প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে একটি ‘জাতীয় নীতি কাঠামো’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
এই কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের সুযোগ সহজ হবে।
আজ বুধবার ইউজিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়ে নীতিগত অগ্রগতি হয়েছে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
উচ্চশিক্ষা নীতি বিশেষজ্ঞ ও ফুলব্রাইট স্পেশালিস্ট ড. গ্রেস মুকুপা এই জাতীয় নীতি কাঠামো তৈরিতে টেকনিক্যাল সহযোগিতা প্রদান করছেন।
বৈঠকে জানানো হয়, প্রস্তাবিত কাঠামো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডুয়াল ডিগ্রি, জয়েন্ট ডিগ্রি, শিক্ষক–শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।
নীতিমালার আওতায় বিশেষ করে ‘টু প্লাস টু’ মডেল চালুর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা প্রথম দুই বছর বাংলাদেশে এবং পরবর্তী দুই বছর অংশীদার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পাবেন। সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করলে শিক্ষার্থীরা উভয় প্রতিষ্ঠানের পৃথক ডিগ্রি অর্জন করতে পারবেন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের জোরদার করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশে একটি আকর্ষণীয় উচ্চশিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা এটির প্রধান উদ্দেশ্য।’
নীতিমালা প্রণয়ন ও পর্যালোচনার জন্য ইউজিসি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক জেসমিন পারভীন, আমেরিকান সেন্টারের পাবলিক এনগেজমেন্ট ডিরেক্টর স্কট হার্টম্যান, পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানা, পাবলিক এনগেজমেন্ট কো-অর্ডিনেটর ফারোহা সোহরাওয়ার্দী, ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট বিষয়ক পরিচালক সাকিব এরশাদ, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ হাবিবুর রহমান এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব এডুকেশন তৌফিক হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন