সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪২ পি.এম
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাঘের আক্রমণের ফলে নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। বাঘটিকে নিরাপদে উদ্ধার করার লক্ষ্যে সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল থেকে ঢাকা থেকে আগত ছয় সদস্যের বন বিভাগের একটি বিশেষ দল কাজ শুরু করেছে। তবে, এখনো বাঘটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ড্রোন ব্যবহার করে সেটিকে শনাক্ত করার জন্য নজরদারি চালাচ্ছে।
এর আগে, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে স্থানীয়রা বাঘটিকে দেখতে পান, কিন্তু সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেটি আর কারো নজরে আসেনি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এদিকে, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে বাঘের আতঙ্ক এখনও কাটেনি। বাঘের আক্রমণে নারীসহ তিনজন আহত হওয়ার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা নিয়ে রাত-দিন পাহারা দিচ্ছেন। বাঘটিকে শনাক্ত করতে ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে, কিন্তু উদ্ধার এখনও সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় আমঝোল এলাকায় বাঘের আক্রমণে শরিফা বেগম, আফসার হোসেন ও নজরুল ইসলাম আহত হন। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোববার বিকেলে ধানক্ষেতে ছাগল খুঁজতে গিয়ে শরিফা বেগম বাঘের আক্রমণের শিকার হন। এরপর তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুজন বাঘের হামলার শিকার হন। ঘটনার পর থেকে সীমান্ত এলাকার মানুষ বাঘ আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন। বাঘটি রাতভর দেখা গেলেও সোমবার সকাল থেকে সেটি মিলছে না।
রোববার মধ্যরাতে ড্রোন ক্যামেরায় বাঘটিকে শনাক্ত করা সম্ভব হলেও শেষ রাতের দিকে সেটি ক্যামেরার নজরদারির বাইরে চলে যায়। সোমবারও ড্রোন উড়িয়ে বাঘটির অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে বিজিবি।
এদিকে, বাঘটিকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে বন বিভাগের ৬ জনের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
রংপুরের সামাজিক বন বিভাগের উপ-বন সংরক্ষক ও বিভাগীয় বন-কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলাম জানিয়েছেন, "আমাদের মনে হচ্ছে এখানে আর বাঘটি নেই। রোববার রাতেই সে তার নিজ গন্তব্যে চলে গেছে।"
বাঘটি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত সীমান্ত এলাকার মানুষের আতঙ্ক কাটছে না। স্থানীয়রা এখন বন বিভাগের বিশেষ দলের অভিযান এবং বিজিবির নজরদারির দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আগে আগামী ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নবনির্মিত লাইব্রেরি, অডিও-ভিজ্যুয়াল হল ও আর্ট গ্যালারি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। তবে, অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে এগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান।
আজ সোমবার, রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমি সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় নবনির্মিত স্থাপনাগুলোর কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, "মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের গৌরবের ইতিহাস। এ গৌরব ধারণ ও লালন করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব।"
তিনি আরও বলেন, "রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে যাঁরা শায়িত আছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ যেন যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ স্মরণ করে, সে লক্ষ্যেই স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ ও ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।" এখানকার স্থাপনাগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করতেই তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। আশা করা হচ্ছে, আগামী ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আগেই প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে স্থাপনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।
রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নির্মিত লাইব্রেরিতে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা এবং গবেষণার সুযোগ থাকবে। আহমেদ আজম খান বলেন, আর্ট গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা, যুদ্ধ ও বীরত্বগাথা তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পাবে।
মন্ত্রী বলেন, "তারা নিজেরা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের গৌরব। এ গৌরব ধারণ ও লালন করার পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে রেখে যেতে চান তারা।" মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও গৌরবগাথা তুলে ধরা।
পরিদর্শন শেষে, মন্ত্রী আগামী ২৯ অক্টোবর প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে অবশিষ্ট কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনার কথা জানান। একই সঙ্গে নবনির্মিত স্থাপনাগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ‘১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়) (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে এসব অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা।
প্রকল্পের আওতায় বধ্যভূমিতে লাইব্রেরি কাম অডিও-ভিজ্যুয়াল হল, আর্ট গ্যালারি, প্রশাসনিক ও অফিস কক্ষ, জেনারেটর রুম, ১০টি দোকান এবং সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ১০০ কেভিএ ট্রান্সফরমার, ৪০ কেভিএ জেনারেটর, সিসিটিভি ক্যামেরা, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ইন্টারকম, স্টেজ লাইটিং, সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প ও অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। নবনির্মিত লাইব্রেরি, অডিও-ভিজ্যুয়াল হল ও অফিস কক্ষের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রও সরবরাহ করা হয়েছে।
তবে, এসব স্থাপনার কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় মন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আগে স্থাপনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করা এবং ভবিষ্যতে এগুলোর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাকে এখন অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর, অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. শাহজাহান মিয়া, যুগ্মসচিব ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. জেহাদ উদ্দিন, যুগ্মসচিব (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ সামছুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)-এর নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিসিএস (টেলিকম) ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের তারঘীবুল ইসলাম। তার কর্মজীবনে সরকারি ও বেসরকারি খাতে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে ২৮ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএসসিপিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি একই প্রতিষ্ঠানে মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) হিসেবে কাজ করেছেন।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিএসসিপিএলসিতে যোগদানের আগে, তিনি টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে “ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর এস্টাবলিশিং ন্যাশনাল একাডেমি ফর অ্যাডভান্সড টেলিকম রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনএএটিআরটি) অ্যান্ড আইটিইউ রিকগনাইজড টেলিকম টেস্টিং ল্যাবস ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তারঘীবুল ইসলাম টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডে নেটওয়ার্ক প্ল্যানিং, করপোরেট স্ট্র্যাটেজি এবং কোম্পানি সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, তিনি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘সাসেক ইনফরমেশন হাইওয়ে’ প্রকল্পে প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।
নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে, তিনি একটি শীর্ষস্থানীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরে সহকারী ব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি মোবাইল টেলিযোগাযোগ, টেরেস্ট্রিয়াল টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, করপোরেট কৌশল এবং টেলিযোগাযোগ নীতি বিষয়ে পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
তারঘীবুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (ইইই) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীকালে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন থেকে পাবলিক পলিসি ও ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স অব আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (পিএমআই) থেকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল (পিএমপি) সনদপ্রাপ্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি হলে কম্পিউটার এবং একটি হলে পানির ফিল্টার উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি নিজের অফিস পরিচালনা ও আপ্যায়নের জন্য বরাদ্দ পাওয়া আড়াই লাখ টাকা ব্যয় না করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন। এর আগে, গত শনিবার, তিনি হলগুলোতে গিয়ে নিজে এসব উপহার শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন।
আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এই বিষয়ে বলেন, ‘আমার অফিস পরিচালনা ও চা-নাস্তার জন্য বরাদ্দ পাওয়া আড়াই লাখ টাকার এক টাকাও আমি নিজের জন্য ব্যয় করিনি। সেই বরাদ্দের টাকা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হল, অতীশ দীপঙ্কর হল এবং বিজয়-২৪ হলে কম্পিউটার উপহার দিয়েছি। এ ছাড়া শহীদ ফরহাদ হলের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে ডাইনিংয়ে একটি উন্নতমানের পানির ফিল্টার বসিয়ে দিয়েছি।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘দায়িত্ব পালনের পুরো এক বছরে অফিস পরিচালনা, আপ্যায়ন ও যাতায়াতসহ সব ধরনের খরচ আমি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অর্থ নিজের পেছনে খরচ করিনি।’
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ : জেলার সোনাগাজী উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে বড় ফেনী নদী থেকে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ পাঁচ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চরঘেরা জাল জব্দ করেছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার মুহুরী প্রকল্প এলাকা থেকে চর খোন্দকার ও চর আবদুল্লাহ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ফাতিমা সুলতানা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হাছান, মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারি পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল হাসান, এনডিসি চয়ন বড়ুয়া, উপজেলা সরকারি খামার ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল মামুন এবং উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার পাল সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার জানান, প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষার লক্ষ্যে সোমবার সকাল থেকে বড় ফেনী নদীতে অভিযান শুরু করা হয়। এ সময় নদী থেকে পাঁচ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চরঘেরা জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৮ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা থেকে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। টানা ২২ দিন ইলিশ শিকার, বিপণন, মজুত ও পরিবহন বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ