প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার শিল্প খাতে গ্যাস সংকট প্রতিরোধে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
তিনি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি কূপ খননের পাশাপাশি ২ডি ও ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা এবং সমুদ্র অঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘অনশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গড়ে দৈনিক ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব।
ভবিষ্যতের গ্যাস সংকট মোকাবেলার জন্য মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কাজ চলছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে এনে শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
গ্যাসের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন