শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০৩ পি.এম
আগামীকাল শনিবার জাপানের নাগোয়া শহরের মিজুহোপার্ক অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে ২০তম এশিয়ান গেমস ২০২৬। এই টুর্নামেন্ট চলবে আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স কেমন হবে, এবং টুর্নামেন্টের গুণগত মান কেমন হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে এবারের এশিয়ান গেমসের অব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
ভারতীয় দল নাগোয়ায় পৌঁছানোর পর থেকেই আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে এক চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতের একটি ঘটনা বিশৃঙ্খলার সকল সীমা ছাড়িয়ে যায়। ভারতের নারী জিমন্যাস্ট প্রণতি নায়েক এবং তার কোচ অশোক মিশ্র যখন তাদের জন্য নির্ধারিত আবাসনে চেক-ইন করতে যান, তখন তারা একটি অদ্ভুত লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন।
আয়োজকরা তাদের জানান, ক্রুজ শিপে তাদের দুজনের জন্য একই রুম বরাদ্দ করা হয়েছে। অ্যাথলেট এবং সহকারী কর্মীদের মধ্যে এই ধরণের মিশ্র-লিঙ্গের আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে তারা অবিলম্বে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানান।
স্থানীয় আয়োজক এবং দলের কর্মকর্তাদের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগের চেষ্টা করা সত্ত্বেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিস্থিতি অমীমাংসিতই থেকে যায়। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন-এর জরুরি হস্তক্ষেপের পর রাত প্রায় দেড়টায় বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
তবে বিশৃঙ্খলার এখানেই শেষ ছিল না। অশোক মিশ্র যখন অবশেষে তার আলাদা রুমের চাবি সংগ্রহ করতে যান, তখন হোটেল কর্মীরা তাকে জানান যে রেজিস্ট্রারে তাঁর বুকিং খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ ছিল অফিসিয়াল কাগজপত্রের একটি ছোটখাটো প্রশাসনিক ভুল। সিস্টেমে তাঁর নামের রেকর্ড থেকে একটি অক্ষর বাদ পড়ে গিয়েছিল। এই করণিক ভুল সংশোধন এবং তার অ্যাক্রেডিটেশন যাচাই করতে আরো ৪৫ মিনিট সময় লেগে যায়, যার ফলে কোচের রুমে গিয়ে বিশ্রাম নিতে রাত ২টা পেরিয়ে যায়।
এনডিটিভির পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হলে প্রণতি নায়েক নিশ্চিত করে বলেন, ‘হ্যাঁ, আবাসন নিয়ে একটা গোলমাল হয়েছিল। রাত ২টার দিকে এটার সমাধান হয়।’ ভারতীয় দল জাপানে পৌঁছানোর পর থেকেই আবাসন সংক্রান্ত বেশ কিছু সমস্যার কথা সামনে এসেছে। অনেক অ্যাথলেটকে রুম পাওয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।
এ ছাড়া প্রশিক্ষণ এবং খাবার পাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, ভারতীয় কবাডি দলের সদস্যরাও পৌঁছানোর পর একই ধরণের হোটেল গোলমাল এবং দেরিতে চেক-ইনের সম্মুখীন হয়েছিলেন, যা দলের আগমন পর্বের সময় ব্যাপক প্রশাসনিক ও সমন্বয়হীনতার আরেকটি চিত্র তুলে ধরে।
খেলাধুলা শুরু হতে চলায় অ্যাথলেট এবং সহকারী কর্মীরা আশা করছেন, মাঠের বাইরের এই প্রশাসনিক জটিলতাগুলো এখন কেটে যাবে, যাতে তারা পুরোপুরি পারফরম্যান্সের দিকে মনোযোগ দিতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সমুদ্রবিজ্ঞান, জলবায়ু গবেষণা এবং দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে চীনের মিনিস্ট্রি অব ন্যাচারাল রিসোর্সেস-এর অধীন ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফির (এফআইও) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক নবায়ন করেছে।
এই চুক্তি নবায়ন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চীনের শাংদাওয়ে অনুষ্ঠিত ‘চীন-দক্ষিণ এশিয়া মেরিন কো-অপারেশন ফোরামে’ ঢাবির প্রতিনিধিদল দ্বারা সম্পন্ন হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমুদ্র পর্যবেক্ষণ, পূর্বাভাস, তথ্যপ্রযুক্তি বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রমের বিস্তার ঘটবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এফআইও-এর মধ্যে মূল সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এফআইও-এর মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড নিউমেরিক্যাল মডেলিং ল্যাবরেটরি এবং ঢাবির ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান গভর্ন্যান্সের (আইসিওজি) মধ্যে একটি পৃথক সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিতে ঢাবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন আইসিওজির পরিচালক ড. কে এম আজম চৌধুরী।
চুক্তি নবায়ন অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "এটি নতুন কোনো শুরু নয়, বরং একটি ধারাবাহিকতা।" তিনি আরও বলেন, এফআইও-এর সঙ্গে সহযোগিতা ইতোমধ্যে বাস্তব ফলাফল বয়ে এনেছে। যৌথ জরিপের আওতায় রাবনাবাদ চ্যানেল ও মেঘনা নদীর মোহনায় দুটি জিএনএসএস জিং-ওয়েই বয়া স্থাপন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট-সংযুক্ত উপকূলীয় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে। বঙ্গোপসাগরের গতিবিধি অধ্যয়নের জন্য এফআইও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মডেল ডেটাও বিনিময় করেছে।
ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে উপাচার্য চারটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। এই অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে—বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় ও অফশোর এলাকায় অতিরিক্ত বয়া স্থাপনের মাধ্যমে সমুদ্র পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত পূর্বাভাস ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের সরঞ্জাম নিয়ে সহযোগিতা জোরদার, নিয়মিত যৌথ জরিপ ও ডেটা বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ‘চীন-বাংলাদেশ জয়েন্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’ প্রতিষ্ঠা।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির বলেন, "বাংলাদেশের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে এই অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।" তিনি উল্লেখ করেন, আগাম সতর্কীকরণ মানুষের জীবন বাঁচায়, তবে তা সুদৃঢ় বিজ্ঞান ও ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা প্রয়োজন।
এ সময় কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার ভবিষ্যতে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আইসিওজির পরিচালক ড. কে এম আজম চৌধুরী জানান, যৌথ জরিপের আওতায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও শিক্ষার্থীদের জন্য জিএনএসএস বয়া সিস্টেম পরিচালনা এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘের ‘ওশান ডিকেড’-এর আওতায় পরিচালিত পূর্বাভাস সিস্টেম প্রোগ্রামেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এফআইও-এর মধ্যে প্রথমবার এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় ভৌত ও রাসায়নিক সমুদ্রবিজ্ঞান, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র ও জলবায়ু বিষয়ে যৌথ গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয়। নবায়িত চুক্তির মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ের পরিধি আরও বাড়বে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা শহরের তিনটি হোটেলকে পচা-বাসি খাবার বিক্রি করার অপরাধে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক মো. ওমর ফারুক।
নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের কারণে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
জরিমানাপ্রাপ্ত হোটেলগুলো হলো, লক্ষ্মীপুর সদরের রাজমহল হোটেল, নূর জাহান হোটেল এবং মোহাম্মদীয়া হোটেল।
রাজমহল হোটেলকে ৪ লাখ টাকা, নূর জাহান হোটেলকে ৫ লাখ টাকা এবং মোহাম্মদীয়া হোটেলকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত, লক্ষ্মীপুর পরিচালিত সামারি ট্রায়ালে এই জরিমানা কার্যকর করা হয়।
লক্ষ্মীপুর নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সু-মুদু চক্রবর্তী এই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হোটেলগুলোতে খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছিল না। এছাড়া পচা-বাসি খাবার বিক্রি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের অভিযোগও পাওয়া যায়।
এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
অভিযানের সময় হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিক এবং সংশ্লিষ্টদের নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশন এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আইন লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি অজ্ঞাত বস্তু দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এ তথ্যটি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের (ইউকেএমটিও) সূত্রে নিশ্চিত করেছে।
একটি বিবৃতিতে ইউকেএমটিও জানায়, অজ্ঞাত বস্তুটির আঘাতের ফলে ট্যাংকারটিতে আগুন লেগে যায়। পরবর্তীতে আগুনটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
জাহাজটির সকল ক্রু নিরাপদে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে, এই ঘটনার ফলে পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার তদন্ত চলমান থাকায় ইউকেএমটিও হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী সকল জাহাজকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে পরামর্শ দিয়েছে। একই সাথে, কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ্য করলে তা ইউকেএমটিওকে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আশিক আহম্মেদ জেবাল (বাপ্পী)।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জয়পুরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
সভায় ডা. আশিক আহম্মেদ জেবাল মন্তব্য করেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটর সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসপাতাল সম্পর্কে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন।
এ ধরনের অপতথ্য হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। একইসাথে, চিকিৎসক ও রোগীদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত দূরত্ব তৈরি করছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, একমাত্র বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমেই এই অপতথ্য প্রতিরোধ করা সম্ভব। চিকিৎসক ও জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হওয়ার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি গুরুত্বের সাথে বিষয়টি দেখার অনুরোধ জানান।
জয়পুরহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন—প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তানভিরুল ইসলাম রিগান, সাধারণ সম্পাদক শামিম কাদির, সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন, আব্দুল আলিম, আলমগীর চৌধুরী, মোমেন মুনি, খ. ম আব্দুর রহমান রনি, মাশরেকুল আলম, রবিউল ইসলাম রুবেল, রাশেদুজ্জামান রাশেদ, শহিদুল ইসলাম সবুজ, সুজন কুমার মন্ডল, সালেহুর রহমান সজীব এবং আরাফাত হোসেন মুনসহ জেলায় কর্মরত অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ