ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ বিশ্ব হাসি দিবস


আজ বিশ্ব হাসি দিবস

হাসি মানুষের জন্য অসুখের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হয়। মানবজীবনে হাসির গুরুত্ব অপরিসীম। সময়কে সুন্দরভাবে উপভোগ করতে হাসির বিকল্প নেই।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিশ্ব হাসি দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম শুক্রবার এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সারাদিনকে প্রাণবন্ত করে তুলতে সকালের ১ মিনিটের হাসিই যথেষ্ট। হাসি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানসিক চাপ থেকে দূরে রাখে।

১৯৬৩ সালে, ওরচেস্টার ম্যাসাচুসেটসের শিল্পী হার্ভে বল একটি হাসিখুশি মুখের ছবি তৈরি করেন। সময়ের সাথে সাথে সেটি সদিচ্ছা ও আনন্দের প্রতীক হয়ে ওঠে। তবে বাণিজ্যের কারণে হার্ভে দেখেন যে সেই হাসিখুশি মুখ বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার ফলে ছবির আসল অর্থ পরিবর্তিত হচ্ছে। উদ্বিগ্ন হয়ে হার্ভে ভাবেন, হাসির জন্য একটি বিশেষ দিন নির্ধারণ করা হলে কেমন হবে। সেই দিনটি হাসিখুশিতে কাটানো এবং সহৃদয় আচরণের জন্য উৎসর্গ করা হবে। এর মাধ্যমে শুরু হয় বিশ্ব হাসি দিবসের যাত্রা।

আরও পড়ুন: ‘পর্যটন মেলা, ২০২৬’ বৃহস্পতিবার শুরু, প্রযুক্তি ও টেকসই পর্যটন নিয়ে আলোচনা

প্রথমবার বিশ্ব হাসি দিবস পালিত হয় ১৯৯৯ সালে, উরচেস্টারে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সহৃদয়তার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। এরপর থেকে প্রতিবছর এই দিনটি উদযাপিত হচ্ছে। ২০০১ সালে হার্ভে মৃত্যুবরণ করেন। তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘হার্ভে বল ওয়ার্ল্ড স্মাইল ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশন প্রতিবছর বিশ্ব হাসি দিবসের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করে।

হাসির জন্য একটি প্রতীকও রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হলুদ একটি মুখের হাসি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় হাসি হিসেবে পরিচিত। হলুদ মুখে কালো বিন্দুর দুটি চোখ এবং একটি চওড়া হাসি আপনার দিনটি ভালো করতে পারে। ১৯৭০ এর দশকে হাস্যোজ্জ্বল মুখ কার্টুন, কমিকস এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য ব্যবহৃত হত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাস কন্ডাক্টরের ভূমিকায় বিজয়, নারীদের হাতে বিনামূল্যে টিকিট তুলে দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


বাস কন্ডাক্টরের ভূমিকায় বিজয়, নারীদের হাতে বিনামূল্যে টিকিট তুলে দিলেন

ভারতে নাগরিকদের সুবিধার্থে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি কিছু সময়ের জন্য বাস কন্ডাক্টরের ভূমিকা পালন করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি নারী যাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে টিকিট তুলে দিচ্ছেন।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে ‘ভেট্রি পায়ানাম’ প্রকল্পের সম্প্রসারিত সংস্করণ চালুর পর চেন্নাইয়ের একটি সরকারি বাসে বিজয়কে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে এবং টিকিট বিতরণ করতে দেখা যায়।

মুখ্যমন্ত্রীর এই কন্ডাক্টর-সুলভ আচরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে এবং যাত্রীরা তাদের ফোনে সেই মুহূর্তটি ধারণ করেন। বাসে থাকা কলেজ শিক্ষার্থীরাও বিজয়ের সঙ্গে কথোপকথন করেন এবং তাকে চকলেট উপহার দেন।

এর আগে রাজ্যটিতে নারীরা মূলত মেট্রোপলিটন ও শহরাঞ্চলের সাধারণ বাস এবং পাহাড়ি পথে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের সাধারণ বাসে বিনা মূল্যে যাতায়াত করতে পারতেন। ‘ভেট্রি পায়ানাম’ প্রকল্পের আওতায় এখন মেট্রোপলিটন ও শহরাঞ্চলে চলাচলকারী এক্সপ্রেস, লিমিটেড স্টপ সার্ভিস এবং ডিলাক্স বাসেও বিনা মূল্যে ভ্রমণের সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

এছাড়া ৪০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের রুটে চলাচলকারী মফস্বল এলাকার সাধারণ বাস এবং পাহাড়ি পথের (ঘাট) সাধারণ বাসও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তামিলনাড়ু সরকারের তথ্যমতে, রাজ্যের সাতটি পরিবহন সংস্থার মোট ১২ হাজার ৬৯২টি বাসকে এই সম্প্রসারিত প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৮৪.৩ লাখ নারী এই সুবিধার আওতায় উপকৃত হবেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাতটি রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার মোট ১৮ হাজার ৪১৩টি নির্ধারিত বাসের মধ্যে প্রায় ৬৯ শতাংশ বাস ‘ভেট্রি পায়ানাম’ প্রকল্পের আওতাভুক্ত। রাজ্যের মোট ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৪৯টি নির্ধারিত ‘সিঙ্গেল ট্রিপ’ বা যাত্রার মধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩১২টি ট্রিপ। অর্থাৎ মোট যাত্রার প্রায় ৮৫ শতাংশ এই বাসগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

তামিলনাড়ুর পরিবহন মন্ত্রী এ. বিজয় তামিলান পার্থিবান জানিয়েছেন, এই সম্প্রসারণের লক্ষ্য হলো গণপরিবহন পরিষেবার সুযোগ আরও বাড়ানো। বিশেষ করে বাড়ি থেকে দূরে কলেজে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থী এবং কর্মস্থল, হাসপাতাল ও অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী নারীদের জন্য সেবা সমুন্নত রাখা হবে।

বিনামূল্যে ভ্রমণের হিসাব রাখার জন্য বাসে থাকা ইলেকট্রনিক টিকেটিং মেশিনগুলোকেও এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু পরিষেবার ক্ষেত্রে ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের জন্যও বিনা মূল্যে ভ্রমণের সুবিধাটি প্রযোজ্য। এই সম্প্রসারিত কর্মসূচিটি রাজ্যের বিদ্যমান বিনামূল্যে বাস পরিষেবা প্রকল্পের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তোলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারে নতুন মজুরি ও ৬ দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


সাভারে নতুন মজুরি ও ৬ দাবিতে শ্রমিক সমাবেশ

সাভারে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরি ঘোষণা ও বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন ও শ্রমজীবী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে সাভার বাসস্ট্যান্ডের রানা প্লাজার সামনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে ছয় দফা দাবি জানান। দাবিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—নতুন মজুরি বোর্ড গঠন ও তা বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও রেশন ব্যবস্থা চালু, বন্ধ কারখানা চালু ও বেআইনি ছাঁটাই বন্ধ, মিথ্যা মামলা ও নির্যাতন বন্ধ, বকেয়া বেতন ও ন্যায্য পাওনা পরিশোধ এবং নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি নিশ্চিত করা।

শ্রমিক নেতারা সমাবেশে উল্লেখ করেন যে, শ্রমিকদের উত্থাপিত ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া হলে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তাঁরা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও দাবি-দাওয়া আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথাও জানান।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শ্রমিক নেতা রফিকুল ইসলাম সুজন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শ্রমিক নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন।

এছাড়া সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কবির, আবু কালাম হোসেন, আলী আকবর খান, আ. মজিদ পাটোয়ারী, রাসেল প্রামাণিক, সাদিয়া রহমান হ্যাপি, মাহমুদা হোসেন মিলি, মো. আজম খান, হাসিনা ও সেলিনা হুসাইন প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে শ্রমিকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি রানা প্লাজার সামনে থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে সাভার মডেল মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্দরে রি-অ্যাজেন্ট আটকে থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


বন্দরে রি-অ্যাজেন্ট আটকে থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

দেশের বিভিন্ন বন্দরে জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী আটকে পড়ার ঘটনা ঘটছে, যা ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্ট ও চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানিতে রেজিস্ট্রেশন ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক করার ফলে হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট বিধিমালা প্রণয়ন না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, ফলে ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা ও হাসপাতালসেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এই বিষয়টি তুলে ধরেন ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিআরইটিএবি) সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান।

ডিআরইটিএবের নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইটিএবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল ইন্সট্রুমেন্ট অ্যান্ড হসপিটাল ইকুইপমেন্ট ডিলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শরীফ উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড সাপ্লায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহমুদ হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুমুল হক। সভাপতিত্ব করেন ডিআরইটিএবের সভাপতি মোহাম্মদ জামালউদ্দিন।

হাবিবুর রহমান বলেন, "ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্ট ও মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে সরাসরি দেশের চিকিৎসাসেবা জড়িত।" তিনি আরও বলেন, "এ খাতে মান নিয়ন্ত্রণ ও যথাযথ নিয়মকানুন যেমন প্রয়োজন, তেমনি আমদানি ও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় অযথা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করাও কাম্য নয়।" তিনি সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যাতে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহও স্বাভাবিক থাকে।

শরীফ উদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেন, "মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ও ডায়াগনস্টিক পণ্যের ক্ষেত্রে মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি বলেন, "এ খাতের পণ্যের ধরন ও ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে বাস্তবসম্মত করতে হবে।" তিনি বিশ্বাস করেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর নিয়মিত সমন্বয় থাকলে জটিলতা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।

জসিম উদ্দিন বলেন, "দেশে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের সঙ্গে মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ও ডায়াগনস্টিক পণ্যের চাহিদাও বাড়ছে।" তিনি সতর্ক করেন যে, "এ খাতে আমদানিনির্ভরতা থাকায় বন্দরে পণ্য আটকে থাকা বা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হলে এর প্রভাব সরাসরি হাসপাতাল ও রোগীদের ওপর পড়তে পারে।" তাই নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

মাহমুদ হাসান বলেন, "ডায়াগনস্টিক রি-অ্যাজেন্ট ও মেডিকেল ডিভাইসের জন্য পৃথক ও স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি।" তিনি উল্লেখ করেন যে, "এতে আমদানিকারকরা তাদের দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবেন।"

মাসুমুল হক বলেন, "চিকিৎসাসামগ্রীর সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত।" তিনি সতর্ক করেন যে, "নতুন কোনো নিয়ম কার্যকর করার আগে সংশ্লিষ্ট খাতের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।" তিনি ব্যবসায়ী সংগঠন ও সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর মাধ্যমে এ খাতের সমস্যাগুলো কমানোর সম্ভাবনা উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় ৭ শিক্ষার্থীর সাফল্য, স্কাউটসে প্রেসিডেন্ট এওয়ার্ডস পদক-২০২৫ অর্জন করলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


কলাপাড়ায় ৭ শিক্ষার্থীর সাফল্য, স্কাউটসে প্রেসিডেন্ট এওয়ার্ডস পদক-২০২৫ অর্জন করলো
 
পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলা থেকে সদ্য সমাপ্ত স্কাউটস প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ডস-২০২৫ এ অংশগ্রহণকারী সাত জন শিক্ষার্থী কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। এরা হলো :  খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কাউট গ্রুপ থেকে আবু বকর সিদ্দীক এবং তাসনিয়া তাবাসসুম রাকা, নুর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কাউট গ্রুপ থেকে মোঃ সাব্বির শিকদার এবং আবু ইসা,পাখিমারা প্রফুল্ল ভৌমিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কাউট গ্রুপ থেকে সাথী আক্তার মিম এবং মোঃ আরাফাত, এবং খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কৈরবী ইসলাম এই ৭জন বাংলাদেশ স্কাউটস এর এই গৌরব অর্জন করেছেন।
 
 শুক্রবার০২ অক্টোবর এ তথ্য নিশ্চিত করেন কলাপাড়া উপজেলা স্কাউটস কোষাধ্যক্ষ খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক নুরুল হক। এর আগে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ স্কাউটস এর প্রোগ্রাম বিভাগের  ব্যবস্থাপনায়, স্কাউট এর জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ প্রেসিডেন্ট'স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
 
নূর মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় গ্রুপ থেকে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থী মো.ইসা বলেন, এই অর্জন শুধু আমার একার নয়। এর পিছনে আমার অভিভাবক, ইউনিট লিডার মোয়াজ্জেম হোসেন স্যার এবং উপজেলা স্কাউটস কমিশনার, সম্পাদক সহ সকল কর্মকর্তাগণ কঠোর পরিশ্রম করেছেন। আমারা তাদের সকলের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো। 
 
কলাপাড়া উপজেলা স্কাউটস এর অন্যতম সংগঠন মো.নজরুল ইসলাম জানান, ২০২৫ সালের মূল্যায়নে চূড়ান্ত পর্যায়ে ৬০৮ জনকে মনোনীত করা হয়। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৬ জন, পটুয়াখালী জেলায় ৯ জন এবং কলাপাড়া উপজেলায় ৭ জন যাতে
পুরো বিভাগে উপজেলা হিসেবে সর্বোচ্চ প্রেসিডেন্ট'স স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে কলাপাড়া উপজেলা। তিনি আরও বলেন, 
পড়াশোনার পাশাপাশি স্কাউটিং করে নিজেকে বিকসিত করতে, সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ও নেতৃত্ব তৈরিতে স্কাউটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।  স্কাউটিং এর জন্য কলাপাড়া উপজেলা একটি মডেল হতে পারে কিন্তু অনেক সময় মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কতিপয়  শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য ও অসহযোগিতা বাচ্চাদের স্কাউটিং করতে নিরউৎসাহিত করে।
 
উপজেলা স্কাউটস কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক সম্পাদক নুরুল হক গণমাধ্যমকে জানান,বরিশাল বিভাগের মধ্যে কলাপাড়া উপজেলা স্কাউটস এবং কাপ স্কাউটস এর অনেক সুনাম রয়েছে। প্রতিবছর জাতীয় পর্যায়ে কাব স্কাউটস এর শাপলা কাপ অ্যাওয়ার্ডে বরিশাল বিভাগ তথা বাংলাদেশের মধ্যে কলাপাড়া গুরুত্বপূর্ণ করে থাকেন। এ ছাড়াও স্কাউটস প্রেসিডেন্ট এওয়ার্ডস পরীক্ষায় ২০২৩ সালে ১০ জন শিক্ষার্থী অর্জন করেছিল।
 
কলাপাড়া উপজেলা স্কাউটস সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আরিফুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের এ অর্জনে উপজেলা স্কাউটস এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। কলাপাড়া উপজেলা স্কাউটস এর সার্বিক উন্নয়নে সকল ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি। 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%