ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফাইটার ডানা হোয়াইটকে প্রেস সেক্রেটারি বানাতে চান ট্রাম্প!


ফাইটার ডানা হোয়াইটকে প্রেস সেক্রেটারি বানাতে চান ট্রাম্প!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপের (ইউএফসি) প্রধান ডানা হোয়াইটকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন। এই প্রস্তাব তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।

পোস্টটিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ‘ডানা এমন একজন প্রেস সেক্রেটারি হবেন, যার কোনো তুলনা নেই। ডানা, অনুগ্রহ করে দায়িত্বটি গ্রহণ করুন!’

তবে ট্রাম্পের এই প্রস্তাবটি সত্যিকার নিয়োগের উদ্যোগ, নাকি কেবল রসিকতা—তা স্পষ্ট নয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ডানা হোয়াইট জানান, ‘আমার হাতে এমনিতেই অনেক দায়িত্ব রয়েছে।’

আরও পড়ুন: রাশিয়ার ডিজেল ট্যাংকারের আমেরিকা যাত্রা, নিষেধাজ্ঞার জাল থেকে বের হচ্ছে মস্কো?

গত অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে কেটি জাকারিয়া পদত্যাগ করার পর থেকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদটি শূন্য অবস্থায় রয়েছে। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই পদত্যাগ করেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবির পর শনিবার বিকালে ট্রাম্পের এই পোস্টটি সামনে আসে। নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে রিপাবলিকানরা।

ডানা হোয়াইটকে ‘একজন লড়াকু যোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, প্রেস সেক্রেটারির দায়িত্ব গ্রহণের সময় তার সঙ্গে কয়েকজন খ্যাতনামা ইউএফসি যোদ্ধাকেও নিয়ে আসা উচিত। এমনকি তাদের মধ্যে কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক না হলেও তাতে সমস্যা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘উন্মাদ বামপন্থিদের’ বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করতে এসব যোদ্ধার প্রয়োজন। পোস্টের সঙ্গে তিনি ছয়জন ইউএফসি যোদ্ধার ছবিও যুক্ত করেন।

আরও পড়ুন: সৌদির লাইব্রেরিতে ইসলামী ঐতিহ্যের ৩২ হাজারের বেশি দুর্লভ বইয়ের সমৃদ্ধ সংগ্রহ

ট্রাম্পের পোস্টের পর ডানা হোয়াইট ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে তাকে হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলন কক্ষের পোডিয়ামের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘নতুন অধ্যায়ের পথে।’

তবে তার এই পোস্টও নিছক রসিকতা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চিউং এক্সে ট্রাম্পের পোস্ট শেয়ার করে লেখেন, ‘অবশ্যই! ডানা, দায়িত্বটি গ্রহণ করুন!’

শনিবার রাতে লন্ডনের কপার বক্স অ্যারেনায় একটি বক্সিং ম্যাচ দেখতে উপস্থিত ছিলেন ডানা হোয়াইট। সাবেক ব্রিটিশ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ক্রিস বিলাম-স্মিথ ও জ্যামাইকান বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ বক্সার শেভন ক্লার্কের লড়াইয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাকে।

জবাবে হোয়াইট জানান, সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে তিনি ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, ওই বৈঠকের পর আমাদের আলোচনার মতো কিছু বিষয় থাকবে।’

আরও পড়ুন: ফিনল্যান্ডে নিখোঁজ ২৪ দিন পর নাফিস ইস্কান্দারের মরদেহ উদ্ধার

তবে প্রেস সেক্রেটারির দায়িত্ব গ্রহণে তিনি আগ্রহী কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। এদিকে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ডানা হোয়াইট এই প্রস্তাব গ্রহণে আগ্রহী নন।

ডানা হোয়াইট দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বন্ধু হিসেবে পরিচিত। ২০০১ সালে ব্যবসায়িক অংশীদারদের নিয়ে মাত্র ২০ লাখ ডলারে তখন আর্থিক সংকটে থাকা ইউএফসি কিনে নেন হোয়াইট। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা ছিল।

এর পাঁচ বছর আগে রিপাবলিকান সিনেটর জন ম্যাককেইন মিক্সড মার্শাল আর্টসকে ‘মানুষের মোরগ লড়াই’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তার সমালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে এ খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

২০২৫ সালে হোয়াইট বলেন, সে সময় কোনো ভেন্যুই ইউএফসিকে জায়গা দিতে চাইত না। আয়োজকদের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও দর্শকদের আচরণ নিয়ে সংশয় ছিল।

আরও পড়ুন: ফ্রান্স বিএনপিতে সাংগঠনিক সংকট, নতুন কমিটির নামে বিভ্রান্তি

তবে মূলধারার ক্রীড়া ভেন্যুগুলো যখন ইউএফসিকে জায়গা দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছিল, তখন ট্রাম্পের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায় বলে দাবি করেন হোয়াইট। ২০০১ সালে নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটির ট্রাম্প তাজমহল ক্যাসিনোতে দুটি ইউএফসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

এরপর ২০১৬, ২০২০ ও ২০২৪ সালে রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় সম্মেলনে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণায় বক্তৃতা দেন ডানা হোয়াইট।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

আরও পড়ুন: হুথিদের সউদী আরবের তেলক্ষেত্র, রিয়াদ বিমানবন্দর ও সেনাক্যাম্পে হামলার দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কহুয়া নদীর ওপারে বাঁধে ব্লক বসাচ্ছে ভারত, বাংলাদেশে ভাঙন আতঙ্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ এম


কহুয়া নদীর ওপারে বাঁধে ব্লক বসাচ্ছে ভারত, বাংলাদেশে ভাঙন আতঙ্ক

ফেনীর পরশুরাম সীমান্তে কহুয়া নদীর ভারতীয় অংশে বেড়িবাঁধে সিমেন্ট-কংক্রিটের ব্লক বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশের অংশে বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারকাজ এখনো শেষ হয়নি। নদীভাঙন ও বন্যার আশঙ্কায় নদীপাড়ের বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

তাদের উদ্বেগের কারণ, যদি দ্রুত ও টেকসইভাবে বাঁধ সংস্কার না করা হয়, তাহলে উত্তর কোলাপাড়া, দক্ষিণ কোলাপাড়া, বাসপদুয়া ও পরশুরাম বাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকে ভারতের বিলোনিয়া-সংলগ্ন আমজাদনগরে কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ব্লক বসানোর কাজ শুরু হয়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশের উত্তর কোলাপাড়ার খিলপাড়া এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হন। তারা বাংলাদেশের অংশে দ্রুত বাঁধ সংস্কার ও ব্লক বসানোর দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ২০০৩ সালে উত্তর কোলাপাড়ায় কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য প্রায় ২৫ হাজার সিসি ব্লক তৈরি করা হয়েছিল। গ্রামের রেললাইন সেতুর পূর্ব পাশে এসব ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বাধায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

পরে কয়েক দফা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভারতের আপত্তির কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। ২০২৪ সালে বল্লামুখা বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিলে কোলাপাড়া ও নিজ কালিকাপুরে তৈরি করা সিসি ব্লকের কিছু অংশ সেখানে ব্যবহার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ২১৬৩ নম্বর পিলারের উভয় পাশে কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভারতের বিলোনিয়া-সংলগ্ন আমজাদনগরে ২ দশমিক ৩ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের পরশুরাম বাজার-সংলগ্ন উত্তর কোলাপাড়ায় ২৫০ মিটার বাঁধ সংস্কারে দুই পক্ষ সম্মত হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উত্তর কোলাপাড়ার মাজারবাড়ি কবরস্থান-সংলগ্ন কহুয়া নদীর বাঁধের ২৫০ মিটার অংশ নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে কাজ এখনো শেষ হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এর বাইরেও প্রায় ২০০ মিটার বাঁধ সংস্কার করা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা খোকন বলেন, ‘বাঁধের আরও প্রায় ২০০ মিটার মেরামত করা হয়নি। বাংলাদেশের অংশে ব্লক দিয়ে বাঁধ সংস্কার করা না হলে মাজারবাড়ি মসজিদ, কবরস্থানসহ আশপাশের কয়েক হাজার পরিবার বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান আবু তালেব রিপন বলেন, বাংলাদেশের বেড়িবাঁধের তুলনায় ভারতের বাঁধ প্রায় চার ফুট উঁচু এবং বেশি টেকসই। দ্রুত সংস্কার করা না হলে উত্তর কোলাপাড়া, দক্ষিণ কোলাপাড়া ও পরশুরাম বাজারের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এ জন্য ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু ও পাউবো কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা এমরান হোসেন বলেন, ‘গত বন্যায় আমরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। ভারতের অংশে সিসি ব্লক বসানোর কাজ চলছে। কয়েক দিনের মধ্যে তাদের বাঁধ নির্মাণ শেষ হতে পারে। এর আগে বাংলাদেশের অংশের কাজ শেষ না হলে পরে বাঁধ নির্মাণে জটিলতা তৈরি হতে পারে।’

উত্তর কোলাপাড়ার খিলপাড়ার বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, কহুয়া নদীর বাংলাদেশ অংশের বাঁধের বিভিন্ন স্থান ঝুঁকিপূর্ণ। ভারতের অংশে বাঁধ নির্মাণ ও ব্লক বসানোর কাজ শুরু হওয়ায় এপারের বাঁধ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বর্তমান অবস্থায় বাঁধটি পানির চাপ সামাল দিতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। বাঁধ ভেঙে গেলে পরশুরাম বাজারসহ উত্তর ও দক্ষিণ কোলাপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

পাউবো ফেনী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, জরুরি ভিত্তিতে কহুয়া নদীর বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। ভারতের অংশে সিসি ব্লক বসানোর বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাসিবুল ইসলামকে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ উদযাপিত হচ্ছে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ এম


আজ উদযাপিত হচ্ছে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব

আজ রবিবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব হিসেবে শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলি উদযাপন করা হচ্ছে। সাধারণত কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। দেবী শ্যামা মা শক্তি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে পূজার আয়োজন চলছে এবং সর্বত্র আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের পরিবেশ বিরাজ করছে।

বাংলাদেশের বাঙালি সংস্কৃতিতে কালীপূজা ও দীপাবলির উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। দীপাবলিকে বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ‘দীপাবলি’ নামে অভিহিত করেন, অপরদিকে অবাঙালি হিন্দুরা একে ‘দিওয়ালি’ বলে। ধর্মীয় এই উৎসবকে অনেকেই ‘দীপান্বিতা কালীপূজা’ নামেও চিহ্নিত করেন।

অশুভ ও অকল্যাণের প্রতীক অন্ধকারকে দূর করে শুভ ও কল্যাণের প্রতিষ্ঠায় এই উৎসবটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে শত শত বছর ধরে পালন হয়ে আসছে। বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়া হিন্দুরা এই বিশেষ তিথিতে কালীপূজা উদযাপন করেন।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ১টা ২ মিনিটে আমাবস্যা তিথি শুরু হবে, যা আগামীকাল সোমবার সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে শেষ হবে। কালীপূজা সাধারণত মধ্যরাতে শুরু হয়। একই তিথিতে অনেকেই লক্ষ্মীপূজাও পালন করেন। কালীপূজার দিন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সন্ধ্যায় তাঁদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করে স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের স্মরণ করেন।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার, বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরে শ্যামাপূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির লাইব্রেরিতে ইসলামী ঐতিহ্যের ৩২ হাজারের বেশি দুর্লভ বইয়ের সমৃদ্ধ সংগ্রহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ এম


সৌদির লাইব্রেরিতে ইসলামী ঐতিহ্যের ৩২ হাজারের বেশি দুর্লভ বইয়ের সমৃদ্ধ সংগ্রহ

সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ পাবলিক লাইব্রেরিতে ৩২ হাজার ৬২৫টিরও বেশি দুর্লভ ও ঐতিহাসিক বইয়ের সমৃদ্ধ সংগ্রহ সংরক্ষিত রয়েছে। লাইব্রেরিটি আরবি ও ইসলামী ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রিত নিদর্শন সংরক্ষণ এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে এই সংগ্রহ তৈরি করেছে।

লাইব্রেরির অন্যতম আকর্ষণ হলো প্রাচীন ইউরোপীয় সংস্করণে প্রকাশিত দুর্লভ বইয়ের সংগ্রহ। এতে মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনচরিতবিষয়ক ৭৮টি বই, প্রাচীন ইউরোপীয় ভাষায় অনূদিত পবিত্র কোরআনের অর্থবিষয়ক ১১৩টি বই, কোরআন অধ্যয়নবিষয়ক ৫৫টি বই এবং ইসলামী উৎস ও সূত্রবিষয়ক ৫৪টি বই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব গ্রন্থ ইউরোপীয়দের পবিত্র কোরআন ও ইসলামী জ্ঞানচর্চার প্রতি প্রাথমিক আগ্রহ এবং সে সময়ের গবেষণার ধারা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে। লাইব্রেরিতে ১৫৯২ থেকে ১৫৯৩ সালের মধ্যে ইউরোপে মুদ্রিত আরবি বইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহও রয়েছে।

এই বইগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো এইচ. রিটারের সম্পাদনায় ইবনে সিনার ‘দ্য ক্যানন অব মেডিসিন’ এবং আবদুল কাহির আল-জুরজানির ‘সিক্রেটস অব এলোকুয়েন্স’। এছাড়া ওসলা ওয়াইজার সম্পাদিত প্লুবিওনাস দ্য ওয়াইজের ‘অ্যানালস অব দ্য পাবলিকেশন অব দ্য মাথানি’, কোয়ামেজিকি সম্পাদিত আবু আল-ফারাজ ইবনে আল-তায়্যিবের পোরফিরির ‘দ্য বুক অব ইসাগোজি’-এর ভাষ্য এবং অ্যান্টন এম. হাইনেন সম্পাদিত জালালুদ্দিন আল-সুয়ুতির ‘ইসলামিক অ্যাস্ট্রোনমি’ গ্রন্থও এ সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত। লাইব্রেরির আরেকটি উল্লেখযোগ্য সম্পদ হলো আট হাজার ২৭১টি দুর্লভ আরবি বই। এসব বই যথাযথভাবে তালিকাভুক্ত, শ্রেণিবদ্ধ ও ডিজিটাল ডেটা বেইসে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা গবেষক ও আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইগুলোর তথ্য খুঁজে পাওয়া এবং সেগুলোর বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানার সুযোগ সহজ করেছে।

কিং আবদুল আজিজ পাবলিক লাইব্রেরিতে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারও সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে ইসলামিক ইনস্টিটিউটের সাবেক ডিন এবং প্যারিসের গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম হামজা বুবাকেরের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার রয়েছে। এ সংগ্রহে ১৭ হাজার ১৭০টি শিরোনামের মোট ১৯ হাজার ৮২১ খণ্ড বই রয়েছে। আরবি, ফারসি, ইংরেজি, জার্মান ও রুশ ভাষার এসব সংগ্রহের মধ্যে বই, সাময়িকী, সংবাদপত্র, পাণ্ডুলিপি, ঐতিহাসিক দলিল, সংবাদপত্রের কাটিং, গবেষণাপত্র ও দুর্লভ গ্রন্থ উল্লেখযোগ্য।

লাইব্রেরিটির সংগ্রহ বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। এখানে ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য, ভ্রমণকাহিনি এবং বিভিন্ন দেশ ও জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও সামাজিক প্রথাবিষয়ক অসংখ্য গ্রন্থ রয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব উপসাগরীয় অঞ্চল এবং বৃহত্তর ইসলামী বিশ্বের ইতিহাস ও সংস্কৃতিসংশ্লিষ্ট বইগুলো উদীয়মান তরুণ গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ডিজেল ট্যাংকারের আমেরিকা যাত্রা, নিষেধাজ্ঞার জাল থেকে বের হচ্ছে মস্কো?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


রাশিয়ার ডিজেল ট্যাংকারের আমেরিকা যাত্রা, নিষেধাজ্ঞার জাল থেকে বের হচ্ছে মস্কো?

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের প্রতিক্রিয়া ছিল দ্রুত এবং কঠোর। পশ্চিমা দেশগুলো ক্রেমলিনের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করে; রুশ পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়, রাশিয়ার পেমেন্ট সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর মূল্যসীমা আরোপ করা হয়, যাতে ক্রেমলিনের তহবিল শূন্য হয়ে যায়।

কিন্তু ২০২৬ সালে এসে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, মাল্টার পতাকাবাহী 'আজিওই ফ্যানেন্দেস' নামের একটি ট্যাঙ্কার ৩ লাখ ব্যারেল রুশ ডিজেল নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে চলেছে; যা মস্কোর প্রতি ওয়াশিংটনের অবস্থানের একটি নাটকীয় পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে।

ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ব্যবসায়িক চুক্তি করার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রহ রাশিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে 'একঘরে' থাকার তকমা ঘুচিয়ে দিচ্ছে। এটি পুতিনের প্রতিবেশী দেশের ওপর পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসনের জবাবে রাশিয়াকে শাস্তি দেওয়ার এবং দেশটির অর্থনীতিকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বছরের পর বছর ধরে চালানো প্রচেষ্টাকে ক্ষুণ্ণ করছে।

সাবেক মার্কিন ট্রেজারি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি বেন হ্যারিস, যিনি রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রচেষ্টার সাথে জড়িত ছিলেন, বলেন, ‘২০২২ সালের শুরুর দিকে একটি খুব জোরালো ধারণা ছিল যে আমরা মার্কিন উপকূলে রুশ তেলের একটি ফোঁটাও চাই না, এবং এটি কেবল মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকেই নয়, বরং পুরো খাতের পক্ষ থেকেও ছিল।’ বর্তমানে ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং অর্থনৈতিক গবেষণা পরিচালক হ্যারিস আরও যোগ করেন, ’ট্রাম্পের এসব পদক্ষেপ ইঙ্গিত দেয় যে তিনি আসলে রাশিয়াকে নিষিদ্ধ করার মধ্যে কোনো সুবিধা দেখছেন না এবং নিষেধাজ্ঞা যে যুদ্ধ শেষ করার কোনো পথ হতে পারে, তাও তিনি মনে করেন না।’ সিএনএন-কে তিনি বলেন, ’তিনি (ট্রাম্প) রাশিয়ার এই আগ্রাসনকে আদৌ কোনো সমস্যা হিসেবে দেখেন কি না, তা সত্যিই অস্পষ্ট।’ ট্রাম্পের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে তিনি অত্যন্ত হতাশাজনক বলে বর্ণনা করেছেন।

রাশিয়া থেকে ডিজেল কেনার ট্রাম্পের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে নেওয়া হয়েছিল, যখন জ্বালানির আকাশচুম্বী দাম ভোটারদের জন্য একটি বড় মাথাব্যথার কারণ ছিল। ডিজেলের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি গ্যালন ৬ ডলার ছাড়িয়েছে, যেখানে ইরানের যুদ্ধের আগে জাতীয়ভাবে এই দাম ছিল প্রতি গ্যালন ৩.৭৬ ডলার। পেট্রোলের দাম এখন প্রতি গ্যালন ৪ ডলারের ওপরে, যা এক বছর আগের ৩ ডলারের চেয়ে অনেক বেশি।

তবে ট্রাম্পের এই ডিজেল কেনাকাটা জ্বালানীর দাম কমাতে কোনো ভূমিকাই রাখবে না। এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, আজিওই ফ্যানেন্দেস-এ থাকা তেলের পরিমাণ কেবল মার্কিন পরিবহন খাতের একদিনের ব্যবহারের মাত্র ১০ শতাংশের সমান। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী রাশিয়ার সম্পূর্ণ ২২ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করা হলেও, তা আমেরিকার একদিনের চাহিদাও পূরণ করতে পারবে না। তবুও, এই চুক্তিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আরও বেশ কয়েকটি লেনদেনের প্রথম ধাপ হতে পারে, যা গত চার বছরের নীতি থেকে একটি বড় ধরনের বিচ্যুতি।

ইউক্রেনে কোনো যুদ্ধবিরতি না হওয়া এবং রুশ আগ্রাসন বন্ধ করার মতো কোনো স্পষ্ট শর্ত ছাড়াই এই সম্ভাব্য ব্যবসায়িক চুক্তিগুলোর খবর আসছে; যার মধ্যে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র ডেটা সেন্টার প্রকল্প থেকে শুরু করে আর্কটিকে যৌথ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উদ্যোগও রয়েছে।

ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক থিংক ট্যাংক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র ফেলো থমাস রাইট বলেন, ’ডিজেল চুক্তিটি হয়তো এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রথম আভাস, যা মানুষকে বেশ উদ্বিগ্ন করে তুলেছে কারণ অদূর ভবিষ্যতে এর ফলে কী ঘটতে যাচ্ছে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।’ রয়টার্স গত মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, মার্কিন বিনিয়োগকারীদের অন্তর্ভুক্তকারী একটি কনসোর্টিয়ামের নেতৃত্বে রাশিয়ার প্রধান তেল কোম্পানি লুকঅয়েলের আন্তর্জাতিক সম্পদের একটি চুক্তি আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।

ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে থাকা কংগ্রেস রাশিয়ার সাথে বর্তমান বা ভবিষ্যতের এই চুক্তিগুলোকে কীভাবে বা আদৌ প্রভাবিত করতে পারবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্পের এখনও ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, যা তিনি পররাষ্ট্র নীতিতে নিজের কর্তৃত্ব জাহির করতে ব্যবহার করতে পারেন।

নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রশাসন এবং ক্রেমলিন রাশিয়ার বিলিয়ন ডলারের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌম তহবিলের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাব্য বিষয়ে আলোচনা করেছিল। ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পর বাইডেন প্রশাসন প্রথম এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল এবং এটিকে পুতিন ও তার ঘনিষ্ঠদের একটি ’গোপন তহবিল’ বলে আখ্যা দিয়েছিল।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা গত সপ্তাহে জানিয়েছেন যে, প্রশাসন মার্কিন-রাশিয়া সম্পর্কের উন্নতি এবং যুদ্ধ শেষ করতে সহায়তার প্রচেষ্টায় এই ফান্ডের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি মূল্যায়নের জন্য তার স্বাভাবিক প্রক্রিয় পরিচালনা করছে।

পুতিনের প্রতি ট্রাম্পের এই সমঝোতামূলক মনোভাবের আরও একটি লক্ষণ দেখা গেছে যে, গত মাসে রাশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে ট্রাম্প সেটি স্থগিত করেন, যা দুই দলের মধ্যেই তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।

এই পদক্ষেপগুলো 'গ্রাহাম অ্যাক্ট'-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা গত জুলাইয়ে মারা যাওয়া বিশিষ্ট রাশিয়া-বিরোধী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামে নামকরণ করা আইন। গ্রাহাম অ্যাক্ট কার্যকর হলে তা ভারতসহ রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বা গ্যাসের পাঁচটি বৃহত্তম আমদানিকারক দেশের ওপরও শুল্ক আরোপ করত।

কিয়েভ স্কুল অফ ইকোনমিক্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং পিটারসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক্সের সিনিয়র ফেলো এলিনা রিবাকোভার মতে, এই ডিজেল চুক্তির ফলে ভারত এবং রাশিয়ার রপ্তানি পণ্যের অন্যান্য ক্রেতারা (চীনসহ) এখন সম্ভাব্য পরিণতির ভয় কম পাবে। তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের এই ডিজেল চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

রুশ ডিজেল নিয়ে আজিওই ফ্যানেন্দেস শেষ পর্যন্ত মার্কিন উপকূলে পৌঁছাতে পারবে কি না, তা এখনও দেখার বিষয়। রাশিয়ার ডিজেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসা অন্য দুটি নিষেধাজ্ঞা-প্রাপ্ত তেল ট্যাঙ্কার ইতিমধ্যেই তাদের পথ পরিবর্তন করেছে। কেপলারের কমোডিটি রিসার্চ ডিরেক্টর ম্যাট স্মিথের মতে, সম্ভবত আইনি পরিণতির ভয়ে মার্কিন ক্রেতাদের দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণেই এমনটা হয়েছে। তিনি সিএনএন-কে বলেন, ‘আজিওই ফ্যানেন্দেস এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে, তবে গত কয়েক দিনে এর গতি ধীর হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ’এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে এই পণ্য খালাস করার কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং এটিও অন্য দুটি ট্যাঙ্কারের মতো পথ পরিবর্তন করতে পারে।’

ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার সিএনএন-কে বলেন, ’প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের মধ্যে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী রুশ ডিজেল সাগরে রয়েছে এবং বাজারের দিকে আসছে, যা আমেরিকানদের জন্য জ্বালানির দাম কমাবে।’

তবে নিউ জার্সির ডেমোক্র্যাট গভর্নর মিকি শেরিল রাজ্যের বন্দর ও টার্মিনাল অপারেটরদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, রুশ ডিজেল আমদানি করা ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করে এবং এর ফলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি শাস্তি হতে পারে। সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ’ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকানদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে ভ্লাদিমির পুতিনকে সমর্থন করার সময় নিউ জার্সি চুপচাপ বসে থাকবে না।’

তিনি আরও বলেন, ’খরচ কমানোর পরিবর্তে তিনি পুতিনের ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিশ্বব্যাপী সহিংসতা ও সন্ত্রাসের অর্থায়নে সহায়তা করছেন, যা বিদেশে কর্মরত মার্কিন সেনাসদস্যদের বিপন্ন করে তুলছে।’

ব্রুকিংসের হ্যারিসের মতে, বেসরকারি খাত রাশিয়ার এই তেলের ব্যারেলগুলো থেকে দূরে থাকছে। তিনি বলেন, ’আপনি রুশ ডিজেলের জন্য কোনো ক্রেতা খুঁজে পাবেন না। আপনি যা দেখছেন তা হলো, বেসরকারি খাতের নৈতিকতার স্তর হোয়াইট হাউসের চেয়ে আলাদা।’

সূত্র : সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%