প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হাসি মানুষের জন্য অসুখের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হয়। মানবজীবনে হাসির গুরুত্ব অপরিসীম। সময়কে সুন্দরভাবে উপভোগ করতে হাসির বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিশ্ব হাসি দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম শুক্রবার এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সারাদিনকে প্রাণবন্ত করে তুলতে সকালের ১ মিনিটের হাসিই যথেষ্ট। হাসি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানসিক চাপ থেকে দূরে রাখে।
১৯৬৩ সালে, ওরচেস্টার ম্যাসাচুসেটসের শিল্পী হার্ভে বল একটি হাসিখুশি মুখের ছবি তৈরি করেন। সময়ের সাথে সাথে সেটি সদিচ্ছা ও আনন্দের প্রতীক হয়ে ওঠে। তবে বাণিজ্যের কারণে হার্ভে দেখেন যে সেই হাসিখুশি মুখ বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার ফলে ছবির আসল অর্থ পরিবর্তিত হচ্ছে। উদ্বিগ্ন হয়ে হার্ভে ভাবেন, হাসির জন্য একটি বিশেষ দিন নির্ধারণ করা হলে কেমন হবে। সেই দিনটি হাসিখুশিতে কাটানো এবং সহৃদয় আচরণের জন্য উৎসর্গ করা হবে। এর মাধ্যমে শুরু হয় বিশ্ব হাসি দিবসের যাত্রা।
প্রথমবার বিশ্ব হাসি দিবস পালিত হয় ১৯৯৯ সালে, উরচেস্টারে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সহৃদয়তার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। এরপর থেকে প্রতিবছর এই দিনটি উদযাপিত হচ্ছে। ২০০১ সালে হার্ভে মৃত্যুবরণ করেন। তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘হার্ভে বল ওয়ার্ল্ড স্মাইল ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশন প্রতিবছর বিশ্ব হাসি দিবসের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করে।
হাসির জন্য একটি প্রতীকও রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হলুদ একটি মুখের হাসি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় হাসি হিসেবে পরিচিত। হলুদ মুখে কালো বিন্দুর দুটি চোখ এবং একটি চওড়া হাসি আপনার দিনটি ভালো করতে পারে। ১৯৭০ এর দশকে হাস্যোজ্জ্বল মুখ কার্টুন, কমিকস এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য ব্যবহৃত হত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন