বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩২ পি.এম
বাংলাদেশ ফুটবল দল ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোচ থমাস ডুলি টুর্নামেন্টের জন্য ঘরোয়া লিগে খেলা ২৮ ফুটবলারকে প্রাথমিক স্কোয়াডে ডেকেছিলেন। পরে কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলারকে অনুশীলনে যুক্ত করা হয়। কয়েক দিনের অনুশীলনের পর কোচ এবার প্রাথমিক স্কোয়াড থেকে ছয় ফুটবলারকে বাদ দিয়েছেন।
জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক দল সংক্ষিপ্ত হয়। স্বাভাবিক সেই প্রক্রিয়ায় কোচ ইয়াসির তাহমিদ, দেবজিত সরকার, ইসা ফয়সাল, কাজেম শাহ, তাজ উদ্দিন ও রাহুল বাদ পড়েছেন। আরেকজনকে আজকের অনুশীলনের পর বাদ দেবেন। তবে ইন্দোনেশিয়ায় তিনি কয়জনকে নিয়ে যাবেন, সেটা এখনও জানাননি।"
বাদ পড়া ফুটবলারদের মধ্যে ইসা ফয়সাল বাংলাদেশের পরীক্ষিত ফুলব্যাক। তিনি হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সময়ে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন। তবে থমাস ডুলির অধীনে বাংলাদেশ দলের প্রথম ম্যাচে সান মারিনোর বিপক্ষে একাদশে ছিলেন ইসা। এবার সেই ইসা আসিয়ান কাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পেলেন না।
সান মারিনো সফরে বাংলাদেশের দলে ছিলেন মিডফিল্ডার কাজেম শাহ ও তাজ উদ্দিন। তারাও এবার কোচের চূড়ান্ত পরিকল্পনা থেকে বাদ পড়েছেন।
এদিকে, দুই প্রবাসী ফুটবলার ইয়াসির তাহমিদ ও দেবজিত সরকার জাতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে অনুশীলনে তারা কোচের নজর কাড়তে পারেননি। আমেরিকান প্রবাসী গোলরক্ষক সাইফ অবশ্য এখন পর্যন্ত ভালো পারফরম্যান্স করছেন বলে জানা গেছে।
বাদ পড়া ফুটবলারদের মধ্যে কাজেম, ইসা ও তাজ উদ্দিন ইতোমধ্যে দলের হোটেল ছেড়েছেন। রাহুল এখনও হোটেলে অবস্থান করছেন। তবে ঠিক কী কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোচ কিংবা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট পজিশনে একাধিক বিকল্প থাকায় কোচ ডুলি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় শুরু হবে ফিফা আসিয়ান কাপ। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশ দল ১৯ সেপ্টেম্বর দেশ ছাড়বে। এর আগে আগামীকাল ঢাকায় ফর্টিজের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার শিল্প খাতে গ্যাস সংকট প্রতিরোধে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি কূপ খননের পাশাপাশি ২ডি ও ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা এবং সমুদ্র অঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘অনশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গড়ে দৈনিক ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব।
ভবিষ্যতের গ্যাস সংকট মোকাবেলার জন্য মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে এনে শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
গ্যাসের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের বিরুদ্ধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে হাইকোর্টের বেঞ্চ এই রায় প্রদান করে। আদালত এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে এই সিদ্ধান্ত নেন। ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।
এর আগে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ৪ অক্টোবর, হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিতভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে এনবিআর কর্তৃক দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকার রায় প্রত্যাহার করে নেয়।
বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার এবং বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রত্যাহার করে। একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতির কাছে মামলার নথি পাঠানো হয় এবং পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, একটি দেশের বড় সম্পদ হলো সে দেশের জনসংখ্যা। জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করার প্রয়োজন রয়েছে। জনমিতিক লভ্যাংশের সুযোগগুলো আমাদের কাজে লাগাতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নয়ন শুধুমাত্র অর্থের পরিবর্তন নয়; মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনের মাধ্যমে উন্নয়ন নিশ্চিত করা আবশ্যক।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে ইউএনএফপিএ- এর কারিগরি সহায়তায় এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত ‘থ্রি ডিভিডেন্ডস, ওয়ান উইনডো: অ্যা পার্লামেন্টারি ডায়ালগ অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, জনমিতিক লভ্যাংশ, জেন্ডার লভ্যাংশ এবং দীর্ঘায়ু লভ্যাংশ প্রত্যেকটি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। এর জন্য প্রয়োজন নীতিগত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। তিনি বলেন, পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে হলে শুধু নীতি প্রণয়ন করলেই হবে না। বরং আইন প্রণয়ন ও সংস্কার, বাজেটের কার্যকর ব্যবহার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন।
স্পিকার উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নিজেদের এলাকায় পলিসি প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়ন সুযোগ নিশ্চিত করা আবশ্যক। নারীদের শিক্ষার সুযোগ, প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং তরুণদের কাজের ব্যবস্থা করতে হবে।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশ তরুণ জনগোষ্ঠী। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারলে আমাদের পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। তরুণদের দক্ষতা এবং প্রবীণদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে জনপ্রতিনিধিগণ পলিসি লেভেলে কাজ করে থাকে। রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে দক্ষ জনসংখ্যা ও মানবসম্পদ বিদেশে প্রেরণে প্রাধান্য দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, ইউএনএফপিএ ও এসপিসিপিডি প্রকল্পের প্রতিনিধি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি থাকলেও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফর নিয়ে রহস্য ও ধোঁয়াশা এখনও বজায় রয়েছে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে। চীনা প্রেসিডেন্ট এই সম্মেলনে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন কি না, সে বিষয়ে বেইজিং এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো স্পষ্ট বার্তা প্রদান করেনি। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না, সে সম্পর্কেও কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি বেইজিংয়ের তরফ থেকে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির পক্ষ থেকে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, শি জিনপিংয়ের সফরের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা নেই।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের দিকে নজর দিলে দেখা যায়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত যুদ্ধের পর থেকেই ভারত ও চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক ধরনের সংশয় ও সতর্কতা বিদ্যমান। বিশেষ করে ২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক সাম্প্রতিক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।
তবে গত বছর চীনে অনুষ্ঠিত একটি আঞ্চলিক সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বরফ কিছুটা গলতে শুরু করে। বিশেষ করে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে দুই দেশই অস্থিরতার মুখোমুখি হওয়ায় বেইজিং ও নয়াদিল্লির সম্পর্কের গতিপথ পরিবর্তন হতে শুরু করে। গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত যে চীনা বিনিয়োগের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল, নতুন পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লি তা কিছুটা শিথিল করেছে।
সম্প্রতি মধ্য এশিয়ার কিরগিজস্তানে আয়োজিত একটি আঞ্চলিক সম্মেলনের ফাঁকে সংক্ষিপ্ত বৈঠকে মিলিত হন নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিং। সেই বৈঠকের সূত্র ধরে চিনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, উভয় নেতাই বিশ্বাস করেন যে ভারত ও চিন পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার। দুটি দেশই একে অপরের বিকাশের ক্ষেত্রে হুমকি না হয়ে সুযোগ হিসেবে কাজ করে।
যদিও কূটনৈতিক বার্তা ইতিবাচক, তবে অর্থনৈতিক বাস্তবতায় কিছু জটিলতা এখনও বিদ্যমান। বার্তা সংস্থার সূত্রে জানা যায়, চীনা কোম্পানিগুলোর ভারতে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এখন কড়া নজরদারি ও স্ক্রুটিনি চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে উচ্চমানের প্রযুক্তি বা অত্যাধুনিক উৎপাদন শিল্পের মতো সংবেদনশীল খাতগুলোতে চীন সরকার নিজের দেশের প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে।
এত সব টানাপোড়েনের মধ্যেও ভারত ও চীনের দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য নতুন রেকর্ড গড়েছে। চীনের কাস্টমস তথ্যানুযায়ী, গত বছর দুই দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ১২.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড ১৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসেও বাণিজ্য বৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যবসা-বাণিজ্যের এই পরিসংখ্যানের আড়ালে দুই দেশের সম্পর্ক ঘিরে গভীর একটি ‘আস্থার সংকট’ এখনও বিদ্যমান। রেগুলেটরি জটিলতার কারণে ঝুলে থাকা বিনিয়োগ, ভিসা প্রদানে বিলম্ব এবং শিল্পসামগ্রী আমদানির ক্ষেত্রে কড়াকড়ির মতো বিষয়গুলো স্পষ্ট করে যে কূটনৈতিক অগ্রগতি সত্ত্বেও অর্থনৈতিক সম্পর্কে বাস্তব বাধা এখনও কাটেনি। এ কারণেই ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
সাংহাইয়ের ফুদান ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও সাবেক কূটনীতিক লিন মিনওয়াং জানিয়েছেন, চীন অবশ্যই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চায়, তবে ভারত প্রকৃতপক্ষে কতটা সদিচ্ছা দেখাবে বেইজিং তার ওপর নজর রাখছে। তবে তিনি এটাও ইঙ্গিত দেন যে, এক বৈঠকে কোনো নাটকীয় পরিবর্তন ঘটার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে নয়াদিল্লির অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হর্ষ পন্থ জানান, দুই দেশের মধ্যকার আস্থার ঘাটতি এখনও অনেক বেশি। তবে বিশ্ব বাণিজ্য ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি যখন দু দেশের ওপর প্রভাব ফেলছে, তখন চীনের অর্থনৈতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভারত ও চীনের সম্পর্ক একটি নির্ভরযোগ্য জায়গায় পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ