বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৯ পি.এম
প্রিন্সেস ডায়ানার প্রয়াত ভাই চার্লস স্পেন্সার ব্রিটিশ রাজপরিবারের রাজা ও রানিদের নিয়ে বই লেখার ক্ষেত্রে পরিচিত। তাঁর পূর্ববর্তী দুটি বেস্টসেলার বই হলো ‘Killers of the King’ এবং ‘To Catch a King’। এই বইগুলোর বিষয়বস্তু ছিল মূলত ১৭ শতকের ইতিহাস। তবে কিছু পাঠক মনে করতে পারেন, তাঁর নতুন বইটিও সেই ধারার আরেকটি অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
স্পেন্সারের নতুন বই ‘Swan Song: Diana, My Sister’ মঙ্গলবার প্রকাশিত হচ্ছে। বইটিতে তিনি নিজের বোন ডায়ানার জীবন এবং তৎকালীন প্রিন্স চার্লস—বর্তমান রাজা চার্লসের সঙ্গে তাঁর অসুখী দাম্পত্য জীবন নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছেন। বইটির আগাম প্রকাশিত কিছু অংশে তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯৯৭ সালে ডায়ানার মৃত্যুর পর রাজা চার্লসকে ‘উচ্ছ্বসিত’ অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। এই দাবি রাজপরিবারের দীর্ঘদিনের এক বেদনাদায়ক অধ্যায়কে পুনরায় আলোচনায় এনেছে।
৬২ বছর বয়সী স্পেন্সার বলেছেন, ‘ইতিহাসের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে’ নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি বইটি রচনা করেছেন। তবে তাঁর বর্ণনা বাকিংহাম প্যালেস অস্বাভাবিকভাবে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে।
রাজপ্রাসাদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ভ্রাতৃশোকের বেদনা যুক্তিবোধকে আচ্ছন্ন করতে পারে, বিচারবোধকে প্রভাবিত করতে পারে এবং স্মৃতিকে রঙিন করে তুলতে পারে।’ রাজপ্রাসাদের এই মন্তব্য বইটির প্রচারণাকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ধর্মপুত্র
চার্লস স্পেন্সার ব্রিটেনের একটি অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, যার সঙ্গে রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ছিলেন তাঁর ধর্মমাতা। ১৯৮১ সালে যখন তাঁর ২০ বছর বয়সী বোন ডায়ানা তৎকালীন প্রিন্স চার্লসকে রূপকথার মতো এক বিয়েতে বিয়ে করেন, তখন স্পেন্সারের বয়স ছিল ১৭। সিএনএনের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সে সময় বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা ওই বিয়ের চেয়ে ‘পরীক্ষা আর স্কুলে খেলাধুলা’ নিয়েই তিনি বেশি ব্যস্ত ছিলেন।
তবে বিশ্ববাসীর নজর ছিল ওই তরুণ দম্পতির দিকে। তাঁদের দুই ছেলে—১৯৮২ সালে উইলিয়াম এবং এর দুই বছর পর হ্যারি। কিন্তু আড়ালে ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিল তাঁদের সম্পর্ক। বইটি প্রকাশের আগে ‘গুড মর্নিং আমেরিকা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পেন্সার বলেন, ‘তখন আমি আসলে পুরোপুরি বুঝতে পারিনি, তাঁর জন্য পরিস্থিতি কতটা কঠিন ছিল। এটি আমার একটি অনুশোচনা। আমি যদি তাঁকে আরও বেশি সাহায্য করতে পারতাম।’
১৯৯০-এর দশকের শুরুতে ডায়ানার অসুখী দাম্পত্য জীবন বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হতে থাকে। ডায়ানা ও চার্লস-দুজনই একে অপরের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে তথ্য দিতে শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এর এক বছর পর ৩৬ বছর বয়সে প্যারিসে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন ডায়ানা। দুর্ঘটনার সময় ফটোগ্রাফাররা তাঁর গাড়ির পিছু নিচ্ছিলেন।
ডায়ানার শেষকৃত্যে দেওয়া আবেগঘন বক্তৃতায় স্পেন্সার তাঁর বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছিলেন, তাঁর ‘বিশেষ ধরনের জাদু’ তাঁকে মানুষের মন থেকে ‘কখনোই মুছে যেতে দেবে না’। বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ২০০ কোটি মানুষ টেলিভিশনে সেই শেষকৃত্য দেখেছিল। লন্ডনের রাস্তায় লাউডস্পিকারে তাঁর বক্তব্য শুনেছিলেন হাজারো মানুষ। স্পেন্সারের বক্তব্য ব্যাপক প্রশংসা পেলেও ডায়ানার ‘ভালোত্ব’ কীভাবে রাজপরিবারের জন্য ‘হুমকি’ হয়ে উঠেছিল এবং তাঁর দুই ছেলেকে তাঁর ‘রক্তের পরিবার’কে রক্ষা করতে হবে-এমন মন্তব্যগুলো রাজপরিবারের জন্য অস্বস্তিকর ছিল।
‘অসাধারণভাবে উসকানিমূলক’
ডায়ানার মৃত্যুর পর দুই পরিবারের মধ্যে যে সামান্য সৌহার্দ্য অবশিষ্ট ছিল, স্পেন্সারের নতুন বইয়ের রাজা চার্লসকে নিয়ে করা অভিযোগের পর সেটিও সম্ভবত নষ্ট হয়েছে। তাঁর নতুন অভিযোগ রাজপরিবারের আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে সংকটপূর্ণ সময়গুলোর একটি নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু করেছে।
স্পেন্সার তাঁর বইয়ে লিখেছেন, ডায়ানার মৃত্যুর পর চার্লস বলেছিলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই তাঁকে ভুলে যাব।’ এ ছাড়া ডায়ানার শেষকৃত্যে তাঁর কফিনের পেছনে তৎকালীন ১৫ বছর বয়সী উইলিয়াম ও ১২ বছর বয়সী হ্যারিকে হাঁটানো উচিত নয়-এমন পরামর্শ দেওয়ায় চার্লস তাঁর ওপর চিৎকার করেছিলেন বলেও দাবি করেছেন স্পেন্সার।
বর্তমানে স্পেন্সারের সাত সন্তান রয়েছে। তিনটি আলাদা বিয়ের পর চলতি বছরের শুরুতে তিনি চতুর্থবার বিয়ে করেন। বাকিংহাম প্যালেস তাঁর স্মৃতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করায় তিনি পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
‘ডেইলি মেইল’কে স্পেন্সার বলেন, ‘এটি ছিল অসাধারণভাবে উসকানিমূলক এবং নিচু মানের আঘাত। কারণ মূলত এর মাধ্যমে বলা হচ্ছিল যে আমি মিথ্যা বলেছি, অথচ রাজা নিজে আমার বক্তব্য অস্বীকার করার সুযোগ পাচ্ছেন না।’
ইতিহাসের বই লিখে আলথর্পের সংরক্ষণ
১৯৮০-এর দশকের শুরুতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস পড়েন স্পেন্সার। এরপর এক দশক মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি নিউজে কাজ করেন। সেখানে জীবনযাপন ও ভ্রমণবিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তিনি।
১৯৯২ সালে তাঁর বাবা মারা গেলে ইংল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলে পরিবারের ৩০ কক্ষের ঐতিহাসিক বাড়িটির মালিকানা পান স্পেন্সার। ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে ইতিহাসের বই লেখা শুরু করেন তিনি। তাঁর কয়েকটি বই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে এবং অনেকগুলোই বেস্টসেলার হয়েছে।
বই প্রকাশনা থেকে পাওয়া অর্থ আলথর্প এস্টেটের সংস্কারকাজে ব্যয় করেছেন তিনি। পাঁচ শতাব্দী ধরে স্পেন্সার পরিবারের মালিকানাধীন এই ঐতিহাসিক সম্পত্তিতেই সমাহিত আছেন প্রিন্সেস ডায়ানা।
২০২৪ সালে স্পেন্সার প্রকাশ করেন তাঁর স্মৃতিকথা ‘A Very Private School’। বইটিতে শৈশবে বোর্ডিং স্কুলে তাঁর যৌন নির্যাতন, অবহেলা ও বিচ্ছিন্নতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন তিনি।
সেই বইয়ে স্পেন্সার লিখেছেন, ‘আমার প্রথম ও দ্বিতীয় বিয়ের ধ্বংসাবশেষের দিকে তাকিয়ে থেরাপির শুরুতেই আমি বুঝতে পেরেছিলাম, আট বছর বয়সে আমাকে বোর্ডিং স্কুলে পাঠানোর অর্থ ছিল ঘনিষ্ঠতা বা অন্তরঙ্গ সম্পর্ক সম্পর্কে আমার প্রায় কোনো ধারণাই তৈরি হয়নি।’
রয়টার্স অবলম্বনে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিশরের ঐতিহ্যবাহী আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতির আবহে। বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পাঁচ দিনব্যাপী এ আয়োজন বৈচিত্র্যময় এক আন্তর্জাতিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মিশরে নিযুক্ত বাংলাদেশের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) গৌতম কুমার দে, যিনি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা প্রদান করেন। তার উপস্থিতি বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার করে।
নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুজাতিক ও বৈচিত্র্যময় ক্যাম্পাস সংস্কৃতিকে উদযাপন করতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্টগণ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরাও এতে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী। এতে বাংলাদেশ, ভারত, সৌদি আরব, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, দক্ষিণ সুদান ও সুদানসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা নিজেদের দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় দেশের লাল-সবুজের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য বিশেষভাবে উপস্থাপিত হয়। আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজ দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ও ছাত্রসংগঠন বছরজুড়ে তাদের উদ্ভাবন, গবেষণা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সাফল্যের চিত্র প্রদর্শন করে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও বহুমাত্রিক প্রতিভার প্রকাশ ঘটে।
আয়োজনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা জানান, আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজ দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ তাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাসের ধারাবাহিক সহযোগিতা ও উৎসাহ তাদের শিক্ষাজীবনে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।
আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ের এ নবীন বরণ অনুষ্ঠান নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, সাংস্কৃতিক বিনিময়, সম্প্রীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উঠে আসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট চট্টগ্রামের শিশু জুলিয়া হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে। এই রায়ে ২১ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আদালতের বক্তব্য অনুযায়ী, মূল আসামিকে না ধরে পুলিশ আমীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছিল।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।
এর আগে, গত ১ সেপ্টেম্বর বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ আমীর হোসেনকে খালাস দিয়ে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় প্রদান করেন।
২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ শিশু জুলিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আমীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল।
আরো পড়ুন
৬৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সোলার স্থাপনে বরাদ্দ ৩৭০ কোটি টাকা
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০০৫ সালের ১৬ মে হাটহাজারী উপজেলার মেখল গ্রামে ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল শিশু জুলিয়া আক্তার। আমীর হোসেন ওই বাড়িতে দিনমজুর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই সময় আমীর হোসেন জুলিয়াকে অপহরণ করে বাড়ির পার্শ্ববর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যা করে খালে ফেলে দেন। পরে পুলিশ খালপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
জুলিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আমীর হোসেনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। ২০০৮ সালের ২৫ আগস্ট পুলিশি তদন্ত শেষে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। পরবর্তী বছর ৮ সেপ্টেম্বর মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হারিকেন ‘পোলো’ গত কয়েক দশকের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যতম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ঝড়টি মেক্সিকোর দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় ক্যাটাগরি-৫ হারিকেনে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই তথ্য বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) একটি ‘হারিকেন হান্টার’ বিমান মঙ্গলবার হারিকেন পোলোতে প্রবেশ করে। বিমানটি ঝড়ের ভেতরে ঘণ্টায় প্রায় ১৮০ মাইল বা ২৮৫ কিলোমিটার বেগে বাতাসের গতি রেকর্ড করেছে। তবে ঝড়ের দমকা বাতাসের গতি ছিল এর চেয়েও বেশি।
এনওএএর মায়ামিভিত্তিক ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার হারিকেন পোলোকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঝড়টি দ্রুত শক্তিশালী হয়েছে। ধীরে ধীরে এগিয়ে চলা হারিকেন পোলো উষ্ণ সমুদ্রের পানি থেকে শক্তি পাচ্ছে। এল নিনোর কারণে সমুদ্রের পানি এখন বেশি উষ্ণ থাকায় ঝড়টি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে। পোলো এ মৌসুমে প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হওয়া তৃতীয় ক্যাটাগরি-৫ হারিকেন। ক্যাটাগরি-৫ হলো হারিকেনের সবচেয়ে শক্তিশালী স্তর।
এনওএএ পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিম মেক্সিকোর উপকূলের কাছে যাবে। তবে ঝড়টি স্থলভাগে আঘাত হানবে না বলে জানানো হয়েছে। এনওএএ জানিয়েছে, পোলো ধীরে ধীরে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় মেক্সিকোর দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের কিছু এলাকায় ভারি বৃষ্টি হতে পারে। এতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।
কিছু এলাকায় সর্বোচ্চ ৬ ইঞ্চি বা ১৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির পরিমাণ ৮ ইঞ্চি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ ছাড়া আগামী কয়েক দিন উপকূলীয় এলাকায় বড় ঢেউ ও বিপজ্জনক সামুদ্রিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে এনওএএ।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাম মঙ্গলবার বলেছেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হারিকেন ‘পোলো’ সরাসরি মেক্সিকোর উপকূলে আঘাত হানবে না। তবে তিনি প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। শেইনবাম জালিস্কো, কলিমা ও মিচোয়াকান রাজ্যকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
‘হারিকেন হান্টার’ বিমানের সংগ্রহ করা তথ্য অনুযায়ী, হারিকেন পোলো আরো শক্তিশালী হতে পারে। আগামী কয়েক দিন এটি ক্যাটাগরি-৫ ঝড় হিসেবেই থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এনওএএ জানিয়েছে, সমুদ্রের অত্যন্ত উষ্ণ পানি ঝড়টিকে শক্তি জোগাচ্ছে। ফলে পোলো শক্তিশালী হওয়ার জন্য পরিবেশটি এখন খুবই অনুকূল।
সমুদ্রের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণকারী বিজ্ঞানীরা বলছেন, বর্তমান এল নিনো পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে। ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্য-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক ০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এর আগে ২০১৫ সালের শক্তিশালী এল নিনোর সময় এই তাপমাত্রা ৩ দশমিক ০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছিল।
এল নিনোর কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিমাপ এখনো রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, পরিস্থিতি আরো পরিবর্তিত হতে পারে এবং এ বছরের শেষ দিকে এল নিনো সর্বোচ্চ শক্তিতে পৌঁছাতে পারে। সমুদ্রের পানি যত উষ্ণ হয়, ঝড় তত বেশি শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। এর ফলে ঝড়ের বাতাসের গতিও বেড়ে যেতে পারে। এ কারণেই উষ্ণ সমুদ্রের পানিতে হারিকেন ‘পোলো’ আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিস্থিতি, যা সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর দেখা দেয় এবং প্রায় এক বছর স্থায়ী হয়। এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে সাধারণত পূর্ব থেকে পশ্চিমে বয়ে যাওয়া বাণিজ্যিক বায়ু দুর্বল হয়ে যেতে পারে বা দিক পরিবর্তন করতে পারে। এর ফলে উষ্ণ সমুদ্রের পানি পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে সমুদ্রের এই অতিরিক্ত তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ধরনেও পরিবর্তন ঘটতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত ১০ হাজার ৮৩২ জনের মধ্যে ৮ হাজার ৫৪২ জনকে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই জীবনবৃত্তান্তের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগপ্রাপ্তদের অধিকাংশের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। পটিয়া উপজেলার অধিবাসী ৫ হাজার ১৪৮ জন রয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকটির নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং ৫ আগস্টের পর ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় নিয়মাবলী মানা হয়েছিল কি না, তা যাচাই করার জন্য চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। নির্বাহী পরিচালক আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি সম্প্রতি প্রতিবেদনটি গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের কাছে জমা দিয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে কোনো সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, বরং নিয়োগ ও পরবর্তী ছাঁটাইয়ের ঘটনাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকের মোট কর্মী সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৫৫১ জন। এর মধ্যে ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ১০ হাজার ৮৩২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়, যাদের মধ্যে ৮ হাজার ৫৪২ জনের নিয়োগে কোনো বিজ্ঞপ্তি বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।
চট্টগ্রামের বাসিন্দা ৮ হাজার ৯৯ জন, কক্সবাজারের ৩৯৮, কুমিল্লার ১১৪, ময়মনসিংহের ৯৯, বগুড়ার ৯৭ এবং ঢাকার ৯৬ জন রয়েছেন। রাজশাহী থেকে ৮৩, যশোর থেকে ৭৮, গাইবান্ধা থেকে ৭৫ ও রংপুর থেকে ৬৬ জন নিয়োগ পেয়েছেন।
জীবনবৃত্তান্ত জমার বাক্স
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের পটিয়ার বাড়ি এবং চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জ কার্যালয়ে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার জন্য বাক্স রাখা হতো। এসব বাক্সে পদ, এলাকা ও নারী-পুরুষের আলাদা পরিচিতি উল্লেখ থাকত। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শক দল দৈবচয়নের ভিত্তিতে ওই সময়ে নিয়োগ পাওয়া ঢাকায় কর্মরত ১০ কর্মকর্তার লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করে। তারা জানিয়েছেন, সাইফুল আলমের বাড়ি ও আসাদগঞ্জ অফিসের বাক্সে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার পর সেখানেই তাদের মৌখিক পরীক্ষা ও নিয়োগ দেওয়া হয়। এমনকি ১০ জনের মধ্যে দুজনের কোনো মৌখিক পরীক্ষাই হয়নি।
২৭ পদে নিয়োগ
পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষা ছাড়াই মোট ২৭টি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ক্যাশ) পদে ২ হাজার ৭৮৯ জন এবং ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পদে ২ হাজার ১৬০ জন নিয়োগ পেয়েছেন। মেসেঞ্জার কাম গার্ড পদে ১ হাজার ৫৪৪ জন, আরডিএস প্রকল্পে ৯১৫ জন এবং ট্রেইনি জুনিয়র অফিসার পদে ৫০১ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উচ্চপর্যায়ের পদেও একই ধরনের অনিয়মের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক পেয়েছে। বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই দুজন এমডি, আটজন ডিএমডি, দুজন এসইভিপি এবং একজন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাঁচ ইভিপির মধ্যে চারজনকেও বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধান অনুযায়ী, ডিএমডি হতে অন্তত ২০ বছরের অভিজ্ঞতা এবং আগের পদে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ শর্ত পূরণ না করেই এস আলমের পিএস আকিজ উদ্দিনকে আট বছরের এবং মিফতাহ উদ্দীনকে ১৭ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় ডিএমডি করা হয়েছে।
প্রবেশনারি অফিসার নিয়োগেও প্রশ্ন
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসারের চারটি ব্যাচ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের ২৪তম ব্যাচে ১৯০ জনকে বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ১২ জন কোনো লিখিত পরীক্ষাতেই অংশ নেননি। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৮৪০ জনের জীবনবৃত্তান্ত প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়। লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৬৩ জন। এর মধ্যে মাত্র ৩৬ জন ৫০ শতাংশের বেশি নম্বর পান। পরে নম্বরের শর্ত শিথিল করে ২০ শতাংশ নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হয়। শেষ পর্যন্ত ১৯০ জনকে ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ দেওয়া হয়, যাদের সবাই চট্টগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
এই ব্যাচের ১৮৪ জন যোগদান করেন। বর্তমানে চাকরিতে আছেন মাত্র ৩১ জন। ২১ জন পদত্যাগ করেছেন, ১৩১ জন চাকরি হারিয়েছেন এবং একজন মারা গেছেন। তবে ২০১৭ সালের ১৪৪ জন এবং ২০২৪ সালের ২০০ প্রবেশনারি অফিসারের নিয়োগ যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ২০০ জনের মধ্যে চট্টগ্রামের ছিলেন মাত্র ৩৬ জন।
মূল্যায়ন পরীক্ষায় ৪৬৮৫ জন ছাঁটাই
২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নিয়োগে অনিয়মের তথ্য পাওয়ার পর ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ এসব কর্মীর যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার ৩৭৩ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ৪০২ জন পরীক্ষায় অংশ নেন এবং সবাই চাকরিতে বহাল আছেন। অন্যদিকে ৪ হাজার ৯৭১ জন পরীক্ষায় অংশ নেননি। পরে আরও ২৮৭ জনকে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়।
পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ৪ হাজার ৬৮৫ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৪৪০ জন চট্টগ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া কক্সবাজারের ১৫৫, ঢাকার ১০ এবং অন্যান্য জেলার ৮০ জন রয়েছেন।
এর বাইরে বিভিন্ন অভিযোগে ১২১ জন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নবায়ন না করে ১ হাজার ১৯০ জন এবং অন্যান্য কারণে ১৩৬ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়। বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয় পাঁচ কর্মকর্তাকে।
বছরে সর্বোচ্চ নিয়োগ ২০১৯ সালে
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকে ৩৬৭ জন নিয়োগ পান। ২০১৮ সালে এক হাজার ১১৮, ২০১৯ সালে দুই হাজার ৪৬৭, ২০২০ সালে দুই হাজার ১১০, ২০২১ সালে ৮৬৫ এবং ২০২২ সালে দুই হাজার ১১৯ জন নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে ৩৯৭ এবং ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত এক হাজার ৩৯২ জন নিয়োগ পান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের নিজস্ব মানবসম্পদ নীতিমালার অনুযায়ী নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্তত দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার কথা। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পাওয়ার শর্তও রয়েছে। তবে ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নিয়োগের বড় একটি অংশে এসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ