপা কিংবা পেটে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

তবে সবার ক্ষেত্রে এমন সমস্যা হয় না। যারা খালি পেটে চা পান করেও কোনো অস্বস্তি অনুভব করেন না, তাদের জন্য এই অভ্যাসের কারণে চা খাওয়া বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।

চা কি অ্যাসিডিটি ও পেট ফাঁপা বাড়ায়?

চায়ে থাকা ক্যাফেইন এবং অন্যান্য উপাদান কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের উপসর্গ বাড়াতে পারে। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বা বুকজ্বালার প্রবণতা রয়েছে, তাদের কড়া চা পান করার পর অস্বস্তি হতে পারে।

আরও পড়ুন: ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, জনপ্রিয় হলো কিভাবে

এ ছাড়া চায়ের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেলে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতায় ভোগা ব্যক্তিদের পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা কিংবা পাতলা পায়খানা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ চা নয়, বরং দুধের ল্যাকটোজ হতে পারে।

তাহলে চা পানের পর নিয়মিত অস্বস্তি হলে চায়ের ঘনত্ব কমানো, দুধ ছাড়া চা পান করা কিংবা খাবারের পরে চা খেয়ে নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।

যাদের খালি পেটে চা পান এড়িয়ে চলা ভালো

অ্যাসিড রিফ্লাক্স, গ্যাস্ট্রাইটিস, বদহজম কিংবা পেটের অন্যান্য সমস্যায় ভুগছেন—এমন ব্যক্তিদের খালি পেটে কড়া চা পান না করাই ভালো হতে পারে। একইভাবে, যারা ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীল, তাদের চা পানের পরিমাণ ও সময়ের দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: প্রেম খুঁজতে ফিনল্যান্ডে বিনা খরচে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন কারা?

বিশেষ করে বিকেল বা সন্ধ্যার পর বেশি চা পান করলে কারও কারও ঘুমের সমস্যা হতে পারে। ক্যাফেইনের প্রভাব ব্যক্তিভেদে আলাদা হওয়ায় ঘুমের সমস্যা থাকলে শোয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই চা এড়িয়ে চলা উপকারী হতে পারে।

চায়ের সঙ্গে কী খাওয়া ভালো?

খালি পেটে চা পান করলে অস্বস্তি হয়, এমন ব্যক্তিরা চায়ের সঙ্গে হালকা নাশতা খেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি ভালো বিকল্প হলো—

এসব খাবার পুষ্টি সরবরাহের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ক্ষুধা কমাতেও সাহায্য করতে পারে। তবে নাশতা খেলেই চায়ের কারণে হওয়া সব ধরনের অস্বস্তি দূর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

আরও পড়ুন: ইলন মাস্কের সাফল্য নিয়ে ৮টি অনুপ্রেরণামূলক উক্তি

অন্ত্রের স্বাস্থ্যে চায়ের ভূমিকা কী?

চা শুধু জনপ্রিয় পানীয়ই নয়, এতে এমন কিছু উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে, যা অন্ত্রের অণুজীবের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিউট্রিয়েন্টস সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় চায়ের পলিফেনল এবং অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম বলতে পরিপাকতন্ত্রে বসবাসকারী অসংখ্য অণুজীবের সমষ্টিকে বোঝায়। এগুলো হজম, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গ্রিন টি-তে ক্যাটেচিন এবং কালো চায়ে থিয়াফ্ল্যাভিনের মতো পলিফেনল রয়েছে। এসব উপাদান অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে। আবার অন্ত্রের কিছু ব্যাকটেরিয়া পলিফেনল ভেঙে বিভিন্ন বিপাকজাত উপাদান তৈরি করে। এভাবে চা ও অন্ত্রের অণুজীবের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: বেগুনের খোসায় ফিরবে চুলের উজ্জ্বলতা

কিছু গবেষণায় গ্রিন টি পান করার সঙ্গে উপকারী অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার পরিবর্তনের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। চা পান করলেই অন্ত্রের স্বাস্থ্য নিশ্চিতভাবে ভালো হবে, কিংবা প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ চা সবার জন্য উপকারী—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর যথেষ্ট প্রমাণ নেই।

সুস্থ থাকতে কী করবেন?

চা সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার পরিবর্তে নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। খালি পেটে চা পান করলে বুকজ্বালা, বমি বমি ভাব বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হলে খাবারের পরে চা পান করুন এবং অতিরিক্ত কড়া চা এড়িয়ে চলুন। পাশাপাশি ক্যাফেইনের পরিমাণ ও চিনি ব্যবহারের দিকেও নজর দিন।

সবশেষে মনে রাখা প্রয়োজন, অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু চায়ের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি, আঁশসমৃদ্ধ খাবার এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রমও গুরুত্বপূর্ণ। চা পান করার পর বারবার পেটে ব্যথা, বুকজ্বালা বা অন্য কোনো সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের ভিড়, নীলাকাশে উঁকি দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যালন ডি’অর দেখতে কেইনের প্রতি আকৃষ্ট বেলিংহ্যাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


ব্যালন ডি’অর দেখতে কেইনের প্রতি আকৃষ্ট বেলিংহ্যাম

হ্যাটট্রিক, বিশ্বকাপে গোল এবং বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স—এই সবকিছুর মধ্যে দিয়ে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে তার সাফল্যে মুগ্ধ সতীর্থ জুড বেলিংহ্যাম। বেলিংহ্যামের বিশ্বাস, ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জেতার সামর্থ্য কেইনের রয়েছে।

মঙ্গলবার উয়েফা নেশনস লিগে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে ইংল্যান্ড। ম্যাচের পর কেইনের প্রশংসা করে রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার বেলিংহ্যাম জানান, ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি কেইনের হাতে উঠলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এ বিষয়ে গোল ডটকম -এর এক প্রতিবেদনে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

কেইনের কঠোর পরিশ্রম, ব্যক্তিত্ব ও অর্জনের প্রশংসা করে বেলিংহ্যাম বলেন, কেইনের পারফরম্যান্স তাকে সব সময় বিস্মিত করে। তিনি মনে করেন, ইংল্যান্ড অধিনায়ক একজন অসাধারণ মানুষ ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব। একই মাঠে খেলতে পারাকে তিনি নিজের জন্য সম্মানের বিষয় হিসেবেও উল্লেখ করেন। কেইন যে সাফল্য অর্জন করেছেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সেগুলোর যোগ্যতা তিনি প্রমাণ করেছেন বলেও মনে করেন এই মিডফিল্ডার।

কেইনের ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা নিয়েও ইতিবাচক বেলিংহ্যাম। তার মতে, এই পুরস্কার জেতা কেইনের পক্ষে অবশ্যই সম্ভব।

চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন বায়ার্নের এই স্ট্রাইকার। ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের ৩-০ গোলের জয়ে জোড়া গোল করেন তিনি। এই ম্যাচের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে সাবেক গোলরক্ষক পিটার শিলটনের পাশে জায়গা করে নেন কেইন। জাতীয় দলের জার্সিতে দুজনেরই ম্যাচসংখ্যা এখন ১২৫। ইংল্যান্ডের হয়ে কেইনের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১-এ।

আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এবারের পুরস্কারের আলোচনায় কেইনের পাশাপাশি রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের এই স্বীকৃতি, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়া গোলাম পরওয়ার: আমার নামে একটি রিকশাও নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ এম


মিয়া গোলাম পরওয়ার: আমার নামে একটি রিকশাও নেই

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেছেন, ‘৭০০–৮০০ রিকশা তো দূরের কথা, আমার নামে একটি রিকশা আছে— প্রমাণ দিন।’

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে এই কথা বলেন।

জামায়াত সেক্রেটারি উল্লেখ করেন, ‘রাজনৈতিক আদর্শের মোকাবিলায় আদর্শ, চরিত্র ও নৈতিকতা দিয়ে যারা মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়, তারা যে কতটা বিকৃত রুচির, আদর্শহীন ও বিবেকবর্জিত হতে পারে, কথার শালীনতা কতটা নিম্নগামী হতে পারে, তা তাদের কর্মকাণ্ডেই প্রকাশ পায়। কয়েক দিন ধরে ভুয়া ফটোকার্ড এবং একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রুপের পক্ষ থেকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ যার নিজের একটি রিকশাও নেই, তিনি নাকি ৭০০–৮০০ রিকশার মালিক! এ ধরনের প্রচারণা মানুষকে অবাক করেছে, বিস্মিত করেছে।’

গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশনের রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন প্রশাসকও যখন এই মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে একই কথা বলতে থাকেন, তখন আর কী বলার থাকে। কিছু করার না থাকলে খই ভাজ, অবস্থা যেন এমনই! কোনও শিক্ষিত, ভদ্র ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ কি এ ধরনের মিথ্যাচার করতে পারেন? তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা দেখে তাদের জন্য আমার খুব মায়া হয়। তাদের জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত।

জামায়াত সেক্রেটারি মন্তব্য করেন, ‘আবার এসব অসত্য তথ্য নিয়ে টকশোতে তথাকথিত কিছু সুশীল ব্যক্তি, যারা সরকারি দলের তেলবাজি ও চাটুকারিতার মাধ্যমে তাদের প্রিয়ভাজন হতে চান, বিভিন্ন পদ-পদবি কিংবা পদোন্নতি পাওয়ার আশায় টকশোর টেবিলে বসেন, তারাও এসব অসত্য তথ্য নিয়ে মিথ্যা গল্প ফাঁদছেন, যা মানুষের কাছে অরুচিকর ও হাস্যকর মনে হচ্ছে।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘৭০০–৮০০ রিকশার মালিক যদি আমাকে কেউ বানিয়ে দেন, তাহলে হাসি-রসিকতা ছাড়া আর কী-ই বা করার আছে। আমি তো বলেছি, ৭০০–৮০০টি রিকশা লাগবে না, সারা বাংলাদেশের যেকোনও জায়গায়, যেকোনও শহরে আমার নামে একটি রিকশা আছে, এমন প্রমাণও যদি কেউ দিতে পারেন, তা-ই যথেষ্ট। এত দিন ধরে এত গল্প বলা হচ্ছে, অথচ সরকারের এতগুলো সংস্থা ও বিভিন্ন বিভাগ থাকা সত্ত্বেও আমার নামে একটি রিকশারও সন্ধান দিতে পারলেন না! শুধু গল্পই বলে যাচ্ছেন। এত ভিত্তিহীন গল্প বলতে আপনাদের রুচিতে বাধে না?’

জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সত্য তুলে ধরতে ব্যস্ত, যারা হলুদ সাংবাদিকতা ও অসত্য প্রচারের বিরুদ্ধে সত্যনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করতে চান, তাদের এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
‘জামায়াতের সেক্রেটারির ৭০০ অটোরিকশা’

জামায়াত ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছে প্রমাণ চাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ এম


জামায়াত ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছে প্রমাণ চাইল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন মন্তব্য করেছেন যে, তার ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে। জামায়াত এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের দাবি জানিয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াত প্রশাসকের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রমাণ চেয়েছে।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, "ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কর্তৃক একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের ৭০০টি অটোরিকশা থাকার বিষয়ে প্রদত্ত বক্তব্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।" তিনি আরও জানান, শুক্রবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এর ফলে তারা এ ধরনের কাল্পনিক, অসত্য, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মন্তব্য করেন, "একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছ থেকে জনগণ দায়িত্বশীল, তথ্যনির্ভর ও শালীন বক্তব্য প্রত্যাশা করে।" তিনি বলেন, "কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে ইঙ্গিত করে তার ব্যক্তিগত মালিকানায় ৭০০টি অটোরিকশা থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করার আগে এর সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা অপরিহার্য।" তিনি যুক্ত করেন, "এ ধরনের বক্তব্যের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন না করে মন্তব্য করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক নয়।"

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, "অটোরিকশা চলাচল, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং চালকদের জীবিকা-সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো বাস্তবতা ও জনস্বার্থের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।" তিনি উল্লেখ করেন, "এসব বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা অবস্থানকে খণ্ডন করতে হলে যুক্তি, তথ্য ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে তা করা উচিত; কোনো নেতার বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অভিযোগ তুলে নয়।"

বিবৃতিতে তিনি বলেন, "আমরা ডিএনসিসি প্রশাসককে তার বক্তব্যের সপক্ষে সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন করার আহ্বান জানাচ্ছি।" তিনি শেষ করেন, "যদি প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যামাজনে নতুন ছাঁটাই, প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ এম


অ্যামাজনে নতুন ছাঁটাই, প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারালেন

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনে আবারও কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এইবার প্রতিষ্ঠানটির খুচরা ব্যবসা বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত কর্মীদের চাকরি হারাতে হয়েছে। যদিও অ্যামাজনের পক্ষ থেকে ছাঁটাইয়ের পরিসরকে তুলনামূলকভাবে ছোট বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এতে প্রায় এক হাজার কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার থেকে অ্যামাজনের দুই দিনব্যাপী বিশেষ বিক্রয় আয়োজন ‘প্রাইম বিগ ডিল ডেজ’ শুরু হয়। বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড়ের এই আয়োজন বুধবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় কার্যক্রম চলাকালেই নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর সামনে এসেছে।

অ্যামাজনের খুচরা ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ‘স্টোরস’-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ই-কমার্স ওয়েবসাইট পরিচালিত হয়। এক বিবৃতিতে অ্যামাজনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিভাগের কিছু অংশে সাংগঠনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ব্যবসার বর্তমান অগ্রাধিকারগুলো আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই নতুন কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

অভ্যন্তরীণ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ‘স্টোরস’ বিভাগের একাধিক ইউনিটে এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে গ্রাহকসেবা এবং বিক্রেতা অংশীদারদের সহায়তা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত কর্মীরাও রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ভারত ও যুক্তরাজ্যে কর্মরত কিছু কর্মীও এই ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়েছেন বলে জানা গেছে।

একাধিক দফায় কর্মী কমিয়েছে অ্যামাজন

গত বছর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীসংখ্যা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে অ্যামাজন। এর আগে প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের একটি বড় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, যা চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এরপরও বিভিন্ন বিভাগে সীমিত পরিসরে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটির কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআই বিভাগের কর্মীরাও ছাঁটাইয়ের শিকার হন।

অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান জেফ বেজোসও প্রতিষ্ঠানটির আগের কর্মী ছাঁটাই নিয়ে কথা বলেছেন। বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, করোনাভাইরাস মহামারির সময় অনলাইনে কেনাকাটার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অ্যামাজন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কর্মী নিয়োগ করেছিল।

বেজোসের ভাষ্য অনুযায়ী, মহামারির সময় মানুষ ঘরে অবস্থান করে বিপুল পরিমাণ পণ্য অর্ডার করছিলেন। এতে অ্যামাজনের কার্যক্রমের ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয় এবং চাহিদা সামাল দিতে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত কর্মী নিয়োগ করতে হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেই অতিরিক্ত জনবল সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

পুনর্গঠন ও এআইতে বিনিয়োগে গুরুত্ব

নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর এমন সময়ে এল, যখন অ্যামাজন ব্যবসার বিভিন্ন অংশে সাংগঠনিক পরিবর্তন আনার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কাজের পদ্ধতি আরও কার্যকর করা এবং পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে সর্বশেষ ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে ঠিক কতজন কর্মী চাকরি হারিয়েছেন, সে বিষয়ে অ্যামাজন নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক হাজার কর্মী এই সিদ্ধান্তের প্রভাবের মুখে পড়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%