ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

খুলনার ৬ কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় কেউ পাস করেনি


খুলনার ৬ কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় কেউ পাস করেনি

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় খুলনার ছয়টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে সক্ষম হননি। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল পরীক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে খুলনার ছয়টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—ডুমুরিয়ার মডেল মহিলা কলেজ, খুলনা সদরের ইনডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির কলেজ, কয়রার শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

আরও পড়ুন: জামায়াতের বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত ৩০ নেতাকর্মী

বিশেষভাবে উদ্বেগজনক ফলাফল দেখা গেছে কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির কলেজের। ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও এখানে পাঁচজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেবারও কেউ পাস করতে পারেননি। ফলে টানা দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন এই বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘২০২৫ সালে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্যও শোনা হয়েছে। কারণগুলো বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চলতি বছরও শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে এসব প্রতিষ্ঠানের অধিভুক্তি নবায়ন বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।’

আরও পড়ুন: দেবিদ্বারে বাগমারা ইসলামী আলিম মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থী ফেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশবাসীর জন্য হঠাৎ সতর্কবার্তা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


দেশবাসীর জন্য হঠাৎ সতর্কবার্তা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নামে একটি অননুমোদিত গুগল ফরম তৈরি করে নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস দেশের সকলকে সতর্ক হতে বলেছে।

সতর্কবার্তায় বিমান বাংলাদেশ জানায়, এ ধরনের ফরম বা কার্যক্রমের সঙ্গে বিমানের কোনো সম্পর্ক নেই।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নামে একটি অননুমোদিত গুগল ফরমের মাধ্যমে নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ এ ধরনের কোনো ফরম চালু বা অনুমোদন করেনি। প্রচারিত ওই ফরম বা এর মাধ্যমে পরিচালিত কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, সংস্থাটির নিয়োগসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি নিয়োগের আবেদন গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য টেলিটকের নির্ধারিত অনলাইন নিয়োগব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য ও বিজ্ঞপ্তি বিমানের অনুমোদিত ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়।

এ অবস্থায় বিমানের নামে প্রচারিত কোনো অননুমোদিত গুগল ফরম বা অপরিচিত লিংকে ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান কিংবা আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার জন্য জনসাধারণের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নিয়োগসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, বিমানের অনুমোদিত ওয়েবসাইট এবং নির্ধারিত টেলিটক নিয়োগ পোর্টালের মাধ্যমে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলিম পরীক্ষায় ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসার ৯৪% পাসের সাফল্য অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


আলিম পরীক্ষায় ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসার ৯৪% পাসের সাফল্য অব্যাহত

ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসা (নেছারাবাদ মাদরাসা) এবারও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে শীর্ষস্থান দখল করেছে, যা মেধা ও চরিত্র বিকাশে অতুলনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে। আলিম পরীক্ষায় ৩৩০ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩০৯ জন কৃতকার্য হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৫৭ জন এবং সাধারণ বিভাগে ২৭৩ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। কৃতকার্যদের মধ্যে ৬৭ জন (A+) এবং ২৪৩ জন A গ্রেড অর্জন করেছে, বাকীরা সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৪% এবং বিজ্ঞান বিভাগে শতভাগ পাশের সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

ঝালকাঠি জেলা শহরের মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসাটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ওলীয়ে কামেল হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা, সুনাম ও সুখ্যাতির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় সাত হাজার ছাত্র এখানে অধ্যয়ন করছে। পাঠ্যক্রম এবং শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের মাধ্যমে Intellectual (বুদ্ধিজাত), Mental (মানসিক) ও Spiritual (আধ্যাত্মিক) সত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষিত, সুশৃঙ্খল, দক্ষ, সৎ ও নিষ্ঠাবান জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এ প্রতিষ্ঠানের সাফল্যও উল্লেখযোগ্য। প্রতিবছর অনেক মেধাবী ছাত্র দেশ ও বিদেশের মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হচ্ছে।

এ মাদরাসাটি অনার্স-মাষ্টার্সসহ দাখিল, আলিম ও ফাজিল, কামিল (হাদীস, তাফসির, ফিকহ ও আদব) ফলাফলে শীর্ষ স্থান অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানে পরিগণিত হয়েছে। অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলেন, "মুসলিম ঐক্যের প্রতীক আমীরুল মুছলিহীন হয়রত নেছারাবাদী হুজুরের বলিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষকতা, দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন, সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ক্লাস টেস্ট, দূর্বল ছাত্রদের জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে ফীডব্যাক ক্লাস, অভিভাবক সম্মেলনসহ শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন, আবাসিক ছাত্রদের জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও টিউটর দ্বারা আবাসিক ক্লাশ ও সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসমূহে এ প্রতিষ্ঠান বরাবরই গৌরবোজ্জল ফলাফল লাভ করছে।" মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ভাল ফলাফলের নেপথ্যে অত্র মাদরাসার ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সর্ব মহলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে সাংবাদিক সমাবেশে হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন : হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


সিলেটে সাংবাদিক সমাবেশে হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিন : হুঁশিয়ারি

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন, "স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে শেকলবন্দি করতেই দুজন সাংবাদিকের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা করা হয়েছে।" সিলেটের মানুষের সেবা পাওয়ার ন্যায্য দাবির প্রতি এটি একটি চরম আঘাত। এই হামলা শুধু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নয়, বরং গোটা সিলেটবাসীর ওপরও আক্রমণ। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটবাসীর সম্পত্তি, এখানে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরদাশত করা হবে না।

সাংবাদিক রেজা রুবেল ও নিবেন্দু তালুকদার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হন। এর প্রতিবাদে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সর্বস্তরের সাংবাদিকদের উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সিলেটের সকল সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন-নূরের সভাপতিত্বে এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তারা বলেন, "এই প্রতিবাদ সমাবেশ শুধু সাংবাদিকদের নয়, বরং পুরো সিলেটবাসীকে জাগ্রত করার সমাবেশ।" অতীতে ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনের সময় সাংবাদিকরাই তাদের পাশে থেকে সংবাদ প্রচার করেছিলেন, যার প্রতিদান দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করে। বক্তারা উল্লেখ করেন, হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করে রোগীদের জিম্মি করার সংস্কৃতি চলতে পারে না।

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বক্তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অতীতে হাসপাতালের অচলাবস্থা নিরসনে প্রশাসন তাৎক্ষণিক ভূমিকা রাখলেও সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে। বক্তারা বলেন, "এই হামলা পুরো চিকিৎসক সমাজকে কলঙ্কিত করেছে।" ওসমানী হাসপাতালে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও মাস্তানি বন্ধ করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের একটি অংশের মাধ্যমে রোগীদের স্বজন ও সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করা এবং লাঠিসোটা নিয়ে পেটানোর ঘটনা নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে। গত বুধবার দুই সাংবাদিককে নির্যাতনের ঘটনায় অবিলম্বে ওসমানী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, "কোনো আপসকামী সমাধান নয়, সাংবাদিকদের সম্মান রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে শীঘ্রই বৈঠকে বসা হবে এবং সেখানেই পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য অধ্যক্ষ লিয়াকত শাহ ফরিদী, ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেট-এর সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান রিপন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব), সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গুলজার আহমদ হেলাল, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ূন কবীর লিটন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমদ রনি প্রমুখ।

সিলেটের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাবেশে সংহতি জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব এবং দক্ষিণ সুমরা ও বিশ্বনাথসহ বিভিন্ন উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ এবং সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাব ও বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র এর সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিলেট কল্যাণ সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল আজাদ, দৈনিক উত্তর পূর্বের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, দৈনিক সমকাল'র সিলেট ব্যুরো প্রধান মুকিত রহমানী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মহসিন ও শফিকুর রহমান, জেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সজল ঘোষ, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক রবি কিরণ সিংহ (মাইস্লাম রাজেশ), দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আহাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রেজাউল হক ডালিম, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক আহমেদ জামিল, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র (বিএনজেসি)-এর সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি বিলকিস আক্তার সুমি, সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাকিলা ববি, সিনিয়র সাংবাদিক কাউছার চৌধুরী, জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য নবীন সোহেল, রনজিৎ কুমার সিংহ, তুহিন আহমদ ও রাজীব রাসেল, অধ্যক্ষ মকসুদ আহমদ, সিলেট কল্যাণ সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহের, সাংবাদিক নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. ইউসুফ আলী, সোয়েব বাসিত, সাঈদ চৌধুরী টিপু, পিংকু ধর, রাশেদুল হোসেন সুয়েব, এনামুল কবীর, সাঈদ নোমান, মো. আহসান হাবীব, মোজ্জাম্মেল আহমদ, লুৎফুর রহমান, মোহাম্মদ কামরুল হাসান, মাকসুদ হোসেন, মোখলেছুর রহমান, শামীম হোসেন সামী, আলমগীর আলম, কামরুল হাসান বুলবুল, মাকসুদুর রহমান নাহিদ, এস. এম. সুজন, দেবব্রত রায় দিপন, বাপ্পা মৈত্র, রোমান আহমদ, জিকরুল ইসলাম, আতিকুর রহমান নগরী, আহমদ আলী হিরন, মো. আবদুর রাজ্জাক, আহমদ আলহাদী, মো. চমক আহমেদ, মো. আব্দুল মজিদ চৌধুরী, শাহ মিনশাদ আলম, সুব্রত দাস, পিয়াল আহমদ, সন্দীপন শুভ, মো. আহমদ শিপন, জহিরুল ইসলাম সিপু, শহীদুল রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, সাকির আল মামুন, সমাজসেবী শাহজাহান মাস্টার, সাংবাদিক কামাল আহমদ, ফারহান ইসলাম রাজু, মাহফুজুর রহমান সামি, নূর আলম, হোসাইন ইকবাল, হিমেল হাসান, মো. এমদাদুল হক, মো. মতিউর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক শাওন, শিব্বির আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, শহিদুল ইসলাম সবুজ, ফাহিম আহমদ, সাইফুর রহমান, রাজু আহমেদ, রহমতুল হোসেন লস্কর, নোমান ফয়সল, আশিক উদ্দিন, সাগর হাসান শুভ, মো. মুজিবুর রহমান, ফয়জুল আহমদ, শ্যামল নন্দী, মো. আফজাল হোসেন, মো. সালেক আলী খান, ফয়জুল কাদির, সৈয়দ আলমগীর, মেহেদী হাসান লিটু, এস কে তুহিন, সুমাইরুল ইসলাম রাহাত, মররুর আহমদ রাজু, মো. মারুফ হাসান, মো. সোহাগ, আনোয়ার হোসেন, মোবারক হোসেন বাপ্পু, তুহিন সরকার, তারেক চৌধুরী রাহেল, কাইয়ুম আল রানি, শিমুল চন্দ্র (জয়), আমজাদ আলী ও সুরত আলী মিয়া প্রমুখ।

উল্লেখ্য, এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের মারধরের খবর পেয়ে গত বুধবার রাত ১০ টার দিকে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করতে গিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বারা সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন দৈনিক শ্যামল সিলেটের ফটোসাংবাদিক রেজা রুবেল ও নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল সিলেটভিউ২৪-এর নিজস্ব প্রতিবেদক নিবেন্দু তালুকদার। তারা দুজনই সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য।

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা এ দুজনকে স্যালাইনের স্ট্যান্ড দিয়ে মাথায় আঘাত করে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তারা দুজন রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন। নির্যাতিত সাংবাদিকরা ওই সময় বার বার নিজেদের পরিচয়পত্র দেখিয়েও রক্ষা পাননি হামলাকারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হাত থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালত থেকে বের হয়ে দীপের বক্তব্য, ‘আমি ফুললি স্ট্রং’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


আদালত থেকে বের হয়ে দীপের বক্তব্য, ‘আমি ফুললি স্ট্রং’

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তার ‘স্থানীয় ছোটভাই’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। রিমান্ডের আদেশ হওয়ার পর আদালত থেকে বের হওয়ার সময় দীপ তার স্বজনদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি ফুললি স্ট্রং।’ তিনি টেনশন করতে নিষেধ করেন। পরে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস রিমান্ডের আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই সাইফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে রিমান্ড শুনানিতে দীপের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আসামি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার। আমরাও চাই সত্য উদঘাটন হোক। আসামি কিন্তু প্রথম থেকে সহযোগিতা করে আসছে। এটা হত্যা না আত্মহত্যা সন্দেহ হয়। আর ভিকটিমের শরীরে কিন্তু কোনো আঘাতের চিহ্ন নাই। ডিজিস্টের (ভুক্তভোগী) পরিবার কিন্তু মামলা করতে চায়নি। আমরাও সত্য উদঘাটনের পক্ষে। এ কারণে জামিন আবেদন করিনি।’

দীপের আইনজীবী আরো বলেন, ‘ভিকটিমের সঙ্গে আসামির ৬ বছরের সম্পর্ক, পারিবারিকভাবে এ সম্পর্ক। ভিকটিমের বাবা কিন্তু একটিবারও বলেননি আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত। আর ভিকটিম বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা। রাত ২টার দিকে তিনি কেন মাদক আস্তানায় যাবেন, তা বোধগম্য নয়।’

আরেক আইনজীবী মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘আসামি (দীপ) ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। তিনি জড়িত থাকলে কিন্তু বাসায় থাকতেন না। প্রথম থেকে কিন্তু তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। আমরাও চাই প্রকৃত রহস্য উঠে আনুক।’

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর ফিরোজ উদ্দিন আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিকভাবে তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মূল রহস্য উদঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করাসহ পাঁচটি কারণ দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ দিন বেলা সোয়া ২টার দিকে দীপকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। রিমান্ড শুনানির জন্য বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে তাকে এজলাসে তোলা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদার রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অপরদিকে দীপের পক্ষে মনিরুল ইসলাম ও মুতাসিম বিল্লাহ রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ‘ভিডিও ধারণকারী’ হিসেবে আলোচনায় থাকা তাহসিফ সাউরির ভাসমান লাশ গত বুধবার বিকালে তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘দীপের ডাকে’ বাসার নিচে নামেন এবং নিজের বাইক নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন।

রাতেই মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের বাসা থেকে দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পিবিআই। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকা থেকে তাহসিফের বাইকটি উদ্ধার করা হয়।

‘মাদকস্পট’ হিসেবে পরিচিত ওই এলাকায় মধ্যরাতে তাহসিফের সঙ্গে যাওয়ার কথা স্বীকারও করে দীপ। এক পর্যায়ে তাকে নিয়ে শুক্রবার টঙ্গীর ওই এলাকা পরিদর্শনেও গিয়েছিলেন পিবিআই কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%