রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০০ পি.এম
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হঠাৎ করে বিশাল একটি দলের সঙ্গে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে গেছেন, যা ইহুদিদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ‘ইয়ম কিপ্পুর’কে সামনে রেখে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি কয়েকজন মন্ত্রী এবং হাজার হাজার ইসরায়েলিকে সঙ্গে নিয়ে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পশ্চিম দেয়াল প্রাঙ্গণে প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন। খবরটি আনাদোলু এজেন্সির মাধ্যমে জানা গেছে।
ফিলিস্তিনের জেরুজালেম গভর্নরেট নিশ্চিত করেছে যে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে নেতানিয়াহু সেখানে গিয়েছিলেন। গভর্নরেটের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুরোনো শহরের ওয়াদি স্ট্রিট দিয়ে বিপুলসংখ্যক ইসরায়েলি নিয়ে নেতানিয়াহু পশ্চিম দেয়াল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। যদিও তিনি মূল মসজিদে প্রবেশ করেননি, তবে আল-আকসার প্রবেশপথ ‘বাব আল-রহমা’ সংলগ্ন এলাকায় ইসরায়েলিরা অবস্থান নেয়। একই সময়ে সাধারণ ফিলিস্তিনিরাও আল-আকসায় নামাজ আদায় ও বাজারের কাজে উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ইয়ম কিপ্পুর এবং পরবর্তীতে সুক্কোটসহ একাধিক ইহুদি উৎসবের প্রেক্ষাপটে দখলদারদের যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে অবস্থান নেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। ইসলামিক ওয়াকফ প্রশাসন জানিয়েছে, বিতর্কিত এই পশ্চিম দেয়াল মূলত মুসলিমদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এদিকে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ইসরায়েলি পুলিশের নিরাপত্তায় নতুন করে অন্তত ১০০ জন ইসরায়েলি একতরফাভাবে আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ধর্মীয় আচার পালন করেছে। ২০০৩ সাল থেকে ইসরায়েলি পুলিশি পাহারায় ফিলিস্তিনিদের বাধা এড়িয়ে এইভাবে প্রাঙ্গণে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেরুজালেম অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ‘ঢাকা টু রংপুর লংমার্চ’ এবং গাজীপুরের ভোগরা বাইপাসের পথসভা নিয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে এক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সমালোচনার পর পোস্টটি সংশোধন করে পরে মুছে ফেলা হয়।
প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তার নাম খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জিএমপি কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বর্তমানে তাকে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
জিএমপি সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুর মহানগরীর ভোগরা বাইপাস মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টার দিকে অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বক্তব্য দেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ও সভাস্থলের আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। জিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পথসভা শেষ হওয়ার পর জিএমপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লংমার্চ নিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। পোস্টটিতে লংমার্চের গন্তব্য ও দাবিগুলো উল্লেখ করার পাশাপাশি কর্মসূচির সময়সূচি ও পুলিশের দায়িত্ব পালনের তথ্য তুলে ধরা হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, লংমার্চটি আনুমানিক সকাল ৯টায় জিএমপি এলাকায় প্রবেশ করে। পরে সকাল ১০টার দিকে ভোগরা বাইপাস এলাকায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে শান্তিপূর্ণভাবে লংমার্চ চলে যায়। এতে আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষের সমাগম হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া পোস্টে বলা হয়, জিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অফিসার ও ফোর্স লংমার্চের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ছিলেন।
জিএমপির ওই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অনেকে পোস্টটির সমালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে জিএমপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্টটি প্রথমে সংশোধন করা হয়। পরে সেটি পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়। এরপর পোস্টটি দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে খন্দকার জালাল উদ্দীন মাহমুদকে প্রত্যাহার করে জিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে তাকে শোকজও করা হয়েছে।
দায়ী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জিএমপির উপপুলিশ কমিশনার মো. জাহিদ হোসেন ভূঞা বলেন, ভারপ্রাপ্ত স্টাফ অফিসারকে প্রত্যাহার করে হেডকোয়ার্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টের কারণেই তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের মধ্যে দুই গ্রুপের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ক্যাম্পাসে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফীন এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন, অর্থনীতি বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (২১ ব্যচ) শিক্ষার্থী মাদুদ এবং লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের (১৯ ব্যাচ) শিক্ষার্থী ইমন। অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। সংঘর্ষের কারণ এবং সূত্রপাত সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীদের মতে, ভিক্টোরিয়া পার্কের চায়ের দোকানের পাশে সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর ক্যাম্পাসের কাঁঠালতলা এলাকায় রড ও পাইপ নিয়ে হামলা করতে দেখা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান জানান, "কোন দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে নাম জানিনা। তবে সংঘর্ষ হয়েছিল। আমরা পুলিশ ডেকে নিয়ে আসছি। এখন মোটামুটি কামডাউন, এখন একটু শান্ত। উল্লেখযোগ্যভাবে আহত হয়নি। মানে উল্লেখ করার মত কেউ আহত হয় নাই, টুকটাক হয়তো লেগেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনায় তৃতীয় শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী কলি হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী এবং নিহত শিশুর সহপাঠীরা। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পাবনা জেলা পরিষদের সামনে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন। মানববন্ধনের পর বিক্ষোভ মিছিলটি আদালত এলাকা ও আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী এলাকাবাসী এবং হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুর সহপাঠীরা দাবি জানান, দ্রুত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যার আগে গ্রেফতারকৃতরা মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনে ঘরের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে এবং পরে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শিশুর প্রতিবেশী মোস্তফা প্রামাণিক এবং তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিকে, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর ওই শিশু শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কুলুনিয়া গ্রামে শিশুটির বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান অভিযুক্তের বাড়িতে স্থানীয়রা ভাংচুর চালিয়েছে। নিহত শিশুর পরিবার, সহপাঠী এবং এলাকাবাসী দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে ‘চর্যাপদ একাডেমি সাহিত্য উৎসব-২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে। এই উৎসবে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখার জন্য সাতজন সাহিত্যিককে দোনাগাজী পদক প্রদান করা হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর শহরের সাংবাদিক ক্লাবের রেডরোজ হলে সকাল ১১টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক এবং বরেণ্য নাট্য গবেষক মোস্তফা কামাল যাত্রা।
আয়োজনটির সভাপতিত্ব করেন একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপা, এবং মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি ও জুড়িবোর্ডের সদস্য সচিব শিউলী মজুমদার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক পরিচালক, দেশের খ্যাতনামা কবি এবং ডেইলি এক্সপ্রেস দেশের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক নাসির আহমেদ।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জলছবি সম্পাদক কবি জামসেদ ওয়াজেদ এবং জলধি সম্পাদক কথাসাহিত্যিক নাহিদা আশরাফী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিজয়ী-এর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান, ইয়ূথ ফোরাম বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর আলেয়া বেগম লাকী, কবি আসাদুল্লা কাহাফ, এবং উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব দিলীপ ঘোষ স্বাগত বক্তৃতা দেন।
প্রধান অতিথি নাসির আহমেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, "চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি প্রদত্ত পুরস্কারগুলো সম্পর্কে আমি আগে থেকেই অবগত। এই পুরস্কারের সুনাম আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি মনে করি, এ পুরস্কার এখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারের একটি হিসেবে গণ্য করা হয়।"
তিনি কবি সোহরাব পাশা এবং অন্যান্য সাহিত্যিকদের অভিনন্দন জানান এবং সাহিত্য শিল্প সাধনার বিষয় নিয়ে চর্যাপদ একাডেমি নতুন শিল্পী গড়ে তুলবে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
নাট্য গবেষক মোস্তফা কামাল যাত্রা মন্তব্য করেন, "চাঁদপুরের ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব মধ্যযুগের কবি দোনাগাজীকে থিয়েটারে আনা যায় কি না সেটা এখন ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি মনে করি, দোনাগাজীকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরার উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।"
মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি জানান, ২০১৯ সাল থেকে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি নিয়মিতভাবে এই পদক প্রদান করে আসছে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন জেলার লেখক ও শিল্পীরা চাঁদপুর শহরে পদচারণা করেন।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রণি বলেন, "মধ্যযুগের কবি দোনাগাজী ছিলেন চাঁদপুরের কৃতিসন্তান। তার নামে চাঁদপুরে স্থাপনা নির্মাণ করে রাষ্ট্রীয়ভাবে দোনাগাজীর স্মৃতি ধরে রাখার দাবি জানাচ্ছি।"
পরে সাহিত্য উৎসবে দেশের সাত বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির ‘দোনাগাজী পদক ২০২৫ ও ২০২৬’ তুলে দেওয়া হয়।
পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- সোহরাব পাশা (২০২৫-কবিতা), ইশরাত তানিয়া (কথাসাহিত্য), স. ম. শামসুল আলম (শিশুসাহিত্য), রনক রায়হান (সংগীত), শিবলী মোকতাদির (২০২৬-কবিতা), অমল সেনগুপ্ত (চারুকলা) এবং সৈয়দা আঁখি হক (লোক-গবেষণা)।
এছাড়াও প্রশংসাপত্র প্রদান করেন জয়ন্তী ভৌমিক, কামরুন্নাহার বিউটি, দুখাই মুহাম্মাদ, মিজানুর রহমান স্বপন, রাসেল ইব্রাহীম ও ফেরারী প্রিন্স।
বেলাল শেখের বাঁশির সুরে কবিতা আবৃত্তি করেন বাচিকশিল্পী আবু বকর সিদ্দিক, দিপান্বিতা দাস ও মৃন্ময়ী মজুমদার।
অনুষ্ঠানে দোনাগাজীর বংশধর নাসিমা খাতুন লাকীসহ অন্যান্যদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয় এবং উদযাপন পরিষদের সমন্বয়ক আইরিন সুলতানা লিমার তত্ত্বাবধানে একটি চমৎকার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ