রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৯ এম
সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উপযোগী স্থাপনায় স্থাপন করতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্টদের কাছে একটি আদেশ পাঠিয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি অফিসে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রের আলোকে বিদ্যুৎ বিভাগ অন-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
উক্ত লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারি বিনিয়োগে ‘ওপেক্স’ মডেলে অথবা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বঙ্গভবন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পরিকল্পনা কমিশন ও অর্থ বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে।
এছাড়া, অন্যান্য সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র পেরুর বিরুদ্ধে একটি বড় জয় অর্জন করেছে। তবে ৪-১ গোলের এই জয়টি বিশেষ হয়ে উঠেছে আরও একটি কারণে, কারণ এক ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটেছে ১১ জন ফুটবলারের। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ। এই ম্যাচে ১৬ বছর বয়সী কাভান সুলিভান ইতিহাস গড়েছেন।
শনিবার পেরুর বিপক্ষে ১৬ বছর ৩৬২ দিন বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের জার্সিতে অভিষেক হয়েছে সুলিভানের। এর ফলে তিনি জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক নেওয়া দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়েছেন। এর আগে এই রেকর্ডটি ফ্রেডি আদুর দখলে ছিল। আদু ২০০৬ সালে ১৬ বছর ২৩৪ দিন বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে অভিষেক করেছিলেন।
পেরুর বিপক্ষে ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক তরুণ ফুটবলার নজর কেড়েছেন। ম্যাচ শুরুর আগে ঘরের মাঠের দুই তারকা অ্যালেক্স ফ্রিম্যান ও জাস্টিন এলিসকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ছিল। তবে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তরুণ সুলিভান। যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের সম্ভাবনাময় প্রতিভা হিসেবে ম্যাচের শুরু থেকেই তার দিকে বাড়তি নজর ছিল।
ম্যাচে ৬২ মিনিট মাঠে ছিলেন সুলিভান। যদিও গোল কিংবা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি, তবুও তার খেলায় আত্মবিশ্বাসের ছাপ ছিল। তিনি একাধিকবার বল নিয়ে পেরুর রক্ষণভাগে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করেন। তবে অতিরিক্ত উদ্দীপনার কারণে পেরুর গোলরক্ষক পেদ্রো গালেসের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে হলুদ কার্ডও দেখেন এই তরুণ।
অভিষেকেই ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে গোল করে ঘরের দর্শকদের মাতিয়ে দেন জাস্টিন এলিস। প্রাক-ম্যাচ আতশবাজির ধোঁয়া পুরোপুরি কাটার আগেই তার গোলে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে স্টেডিয়ামজুড়ে।
এরপর ১৭ বছর বয়সী উইঙ্গার ম্যাথিস আলবার্ট মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পেনাল্টি আদায় করেন। স্পট কিক থেকে গোল করে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবধান বাড়ান মালিক টিলম্যান।
ম্যাচের তৃতীয় গোলটি আসে ১৮ বছর বয়সী জুলিয়ান হলের পা থেকে। সেবাস্তিয়ান বেরহল্টারের দুর্দান্ত ক্রস থেকে বল পেয়ে পেরুর জালে পাঠান হল।
এরপর ম্যাচের অন্যতম সেরা গোলটি করেন বেরহল্টার নিজেই। দূরপাল্লার বাঁকানো শটে পেরুর গোলরক্ষককে পরাস্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে, তবে ম্যাচটি তাদের জন্য পুরোপুরি নিখুঁত ছিল না। প্রথমার্ধে রক্ষণভাগের ভুলে একটি গোল হজম করতে হয়েছে। পাশাপাশি পেরু আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল। ফলে কোচ মরিসিও পচেত্তিনির জন্য রক্ষণভাগের দুর্বলতাগুলো ভাবনার কারণ হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষধর কালাচ সাপ কামড় দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের নিচতলায় ১৩৮ নং রুমে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নূরনবী ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রুমমেট সূত্রে জানা গেছে, রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন নূরনবী। পরে ভোর সাড়ে চারটার দিকে কালাচ সাপ তাকে কামড় দেয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিক বুঝতে পেরে রুমমেটদের জানালে তারা দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান। সেখান থেকে পরে তাকে রামেকে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রউপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ এইচ এম খুরশীদ আলম বলেন, "সাপের কামড়ে আক্রান্ত শিক্ষার্থী বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। ইতোমধ্যে তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। আইসিইউ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। হলের প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তাদের সঙ্গে হাসপাতাল যাচ্ছেন। আমি সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখছি এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মনিটর করছি।"
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাপ উদ্ধারকারী সংস্থা সোয়ান এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সেই সঙ্গে সাপটিকে বিষধর কালাচ সাপ বলে শনাক্ত করে।
বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা এবং তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক জোহরা মিলা জানান, ভারতীয় উপমহাদেশ তথা বাংলাদেশের অন্যতম বিষধর সাপ এই কালাচ (Common Krait)। এটি ফণাহীন, দেখতে শান্ত স্বভাবের নিশাচর সাপ। দিনের বেলা ঝোপঝাড়, ইঁদুরের গর্ত, পুরোনো বাড়ির ভাঙাচোরা দেওয়াল বা ঘরের কোণে লুকিয়ে থাকে। রাতে খাবারের সন্ধানে বের হয়ে অনেক সময় ঘুমন্ত মানুষকে কামড় দেয়। সমস্যা হচ্ছে- এই সাপটি কামড় দিলে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয় না, আক্রান্ত স্থান ফুলেও যায় না। ফলে ঘুমন্ত ব্যক্তি টেরই পান না তিনি দংশনের শিকার হয়েছেন।
তিনি বলেন, "কালাচের বিষ খুবই শক্তিশালী নিউরোটক্সিন। কামড়ানোর কয়েকঘণ্টার মধ্যে পেট ব্যথা, বমি, চোখ বন্ধ হয়ে আসা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদির মতো লক্ষণ দেখা দেয়। ফলে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা করাতে না পারলে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর আশঙ্কা অনেক বেশি। তাই রাতে এমন কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত হাসাপাতালে যেতে হবে।"
সাপটির কবল থেকে বাঁচতে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জোহরা মিলা বলেন, "সাপটির সামনে পড়লে তাকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। লাঠি দিয়ে আশেপাশে শব্দ করুন যাতে প্রাণীটি দূরে চলে যায়। কালাচ থাকতে পারে এমন স্থান যেমন ঝোপঝাড়, পুরাতন ভবনে ফাটল, দীর্ঘদিন পড়ে থাকা ইট-পাথরে হাত দেবেন না। উপদ্রব আছে এমন এলাকায় অন্ধকারে চলাচল করবেন না, সঙ্গে টর্চ লাইট রাখুন এবং ঘুমানোর আগে অবশ্যই বিছানার চারপাশে ভালোভাবে মশারি গুজে ঘুমাবেন।"
সাপটি না মারতে অনুরোধ করে জোহরা মিলা আরও বলেন, "প্রাণীটি ইঁদুর, বিভিন্ন পোকামাড়ক খেয়ে আমাদেরই উপকার করে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী কালাচ সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী। তাই এটি হত্যা বা এর কোনো ক্ষতিকরাও আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।"
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে একই হলের ১২১ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থীর মশারির ওপর থেকে একটি বিষধর কালাচ সাপ উদ্ধার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ‘নরইস্টার’ নামে পরিচিত একটি শক্তিশালী ঝড়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে এই অঞ্চলে ব্যাপক প্লাবন এবং তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত ৪ শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যা পরিস্থিতির মারাত্মকতা নির্দেশ করে।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, এই ঝড়ের প্রভাব আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় প্রবল বাতাস, উপকূলীয় এলাকায় অস্বাভাবিক উচ্চ জোয়ার এবং ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির গভর্নররা শুক্রবারই নিউইয়র্ক সিটিসহ ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং সৈকত ও উপচে পড়া খালের আশপাশ থেকে দূরে থাকার জন্য কড়া নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
ঝড়ের সতর্কবার্তা জারি করে নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বলেছেন, "এই দুর্যোগের সময়ে উপকূলের কাছাকাছি যাওয়া মানেই নিজের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলা।" স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালের পানি উপচে বিভিন্ন লোকালয় ও ঘরবাড়ির উঠানে প্রবাহিত হয়ে পড়েছে।
ফ্লাইট নজরদারি ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটঅ্যাওয়ার’-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত ৪২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৩৩৮টিরও বেশি ফ্লাইটের সময়সূচি বিপর্যয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ম্যাসাচুসেটসে ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী এড শিরানের নির্ধারিত কনসার্টটি আবহাওয়ার কারণে বাতিল করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মূল্যস্ফীতির প্রেক্ষাপটেও ধনী ব্যক্তিদের ভোগব্যয় কমছে না। বরং, দৈনন্দিন খরচের জন্য অনেকেই বিনিয়োগের অর্থ তুলে নিচ্ছেন। জেপিমরগ্যান চেজ ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালে বিনিয়োগ হিসাব থেকে ব্যাংকের চলতি হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করেছিলেন ২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এ হার বেড়ে ৮ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে।
উচ্চ আয়ের মানুষের মধ্যে এই প্রবণতা আরও বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি আয় করা ১০ শতাংশ মানুষের মধ্যে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বিনিয়োগ থেকে অর্থ তুলে খরচ করতেন। ২০২৬ সালে এ হার বেড়ে ২০ দশমিক ৩ শতাংশ হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অধিক বয়সী এবং অধিক আয়ের মানুষ বিনিয়োগের অর্থ খরচে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন।
মার্কিন অর্থনীতিতে ধনী মানুষের ভোগব্যয়ের প্রভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মুডিজ অ্যানালিটিকসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে সবচেয়ে বেশি আয় করা ১০ শতাংশ মানুষ দেশের মোট ভোগব্যয়ের ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ করেছেন। সবচেয়ে বেশি আয় করা ২০ শতাংশের অংশ প্রায় ৬০ শতাংশ। একই সময়ে, ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের অংশ ছিল মোট ভোগব্যয়ের ৪৬ শতাংশ।
বিনিয়োগের অর্থের ওপর নির্ভরতা বাড়ার পেছনে শেয়ারবাজারে দীর্ঘ সময়ের মূল্যবৃদ্ধিও একটি বড় কারণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মার্কিন পরিবার ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পদের নিট মূল্য ১২ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ১৯৫ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে শেয়ারমূল্য বাড়ার কারণে।
তবে, এই প্রবণতার ঝুঁকিও রয়েছে। শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হলে বিনিয়োগ থেকে অর্থ তুলে খরচ করার প্রবণতা কমে যেতে পারে। ২০২২ সালে বাজারে বড় পতনের সময় এমনটি দেখা গিয়েছিল। ফলে মার্কিন অর্থনীতিতে ভোগব্যয় এখন আগের তুলনায় আর্থিক বাজারের ওঠানামার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
সূত্র: দ্য ইউএসএ টুডে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ