সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৪ পি.এম
কনটেইনারে কোনো পণ্য নেই, অথচ কাগজপত্রে দেখানো হয়েছে ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকার পণ্য রপ্তানি। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর পাঁচটি সন্দেহজনক রপ্তানি চালান আটক করেছে।এসব চালানে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ১৭৫ কেজি বা প্রায় ১২১ টন পণ্য রপ্তানি দেখানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সংশ্লিষ্ট পণ্য কনটেইনার ডিপোতে প্রবেশ করেনি।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিশেষ তৎপরতার মাধ্যমে ভ্যালমন্ট ফ্যাশনস লিমিটেডের এসব চালান আটক হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর রপ্তানি-সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের সময় প্রতিষ্ঠানটির পাঁচটি চালান গোয়েন্দাদের নজরে আসে।
প্রাথমিক বিশ্লেষণে রপ্তানির গন্তব্য, পণ্যের ধরন এবং ঘোষিত মোট ওজনের মধ্যে অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়। এরপর চালানগুলো আটক করে অধিকতর যাচাই শুরু করা হয়।
দাখিল করা রপ্তানি বিলের তথ্য অনুযায়ী, পণ্যগুলো ইসাক ব্রাদার্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের একটি অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো থেকে রপ্তানি হওয়ার কথা ছিল। কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা সরেজমিন ওই ডিপোতে গিয়ে ঘোষিত পণ্য দেখানোর নির্দেশ দেন।
কিন্তু ডিপো কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট পণ্য খালাস ও পরিবহনকারী কোনো পণ্যই দেখাতে পারেননি। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রপ্তানির জন্য ঘোষিত পণ্যগুলো ডিপোতে প্রবেশই করেনি। অথচ পণ্য ডিপোতে না ঢুকলেও কিভাবে এসব চালানের কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো, তার কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাঁচটি চালানে মোট ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৪ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।অর্থাৎ, প্রায় ১২১ টন পণ্যের বাস্তব অস্তিত্ব না থাকলেও কাগজপত্রে ওই পরিমাণ পণ্য রপ্তানি দেখানো হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির গত এক বছরে আমদানি করা কাঁচামালের পরিমাণের তুলনায় ঘোষিত রপ্তানি পণ্যের পরিমাণও অস্বাভাবিকভাবে বেশি বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। সাধারণত আমদানি করা কাঁচামালের পরিমাণ ও তা দিয়ে উৎপাদিত রপ্তানি পণ্যের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সামঞ্জস্য থাকার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, পণ্যের বাস্তব অস্তিত্ব ছাড়াই রপ্তানি দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান, পণ্য খালাস ও পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান, ডিপো কর্তৃপক্ষ এবং কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা তদন্ত করা হচ্ছে।
পণ্য ডিপোতে প্রবেশ না করেই কিভাবে কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, এখন সেটিই তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত কাস্টমস আইনসহ অন্যান্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসু দীর্ঘ ১১ বছর পর আবারও সিনেমায় ফিরছেন। তিনি পরিচালক হানসাল মেহতার নতুন ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ ‘বারাবাঁকি’র মাধ্যমে পর্দায় প্রত্যাবর্তন করছেন।
অভিনেত্রী ইতোমধ্যে মুম্বাইয়ে সিরিজটির শুটিং শুরু করেছেন। এটি বিপাশার জন্য হানসাল মেহতার সঙ্গে প্রথম কাজও।
‘বারাবাঁকি’ সিরিজটি ১৯৮৪ সালের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে। এই সিরিজটি অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস কর্মকর্তা অলোক লালের লেখা বই ‘দ্য বারাবাঁকি নারকোস : বাস্টিং ইন্ডিয়াজ মোস্ট নোটোরিয়াস ড্রাগ কার্টেল’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে।
গল্পটি উত্তর প্রদেশের বারাবাঁকি জেলায় সক্রিয় একটি শক্তিশালী আফিম পাচার চক্রের বিরুদ্ধে অলোক লালের নেতৃত্বে পরিচালিত বাস্তব অভিযানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এগোবে।
সিরিজটিতে বিপাশার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সানি কৌশল ও ‘হোমবাউন্ড’খ্যাত বিশাল জেঠওয়া। তবে নির্মাতারা তাদের চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করেননি।
‘মিড-ডে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাস থেকেই মুম্বাইয়ে ‘বারাবাঁকি’র শুটিং করছেন বিপাশা।
সিরিজটিকে একজন আইপিএস কর্মকর্তা ও তার দলের শক্তিশালী মাদক চক্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক টানটান, বাস্তব অভিজ্ঞতানির্ভর গল্প হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
এদিকে বিপাশার চরিত্রটি নিয়ে নির্মাতারা এখনো রহস্য রেখেছেন। তবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গল্পের মূল চরিত্রের সঙ্গে তার চরিত্রের গভীর যোগ রয়েছে।
হানসাল মেহতা প্রস্তাব দেওয়ার পর দ্রুতই এই প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিপাশা। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই হানসাল তার পছন্দের পরিচালকদের তালিকায় ছিলেন।
শুধু চরিত্রেই নয়, লুকেও চমক দিতে চলেছেন অভিনেত্রী। এর আগে পর্দায় যেসব অবতারে দেখা গেছে তাকে, ‘বারাবাঁকি’তে তিনি একেবারে ভিন্ন সাজ ও চেহারায় হাজির হবেন। গল্পে অলোক লালের অভিযানের পেছনে কাজ করা বৃহত্তর নেটওয়ার্কের নানা দিকও তুলে ধরা হবে।
এদিকে বিপাশা বসুর ক্যারিয়ারে ‘রাজ’, ‘জিসম’, ‘ধুম ২’, ‘নো এন্ট্রি’, ‘আজনবি’ ও ‘ওমকারা’র মতো সিনেমা উল্লেখযোগ্য। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যালোন’ ছিল তার সর্বশেষ পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। এরপর তাকে আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি। তবে ২০২০ সালে ‘ডেঞ্জারাস’ দিয়ে ওটিটিতে অভিষেক হয় তার।
২০২২ সালে কন্যা দেবীর জন্মের পর থেকে মূলত পরিবারকেই বেশি সময় দিয়েছেন বিপাশা। দীর্ঘ সময় পর এবার ‘বারাবাঁকি’র মাধ্যমে পর্দায় ফিরছেন তিনি। তাই নতুন এই সিরিজে তার চরিত্র ও অভিনয়ের পাশাপাশি ভিন্ন লুকেও দর্শকদের জন্য থাকছে বাড়তি চমক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে আইসিসি। ফাতিমা প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২.৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন।এই কারণে, পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। এটি ছিল তার ২৪ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় অপরাধ, ফলে এই সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই। ফাতিমা এর আগে ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন তার পূর্ববর্তী ডিমেরিট পয়েন্টটি অর্জন করেছিলেন।
সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা করেন।
ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।
লেভেল ১ বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন শাস্তি হিসেবে একটি আনুষ্ঠানিক তিরস্কার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে একজন খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা এবং এক বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়ে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছোটবেলা থেকেই সাইকেলে চড়ে পবিত্র মক্কা নগরীতে গিয়ে হজ পালনের স্বপ্ন দেখতেন নরসিংদীর বেলাব উপজেলার তরুণ সজিব তালুকদার। এবার সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ৬টি দেশের মাধ্যমে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মক্কায় পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন তিনি।
সজিব তালুকদার বেলাব উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর গ্রামের তালুকদার বাড়ির সালাউদ্দিন তালুকদারের ছেলে। ভ্রমণের প্রতি ছোটবেলা থেকেই তার আগ্রহ ছিল। ইতিমধ্যে তিনি সাইকেলে দেশের ৬৪ জেলা ঘুরে দেখেছেন। পাশাপাশি ১৭টি দেশেও ভ্রমণ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবে ভ্রমণের বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে তিনি ট্রাভেল ব্লগার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বেলাব উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন সজিব। পথে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে স্বাগত জানান। রাতের বেলা নরসিংদী জেলা শহরে অবস্থান করে পরদিন ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।
সজিবের পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনি ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, ইরান ও কুয়েত হয়ে সৌদি আরবে প্রবেশ করবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৮ হাজার কিলোমিটার পথ সাইকেলে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
সজিব তালুকদার বলেন, ‘ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ করতেই পরিবারের সহযোগিতায় সাইকেলে করে পবিত্র মক্কা নগরীতে হজ পালনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। ইতিমধ্যে তিনটি দেশের ভিসা পেয়েছি। অন্য দেশগুলোর ভিসার জন্য দূতাবাসে ই-মেইল করা হয়েছে।
আশা করছি, যাত্রাপথেই সেগুলো পেয়ে যাব।’
তিনি জানান, দীর্ঘ এই যাত্রার প্রস্তুতি হিসেবে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত সাইকেলে ভ্রমণ করেছেন। প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে সাইকেলটি বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। দীর্ঘ পথে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সঙ্গে তাঁবু, খাবার, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
সজিব বলেন, ‘এলাকাবাসী, বন্ধু ও প্রবাসীদের কাছ থেকে পাওয়া উৎসাহই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। এই যাত্রার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পতাকা ও দেশের সুনাম তুলে ধরতে চাই। পাশাপাশি প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং জ্বালানিমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব বাহন হিসেবে সাইকেলের গুরুত্ব তুলে ধরতে চাই।’
সজিবের বন্ধু রাজন বলেন, ছোটবেলা থেকেই সজিবের ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ ছিল। দেশের বিভিন্ন জেলা সাইকেলে ঘুরেছেন তিনি। এবার পবিত্র হজের উদ্দেশ্যে তার এই যাত্রা সফল হোক—এটাই তাদের প্রত্যাশা।
স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সজিব আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পবিত্র হজ পালনের নিয়ত করে সাইকেলে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তার এই ইচ্ছা পূরণ হোক, আমরা দোয়া করি।’
সজিবের বাবা সালাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘ছেলের ভ্রমণের আগ্রহ দেখে কখনো তাকে নিরুৎসাহিত করিনি। সে দেশের বিভিন্ন জেলা সাইকেলে ঘুরেছে। এবার তার এই সিদ্ধান্ত ও মহৎ ইচ্ছাকে আমি স্বাগত জানিয়েছি। সে যেন নিরাপদে পথ পাড়ি দিয়ে হজ পালন করে আবার আমাদের কাছে ফিরে আসতে পারে, সেজন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’
বেলাব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজিজ সারতাজ জায়েদ বলেন, ‘সজিবের এই ব্যতিক্রমী ও সাহসী উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তরুণ প্রজন্মের অদম্য ইচ্ছাশক্তির এটি একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। তার দীর্ঘ সফর সফল ও নিরাপদ হোক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরীর বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে নানা জল্পনা। সম্প্রতি, নতুন করে তাঁর বিয়ের তারিখ নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।
গুঞ্জন উঠেছে যে, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর নাকি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তবে, পূজা সরাসরি এই খবরকে নাকচ করে দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের বিষয়ে ভক্তদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “অনুগ্রহ করে মিথ্যা ও ভুয়া খবর ছড়ানো বন্ধ করুন। বিয়ের তারিখ ও অন্যান্য সব কিছু আমি নিজেই আগে থেকে জানিয়ে দেব।”
চলতি বছরের মার্চে, নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পূজা জানিয়েছিলেন যে, তিনি ইতিমধ্যে ‘এনগেজড’। তবে, তাঁর জীবনসঙ্গী বিনোদন জগতের বাইরের একজন মানুষ বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
সে সময় বাগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও হবু বর সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি পূজা। এমনকি বিয়ের নির্দিষ্ট তারিখও প্রকাশ করেননি।
এরপর, গত আগস্টে হঠাৎ করে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, গোপনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেলেছেন এই অভিনেত্রী। তখনও বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন পূজা। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ে তাঁর জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত এবং সেটি গোপনে করার কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই। সময় হলে সবাইকে জানিয়ে, উৎসবমুখর পরিবেশেই নতুন জীবন শুরু করতে চান তিনি।
এবার ১৬ সেপ্টেম্বর বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পরও পূজা চেরী একই অবস্থানে রয়েছেন। অভিনেত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিয়ের তারিখ কিংবা আয়োজন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা তিনিই নিজে সবাইকে জানাবেন। ফলে, ১৬ সেপ্টেম্বর সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন কি না, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে পূজার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ