আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০২:১৯ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে গত ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে করা বিভিন্ন বক্তব্যকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর’ দাবি করে এর প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে মধুপুর প্রেসক্লাবে নির্যাতিত পরিবারের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ ফজলুর রশিদ খান চুন্নু। তিনি পুন্ডুরা বড়বাজার গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিন খানের ছেলে।
লিখিত বক্তব্যে ফজলুর রশিদ খান চুন্নু বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে। গত ২২ আগস্টের সংবাদ সম্মেলনে তাদের সম্পর্কে যেসব বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মাধ্যমে তাদের সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। তারা গণমাধ্যমের সামনে ঘটনার প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর প্রচারে কান না দেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় এনায়েত আলী খান, মো. ইব্রাহীম খান, মনির খান, আলম, মনু, মো. রুবেল খান, মাজেদাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন মিজানুর রহমান, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে নির্ধারিত সাজা শেষ হওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন। তার মুক্তির সময় জেলগেটে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী।
কারামুক্ত হওয়ার পর ফুটপাতের ব্যবসা এবং নিজের দোকান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিজানুর রহমান বলেছেন, ঢাকায় যদি ফুটপাতে একটি দোকান থাকে, তাহলে মিজানেরটাও থাকতে হইবো। তিনি তার এই দাবি তুলে ধরে বলেন, “এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।”
তিনি উল্লেখ করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তবে যেভাবে তার দোকানটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, সেটি পুনরায় চালু করার জন্য অন্তত একটি জায়গা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এর আগে, ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল।
এ সময় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মিজানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন এবং সে অনুযায়ী তিনি কারাগারে যান।
আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান পরিচালনা করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হন। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যে এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে।
দোকানটির নাম ছিল 'নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন', যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিত হয়ে ওঠে।
দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও বিকাশ লাভ করে এবং মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, "চালক ও পথচারীদের সচেতন করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব।" এই সঙ্গে তিনি জানান, হাইওয়ের পাশের হাসপাতালগুলোতে আলাদা ইউনিট গঠন করা হবে এবং প্রতি ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যাতে অ্যাম্বুলেন্স থাকে তা নিশ্চিত করা হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে অনুষ্ঠিত জরুরি চিকিৎসায় অ্যাম্বুলেন্স, মোটরসাইকেল সার্ভিসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, "প্রতিবছর ৫ হাজারের কাছাকাছি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন।" তিনি যোগ করেন, এই সংখ্যাটি হ্রাস করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার।
তিনি আরও জানান, প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর একটি করে অ্যাম্বুলেন্স রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর নিকটতম অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে। এই সেবাটি সপ্তাহে সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে।
এ সময় ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন নিরাপদ সড়ক আইন প্রণয়নের কথাও জানান তিনি। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, "সারা দেশে মহাসড়কের পাশে ২৪টি ট্রমা সেন্টার স্থাপন করা হবে।" তার দাবি, যাতে দুর্ঘটনার পর দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা যায়।
পরে দুর্ঘটনা পরবর্তী চিকিৎসা সেবায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স ও হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি প্যাট্রোল মোটরসাইকেল উদ্বোধন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবনিযুক্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
আজ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের মধ্যে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশের সরকারি নীতি এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের অগ্রগতি বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এসব খাতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ আছে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।
মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার অবকাঠামো, পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে। এ সময় বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের জন্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিষয়ও আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্যাগ বিতরণ ও স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের প্রশংসা করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা, শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলেও আলোচনায় উঠে আসে।
প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, বৈঠকে স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সব এলাকার মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ সময়ে সরকারি নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়েছে।
বৈঠকে পানি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের নগর ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, পানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
একই সঙ্গে দ্রুত নগরায়নের ফলে বাড়তে থাকা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎসহ পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর, স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহ প্রকাশিত হয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি নতুন নতুন খাতে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে তা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বৈঠকটি এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন বাংলাদেশ বিভিন্ন খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগীয় কার্যালয় রাজশাহীর উদ্যোগে অদ্য সোমবার দুপুর ১২.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
এতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ নবায়ন ছাড়াই ‘প্যাকেজড ড্রিংকিং ওয়াটার (খাবার পানি)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ এবং পণ্যের লেবেলে অবৈধভাবে বিএসটিআই’র মানচিহ্ন ব্যবহার করায় বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অবস্থিত রোজ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার প্রতিষ্ঠানটিকে ৭,০০০/- (সাত হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ ছাড়া অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ‘ডেকোরেটেড কেক (জন্মদিনের কেক)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করায় বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অবস্থিত শোয়াইব সিফাত বেকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ৬,০০০/- (ছয় হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম নাসিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ