০৪:১৮ পি.এম
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ ‘দ্য মেকিং অব আ মডার্ন স্টার’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃতি শ্যানন এসব মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাস্তব ছবি এবং এআই দ্বারা তৈরি ছবির মধ্যে পার্থক্য করা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে।
কৃতি বলেন, "বাস্তব ছবি দেখতে যেমন, এআই দিয়ে তৈরি ছবিও এখন অনেকটা তেমন হয়ে উঠেছে।" তিনি সতর্ক করেন যে, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে মানুষ এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। তাই, এ প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা জরুরি।
এই অভিনেত্রী মনে করেন, যদি তার ছবি এআই দ্বারা তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা সরানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকা উচিত।
আরও পড়ুন: মা হারালেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পপি
কৃতির অভিযোগ, ইনস্টাগ্রামে কোনো ছবি এআই দ্বারা তৈরি হলে এবং সেটি যদি তার ছবি হয়, তাহলে সরাসরি অভিযোগ জানানোর জন্য নির্দিষ্ট বিকল্প নেই। তিনি বলেন, "প্রযুক্তি যত দ্রুত এগোচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা তত দ্রুত উন্নত হচ্ছে না।"
তার মতে, এআই দ্বারা তৈরি ছবি বাস্তব বলে মনে হতে পারে, যা বিভ্রান্তিকর বা আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি করতে পারে। এর ফলে, শনাক্তকরণ এবং সরানোর বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
কৃতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "এআই আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়।" তিনি বলেন, প্রযুক্তিটি একটি হাতিয়ার— চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। তবে হাতিয়ার যত শক্তিশালী হয়, তার অপব্যবহারের ঝুঁকিও তত বেশি হতে পারে।
কৃতি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বিরোধী নন, তবে তিনি মনে করেন, প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে আইনকানুনও পরিবর্তন করা উচিত।
আরও পড়ুন: নেপালের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হবে বাংলাদেশের ‘এ ফাদার’স স্কাই’
ব্যক্তিগত অধিকার প্রসঙ্গে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, এআই দ্বারা কী ধরনের কাজ করা সম্ভব, সে বিষয়ে মানুষ এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনলাইনে দেখা কিছু বিষয় সত্যিই ভীতিকর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন