০৯:২১ এম
যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক দুটি বন্দুক হামলায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে জর্জিয়ার ডগলাসে পাঁচজন এবং পেনসিলভানিয়ার এরিতে ৯ জন রয়েছে।
জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডগলাস শহরের পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের একটি বাড়িতে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়। গুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান কর্মকর্তারা। সেখানে গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়। স্কাই নিউজের প্রতিবেদনে এ বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যদিকে, একই রাতের এক বন্দুক হামলায় পেনসিলভানিয়ার এরি শহরে ৯ জন প্রাণ হারায়। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু এবং এক অন্তঃসত্ত্বা নারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে সন্দেহভাজন হামলাকারীও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সমঝোতা স্মারক ও ২ অনুদান চুক্তি সই
এরি শহর কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাকারীসহ নিহত নয়জনের মৃত্যু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘটে। এরপর আর কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গুলির শব্দ শনাক্তকারী বিতর্কিত প্রযুক্তি ‘শটস্পটার’ ব্যবহার করে পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছিল, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মাইক্রোফোনের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে।
পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানান, ‘আমি মেয়র ডেভলিনের সঙ্গে কথা বলেছি এবং গত রাতে এরিতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক গুলিবর্ষণের ঘটনায় আমার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ সমর্থনের প্রস্তাব দিয়েছি।’
এরি পুলিশের প্রধান রিক লোরাহ বলেন, ‘হামলার উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি। ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাণহানির ঘটনা শহরটির জন্য বড় বিপর্যয়।’
আরও পড়ুন: রাত পোহালেই ভোট, বিএনপি না জামায়াত হাসবে?
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা যে পরিস্থিতি মোকাবেলা করছি সেটি উদ্বেগজনক। বর্তমানে আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মারা গেছেন। আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, সাধারণের জন্য আর কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি নেই।’
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলায় বহু মানুষের হতাহতের ঘটনাকে ‘ম্যাস শুটিং’ বলা হয়, তবে এর কোনো সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা নেই। সাধারণত হামলাকারীকে বাদ দিয়ে তিন বা চারজন কিংবা তার বেশি মানুষ গুলিতে নিহত হলে এমন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন