ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পোশাক রপ্তানি টানা ৩ মাস বেড়ে ৫.৮২ শতাংশ


পোশাক রপ্তানি টানা ৩ মাস বেড়ে ৫.৮২ শতাংশ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় টানা তিন মাস ধরে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে।

অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি।

রোববার (১ নভেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) সংকলিত পরিসংখ্যানে এ চিত্র উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: ব্র্যাক ব্যাংক চালু করল নতুন প্রযুক্তিনির্ভর ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং সেবা

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ১ হাজার ২৯৯ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছিল। তবে আগস্ট মাস থেকে রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা ফিরে আসে। আগস্টে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং অক্টোবরে ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। অর্থাৎ জুলাইয়ে রপ্তানি কমলেও পরবর্তী তিন মাসে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।

অক্টোবর মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩১৬ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ২০২৫ সালের একই মাসে এ আয় ছিল ৩০১ কোটি ৯৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে অক্টোবরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৪ কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

অক্টোবরে নিটওয়্যার ও ওভেন—দুই ধরনের পোশাক রপ্তানিতেই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। নিটওয়্যার রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭৬ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে এ খাতের রপ্তানি আয় ছিল ১৬৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন: যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন মাহমুদুল হক

অন্যদিকে, অক্টোবরে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৪০ কোটি ২৫ লাখ ডলার। আগের বছরের একই মাসে আয় হয়েছিল ১৩৬ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সে হিসাবে ওভেন খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অক্টোবরে নিটওয়্যার খাতের প্রবৃদ্ধি ওভেনের তুলনায় বেশি ছিল।

চার মাসের হিসাবেও নিটওয়্যার খাত এগিয়ে রয়েছে। জুলাই-অক্টোবর সময়ে নিটওয়্যার রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭৭২ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭২৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। ফলে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

একই সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬০১ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এ আয় ছিল ৫৭৫ কোটি ২৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

সামগ্রিক পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি এসেছে মূলত নিটওয়্যার ও ওভেন—দুই খাতের আয় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। তবে প্রবৃদ্ধির হারে নিটওয়্যার খাত তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছে। জুলাইয়ের নেতিবাচক অবস্থার পর টানা তিন মাস রপ্তানি আয় বাড়ার বিষয়টি দেশের প্রধান রপ্তানি খাতের জন্য ইতিবাচক প্রবণতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: আবুধাবিতে স্বর্ণের ছয়টি ডিম প্রত্যাশিত দামে বিক্রি হয়নি, ফেরত নেওয়ার চেষ্টা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে মাদকের বিস্তার, তরুণ প্রজন্মের ঝুঁকি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


গাজীপুরে মাদকের বিস্তার, তরুণ প্রজন্মের ঝুঁকি বাড়ছে

গাজীপুরের নগরাঞ্চল থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে মাদকের বিস্তার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদককারবারিদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের কারণে শ্রীপুর, কাপাসিয়া ও কালীগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ ও বিক্রি বাড়ছে।

অভিযোগ রয়েছে যে, কৌশলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের মাদক গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দিচ্ছে কারবারিরা। মাদকের সহজলভ্যতা তরুণদের একটি অংশকে নেশায় জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করছে। নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে কেউ কেউ চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া, মির্জাপুর, ভাওয়ালগড় ও পিরোজালী; শ্রীপুরের মাওনা, বরমী, কাওরাইদ, রাজাবাড়ী ও প্রহলাদপুর; কাপাসিয়ার তরগাঁও, টোক, সিংহশ্রী, ঘাগটিয়া, রানীগঞ্জ, চাঁদপুর, নওগাঁ, তিলশুনিয়া, বড়সীট, মৈশাদামনা ও কাজাহাজী এবং কালীগঞ্জের আড়িখোলা, নাগরী, তুমুলিয়া, বক্তারপুর, জামালপুর, জাঙ্গালিয়া, আজমতপুর ও নরুনসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাদককারবারিদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব এলাকায় মাদক বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

এদিকে, টঙ্গীর হাজীর মাজার এলাকার মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান। তিনি বলেন, "মুম্বাইয়ের বস্তির আদলে গাজীপুরে হাজীর মাজার বস্তি গড়ে উঠেছে। সেখানে মাদক কারবারের বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে।"

তার দাবি, ওই এলাকায় সাধারণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পক্ষে অভিযান পরিচালনা করাও কঠিন। সেখানে মাদক কেনাবেচায় বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন ঘটে।

শ্রীপুরের কাওরাইদ ইউনিয়নে মাদক কারবারের বিস্তার নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আফতাব উদ্দিন আতা ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবি অভিযোগ করেন, কাওরাইদ রেলস্টেশনের চা-দোকানি হোসেন আলী হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদককারবারির সঙ্গে জড়িত। তাদের দাবি, রেলস্টেশনের চায়ের দোকানকে কেন্দ্র করেই তিনি মাদক বিক্রি করেন।

ওই দুই নেতার অভিযোগ, হোসেন আলী হোসেনের পাশাপাশি তার সাবেক স্ত্রী রোমেজা, ভাই সাইফুল, ভাতিজা শরীফ ও ভাতিজি খুকিও মাদককারবারের সঙ্গে জড়িত। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলার অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

তবে মাদককারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হোসেন আলী হোসেন। তিনি বলেন, "ষড়যন্ত্র করে একবার তাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছিল।" তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো ধরনের মাদককারবারের সঙ্গে জড়িত নন। তার সাবেক স্ত্রী রোমেজা আগে মাদককারবারি করলেও বর্তমানে তা করেন না বলে জানান তিনি। তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে তার সঙ্গে রোমেজার কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান হোসেন আলী। কাওরাইদ রেলস্টেশনের আউট সিগন্যালসংলগ্ন জমিটি তার ভাইয়ের বলেও দাবি করেন তিনি।

একই ইউনিয়নের সিএনজিচালক আসমত আলীর বিরুদ্ধেও মাদককারবারের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শাহ শিবলী সাদিক জানান, মাদকবিরোধী ব্লক রেইড অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন মাদককারবারি ও সেবীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গত মাসে গাজীপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৮৬৬ পিস ইয়াবা, ১৩৮ কেজি ২৬০ গ্রাম গাঁজা, ৫ গ্রাম হেরোইন, ২৬২ বোতল বিদেশি মদ, ১২০ লিটার চোলাই মদ ও ৪৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিক্ষোভের কারণে ৭ লাখ শ্রমিকের কাজ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


বিক্ষোভের কারণে ৭ লাখ শ্রমিকের কাজ বন্ধ

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ডিএমপি এলাকা, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী শিল্পাঞ্চলে ৩১৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে। এই অবস্থায় কাজ না করে এসব কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৭ লাখ ২ হাজার ২৫৫ জন শ্রমিক। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সূত্রে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বিজিএমইএ- এর তথ্য অনুযায়ী, ডিএমপি এলাকায় ৩২০টি কারখানার মধ্যে মিরপুরে ৬৮টি বন্ধ রয়েছে। এই কারখানাগুলো থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৫১ হাজার ৬২৫ জন শ্রমিক।

গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকার ৮৩৬টি কারখানার মধ্যে ২২৫টি বন্ধ রয়েছে। এই দুই এলাকায় কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৫ লাখ ২৫ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক।

অন্যদিকে, সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ৪৪১টি কারখানার মধ্যে ২৫টি বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৭০ জন শ্রমিক।

তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি শিল্পাঞ্চলে মোট কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ১৩৪টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৮১৬টি কারখানা চালু রয়েছে। শ্রম অসন্তোষের কারণে ৩১৮টি কারখানা বন্ধ রয়েছে।

শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল হক সজীব জানান, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কারখানার মালিকরা ছুটি ঘোষণা করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ এখনও মাঠে রয়েছে।

শিল্প পুলিশ আশুলিয়া জোনের পুলিশ সুপার (এসপি) মোমিনুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সব ধরনের চেষ্টা করছে। বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের মালিকরা কারখানার কাজ বন্ধ রেখেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালপুরের যমজ ভাইয়ের এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ অর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


গোপালপুরের যমজ ভাইয়ের এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ অর্জন

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার সোনামুই গ্রামের যমজ ভাই ইমতিয়াজ রহমান তমাল এবং ইশতিয়াক রহমান হিমেল এবারে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

ঢাকা সিটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তারা এই সাফল্য অর্জন করে। তাদের এই কৃতিত্বের ফলে পরিবার এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

দুই ভাইয়ের বাবা মো. মতিয়ার রহমান একটি এনজিওর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, এবং মা তাহমিনা আকতার শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মনোযোগী তমাল ও হিমেল প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) এবং মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছিল। পিএসসি পরীক্ষায় তারা বৃত্তি লাভ করে। এছাড়া, স্থানীয় কিন্ডারগার্টেন সমিতি ও বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একাধিক বৃত্তি অর্জন করেছে তারা।

পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে দুই ভাই। ২০২৫ সালে জাতীয় পর্যায়ে দুজনই প্রেসিডেন্ট স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।

ভবিষ্যতে প্রকৌশল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে চায় তমাল ও হিমেল। তারা এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মা এবং শিক্ষকদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছে।

সন্তানদের এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তাদের বাবা-মা। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল এবং স্বপ্নপূরণের জন্য সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছে দুই ভাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবার কাঁধে চড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা জিন্নাত এইচএসসিতে উত্তীর্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


বাবার কাঁধে চড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা জিন্নাত এইচএসসিতে উত্তীর্ণ

আফিয়া জিন্নাত এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, যদিও তিনি হাঁটতে পারেন না এবং লিখতেও তার হাতে সমস্যা রয়েছে। শারীরিক নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেছেন।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি জিপিএ-৩.২১ পয়েন্ট পেয়ে উত্তীর্ণ হন। দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে তাকে সবসময় অন্যের কাঁধে ভর করতে হয়।

গৌরীপুর মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে আসার জন্য তিনি বাবার কাঁধে এবং মোটরসাইকেলে চড়ে যাতায়াত করতেন। নির্ধারিত সিটে পৌঁছানোর জন্যও বাবার কাঁধে চড়ে যেতে হতো তাকে।

মাওহা ইউনিয়নের মো. আব্দুল ওয়াদুদ ও মোছা. মুর্শিদা বেগমের কন্যা আফিয়া জিন্নাত। গৌরীপুর সরকারি কলেজের মানবিক শাখা থেকে তিনি এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তিনি খলতবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেছেন।

পরীক্ষার হল থেকে হাস্যোজ্জ্বলভাবে বেরিয়ে আসার পর আফিয়া জিন্নাত বলেন, "জীবনের অনেক ইচ্ছাই আছে। প্রতিবন্ধকতা জয় করে একটা কিছু করব, অবশ্যই একটা কিছু করব।"

মা মুর্শিদা বেগম প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি ও তীব্র শীতের কুয়াশা ভেদ করে হুইলচেয়ারে করে মেয়েকে কলেজে নিয়ে যান। তিনি জানান, "আমার মেয়ের একদিনও প্রাইভেট এবং কলেজে অনুপস্থিতি ছিল না। ওর ইচ্ছা আছে। আমরাও তার ইচ্ছাপূরণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।"

আফিয়ার বাবা আব্দুল ওয়াদুদ দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। তিনি মেয়ের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, "প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বর্ধিত সময়ের আবেদনের জন্যও আমাকে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। আমি চাই আমার মেয়েটা এ যুদ্ধে জয়ী হোক। তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি আমাকে আলোড়িত করে, প্রেরণা জোগায়। আমিও তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সবার দোয়া চাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%