সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৩ পি.এম
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)-এর নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিসিএস (টেলিকম) ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের তারঘীবুল ইসলাম। তার কর্মজীবনে সরকারি ও বেসরকারি খাতে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে ২৮ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএসসিপিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি একই প্রতিষ্ঠানে মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) হিসেবে কাজ করেছেন।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিএসসিপিএলসিতে যোগদানের আগে, তিনি টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে “ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর এস্টাবলিশিং ন্যাশনাল একাডেমি ফর অ্যাডভান্সড টেলিকম রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনএএটিআরটি) অ্যান্ড আইটিইউ রিকগনাইজড টেলিকম টেস্টিং ল্যাবস ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তারঘীবুল ইসলাম টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডে নেটওয়ার্ক প্ল্যানিং, করপোরেট স্ট্র্যাটেজি এবং কোম্পানি সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, তিনি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘সাসেক ইনফরমেশন হাইওয়ে’ প্রকল্পে প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।
নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে, তিনি একটি শীর্ষস্থানীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরে সহকারী ব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি মোবাইল টেলিযোগাযোগ, টেরেস্ট্রিয়াল টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, করপোরেট কৌশল এবং টেলিযোগাযোগ নীতি বিষয়ে পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
তারঘীবুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (ইইই) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীকালে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন থেকে পাবলিক পলিসি ও ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স অব আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (পিএমআই) থেকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল (পিএমপি) সনদপ্রাপ্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি হলে কম্পিউটার এবং একটি হলে পানির ফিল্টার উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি নিজের অফিস পরিচালনা ও আপ্যায়নের জন্য বরাদ্দ পাওয়া আড়াই লাখ টাকা ব্যয় না করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন। এর আগে, গত শনিবার, তিনি হলগুলোতে গিয়ে নিজে এসব উপহার শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন।
আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এই বিষয়ে বলেন, ‘আমার অফিস পরিচালনা ও চা-নাস্তার জন্য বরাদ্দ পাওয়া আড়াই লাখ টাকার এক টাকাও আমি নিজের জন্য ব্যয় করিনি। সেই বরাদ্দের টাকা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হল, অতীশ দীপঙ্কর হল এবং বিজয়-২৪ হলে কম্পিউটার উপহার দিয়েছি। এ ছাড়া শহীদ ফরহাদ হলের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে ডাইনিংয়ে একটি উন্নতমানের পানির ফিল্টার বসিয়ে দিয়েছি।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘দায়িত্ব পালনের পুরো এক বছরে অফিস পরিচালনা, আপ্যায়ন ও যাতায়াতসহ সব ধরনের খরচ আমি ব্যক্তিগতভাবে বহন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অর্থ নিজের পেছনে খরচ করিনি।’
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ : জেলার সোনাগাজী উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে বড় ফেনী নদী থেকে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ পাঁচ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চরঘেরা জাল জব্দ করেছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার মুহুরী প্রকল্প এলাকা থেকে চর খোন্দকার ও চর আবদুল্লাহ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ফাতিমা সুলতানা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হাছান, মৎস্য দপ্তরের সিনিয়র সহকারি পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল হাসান, এনডিসি চয়ন বড়ুয়া, উপজেলা সরকারি খামার ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল মামুন এবং উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার পাল সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার জানান, প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষার লক্ষ্যে সোমবার সকাল থেকে বড় ফেনী নদীতে অভিযান শুরু করা হয়। এ সময় নদী থেকে পাঁচ হাজার মিটার নিষিদ্ধ চরঘেরা জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মা ইলিশ সংরক্ষণে গত ৮ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা থেকে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। টানা ২২ দিন ইলিশ শিকার, বিপণন, মজুত ও পরিবহন বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের স্কুলছাত্রী মেহজাবিন মৌশি কুইন্স কমনওয়েলথ রাইটিং কম্পিটিশনে গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার অর্জন করেছে। রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটি ইমেইলের মাধ্যমে তাকে এই পুরস্কারের বিষয়টি জানায়। পূর্ববর্তী প্রতিযোগিতায় এই স্কুলছাত্রী ব্রোঞ্জ পুরস্কার জিতেছিল।
মেহজাবিন মৌশি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের রেবতী মোহন পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তিনি ‘দ্য স্টোরি অফ রুটস’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখে এই পুরস্কার লাভ করেছেন। এই প্রবন্ধটি বাংলাদেশি সংস্কৃতি, অতিথি আপ্যায়ন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যের একটি অসাধারণ সম্মিলন তুলে ধরেছে। একটি ছোট ও আকস্মিক ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গভীর দিকগুলো প্রকাশ পেয়েছে।
প্রবন্ধটিতে বাঙালি অতিথিপরায়ণতা, জাতীয় সংগীতের আবেগ ও দেশপ্রেম, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিচয়, পরিবেশ সচেতনতা এবং শুভ বুদ্ধির উদয় অত্যন্ত সচেতনতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
১৮৮৩ সাল থেকে রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত ‘কুইন্স কমনওয়েলথ রাইটিং কম্পিটিশন’ স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আন্তর্জাতিক লেখালেখি প্রতিযোগিতা।
গত ২২ অক্টোবর সোসাইটি কর্তৃপক্ষ ২০২৬ সালের প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। এ বছরের বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইতুমেলেং ম্লংগো, ভারতের আরভ রায়, কানাডার এমা কাই, সাইপ্রাসের লিডিয়া সিকিং এবং নিউজিল্যান্ডের কাংউ মুন। রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এই প্রতিযোগিতায় ৫৪টি দেশ থেকে মোট ৫৩,৮৪০টি লেখা জমা পড়েছিল। এবারই প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথভুক্ত পাঁচটি অঞ্চল—আফ্রিকা, এশিয়া, ক্যারিবীয় ও আমেরিকা অঞ্চল, ইউরোপ এবং প্যাসিফিক অঞ্চল—থেকে আলাদাভাবে আঞ্চলিক বিজয়ী নির্বাচন করা হয়েছে।
মেহজাবিন মৌশি সাংবাদিক মেরাজ শাকিল এবং আবৃত্তি শিল্পী শারমিন ইসলামের কন্যা। পড়াশোনার পাশাপাশি আবৃত্তি, উপস্থাপনা, অভিনয়, বিতর্ক, লেখালেখি, ইংরেজি ভাষা, গবেষণা এবং ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মতো নানা ক্ষেত্রে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। অল্প বয়সেই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে সে একাধিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে নিজের আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে বহুমুখী দক্ষতা গড়ে তুলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ফোর-জি সেবা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে চীনা প্রতিষ্ঠান জেডটিই’কে কার্যাদেশ (নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড-নোয়া) প্রদান করেছে।
আজ এই কার্যাদেশটি ‘প্রকিউরমেন্ট অব ফোর-জি অন ৭০০ মেগাহার্টজ’ শীর্ষক ক্রয়ের জন্য দেওয়া হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে এবং গ্রাহকদের উন্নত মানের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা প্রদানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, প্রত্যন্ত ও নেটওয়ার্ক সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় মোবাইল সংযোগ সম্প্রসারণে এ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের উপস্থিতিতে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী জেডটিই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাও জুনইয়ংয়ের হাতে কার্যাদেশ তুলে দেন।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মন্ত্রীর দপ্তরে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড চালু করা টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এ ব্যান্ড ব্যবহার করে দেশের গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মোবাইল নেটওয়ার্কের পরিধি বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। শহর এলাকায় ভবনের ভেতরে নেটওয়ার্কের সংযোগের মানও উন্নত হবে। ফলে গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন ও উন্নত টেলিযোগাযোগ সেবা পাবেন।
৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এর রেডিও সিগন্যাল বেশি দূর পর্যন্ত যেতে সক্ষম এবং ভবনের ভেতরে নেটওয়ার্ক সংযোগ উন্নত করতে সহায়তা করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই উদ্যোগ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য মোবাইল সংযোগ ও ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর হিসেবে, সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত টেলিযোগাযোগ সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম চালুর এই উদ্যোগ কোম্পানির নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ