০৩:৩৭ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ৮৪ বছর বয়সী সিনেটর এবং সাবেক রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল রোববার জানান, তার হাসপাতালে থাকার কারণ ছিল অচেতন হয়ে পড়া এবং পরে নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত হন।
কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের প্রবীণ সিনেটর ম্যাককনেলের কয়েক সপ্তাহের অনুপস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তার দলের জন্য সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকার পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছিল।
১৪ জুন ম্যাককনেলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার কার্যালয় থেকে বারবার জানানো হয়েছিল যে তিনি ‘চিকিৎসা সেবা’ পাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক
রোববার একটি বিবৃতিতে ম্যাককনেল বলেছেন, তার অনুপস্থিতি নিয়ে ‘প্রশ্ন’ ওঠেছে। তিনি বলেন, ‘শৈশবে পোলিও থেকে বেঁচে যাওয়ার কারণে সারা জীবনই আমাকে চলাফেরার সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব সমস্যা সহজ হয়নি। গত মাসে আমি পড়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম।’
তিনি আরও জানান যে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন যে তার কোনো হাড় ভাঙেনি এবং মাথায় আঘাত বা মস্তিষ্কে সমস্যা হয়নি।
ম্যাককনেল বলেছেন, ‘আমার হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হয়নি। শরীরে কোনো টিউমার বা রক্তক্ষরণও নেই। তবে আমি কিছু সময়ের জন্য অচেতন হয়ে পড়েছিলাম এবং আমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।’
হাসপাতালে থাকার সময় তিনি ‘নিউমোনিয়ায়’ আক্রান্ত হয়েছিলেন। কবে তিনি কংগ্রেসে ফিরবেন সে বিষয়ে ম্যাককনেল কোনো নির্দিষ্ট সময় জানাননি। জুনের শুরুর পর থেকে তিনি আর কোনো ভোটে অংশ নেননি।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, এখনই সিনেটে ফিরে ভোট দেওয়ার মতো অবস্থায় আমি নেই।’ বর্তমানে তাকে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
ম্যাককনেলের বিবৃতির সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিতে তাকে চিকিৎসা শয্যায় বসে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকা তার হাতে দেখা যায়। ছবিতে তার স্ত্রী এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পরিবহনমন্ত্রী এলেইন চাওও রয়েছেন।
বছরের পর বছর ধরে ম্যাককনেলের স্বাস্থ্য নিয়ে নজর রয়েছে। ২০২৩ সালে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পাওয়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গত বছর আরেকবার পড়ে গিয়ে তার কবজিতে আঘাত লাগে এবং চলতি বছরের শুরুতে ফ্লুর মতো উপসর্গে এক সপ্তাহের বেশি হাসপাতালে ছিলেন।
ম্যাককনেল আগামী নির্বাচনে আর প্রার্থী হচ্ছেন না এবং জানুয়ারিতে তার অবসর নেওয়ার কথা। তবে তার আগেই যদি তিনি পদত্যাগ করেন, তাহলে কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের আইন অনুযায়ী বিশেষ নির্বাচন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাট গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার সরাসরি কোনো অস্থায়ী উত্তরসূরি নিয়োগ করতে পারবেন না।
আরও পড়ুন: জার্মানির আইনমন্ত্রী: সহিংসতা সত্ত্বেও জেন-জিদের বিক্ষোভের পক্ষে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন