ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্যালন ডি’অর দেখতে কেইনের প্রতি আকৃষ্ট বেলিংহ্যাম


ব্যালন ডি’অর দেখতে কেইনের প্রতি আকৃষ্ট বেলিংহ্যাম

হ্যাটট্রিক, বিশ্বকাপে গোল এবং বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স—এই সবকিছুর মধ্যে দিয়ে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে তার সাফল্যে মুগ্ধ সতীর্থ জুড বেলিংহ্যাম। বেলিংহ্যামের বিশ্বাস, ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জেতার সামর্থ্য কেইনের রয়েছে।

মঙ্গলবার উয়েফা নেশনস লিগে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে ইংল্যান্ড। ম্যাচের পর কেইনের প্রশংসা করে রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার বেলিংহ্যাম জানান, ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি কেইনের হাতে উঠলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এ বিষয়ে গোল ডটকম -এর এক প্রতিবেদনে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

কেইনের কঠোর পরিশ্রম, ব্যক্তিত্ব ও অর্জনের প্রশংসা করে বেলিংহ্যাম বলেন, কেইনের পারফরম্যান্স তাকে সব সময় বিস্মিত করে। তিনি মনে করেন, ইংল্যান্ড অধিনায়ক একজন অসাধারণ মানুষ ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব। একই মাঠে খেলতে পারাকে তিনি নিজের জন্য সম্মানের বিষয় হিসেবেও উল্লেখ করেন। কেইন যে সাফল্য অর্জন করেছেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সেগুলোর যোগ্যতা তিনি প্রমাণ করেছেন বলেও মনে করেন এই মিডফিল্ডার।

আরও পড়ুন: এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপে আজ মুখোমুখি হচ্ছে কে-কার

কেইনের ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা নিয়েও ইতিবাচক বেলিংহ্যাম। তার মতে, এই পুরস্কার জেতা কেইনের পক্ষে অবশ্যই সম্ভব।

চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন বায়ার্নের এই স্ট্রাইকার। ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের ৩-০ গোলের জয়ে জোড়া গোল করেন তিনি। এই ম্যাচের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে সাবেক গোলরক্ষক পিটার শিলটনের পাশে জায়গা করে নেন কেইন। জাতীয় দলের জার্সিতে দুজনেরই ম্যাচসংখ্যা এখন ১২৫। ইংল্যান্ডের হয়ে কেইনের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১-এ।

আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এবারের পুরস্কারের আলোচনায় কেইনের পাশাপাশি রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের এই স্বীকৃতি, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।

আরও পড়ুন: মিরপুর টেস্টের একাদশে নেই মুশফিক, ইনজুরির কারণে বাদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়া গোলাম পরওয়ার: আমার নামে একটি রিকশাও নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ এম


মিয়া গোলাম পরওয়ার: আমার নামে একটি রিকশাও নেই

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেছেন, ‘৭০০–৮০০ রিকশা তো দূরের কথা, আমার নামে একটি রিকশা আছে— প্রমাণ দিন।’

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে এই কথা বলেন।

জামায়াত সেক্রেটারি উল্লেখ করেন, ‘রাজনৈতিক আদর্শের মোকাবিলায় আদর্শ, চরিত্র ও নৈতিকতা দিয়ে যারা মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়, তারা যে কতটা বিকৃত রুচির, আদর্শহীন ও বিবেকবর্জিত হতে পারে, কথার শালীনতা কতটা নিম্নগামী হতে পারে, তা তাদের কর্মকাণ্ডেই প্রকাশ পায়। কয়েক দিন ধরে ভুয়া ফটোকার্ড এবং একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রুপের পক্ষ থেকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অথচ যার নিজের একটি রিকশাও নেই, তিনি নাকি ৭০০–৮০০ রিকশার মালিক! এ ধরনের প্রচারণা মানুষকে অবাক করেছে, বিস্মিত করেছে।’

গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশনের রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন প্রশাসকও যখন এই মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে একই কথা বলতে থাকেন, তখন আর কী বলার থাকে। কিছু করার না থাকলে খই ভাজ, অবস্থা যেন এমনই! কোনও শিক্ষিত, ভদ্র ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ কি এ ধরনের মিথ্যাচার করতে পারেন? তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা দেখে তাদের জন্য আমার খুব মায়া হয়। তাদের জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত।

জামায়াত সেক্রেটারি মন্তব্য করেন, ‘আবার এসব অসত্য তথ্য নিয়ে টকশোতে তথাকথিত কিছু সুশীল ব্যক্তি, যারা সরকারি দলের তেলবাজি ও চাটুকারিতার মাধ্যমে তাদের প্রিয়ভাজন হতে চান, বিভিন্ন পদ-পদবি কিংবা পদোন্নতি পাওয়ার আশায় টকশোর টেবিলে বসেন, তারাও এসব অসত্য তথ্য নিয়ে মিথ্যা গল্প ফাঁদছেন, যা মানুষের কাছে অরুচিকর ও হাস্যকর মনে হচ্ছে।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘৭০০–৮০০ রিকশার মালিক যদি আমাকে কেউ বানিয়ে দেন, তাহলে হাসি-রসিকতা ছাড়া আর কী-ই বা করার আছে। আমি তো বলেছি, ৭০০–৮০০টি রিকশা লাগবে না, সারা বাংলাদেশের যেকোনও জায়গায়, যেকোনও শহরে আমার নামে একটি রিকশা আছে, এমন প্রমাণও যদি কেউ দিতে পারেন, তা-ই যথেষ্ট। এত দিন ধরে এত গল্প বলা হচ্ছে, অথচ সরকারের এতগুলো সংস্থা ও বিভিন্ন বিভাগ থাকা সত্ত্বেও আমার নামে একটি রিকশারও সন্ধান দিতে পারলেন না! শুধু গল্পই বলে যাচ্ছেন। এত ভিত্তিহীন গল্প বলতে আপনাদের রুচিতে বাধে না?’

জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সত্য তুলে ধরতে ব্যস্ত, যারা হলুদ সাংবাদিকতা ও অসত্য প্রচারের বিরুদ্ধে সত্যনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে সাংবাদিকতাকে সমৃদ্ধ করতে চান, তাদের এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
‘জামায়াতের সেক্রেটারির ৭০০ অটোরিকশা’

জামায়াত ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছে প্রমাণ চাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ এম


জামায়াত ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছে প্রমাণ চাইল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন মন্তব্য করেছেন যে, তার ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে। জামায়াত এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের দাবি জানিয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াত প্রশাসকের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রমাণ চেয়েছে।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, "ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কর্তৃক একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের ৭০০টি অটোরিকশা থাকার বিষয়ে প্রদত্ত বক্তব্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।" তিনি আরও জানান, শুক্রবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এর ফলে তারা এ ধরনের কাল্পনিক, অসত্য, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মন্তব্য করেন, "একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছ থেকে জনগণ দায়িত্বশীল, তথ্যনির্ভর ও শালীন বক্তব্য প্রত্যাশা করে।" তিনি বলেন, "কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাকে ইঙ্গিত করে তার ব্যক্তিগত মালিকানায় ৭০০টি অটোরিকশা থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করার আগে এর সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা অপরিহার্য।" তিনি যুক্ত করেন, "এ ধরনের বক্তব্যের পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন না করে মন্তব্য করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক নয়।"

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, "অটোরিকশা চলাচল, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং চালকদের জীবিকা-সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো বাস্তবতা ও জনস্বার্থের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।" তিনি উল্লেখ করেন, "এসব বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা অবস্থানকে খণ্ডন করতে হলে যুক্তি, তথ্য ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে তা করা উচিত; কোনো নেতার বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অভিযোগ তুলে নয়।"

বিবৃতিতে তিনি বলেন, "আমরা ডিএনসিসি প্রশাসককে তার বক্তব্যের সপক্ষে সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন করার আহ্বান জানাচ্ছি।" তিনি শেষ করেন, "যদি প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে দুঃখ প্রকাশ করার দাবি জানাচ্ছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যামাজনে নতুন ছাঁটাই, প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ এম


অ্যামাজনে নতুন ছাঁটাই, প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারালেন

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনে আবারও কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এইবার প্রতিষ্ঠানটির খুচরা ব্যবসা বিভাগের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত কর্মীদের চাকরি হারাতে হয়েছে। যদিও অ্যামাজনের পক্ষ থেকে ছাঁটাইয়ের পরিসরকে তুলনামূলকভাবে ছোট বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, এতে প্রায় এক হাজার কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার থেকে অ্যামাজনের দুই দিনব্যাপী বিশেষ বিক্রয় আয়োজন ‘প্রাইম বিগ ডিল ডেজ’ শুরু হয়। বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড়ের এই আয়োজন বুধবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিক্রয় কার্যক্রম চলাকালেই নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর সামনে এসেছে।

অ্যামাজনের খুচরা ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ‘স্টোরস’-এর আওতায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ই-কমার্স ওয়েবসাইট পরিচালিত হয়। এক বিবৃতিতে অ্যামাজনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই বিভাগের কিছু অংশে সাংগঠনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ব্যবসার বর্তমান অগ্রাধিকারগুলো আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই নতুন কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

অভ্যন্তরীণ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ‘স্টোরস’ বিভাগের একাধিক ইউনিটে এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে গ্রাহকসেবা এবং বিক্রেতা অংশীদারদের সহায়তা দেওয়ার কাজে নিয়োজিত কর্মীরাও রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ভারত ও যুক্তরাজ্যে কর্মরত কিছু কর্মীও এই ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়েছেন বলে জানা গেছে।

একাধিক দফায় কর্মী কমিয়েছে অ্যামাজন

গত বছর থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীসংখ্যা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে অ্যামাজন। এর আগে প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের একটি বড় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, যা চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এরপরও বিভিন্ন বিভাগে সীমিত পরিসরে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটির কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআই বিভাগের কর্মীরাও ছাঁটাইয়ের শিকার হন।

অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান জেফ বেজোসও প্রতিষ্ঠানটির আগের কর্মী ছাঁটাই নিয়ে কথা বলেছেন। বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, করোনাভাইরাস মহামারির সময় অনলাইনে কেনাকাটার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অ্যামাজন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কর্মী নিয়োগ করেছিল।

বেজোসের ভাষ্য অনুযায়ী, মহামারির সময় মানুষ ঘরে অবস্থান করে বিপুল পরিমাণ পণ্য অর্ডার করছিলেন। এতে অ্যামাজনের কার্যক্রমের ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয় এবং চাহিদা সামাল দিতে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত কর্মী নিয়োগ করতে হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেই অতিরিক্ত জনবল সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

পুনর্গঠন ও এআইতে বিনিয়োগে গুরুত্ব

নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর এমন সময়ে এল, যখন অ্যামাজন ব্যবসার বিভিন্ন অংশে সাংগঠনিক পরিবর্তন আনার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কাজের পদ্ধতি আরও কার্যকর করা এবং পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে সর্বশেষ ছাঁটাইয়ের ক্ষেত্রে ঠিক কতজন কর্মী চাকরি হারিয়েছেন, সে বিষয়ে অ্যামাজন নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক হাজার কর্মী এই সিদ্ধান্তের প্রভাবের মুখে পড়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অরিজিৎ সিংয়ের পোস্ট ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ এম


অরিজিৎ সিংয়ের পোস্ট ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু

ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এই গায়ককে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আগে নিজের মত প্রকাশ করতে দেখা গেছে। সম্প্রতি তার একটি পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তিনি কি ক্ষমতাসীন বিজেপিকে পরোক্ষভাবে খোঁচা দিয়েছেন?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, অরিজিৎ সিংয়ের একটি ব্যক্তিগত এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত পোস্টটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দিল্লিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা এবং বাংলাভাষীদের ওপর নির্যাতনের মতো বিষয়েও এর আগে নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন এই শিল্পী।

দীর্ঘদিন ধরেই অরিজিতের রাজনীতিতে যোগদান নিয়ে নানা জল্পনা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তার সাম্প্রতিক পোস্ট সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

‘হু অ্যাম আই’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘হে গেরুয়া বসনধারী! আপনার কথা না শুনিয়া কি পারি? গেরুয়ার ভয়ে করি গেরুয়ার জয়গান। গেরুয়াময় হয়েছে আমার প্রাণ।’

এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এর অন্তর্নিহিত অর্থ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকের ধারণা, পোস্টটির মাধ্যমে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ইঙ্গিত দিয়েছেন গায়ক। বিশেষ করে সাম্প্রতিক নির্বাচন, নির্বাচনের ফলাফল এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে চলমান বিতর্কের সঙ্গে পোস্টটির যোগসূত্র খুঁজছেন নেটিজেনদের একাংশ।

তবে পোস্টটির মাধ্যমে অরিজিৎ সিং ঠিক কাকে উদ্দেশ করে কথা বলেছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে এটি ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে দেওয়া রাজনৈতিক বার্তা কি না, তা নিয়ে জল্পনাই চলছে।

‘গেরুয়া শিবির’ বলতে কাদের বোঝানো হয়?

ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে ‘গেরুয়া শিবির’ শব্দবন্ধটি সাধারণত ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং দলটির রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। দলটির পতাকা ও রাজনৈতিক প্রচারে গেরুয়া রঙের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতির কারণে গণমাধ্যমেও এই শব্দবন্ধ প্রচলিত।

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে অরিজিতের পোস্টটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। তবে পোস্টের বক্তব্য ও তার রাজনৈতিক ব্যাখ্যার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। গায়কের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না আসা পর্যন্ত তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%