ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কালীগঞ্জের সেই আলোচিত সাইফুল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৩


কালীগঞ্জের সেই আলোচিত সাইফুল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের আলোচিত সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরই মধ্যে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। নিহত সাইফুল ইসলাম (৪৯) কালীগঞ্জের অলুয়া গ্রামের আলফাজ উদ্দিনের ছেলে ছিলেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. রেজাউল করিম (৫০), মো. নাঈম মিয়া (২৫) ও মো. আবু তাহের (৩২)। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আবু তাহের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মূল অভিযুক্ত রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ আরো জানায়, গত ২ জুন সকালে কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল বেড়িবাঁধ সড়কের পাশ থেকে সাইফুলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মাথায় ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত ছিল। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা ডিবি পুলিশকে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা ও পূর্বশত্রুতার জেরে রেজাউল করিমের সঙ্গে সাইফুলের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে ২ জুন রাতে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সাইফুলকে নদীর তীরে একটি কলাবাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে কুপিয়ে হত্যা করার পর মরদেহ বেড়িবাঁধের পাশে ফেলে রাখা হয়। গাজীপুর জেলা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান জানান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে ভর্ৎসনা করে মার্কিন কংগ্রেসে প্রতীকী প্রস্তাব পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পকে ভর্ৎসনা করে মার্কিন কংগ্রেসে প্রতীকী প্রস্তাব পাস

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে সিনেটে একটি প্রতীকী প্রস্তাব পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হোয়াইট হাউসের জন্য তেহরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার চেষ্টা করায় নতুন এক রাজনৈতিক ভর্ৎসনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, মঙ্গলবার সিনেটে ৫০-৪৮ ভোটে গৃহীত ওই প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে, কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক অভিযানের অনুমোদন না দিলে যেন ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে মার্কিন বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়।

প্রস্তাবটি ‘কনকারেন্ট রেজল্যুশন’ হওয়ায় এটি প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের জন্য হোয়াইট হাউসে পাঠানো হবে না। ফলে, এর আইনগত কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

কিন্তু এর মাধ্যমে কংগ্রেসের উভয় কক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সেই যুদ্ধের বিরোধিতা করল, যা গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানের ওপর হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। সেই সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে এবং লেবানন ও উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশকে বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও ২০১৯ ও ২০২০ সালে যথাক্রমে ইয়েমেন ও ইরান-সংক্রান্ত সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে ‘ওয়ার পাওয়ারস’ বিল পাস করেছিল কংগ্রেস। তবে ট্রাম্প সেগুলোতে ভেটো দেন এবং সিনেট সেই ভেটো অতিক্রম করতে ব্যর্থ ঘটেছিল।

মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ভোটাভুটির সমালোচনা করে এটি ‘ভুল সময়ে নেওয়া অর্থহীন সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি লেখেন, ‘এই সিনেটররা আমার কাজ আরও কঠিন করে তুলেছেন। কিন্তু আমি যেভাবেই হোক কাজটি সম্পন্ন করব, কারণ আমি সবসময়ই তা করে থাকি।’

এই ভোট এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত প্রাথমিক সমঝোতা স্মারককে চূড়ান্ত চুক্তিতে রূপ দেওয়ার জন্য ৬০ দিনের কূটনৈতিক উদ্যোগ চালাচ্ছে। আলোচনার বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ।

সিনেটে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার ভোটাভুটির উদ্যোগ নেন। ট্রাম্পের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ মিত্র যুদ্ধ এবং যুদ্ধ-পরবর্তী সমঝোতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর তিনি রিপাবলিকানদের অবস্থান প্রকাশ্যে আনতে এই পদক্ষেপ নেন।

ভোটের আগে দেওয়া বক্তব্যে শুমার জানান, ‘রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের যুদ্ধ, গোপনীয়তা এবং ইরান-সংক্রান্ত বিপর্যয়কর চুক্তি নিয়ে বন্ধ কক্ষে যত খুশি সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হলে তাদের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

এর আগে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদেও প্রস্তাবটি পাস হয়েছিল। সেখানে চারজন রিপাবলিকান সদস্য সব ডেমোক্র্যাট সদস্যের সঙ্গে একযোগে এর পক্ষে ভোট দেন, যা জাতীয় নিরাপত্তা ও যুদ্ধসংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিরল অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে ট্রাম্প সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।

১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, কোনো প্রেসিডেন্ট মার্কিন বাহিনীকে যুদ্ধে জড়ালে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়। যদিও উভয় দলের প্রশাসনই বিভিন্ন সময়ে এই আইনের প্রয়োগ নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা অসাংবিধানিক। তাদের মতে, ট্রাম্প ঘোষিত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

প্রশাসন আরও বলছে, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত করলে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ও ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ মাইক জনসন ভোটের আগে বলেন, আলোচনার সময় সেনাপ্রধানের ক্ষমতা সীমিত করা ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক সম্ভাবনা’।

তবে ডেমোক্রাট ও কিছু রিপাবলিকান সদস্যের মতে, সংঘাত আইনি সময়সীমার অনেক পর পর্যন্ত চলেছে এবং ট্রাম্প বারবার নতুন হামলার হুমকি দিয়েছেন।

যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও কংগ্রেসে উদ্বেগ বাড়ছে। এ সংঘাত বাণিজ্যপথে বিঘ্ন ঘটিয়েছে, জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে এবং নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন ভোটারদের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান প্রাথমিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পর থেকে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দ্রুত এগিয়েছে। ওই চুক্তির লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা।

তবে এখনো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

মঙ্গলবার ইরান জানায়, গত বছর যুক্তরাজ্য ও ইসরাইলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থাকে দেওয়া হবে না। এর মাধ্যমে তারা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে, যেখানে তিনি বলেছিলেন তেহরান পরিদর্শকদের ফিরতে সম্মত হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরান ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের’ পারমাণবিক পরিদর্শন মেনে নিয়েছে।

এদিকে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ জানিয়েছেন, যুদ্ধের আগে হরমুজ প্রণালীতে যে অবাধ নৌযান চলাচল ছিল, তা ‘আর কখনোই ফিরবে না’। যদিও প্রণালিটি সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে নতুন যোগাযোগব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে ‘জাতীয় নীতি কাঠামো’ তৈরি করছে ইউজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে ‘জাতীয় নীতি কাঠামো’ তৈরি করছে ইউজিসি

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে একটি ‘জাতীয় নীতি কাঠামো’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

এই কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের সুযোগ সহজ হবে।

আজ বুধবার ইউজিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়ে নীতিগত অগ্রগতি হয়েছে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

উচ্চশিক্ষা নীতি বিশেষজ্ঞ ও ফুলব্রাইট স্পেশালিস্ট ড. গ্রেস মুকুপা এই জাতীয় নীতি কাঠামো তৈরিতে টেকনিক্যাল সহযোগিতা প্রদান করছেন।

বৈঠকে জানানো হয়, প্রস্তাবিত কাঠামো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডুয়াল ডিগ্রি, জয়েন্ট ডিগ্রি, শিক্ষক–শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।

নীতিমালার আওতায় বিশেষ করে ‘টু প্লাস টু’ মডেল চালুর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা প্রথম দুই বছর বাংলাদেশে এবং পরবর্তী দুই বছর অংশীদার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পাবেন। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করলে শিক্ষার্থীরা উভয় প্রতিষ্ঠানের পৃথক ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশে একটি আকর্ষণীয় উচ্চশিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা এটির প্রধান উদ্দেশ্য।’

নীতিমালা প্রণয়ন ও পর্যালোচনার জন্য ইউজিসি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভীন, আমেরিকান সেন্টারের পাবলিক এনগেজমেন্ট ডিরেক্টর স্কট হার্টম্যান, পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানা, পাবলিক এনগেজমেন্ট কো-অর্ডিনেটর ফারোহা সোহরাওয়ার্দী, ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট বিষয়ক পরিচালক সাকিব এরশাদ, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ হাবিবুর রহমান এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব এডুকেশন তৌফিক হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কম্বল জব্দ, গ্রেপ্তার ২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


সিলেটে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কম্বল জব্দ, গ্রেপ্তার ২ জন

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় একটি কাভার্ডভ্যান থেকে ৭৭২ পিস ভারতীয় বিভিন্ন সাইজের কম্বলসহ পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই কম্বলগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ১১ লাখ ৪ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের পাখিটেকি এলাকায় জমশিদ চৌধুরীর খামারবাড়ির সামনে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে স্থাপিত চেকপোস্টে একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশি করে এসব কম্বল জব্দ করা হয় এবং তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দুইজন হচ্ছেন- সিলেটের জালালাবাদ থানার ফতেপুর গ্রামের মাসুক মিয়া (৪৩) এবং ভোলা সদর উপজেলার চাচরা গ্রামের মো. আলমগীর হোসেন (৪৮)।

এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কম্বল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দরজা বন্ধ করা নিয়ে বিতর্ক, চলন্ত ট্রেনে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


দরজা বন্ধ করা নিয়ে বিতর্ক, চলন্ত ট্রেনে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

রাতের অন্ধকারে চলছে ট্রেন, এর মাঝখানে ঝুমবৃষ্টি। এ অবস্থায় চলন্ত ট্রেনের দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়।

এক পর্যায় ২১ বছর বয়সী এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে অপরজনের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাতে ভারতের মুম্বাইয়ে গোরেগাঁও ও কান্দিভালি স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। নিহত যুবকের নাম ময়াঙ্ক লোহার। তিনি ওই ট্রেনের চার্চগেট-নালাসোপারা ফাস্ট লোকাল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির বগিতে ভ্রমণ করছিলেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টির মধ্যে গোরেগাঁও ও কান্দিভালি স্টেশনের মাঝামাঝি সময়ে অন্য যাত্রীর সঙ্গে ট্রেনের দরজা বন্ধ করা নিয়ে তাঁর বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরে কালো পোশাক পরা অভিযুক্ত হাতে ছুরি নিয়ে হামলা করার পর বগির ভিতর দিয়ে হেঁটে বের হয়ে যাচ্ছে। ট্রেনের আসনের উপরে রক্তের দাগও দেখা যায়।

ভিডিওটিতে আতঙ্কিত যাত্রীদের বলতে শোনা যায়, ‘সে তাকে মেরে ফেলেছে।’

এই ঘটনার পর অভিযুক্ত রোশন সুবর্ণাকে পরে মুম্বাইয়ের কুরলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পশ্চিম রেলওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তর্কটি এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং কয়েকজন যাত্রী অভিযুক্তকে মারধর করতে শুরু করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোশন তার ব্যাগ থেকে একটি ছুরি বের করে ময়াঙ্কের ওপর হামলা চালায়।

বোরিভালি রেলওয়ে পুলিশের সিনিয়র পুলিশ পরিদর্শক দত্তা খুপরেকর বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যে ট্রেনের দরজা বন্ধ করা নিয়ে দুই যাত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় অভিযুক্ত ছুরি দিয়ে ভুক্তভোগীকে আঘাত করে এবং পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।’

পুলিশ জানিয়েছে, ময়াঙ্ক ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ঘটনার পর নিহতের পরিবারের সদস্যরা শোকে ভেঙে পড়েছেন। ময়াঙ্কের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছেলের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। তিনি বলেন, তার ছেলে কখনো কারো সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়াত না।

নিহতের বোনও অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বলেন, ‘রাত সাড়ে ১০টার সময় এত মানুষ ছিল, কিন্তু কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। আজ যদি শাস্তি না হয়, কাল আবার কেউ এভাবে নিহত হবে।’

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%