ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নবম পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, আজকের সভায় এলো যেসব সিদ্ধান্ত


নবম পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, আজকের সভায় এলো যেসব সিদ্ধান্ত

জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়নে সচিব কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত এসেছে।

সভা সূত্রের খবর অনুযায়ী, সভায় পে কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়নি। এই দুই সংস্থার বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।

তবে, কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবে এবং কয় ধাপে তা বাড়বে—এসব বিষয়ে গণমাধ্যমের সামনে কিছুই বলতে রাজি হননি উপস্থিত সদস্যরা। এদিকে এলপিআর ভোগরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম পে স্কেলের আওতায় আসার কথা জানিয়েছেন একটি সূত্র।

আরও পড়ুন: সিটি নির্বাচনে অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তরা অংশ নিতে পারবেন না: নাহিদ

সরকার নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এটি ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। জুলাই মাস থেকে পে স্কেল বাস্তবায়ন শুরু হবে, কিন্তু নতুন বর্ধিত বেতনের অর্থ পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির ডাকা গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষ হয়েছে। সভায় বেসিকের কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেটি তাৎক্ষণিকভাবে বলা সম্ভব হয়নি। বুধবার (২৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটির সভায় পে কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই দুই সংস্থার প্রস্তাবনাও শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে।

এ জন্য আরো একটি সভা হতে পারে। সরকার জানিয়েছে, নবম জাতীয় পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেসিকের কত শতাংশ আগামী অর্থবছর থেকে বৃদ্ধি পাবে, তা নিশ্চিত না হলেও তিনটি বিকল্প নিয়ে কাজ করছে। সচিব কমিটির প্রথম প্রস্তাবনায় মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম-২০তম গ্রেডের জন্য ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি হতে পারে। আরেকটি বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেসিক শতভাগ বৃদ্ধির চিন্তাভাবনাও করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও শিল্পী দায়ী’ পোস্ট করা এসিল্যান্ড এখন কেমন আছেন?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

ডিজিটাল বেটিং এবং এর সাথে সম্পর্কিত আর্থিক অপরাধ দমনে সরকারের উদ্যোগ হিসেবে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’-এর মাধ্যমে অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তথ্য জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ সংসদে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনের প্রশ্নের জবাবে এমন তথ্য প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ১০ এপ্রিলের ঘোষণা অনুযায়ী ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬’-এর ২০ ধারায় অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরো অবগত করেন, এই আইনের আওতায় সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে কোনো পোর্টাল, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি কিংবা পরিচালনা করা, অনলাইন জুয়ায় অংশগ্রহণ করা, এমন কার্যক্রমে সহায়তা বা উৎসাহ দেওয়া, জুয়ার প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়া এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়া-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রচার বা বিপণন করা এসব শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।

এই ধরনের অপরাধের জন্য দুই বছরের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড, ১ কোটি টাকার অর্থদণ্ড কিংবা উভয় ধরনের দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, অনলাইন জুয়া এবং ডিজিটাল হুন্ডির কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত বা জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

তিনি জানান, সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর বিএফআইইউ অনলাইন জুয়া নিয়ে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করে যা ২০২৬ সালের মে মাসে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর কাছে জমা দেওয়া হয়।

এদিকে, সিআইডি এ ঘটনার উপরে একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে উল্লেখ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়ার সাথে সম্পর্কিত লেনদেনের উপর বিএফআইইউ নজরদারি অব্যাহত রেখেছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার জন্য আরও গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে।

তিনি আরো জানান, অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ২৮ মে দেশের সকল মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।

এ নির্দেশনায় এমএফএস সেবা প্রদানকারীদের মার্চেন্ট এবং গ্রাহকদের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে অনলাইন জুয়ার সাথে সম্পর্কিততা শনাক্ত করতে বলা হয়। যদি কোনো মার্চেন্ট বা গ্রাহক এ ধরনের কার্যক্রমে যুক্ত থাকে তবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার নির্দেশ দেয়া হয়।

এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনলাইন জুয়া ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক অপরাধের ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করতে নিয়মিত প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন অর্থমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে পাচার হওয়া ঋণের অর্থ উদ্ধারে ৩০ ব্যাংকের উদ্যোগ : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


বিদেশে পাচার হওয়া ঋণের অর্থ উদ্ধারে ৩০ ব্যাংকের উদ্যোগ : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে পাচারের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩০টি ব্যাংক ঋণের অর্থ পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

আজ সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের জন্য এটা একটি দেওয়ানি (সিভিল) প্রক্রিয়া। খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ব্যাংকগুলো ৯টি আন্তর্জাতিক আইনগত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট (এনডিএ) স্বাক্ষর করে ‘নো উইন, নো ফি’ শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

তিনি জানান, এসব আন্তর্জাতিক আইনগত প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত ঋণখেলাপিদের নামে বিদেশে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদান করবে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, প্রথম পর্যায়ে ছয়টি মামলাকে কেন্দ্র করে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এগুলো হলো- সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা এবং ওরিয়ন গ্রুপ-সংক্রান্ত মামলা।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সট স্কলারশিপে জাপানে মাস্টার্সে পরার সুযোগ পেয়েছেন খুবি ছাত্র নাঈম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


মেক্সট স্কলারশিপে জাপানে মাস্টার্সে পরার সুযোগ পেয়েছেন খুবি ছাত্র নাঈম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী এস এম নাঈম জাপান সরকারের মর্যাদাপূর্ণ মেক্সট স্কলারশিপের আওতায় মাস্টার্সে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিসিপ্লিনের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সুপারিশ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছেন এবং জাপানের ইয়ামানাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ে মাস্টার্স অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছেন।

জানা গেছে, নাঈম বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাডভান্সড এআই অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস প্রায়োরিটি প্রোগ্রামের আওতায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করবেন। তার গবেষণার বিষয় হবে স্মার্ট কৃষিতে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) এবং ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর)-এর প্রয়োগ। তিনি মাও অ্যান্ড ঝু ল্যাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে তিনি শতভাগ টিউশন ফি মওকুফ, মাসিক ভাতা, যাতায়াতের বিমান ভাড়া, স্বাস্থ্যবীমা এবং গবেষণা সহায়তা পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে, নাঈম একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণা, প্রযুক্তি এবং নেতৃত্বমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তিনি জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও গবেষণায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি আই-ট্রিপল-ই খুলনা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট শাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রাউটার ক্লাবের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। একই সাথে, গ্রামীনফোন লিমিটেডে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেইনি হিসেবেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নাঈম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই আমি বিদেশে উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করেছি। একাডেমিক পড়াশোনা ছাড়াও গবেষণা, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ আমাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করেছে। দীর্ঘ প্রস্তুতি, অধ্যবসায় এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনার ফলস্বরূপ আমি এ সাফল্য অর্জন করেছি।’ ভবিষ্যতে জাপানে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে দেশের উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি খাতে অবদান রাখতে কাজে লাগাতে চান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালীগঞ্জের সেই আলোচিত সাইফুল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


কালীগঞ্জের সেই আলোচিত সাইফুল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের আলোচিত সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরই মধ্যে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। নিহত সাইফুল ইসলাম (৪৯) কালীগঞ্জের অলুয়া গ্রামের আলফাজ উদ্দিনের ছেলে ছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. রেজাউল করিম (৫০), মো. নাঈম মিয়া (২৫) ও মো. আবু তাহের (৩২)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আবু তাহের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মূল অভিযুক্ত রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ আরো জানায়, গত ২ জুন সকালে কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল বেড়িবাঁধ সড়কের পাশ থেকে সাইফুলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মাথায় ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত ছিল। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা ডিবি পুলিশকে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা ও পূর্বশত্রুতার জেরে রেজাউল করিমের সঙ্গে সাইফুলের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে ২ জুন রাতে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সাইফুলকে নদীর তীরে একটি কলাবাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে কুপিয়ে হত্যা করার পর মরদেহ বেড়িবাঁধের পাশে ফেলে রাখা হয়। গাজীপুর জেলা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%