শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৫ এম
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আসন্ন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আদলে অব্যাহত থাকবে।
এ তথ্য নির্বাচন কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ প্রকাশ করা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (সর্বশেষ সংশোধন ২০২৫) (আরপিও) অনুযায়ী, মূলত চার শ্রেণির ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এই শ্রেণিগুলো হলো, বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটার, সরকারি দায়িত্বে বা চাকরিসূত্রে নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে অবস্থানরত ব্যক্তি, জেলখানায় বা আইনি হেফাজতে আটক বন্দি এবং নিজ কেন্দ্রের বাইরে নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যারা প্রবাসী ভোটার হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে ই-মেইল, হোয়াটসঅ্যাপ অথবা পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে ভোটদানে সম্মতি নিশ্চিত করা হবে। এরপর ভোটারদের বর্তমান ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হবে। তাছাড়া, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রবাসী ভোটাররা অ্যাপটির মাধ্যমে নতুন করে নিবন্ধন করে পোস্টাল ভোটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন।
দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা গত জাতীয় নির্বাচনে নিবন্ধিত হয়েছেন, তাদের এসএমএস-এর মাধ্যমে উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সম্মতি নিশ্চিত করে হালনাগাদ ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হবে। যারা আগে নিবন্ধন করেননি, তারা নতুন করে নিবন্ধন করে পোস্টাল ভোটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন। এছাড়া, উপনির্বাচনের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরাও পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে ভোট দিতে পারবেন।
এদিকে, জেলখানায় আটক ভোটাররা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একই প্রক্রিয়ায় জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে উপনির্বাচনে নিবন্ধন করে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন।
উল্লেখ্য, পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপের মাধ্যমে শুধুমাত্র ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংশ্লিষ্ট ভোটাররাই নিবন্ধন করতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী এক মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ, হাইকোর্ট বিভাগ এবং সারা দেশের নিম্ন আদালতগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করার নির্দেশনা এসেছে। সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এ বিষয়ে একটি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। গতকাল (বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্ট অ্যানেক্স ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে, গত বুধবার আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বার সভাপতির বাগতিণ্ডার জেরে আপিল বিভাগের এজলাস ত্যাগের পর অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যের বিষয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বার সভাপতি বলেন, "অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রূহুল কুদ্দুস কাজল আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।"
গত বুধবার বিচারপতির এজলাস ছেড়ে যাওয়ার ঘটনার প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং আইনমন্ত্রী দু’জনের দিক থেকে বক্তব্য এসেছে যে, সেদিন যা হয়েছে, আপনার দিক থেকে আসলে ঠিক হয়নি। তখন ব্যারিস্টার খোকন বলেন, "অ্যাটর্নি জেনারেল! হু ইজ হি হেয়ার? আমি সুপ্রিমকোর্ট বারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে... আপনারা জানেন, এই সুপ্রিম কোর্টে আমাকে আইনজীবীরা ১১ বার নির্বাচিত করেছে। বার কাউন্সিলে সারা বাংলাদেশের ল’ ইয়াররা তিনবার আমাকে নির্বাচিত করেছেন। ২০ বছর ধরে আমি নির্বাচিত। আমি আইনজীবীদের কথা বলব, বিচারপতিদের কথা বলব মাননীয় প্রধান বিচারপতির নিকট। অ্যাটর্নি জেনারেলের কোনো কাজ আছে এর মধ্যে? উনি এখানে কে?"
তিনি আরও বলেন, "হি ইজ ইররেলেভেন্ট! তার বক্তব্যই ইররেলেভেন্ট! হি ইজ নো বডি ইন আওয়ার ডিসকাশন, ইন আওয়ার ডিমান্ড, অন আওয়ার ডিমান্ড!" তার বক্তব্যটা অনভিপ্রেত। বার সভাপতি বলেন, "আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম। তিনি সাফাই গাইতে গেছেন। উনি সুপ্রিম কোর্ট বারের সেক্রেটারি ছিলেন না? উনি কে? উনি কীভাবে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন? আই অ্যাম সারপ্রাইজড, শকড অ্যান্ড সারপ্রাইজড!"
সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি আরো বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করেছি। বাইরেও অনেক আইনজীবী যোগাযোগ করেছেন। সবাই একটু উদ্বিগ্ন বিচার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে। মামলা তদবিরে দুর্নীতি। লিস্টে আনতে দুর্নীতি। শুনানিতে দুর্নীতি। কিছু কিছু জুডিশিয়াল অফিসারদের দুর্নীতি। সুপ্রিম কোর্টের সব জায়গাতে দুর্নীতি। হাইকোর্টেও মামলা লিস্টে আনতে হচ্ছে দুর্নীতি। এসব আইনজীবীদের বক্তব্য। আমি মনে করি এটি আমার দায়িত্ব। মাননীয় প্রধান বিচারপতির নিকট দাবি করা। সুপ্রিম কোর্ট আপিল ডিভিশন এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের সর্বক্ষেত্র দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। অন্য জায়গায় দুর্নীতি থাকতে পারে। দুর্নীতির বিচার কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে হয়। সুপ্রিম কোর্টে বিচার করার ক্ষেত্রে বিচার প্রার্থীদের তদবির করতে হয়। সব জায়গায় টাকা দিতে হয়, এটিতো দুঃখজনক ব্যাপার। আগেও এই পয়েন্ট আমি রেইজ করেছি। আবার আমি দাবি করছি মাননীয় প্রধান বিচারপতির নিকট, অ্যাপিলেট ডিভিশন এবং হাইকোর্ট ডিভিশনে এবং সারা বাংলাদেশে প্রত্যেকটা কোর্টের মধ্যে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে আগামী এক মাসের মধ্যে।"
তিনি বলেন, "হাইকোর্টে যেসব হচ্ছে, নিম্ন আদালতে যেসব হচ্ছে সেগুলো দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। যেসব দুর্নীতিবাজ জুডিশিয়াল অফিসাররা এখনো রয়ে গেছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি এই সুপ্রিম কোর্টে গত ১৭ বছরে আওয়ামীলীগের সময় অনেক বিচারপতির আচরণ ছিলো রাজনৈতিক। আজকে আড়াই বছর হয়ে গেছে, এর মধ্যে একজন মাননীয় প্রধান বিচারপতি চলে গেছেন। আরেক প্রধান বিচারপতি এসেছেন। অথচ সেই বিচারপতিরা এখনো সুপ্রিম কোর্টে বহাল তবিয়তে আছেন। তাদের এ আচরণের কারণে আমি মনে করি তাদের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে প্রেরণ করা হোক। এটি আমি দাবি করি তাদেরকে অবিলম্বে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে পাঠানো হোক।"
সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি বলেন, "এটি সর্বোচ্চ আদালত। এখানে বস্তি থাকবে কেন? মাননীয় প্রধান বিচারপতির কাছে বস্তি অত্যন্ত প্রিয়। আর আইনজীবীরা? তাদের বসার জায়গা নেই। হাঁটার জায়গা নেই। আমাদের কোনো বিল্ডিং নেই। আমি দাবি করবো, আগামী এক মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে বস্তি উচ্ছেদ করতে হবে। আইনজীবীদের বসার পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য আপাতত টেম্পোরারি শেড হলেও তৈরি করতে হবে এবং বস্তি উচ্ছেদ করে হলেও আইনজীবীদের বসার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।"
"আইনজীবীদের জন্য বিল্ডিং করতে হবে। কিউবিক্যাল করতে হবে। হল রুম করতে হবে। আজ থেকে এক মাস। যদি না করা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। আশা করি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি আমার এ বক্তব্যটা দৃষ্টিতে আনবেন। যদি না করা হয় তাহলে আইনজীবীরা যদি পরবর্তীতে কোনো পদক্ষেপ নেন, এর দায়-দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি বহন করবে না। আপনারা জানেন এক সপ্তাহ পর সুপ্রিম কোর্ট ভ্যাকেশনে যাবে। ভ্যাকেশনের পর কোর্ট খোলার আগে আপিল বিভাগে কমপক্ষে তিনটি বেঞ্চ করতে হবে। সেই প্রয়োজনে বিচারপতি নিয়োগের উদ্যোগ নিতে হবে। এতে বিচারপ্রার্থীদের আর দীর্ঘসূত্রতায় পড়তে হবে না।"
"বিচারের জন্য বছরের পর বছর বসে থাকতে হবে না। আর এখন যে বেঞ্চ আছে, তিনি (প্রধান বিচারপতি) চাইলে এখানেও ২টি বেঞ্চ করতে পারেন। আমি আশা করি বিচারপ্রার্থীদের, তথা আইনজীবীরা ক্লায়েন্টদের নিয়ে যে অ্যাংজাইটিতে রয়েছেন যে কখন তাদের মামলার শুনানি হবে-আমরা এগুলো দূরীকরণ করবো আশা করি মাননীয় প্রধান বিচারপতি। উনিতো বাংলাদেশের বিচার বিভাগের প্রধান। আমরা ওনার কাছেই দাবি করবো। অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলছি, জুনিয়র আইনজীবীদের যে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে সেটি এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। এ ব্যাপারে আমরা আইনজীবীরা আরো আলোচনা করবো। সার্বিকভাবে পরবর্তীতে কি পদক্ষেপ নেয়া যায়, তখন আবার জানাবো আপনাদেরকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোমোর অভিষেকটি স্বপ্নের মতো ছিল। ইতালিয়ান ক্লাবটি ঘরের মাঠে আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে পরাজিত করেছে। তবে একই রাতে বাজে অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছে আরেক নতুন দল সাবাহ। তারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে ৪-০ গোলে পরাজিত হয়েছে।
ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ তাদের গ্রুপ পর্বের অভিযান শুরু করেছে দারুণভাবে। নরওয়ের বোদো/গ্লিমটকে তারা ৫-০ গোলে হারিয়েছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরা ফেনারবাচে ঘরের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছে এএস রোমার সঙ্গে।
কোমো এই প্রথমবার ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। উয়েফার নিয়ম মেনে নিজেদের হ্রদ পাড়ের স্টেডিয়াম সিনিগাগ্লিয়া প্রস্তুত করতে তাদের সময়ের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। যদি তারা তা করতে না পারতো, তবে তাদের ঘরের ম্যাচ ২০০ কিলোমিটার দূরে সাসুওলোর মাঠে খেলতে হতো। তবে সেই ঝামেলা এড়িয়ে কোমো নিজেদের মাঠে নেমেছিল এবং তারা দারুণ এক জয়ের মাধ্যমে অভিষেকটি রাঙিয়েছে।
১৫ মিনিটে গোল করে উৎসবের সূচনা করেন মার্তি বাতুরিনা। এরপর তাসো দুভিকাস ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসানে দিয়াও ৩-০ করেন। প্রতিপক্ষের আন্দ্রিয়া মাক্সিমোভিচ একটি গোল শোধ করেন। তবে যোগ করা সময়ে চতুর্থ গোলটি করেন মাক্সিমো পেরোনে, যা ব্যবধান নিশ্চিত করে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচটি কোমোর মতো দুর্দান্ত হয়নি আজারবাইজানের চ্যাম্পিয়ন সাবাহ ক্লাবের। এই ক্লাবটির অস্তিত্ব এক দশক আগে ছিল না। তারা ঘরোয়া লিগ জিতে বাছাইপর্বে উঠেছিল। এরপর ইসরাইলের হাপোয়েল বিয়ার-শেভাকে পরাজিত করে ইউরোপের বড় দলের সঙ্গে গ্রুপ পর্বে স্থান করে নেয়।
তবে দুই মৌসুম পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরে ইউনাইটেডের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সাবাহ বড় ধাক্কা খায়। মাইকেল ক্যারিকের দলের কাছে তারা একরকম উড়ে যায়। ২৭ মিনিটে মাথেউস কুনিয়া গোল করে শুরু করেন। এরপর বিরতির ঠিক আগে ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং বেনিয়ামিন সেস্কো গোল করেন। চতুর্থ গোলটি করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
অন্যদিকে, বায়ার্নও গোল উৎসব করেছে। বিরতির আগে বোদো/গ্লিমটের বিপক্ষে কিছুটা হতাশ ছিল বায়ার্ন। তবে বিরতির দুই মিনিট পর জামাল মুসিয়ালা গোল করেন। এরপর একের পর এক গোল আসতে থাকে।
এক ঘণ্টায় দ্বিতীয় গোলটি করেন হ্যারি কেইন। বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি তার ৩৯ ম্যাচে ৩৪তম গোল। এরপর জোরালো হাফ-ভলিতে ৩-০ করেন আলফোনসো ডেভিস। ভিনসেন্ট কোম্পানির দল তখন পুরোপুরি ছন্দে ছিল। শেষ দিকে দুর্দান্ত দুই গোল করে স্কোরলাইন সম্পূর্ণ করেন মাইকেল ওলিসে।
ইস্তাম্বুলে ৩৯ মিনিটে রোমা এগিয়ে যায়। দোনিয়েল মালেনের পাস থেকে বল পেয়ে বাউন্স করে ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে জালে পাঠান। এটি ছিল প্রতিযোগিতায় তার প্রথম গোল। ১৫ বছর আগে এসি মিলানের হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে এই প্রতিযোগিতায় অভিষেক হয়েছিল তার।
১৮ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরা ফেনারবাচে দমে যায়নি। বিরতির তিন মিনিট পর তারা সমতা ফেরায়। মেসন গ্রিনউডের পাস থেকে আর্চি ব্রাউন গোলরক্ষক মিলে স্ভিলারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান।
শেষ দিকে জয়ও পেয়ে যেতে পারত ফেনারবাচে। নাথান আকের একটি হেড রোমার ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
এদিকে, টানা পাঁচবার প্রথম ম্যাচ হারার পর এবার আর হারেনি পিএসভি আইন্দহোভেন। ঘরের মাঠে শাখতার দোনেৎস্কের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে ছিল ডাচ ক্লাবটি। ভেতর থেকে কেটে ঢুকে জোরালো শটে গোল করেন গ্লাইকার মেন্দোজা। গোলরক্ষক মাতেই কোভার সেই শট ঠেকাতে পারেননি। তবে বিরতির পরপরই দারুণ এক ফিনিশিংয়ে সমতা ফেরান সের্হিনিও দেস্ত।
অন্যদিকে, দশজনের স্লাভিয়া প্রাগ ঘরের মাঠে বড় হতাশায় পড়ে লঁসের বিপক্ষে। যোগ করা সময়ে দুটি গোল হজম করে ৩-২ গোলে হারে তারা।
বিরতির পরপরই ভিএআরের সিদ্ধান্তে লাল কার্ড দেখেন স্লাভিয়ার মিকুলাস কোনেচনি। এরপরও কিছুক্ষণ পর এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। গোল করেন দানিয়েল স্তুর্ম।
এরপর সমতা ফেরান আবদাল্লাহ সিমা। তবে ৮৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দর্শকদের উল্লাসে ভাসান স্তুর্ম। ৯১ মিনিটে গোল করেন ফ্লোরিয়ান তুভাঁ। শেষ মুহূর্তে দারুণ এক শটে জয়সূচক গোল করেন রুবেন আগিলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বরিশালের গৌরনদী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মেহেদী হাসান তুরাগ (৩২) নামে এক যুবক। এই দুর্ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার সময়।
নিহত মেহেদী হাসান তুরাগ বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন।
তুরাগের সঙ্গে থাকা বন্ধু তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তারা মোটরসাইকেল যোগে ঢাকা থেকে বরিশালের বাবুগঞ্জে নিজ গ্রামে ফিরছিলেন। গৌরনদী উপজেলার কটকস্থল এলাকায় পৌঁছানোর পর তাদের মোটরসাইকেলটি সড়কের মধ্যে থাকা খাদে পড়ে যায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে তাদের দুর্ঘটনা ঘটে। পরে আহত তুরাগকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৌরনদী হাইওয়ে পুলিশের এসআই শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিকবার রাত ৩টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দুর্ঘটনাটি ঘটে অজ্ঞাতনামা একটি পরিবহনের সঙ্গে। তবে ওই পরিবহনটি আটক করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস এবং স্যালোইঞ্জিনচালিত খড়িবোঝাই গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বড়দাহ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা পদ্মা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস যখন রাত সাড়ে ৮টার দিকে শৈলকুপা উপজেলার ঝিনাইদ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বড়দাহ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছায়, তখন ঝিনাইদহ থেকে আসা একটি স্যালোইঞ্জিনচালিত খড়িবোঝাই গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনায় বাসের অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন। আহত ব্যক্তিরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আরাপপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ জাহানুর আলী জানিয়েছেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ