ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঝালকাঠি জেলা কারাগারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি


ঝালকাঠি জেলা কারাগারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

 

ঝালকাঠি জেলা কারাগারের ভর্তি ও মুক্ত শাখার কর্মকর্তা মনির হোসেন এবং আইসিটি-মোবাইল বিভাগের কর্মকর্তা অন্তরের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বন্দিদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অর্থ দাবি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন।

অভিযোগকারীদের দাবি, ঝালকাঠি জেলা কারাগারের ভর্তি ও মুক্ত শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন কারাগারে আসা বন্দিদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। কোনো বন্দির অভিভাবক টাকা-পয়সা দিয়ে গেলে অথবা নতুন কোনো বন্দি সঙ্গে টাকা নিয়ে কারাগারে প্রবেশ করলে তা আত্মসাৎ করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। কেউ এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাঁকে গালিগালাজ ও মারধরের শিকার হতে হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারকালে ৪৯২ বস্তা ইউরিয়া ও ৮ পাচারকারী আটক

এছাড়া ‘শোন অ্যারেস্ট’-এর ভয় দেখিয়ে বন্দি বা তাঁদের স্বজনদের কাছ থেকে টাকা দাবি করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কেউ টাকা দিতে অনিচ্ছুক হলে তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। জামিনপ্রাপ্ত বন্দিদের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থাকে অবহিত করে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে।

কারামুক্ত কয়েকজন বন্দির দাবি, মনির হোসেনের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের পরও তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে, কারাগারের আইসিটি-মোবাইল বিভাগের কর্মকর্তা অন্তরের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কারাগারে বন্দিদের মোবাইল যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত তথ্য ও তাঁদের স্বজনদের মোবাইল নম্বর সংরক্ষিত থাকার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন কৌশলে বন্দিদের অসুস্থতার কথা বলে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন। কোনো বন্দি এসব বিষয়ে কথা বললে তাঁর মোবাইল যোগাযোগসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রজন্মকে অপরাধী নয়, মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: ফখর উদ্দিন এমপি

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বন্দি ও তাঁদের স্বজনদের দাবি, এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর দিল দক্ষিণ কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর দিল দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য একটি সুখবর ঘোষণা করেছে।

 

দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশির মধ্যে অধিকাংশই ই-৯ ভিসাধারী। বর্তমানে, দক্ষ কর্মী বা ই-৭-৪ ভিসা পাওয়ার জন্য ভাষাগত যোগ্যতার শর্ত ছাড়া আবেদন করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

 

কোরিয়া সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন সংস্থার (এইচআরডি) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি সিউলের বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসী কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোরিয়ান ভাষার পরীক্ষা ছাড়াই ই-৭-৪ ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে। তবে, আবেদনকারীদের ‘কে-পয়েন্ট ই-৭-৪’ স্কোরিং সিস্টেমে ৩০০-এর মধ্যে অন্তত ১৫০ পয়েন্ট অর্জন করতে হবে। উল্লেখ্য, পরবর্তীতে ভিসা নবায়নের সময় ভাষার সনদ জমা দিতে হবে।

 

কোরিয়ায় পরিবারকে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে ভাষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন হবে।

এই আবেদনের মূল শর্ত হলো, গত ১০ বছরে কোরিয়ায় অন্তত ৪ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে (রাজধানী সিউলের বাইরে ৩ বছর বা জনসংখ্যা কম এমন এলাকায় ২ বছর)। এছাড়াও, বর্তমানে কর্মরত প্রতিষ্ঠানে অন্তত ১ বছর কাজের অভিজ্ঞতা, নিয়োগকর্তার সুপারিশপত্র এবং সর্বনিম্ন ২৬ মিলিয়ন ওন বার্ষিক বেতনের ২ বছরের চুক্তিপত্র থাকতে হবে।

অদক্ষ ই-৯ ভিসায় সর্বোচ্চ ৪ বছর ১০ মাস থাকার নিয়ম থাকলেও, ই-৭-৪ ভিসা দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ প্রদান করে।

 

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, এই ক্যাটাগরিতে ২০০ পয়েন্ট অর্জন করতে হয়। ভিসাসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে প্রবাসীদের ইমিগ্রেশন কনট্যাক্ট সেন্টার (১৩৪৫) অথবা এইচআরডি কোরিয়া সেন্টারে (১৫৭৭-০০৭১) যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ বিনোদন দুনিয়ায় ঝড় তোলা কে এই ইন্দোনেশিয়ান অভিনেত্রী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


হঠাৎ বিনোদন দুনিয়ায় ঝড় তোলা কে এই ইন্দোনেশিয়ান অভিনেত্রী?

বিশ্ব বিনোদন দুনিয়ায় এখন এক নতুন ঝড়ের নাম আগনেজ মো। প্রাইম ভিডিওর জনপ্রিয় অ্যাকশন সিরিজ ‘রিচার’-এর চতুর্থ মৌসুমে লিলার চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি আন্তর্জাতিক দর্শকের নজর কেড়েছেন এই ইন্দোনেশীয় তারকা। গত ১২ আগস্ট মুক্তি পাওয়া এই নতুন মৌসুমের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা, যা তাঁর বর্ণিল ক্যারিয়ারে যুক্ত করেছে এক অভাবনীয় অধ্যায়।

ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতি ও বিনোদনজগতে আগনেজ মো পরিচিতির নাম। বিগত তিন দশক ধরে গান, অভিনয়, নাচ আর টেলিভিশন উপস্থাপনার সুবাদে তিনি দেশটির অবিসংবাদিত সুপারস্টার হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছেন। অথচ আন্তর্জাতিক দর্শকদের বড় একটি অংশের কাছে তিনি একেবারে নতুন এক আবিষ্কার, যিনি হলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নিজের জাত চেনাতে শুরু করেছেন।

১৯৮৬ সালের পহেলা জুলাই জাকার্তায় জন্ম নেওয়া এই তারকার পথচলা শুরু হয়েছিল মাত্র ছয় বছর বয়সে শিশুশিল্পী হিসেবে। নব্বইয়ের দশকে অ্যালবাম প্রকাশ ও ছোটদের অনুষ্ঠান উপস্থাপনার পর ২০০১ সালের টেলিভিশন ড্রামা ‘পেরনিকাহান দিনি’-তে তাঁর যুগান্তকারী অভিনয় তাঁকে কিশোর প্রজন্মের হৃদয়ে চিরতরে আসন করে দেয়। সেই সাফল্যের রেশ ধরে তাইওয়ানসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাট্যপ্রযোজনাতেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন তিনি।

অভিনয়ের গণ্ডি পেরিয়ে সংগীতের বিশাল সাম্রাজ্যেও রাজত্ব করেছেন আগনেজ। ২০০৩ সালে প্রাপ্তবয়স্ক পপ তারকা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর একের পর এক হিট অ্যালবাম এবং মার্কিন র‍্যাপার টি আই, টিম্বাল্যান্ড ও ক্রিস ব্রাউনের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে কোলাবরেশন তাঁকে বিশ্ব সংগীতাঙ্গনের চূড়ায় নিয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিন কোটির বেশি অনুসারী এবং ২০১৯ সালে আইহার্ট রেডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসের সোশ্যাল স্টার খেতাব তাঁর আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তারই প্রমাণ দেয়।

প্রায় দীর্ঘ পনেরো বছর অভিনয় জগৎ থেকে দূরে থাকার পর ‘রিচার’-এর মাধ্যমে রূপালি পর্দায় এই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটে আগনেজের। তবে এই বড় সুযোগটি তিনি কোনো তারকাখ্যাতির জোরে পাননি, বরং নিজের নাম বা সংগীত পরিচিতিকে দূরে সরিয়ে রেখে সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে রিহার্সাল ও কঠিন অডিশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চরিত্রটি অর্জন করেছেন। অডিশন থেকে শুরু করে কলব্যাক ও কেমিস্ট্রি টেস্ট—প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে লিলার চরিত্রটি পাওয়া ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন ও রোমাঞ্চকর এক লড়াই।

‘রিচার’-এর এই নতুন মৌসুমে আগনেজের অভিনীত চরিত্র লিলা হথ এক গভীর ও রহস্যময় সত্তা। ফিলাডেলফিয়ায় লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত মায়ের সঙ্গে এসে নিজের জৈবিক পিতার সন্ধানে নামা এই তরুণীর জীবন জড়িয়ে পড়ে জ্যাক রিচারের রোমাঞ্চকর তদন্তের জালে। ইন্দোনেশীয় বংশোদ্ভূত ফরাসি গায়িকা আংগুনের সঙ্গে তাঁর এই স্ক্রিন শেয়ারিং এবং চরিত্রের একমাত্রিক না হওয়া দর্শকদের মাঝে এক অন্যরকম মনস্তাত্ত্বিক কৌতূহল তৈরি করেছে।

আগনেজের কাছে অভিনয় ও সংগীত কোনো আলাদা সত্তা নয়, বরং এগুলো একই সূত্রে গাঁথা গল্প বলার শক্তিশালী মাধ্যম। তাঁর বিশ্বাস, অভিনয়ের মাধ্যমেই মানুষের আবেগ ও মনস্তত্ত্বকে গভীরভাবে উপলব্ধি করার ক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব, যা তাঁকে একজন আরও পরিপক্ব গীতিকার ও শিল্পী হতে সাহায্য করেছে। এই নিখাদ আবেগের সততা এবং গল্পের প্রতি অগাধ ভালোবাসাই তাঁকে দীর্ঘ বিরতির পরও ক্যামেরার সামনে অতটা সাবলীল রাখতে পেরেছে।

‘রিচার’-এর চতুর্থ মৌসুমের এই বিশাল সাফল্যের পর আন্তর্জাতিক আঙিনায় আগনেজের পথচলা আরও বেশি গতিশীল হয়ে উঠেছে। আইএমডিবির ট্রেন্ডিং তারকার তালিকায় নিজের নাম তোলার পাশাপাশি ‘গ্রোভ টেলস’-এর মতো বড় প্রকল্প এবং মার্ভেলের ‘এক্স-মেন’-এর সাইলক চরিত্রে অভিনয়ের সুপ্ত ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁর এই স্বপ্নের দৌড় কেবল শুরু মাত্র। বিশ্বমঞ্চে নিজের শিল্পসত্তার এক অবিস্মরণীয় বিপ্লব ঘটাতে প্রস্তুত এই ইন্দোনেশীয় ডিভা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরপুর বিহারি ক্যাম্পে দু'পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ-গোলাগুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


মিরপুর বিহারি ক্যাম্পে দু

ঢাকার মিরপুর পল্লবী বিহারি ক্যাম্পে জামায়াত ও বিএনপিপন্থি দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ককটেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে ক্যাম্প এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির জানান, ক্যাম্পে একটি মৃতদেহের গোসলখানা নির্মাণের কাজ চলছিল। সেখানে পানির পাম্প বসানোকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ওসি বলেন, পানির পাম্প বসানো নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। বিষয়টি শুরুতে বিহারিদের মধ্যকার বিরোধ থাকলেও পরে তা দুই পক্ষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় জামায়াত কর্মী মানিকের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন এবং বিএনপিপন্থি সোহেল ও বিহারি সংগঠনের নেতা সাদাকাত খান ফাক্কুর নেতৃত্বে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাঁচ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। পাশাপাশি ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

সংঘর্ষে কেউ আহত হয়েছেন কি না জানতে চাইলে ওসি হাসান বাসির বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হয়েছে। তবে আহত হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পুলিশের কাছে আসেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে ক্যাম্প এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক কারবারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরে ৩ বসতঘর ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


মাদক কারবারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরে ৩ বসতঘর ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে মাদক কারবারি অভিযোগে তিনটি বসতঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের নন্দীগ্রাম নাগের হাটসংলগ্ন লক্ষ্মী কুড়িবাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, তিনটি বসতঘরের ভাঙচুরের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার নাগেরহাট বাজারে মাদকবিরোধী একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে কয়েকজন ব্যক্তি বাজারের পাশে কুড়িবাড়ীতে গিয়ে মানিক লাল কুড়ির দুই ছেলে স্বর্ণকার সোহাগ চন্দ্র কুড়ি ও রুবেল চন্দ্র কুড়ির বসতঘরে ভাঙচুর চালান। এ সময় পাশের বাড়ির হারুন নামের আরেক ব্যক্তির ঘরেও ভাঙচুর করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সোহাগ, রুবেল এবং হারুনের ছেলে সুজন মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। সোহাগের চাচা হরি লাল কুড়ি বলেন, ‘মানববন্ধন থেকে লোকজন এসে আমার ভাতিজা রুবেলের ঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে ঘরের এক কোণে আগুনও দেয়। পরে সোহাগের বসতঘরেও হামলা চালানো হয়।

 

মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ তুলে এ ভাঙচুর করা হয়েছে।’ সোহাগের স্ত্রী অঞ্জলি কুড়ি বলেন, ‘আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করি। আমাদের পরিবার খুবই অসহায়। মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাদের বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। সন্তানদের নিয়ে কোথায় মাথা গোঁজাব? আমি এ হামলার বিচার চাই।

 

আমার ঘরে জমি বিক্রির ২ লাখ টাকা ছিল। ওই টাকাও নিয়ে গেছে।’ সোহাগ চন্দ্র কুড়ি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন মনির হোসেনের সঙ্গে আমার আগে থেকেই বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে তিনি স্থানীয় লোকজনকে উত্তেজিত করে আমাদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করিয়েছেন।’

 

বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বলেন, মাদক ব্যবসার অভিযোগ এনে সোহাগ ও রুবেলের বসতঘর ভাঙচুরের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তাঁরা চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন।

মাদকবিরোধী মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর (পশ্চিম) উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খোকন। হামলা-ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রুবেল ও সোহাগকে ব্যক্তিগতভাবে আমি চিনি না। তাঁদের নাম শুনেছি, তাঁরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মানববন্ধনে আমি ছিলাম, তবে মিছিল নিয়ে আমি যাইনি। এ কারণে তাঁদের বাড়িতে হামলার বিষয়ে আমার জানা নেই।’

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%