১২:০৫ পি.এম
উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন অভিযানের নির্দেশ দিয়ে উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন সিউলের একটি আদালত।
শুক্রবার (১২ জুন) আদালত ইউন সুক ইওলকে এই দণ্ডাদেশ দেন।
আদালতের রায়ে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন জারি করার জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে ইউন সুক ইওল আন্তঃকোরীয় উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। আর এই লক্ষ্যেই তিনি ওই সময়ে উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনের অর্থনীতি ধ্বংসে রাশিয়ার জোরদার হামলা
দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, আদালত মনে করেন যে নিরাপত্তার উদ্বেগ বৃদ্ধি এবং সামরিক আইন জারির যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এসব ড্রোন অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।
প্রসিকিউটররা অভিযোগপত্রে বলেন, ইউন সুক ইওল উত্তর কোরিয়াকে উসকানি দিতে এবং পিয়ংইয়ংয়ের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে দেশে সামরিক আইন জারির পক্ষে যুক্তি শক্তিশালী করার জন্য ড্রোন অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন।
এরআগে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্যর্থ সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে ইউনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তার ঘোষিত সেই সামরিক আইন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পরিষদের ভোটে বাতিল হয়ে যায়।
সামরিক আইন জারির চেষ্টা, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ এবং ২০২৩ সালে এক মেরিন কর্মকর্তার মৃত্যুর মতো ঘটনা নিয়ে বর্তমানে মোট আটটি মামলায় ফেঁসে আছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল।
আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভেঙে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন স্বজন-সমর্থকেরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন