শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৩ পি.এম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) বেগম খালেদা জিয়া হলের লিফট এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। বর্তমানে ১০ তলা বিশিষ্ট এই হলে প্রায় ৫৪৪ ছাত্রী অবস্থান করছেন। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস, খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে দীর্ঘ সিঁড়ি ভেঙে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বিশেষ করে, ওপরের তলায় অবস্থানরত ছাত্রীদের চলাচলে ভোগান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আবাসন সংকট নিরসনের উদ্দেশ্যে নির্মিত এই হলটি ৩৫০ ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এক বছরের মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে। লিফট চালু না থাকায় অসুস্থতা, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনে ওপরের তলা থেকে নিচে নামা-ওঠার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পশুপালন অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের এবং হলের ৮ম তলায় অবস্থানরত এক শিক্ষার্থী জানান, "ক্লাস শেষে অনেক ক্লান্ত থাকি। এরপর এত ওপরে উঠতে গিয়ে আরও কাহিল হয়ে পড়ি।" তিনি আরও বলেন, "অনেক সময় ক্লাসের ফাঁকে এক থেকে দুই ঘণ্টা বিরতি থাকলেও রুমে ফিরতে পারি না।" তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস দিনে দুই সময়ে হওয়ার কারণে হলে আসা-যাওয়া করতে তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। ক্যান্টিনও নিচতলায় অবস্থিত, খাবার নিতে নিচতলা পর্যন্ত যেতে হয়, যা তাদের জন্য অনেক কষ্টের। তিনি ক্যান্টিনের খাবারের মানও সন্তোষজনক নয় বলে উল্লেখ করেন।
১০ম তলায় প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, "১০ তলায় সিট বরাদ্দ পাওয়ায় অনেক ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। একবার ওপরে উঠলে আবার নিচে নামতে ইচ্ছা করে না।" তিনি জানান, এ কারণে অনেক সময় দিনে এক বেলা খাবার খেতে হয়। একবার নিচে নেমে খাবার নিয়ে আসা হয়। সকালের খাবার তো খাওয়াই হয় না। বিশেষ করে শুক্রবার ও শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকায় খাবারের কষ্ট আরও বেশি হয়। রান্না করার সুযোগও নেই, জরুরি পরিস্থিতিতে কিছু রান্না করে খাওয়ার উপায় থাকে না। তাই অনেক সময় না খেয়েই থাকতে হয়।
হলের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, "কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ তলা আবাসিক হলে লিফট নাই এরকম দেখি নাই।" তিনি আরও জানান, লিফটের অভাবে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবন চরম দুর্ভোগের মুখে পড়ছে। প্রতিদিন সকালে ও বিকালে ক্লাস শেষে এবং অন্তত তিন বেলা খাবারের প্রয়োজনে এই দীর্ঘ সিঁড়ি ভাঙা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তিনি বলেন, "তবে সবচেয়ে ঝামেলায় আমাদের পড়তে হয় যখন ১০ তলার কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে।" সেক্ষেত্রে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে হেলথকেয়ার নিয়ে যাওয়া এবং চিকিৎসা শেষে পুনরায় উপরে তুলে আনা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার স্বার্থে এমন ভবনে লিফট সুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
শিক্ষার্থীদের এই উদ্বেগের বিষয়ে জানতে চাইলে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, "শিক্ষার্থীদের মাঝে এ বিষয়ে উদ্বেগ থাকাটা স্বাভাবিক, এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এটি সমাধানের জন্য অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।" তিনি জানান, নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শিক্ষক ও হাউজ টিউটররা দফায় দফায় মিটিং করেছেন। লিফট স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, "আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত একটি লিফট চালু হয়ে যাবে।" লিফট চালু হলে ছাত্রীদের উঠানামার কষ্ট অনেক কমে যাবে। ১০ তলা পর্যন্ত সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা কতটা কষ্টের এবং অমানবিক তা অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে তারা গভীরভাবে অনুভব করেন।
লিফট চালুর অগ্রগতি নিয়ে প্রধান প্রকৌশল মুহ. এনামুল হক জানান, খালেদা জিয়া হলের জাপানি প্রযুক্তির নতুন লিফটটির মেশিনসহ এটি স্থাপনের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিন তলা পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কাজ পুরোপুরি শেষ হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগবে। শিক্ষার্থীরাও পরীক্ষামূলকভাবে এটি ব্যবহার করার পর লিফটটি স্থায়ীভাবে চালু করা হবে। আপাতত তারা একটি লিফট চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যান্য লিফটগুলোর যন্ত্রাংশ আসলেও কাজ শুরু হয়নি এবং নিয়মিত সার্ভিসিং বজায় রেখে এটি চালুর বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফটোগ্রাফির দুই শতাব্দী পূর্তির ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে জেলার মধ্যে উদযাপন করা হলো আলোকচিত্রের ২০০ বছর পূর্তি।
আজ শুক্রবার সকালে রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে আলোকচিত্রীদের সংগঠন ‘পোর্ট্রেট’-এর উদ্যোগে আলোচনা সভা এবং সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
পোর্ট্রেটের উপদেষ্টা ওসমান গণি মনসুরের উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হওয়া দুই দিনের এই অনুষ্ঠানে বক্তারা আলোকচিত্রের গুরুত্ব স্মৃতি ও ইতিহাস সংরক্ষণে তুলে ধরেন। তাঁরা একইসাথে পার্বত্য অঞ্চলের প্রকৃতি ও জীবনযাত্রাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
পোর্ট্রেটের প্রতিষ্ঠাতা রূপম চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় এবং বর্ষপূর্তি পালন কমিটির আহ্বায়ক বুলবুল আহমেদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াস এবং ফটোসাংবাদিক সুপ্রিয় চাকমা প্রমুখ।
পরে অনুষ্ঠানে রাঙামাটির প্রথম আলোর ফটোসাংবাদিক আলোকচিত্রী সুপ্রিয় চাকমা ও আলোকচিত্রী সবুজ চাকমাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার আবেদনের প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সাতটি ক্যাটাগরির আবেদনকারীদের জন্য কোনো প্রসেসিং ফি দিতে হবে না। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই সুবিধা সাধারণ পর্যটন, ব্যবসা বা শিক্ষার্থী ভিসার জন্য প্রযোজ্য নয়।
মার্কিন দূতাবাসের সূত্র অনুযায়ী, কূটনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও ন্যাটোর প্রতিনিধিরা যারা A, G, C-2, C-3 এবং NATO ভিসায় আবেদন করছেন, তাদের জন্য প্রসেসিং ফি মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী 'J' ভিসার আবেদনকারীরাও এই সুবিধা উপভোগ করবেন।
তৃতীয় ও চতুর্থ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত আছেন প্রশাসনিক ভুলের কারণে নতুন ভিসা প্রাপ্ত আবেদনকারীরা এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বিভিন্ন ট্রাস্ট ও বিশেষ মিশনের প্রতিনিধিরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। মানবিক কাজ বা দাতব্য সেবায় যুক্ত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও ভিসা সার্ভিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফি মওকুফ হতে পারে।
পঞ্চম ও ষষ্ঠ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন সরকারি প্রয়োজনে ভ্রমণকারী মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং দায়িত্ব পালনকালে মারা যাওয়া বা গুরুতর আহত মার্কিন কর্মচারীদের নিকটাত্মীয়রা। স্বজনদের জানাজা বা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে ভ্রমণকারী পরিবারের সদস্যরাও এই ফি ছাড়ের সুবিধা পাবেন।
তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফি মওকুফ হওয়া মানে ভিসার নিশ্চয়তা নয়। সাধারণ নন-পিটিশনভিত্তিক ভিসার জন্য প্রসেসিং ফি ১৮৫ ডলার বহাল থাকবে। আবেদনকারীর জাতীয়তা ও ভিসার ধরণ অনুযায়ী আলাদা রেসিপ্রোসিটি বা ভিসা ইস্যুয়েন্স ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘আরামকো’র বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এই হামলার ঘোষণা আসার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ‘ব্রেন্ট ক্রুড’ তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৬ ডলার অতিক্রম করেছে। ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক উত্তেজনার কারণে তেল সরবরাহ নিয়ে টানাটানি চলছিল, এবং এই হামলার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
হুথিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং লোহিত সাগরের তীরের ইয়ানবু শহরের তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। তবে সৌদি সামরিক জোট জানিয়েছে, তারা মাঝপথেই হুথিদের ছোঁড়া ছয়টি ব্যালিশটিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে। এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি সরকার বা তেল কোম্পানি আরামকো এখনও কোনো স্পষ্ট তথ্য দেয়নি। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে তেলের মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ একা আরামকোই সরবরাহ করে থাকে।
হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় তিন শতাংশের বেশি বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০৮ ডলারে পৌঁছালেও পরে তা সামান্য কমে ১০৫ থেকে ১০৬ ডলারের মধ্যে স্থির হয়।
বাজার বিশ্লেষকরা স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত দ্রুত সমাধান না হলে বিশ্ববাজারে তেলের চড়া দাম কমার সম্ভাবনা নেই। কারণ, যুদ্ধের কারণে চাহিদার তুলনায় বাজারে তেলের ঘাটতি ক্রমশ বাড়ছে। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার কিছু চেষ্টা চললেও তেলের বাজার নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ এখনই কাটছে না।
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্ধুদের মাঝে বসে আছেন, আশেপাশের সবাই মিলে গল্প করছে এবং আড্ডা দিচ্ছে। তবুও মনে হচ্ছে যে আপনি একা। কখনো কি এমন অনুভূতি আপনার হয়েছে? বিজ্ঞানের পরিভাষায়, এমন অবস্থাকে বলা হয় সাবজেক্টিভ লনলিনেস বা আত্মগত একাকিত্ব।
মনোবিজ্ঞানী রবার্ট এস ভাইসের মতে, মানুষের একাকিত্বের দুটি প্রধান ধরন রয়েছে। প্রথমটি হলো Social Loneliness, যা আশেপাশে মানুষের অভাব নির্দেশ করে, এবং অপরটি হলো Emotional Loneliness, যা ভালোবাসার মানুষের অভাব বোঝায়। যখন কেউ মানুষের ভিড়ে বা বন্ধুদের মাঝে থেকেও নিজের আবেগ প্রকাশ করতে পারে না বা অপরপক্ষের কাছ থেকে পারস্পরিক বোঝাপড়া পায় না, তখন তার মধ্যে Emotional Loneliness তৈরি হয়।
মূলত, যখন আমরা আশেপাশের মানুষের সঙ্গে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারি এবং চলতে পারি, তখন আমাদের শরীরে অক্সিটোসিন নামক 'বন্ডিং হরমোন' নিঃসৃত হওয়ার উদ্দীপনা তৈরি হয়। কিন্তু যদি সেই পরিবেশে মানিয়ে নিতে না পারি, বা সামাজিক প্রত্যাখ্যান, উপেক্ষা বা অস্বস্তির সম্মুখীন হই, তাহলে দেহে স্ট্রেস বৃদ্ধিজনিত কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে ভিড়ের মাঝেও একাকিত্বের অনুভূতি তৈরি হতে পারে।
সাবজেক্টিভ লনলিনেসের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে আশেপাশের মানুষের আচরণ। ধরুন, আপনি বন্ধুদের সঙ্গে বাসে কোথাও ঘুরতে গিয়েছেন। দেখা গেল, তারা সবাই পাশাপাশি সিটে বসেছে, আর সিট না থাকায় আপনাকে বারবার একা অন্য একটি সিটে বসতে হচ্ছে। অথবা তারা হাঁটতে হাঁটতে নিজেদের মধ্যে গল্প করছে, আর আপনি নীরবে তাদের পেছনে হাঁটছেন। আপনি যখন কথা বলছেন, কিন্তু কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না; বারবার কথার মাঝেই থামিয়ে দিচ্ছে। আবার বন্ধুদের মাঝে হাসি-ঠাট্টা স্বাভাবিক হলেও যদি সবসময় আপনাকেই লক্ষ্য করে মজা করা হয়, তাহলে এসব অভিজ্ঞতা ধীরে ধীরে আত্মগত একাকিত্বের অনুভূতি তৈরি করতে পারে।
এ অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে প্রথমত প্রয়োজন সোশ্যাল মাস্কিং কমানো—অর্থাৎ অন্যদের খুশি করতে গিয়ে নিজের প্রকৃত অনুভূতি সবসময় লুকিয়ে না রাখা। আশেপাশের বন্ধুদের মধ্যে পরিবর্তন আনা জরুরি। এমন বন্ধুদের সঙ্গেই চলা উচিত যারা আপনার মতামতকে গুরুত্ব দেবে এবং আপনাকে মূল্যায়ন করবে। তবে প্রত্যাশা করা উচিত নয় যে সবাই আপনাকে সবসময় সমানভাবে গুরুত্ব দেবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিজের সঙ্গে একা সময় কাটানোকে শাস্তি নয়, বরং উপভোগ করার অভ্যাস তৈরি করা।
লেখক: আতিক মাহবুব তানজিম
শিক্ষার্থী,রসায়ন বিভাগ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ