ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দেওয়া এবং দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
 
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই-২০০৬ ব্যাচের) ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 
 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো পুলিশ বাহিনীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে ক্রমে উত্তরণ ঘটিয়ে পুলিশ বর্তমান পর্যায়ে এসেছে।
 
নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পুলিশের পোশাক, পরিচয় ও কাঁধে অর্পিত দায়িত্ব শুধু চাকরির পরিচয় নয়, এটি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচারের পথ সুগম করা এবং রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অঙ্গীকার। পুলিশের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নাগরিকের জীবন, পরিবারের নিরাপত্তা ও সমাজের শান্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই দায়িত্ব পালনে দায়িত্বশীলতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আইনের অনুসরণ এবং আচরণে মানবিকতা বজায় রাখতে হবে।
 
তিনি বলেন, পুলিশের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেবাপ্রত্যাশী সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আন্তরিক হতে হবে। ভয়ভীতি ও পক্ষপাতিত্ব উপেক্ষা করে মানুষকে আইনি সেবা ও সুরক্ষা দিতে হবে। জনগণের পাশে থেকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করে পুলিশকে প্রকৃত অর্থেই জনগণের পুলিশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
 
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রচলিত অপরাধের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, আর্থিক জালিয়াতি, মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ, মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশকে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্য বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক তদন্ত, অপরাধের ধরন সম্পর্কে হালনাগাদ জ্ঞান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।
 
তিনি বলেন, পুলিশি সেবা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ফরেনসিক পরীক্ষা, ডিএনএ পরীক্ষা, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, বিট পুলিশিং, নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীবান্ধব সার্ভিস ডেস্ক এবং জাতীয় জরুরি সেবাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালু রয়েছে। সাইবার জগতে সংঘটিত অপরাধ মোকাবিলায় স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিটও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অপরাধ মোকাবিলা ও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশকে সংবিধান ও প্রচলিত আইনের বিধান অনুসরণ করতে হবে।
 
নবীন পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নিরপরাধ মানুষের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে হবে। তদন্ত ও আইন প্রয়োগের প্রতিটি পর্যায়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। পুলিশের লক্ষ্য শুধু অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া নয়, বরং এমন পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে অপরাধের ঝুঁকি কমে আসবে এবং মানুষ নিরাপদে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে।#
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডের আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো. রাজিব তালুকদার

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডের আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কুড়িল বিশ্বরোডের একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুড়িল বিশ্বরোডের ৯৫/ক নম্বর ভবনে, পূবালী ব্যাংকের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ‘হোটেল পূর্বাচল’-এ আবাসিক হোটেলের আড়ালে এসব কর্মকাণ্ড চলছে।

অভিযোগ রয়েছে, হোটেলটির ব্যবস্থাপক রবিউলের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের এনে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর পাশাপাশি মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, আবাসিক হোটেলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি দেখা যাচ্ছে না। এতে হোটেলটিতে অবস্থানকারী সাধারণ অতিথি ও আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে তথ্য জানতে হোটেল পূর্বাচলের ব্যবস্থাপক রবিউলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা থানায় মাসোয়ারা দিই। যা কিছু জানার থানার ওসির কাছে জানেন।”

তবে হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং হোটেলটিতে কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, মাদকবিরোধী অভিযান এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।উল্লেখ্য বিষয় একাধিকবার ও সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন পত্রিকার নিউজ সত্ত্বেও কোন প্রকারে বন্ধ হয়নি এই দেহ ব্যবসা ও মাদক ব্যবসা। আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ম্যানেজার রবিউল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জে গণধর্ষণের অভিযোগ নিতে ওসির অস্বীকৃতি! উল্টো ভিকটিমকে ৭ বছরের জেলের ভয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


বাকেরগঞ্জে গণধর্ষণের অভিযোগ নিতে ওসির অস্বীকৃতি! উল্টো ভিকটিমকে ৭ বছরের জেলের ভয়

বিয়েতে মেহেদীর রং শুকাতে না শুকাতেই ১৬-১৭ দিনের মাথায় বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক নববধূকে (১৭) গণধর্ষণের লোমহর্ষক অভিযোগ উঠেছে। বিচার চাইতে থানায় গিয়ে দ্বিতীয়বার দুর্ব্যবহারের শিকার হলেন ওই গৃহবধূ- এবার পুলিশের কাছে। থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা না নিয়ে উল্টো ভিকটিমকে ভয়-ভীতি দেখানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আড়াইবেকী এলাকার ওই গৃহবধূকে গত ১৯ অক্টোবর রাতে তারই সৎ ভাসুর মোঃ ইমরান প্যাদা (৩৮) ও প্রতিবেশী চাচা শ্বশুড় রাকিব প্যাদা (২৬) কৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করে। ঘটনার পর তিনি গত ২৩ অক্টোবর বরিশাল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের (সিনিয়র সহকারী জজ) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিস ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বাকেরগঞ্জ থানায় ওসির কাছে পাঠান। ভিকটিম কাগজসহ ওসি আদিলের সঙ্গে দেখা করলে তিনি মামলা গ্রহণ না করে উল্টো তাকেই (ভিকটিমকে) জেলের ভয় দেখান বলে ভিকটিমের অভিযোগ।

ধর্ষণের শিকার নববধূ ভিকটিম জানান, তার সৎ ভাসুর ইমরান প্যাদা তাকে নতুন পোশাক কিনে দেয়ার কথা বলে বাজারে নিয়ে যায়। ওইদিন বাজার থেকে রাতে বাড়ীতে ফেরার পথে তার ভাসুর ও চাচা শ্বশুড় রাকিব প্যাদা তাকে গণধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় তিনি ২৩ অক্টোবর বরিশাল লিগাল এইড অফিসের নির্দেশে থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে ওসি আদিল হোসেন তাদেরকে বলেন, "আপনার কোনো প্রমাণ নেই। জামাসহ গোসল করার কারণে প্রমাণ লোপাট হয়ে গেছে। ধর্ষণের ঘটনা প্রমাণ করতে না পারলে আপনারই (ভিকটিমের) সাত বছরের সাজা হবে।" এমনকি ধর্ষকদের একজন ইমরান প্যাদা তার দুলাভাই সেতো এমনিতেই শালীর অর্ধেক ভাগ বলেও ওসি তার সাথে মশকরা করেন বলেও জানান।

এদিকে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছাড়াও খোদ ভিকটিমের স্বামী জীবন প্যাদা, শ্বশুড় সুলতান প্যাদা ও শ্বাশুড়ী ফাতেমা বেগমও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। ভিকটিম সম্পর্কে অভিযুক্ত ইমরান প্যাদার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও আপন শ্যালিকা হওয়ায় ঘটনাটি এলাকায় আরও বেশি হৃদয়বিদারক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন বলেন, গত দুই এক দিন আগে ভিকটিম তার স্বামী ও শ্বশুর-শ্বশুড়ীকে নিয়ে থানায় এসেছিল। ধর্ষণের কোন আলামত দেখাতে পারিনি। তবে তাদেরকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা বললে তারা কিছুক্ষণ পরে জানাবে বলে চলে যায়।

পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাসুদ হাসান নববধূকে গণধর্ষণের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, একজন অসহায় নারী যখন বিচারের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে থানায় যায়, তখন থানার ওসি যদি তাকে সুরক্ষা না দিয়ে ভয় দেখান, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা কোথায় থাকবে? একজন ধর্ষণের শিকার নারীকে থানায় ডেকে এভাবে ভয় দেখানো শুধু অমানবিকই নয়, চরম পৈশাচিকতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার।

এই ঘটনায় বাকেরগঞ্জের সচেতন নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীরা তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ওসি আদিল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত, প্রত্যাহার এবং ভিকটিমের মামলা দ্রুত গ্রহণ করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ভিকটিম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় ওসির মামলা না নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি যদি মামলা না নিয়ে ধর্ষিতাকে উল্টো ভয় দেখিয়ে থাকেন তদন্ত করে ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলফাডাঙ্গায় তারুণ্যের উল্লাসে, ব্যান্ডের তালে তালে ও স্লোগানে স্লোগানে জমকালো আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


আলফাডাঙ্গায় তারুণ্যের উল্লাসে, ব্যান্ডের তালে তালে ও স্লোগানে স্লোগানে জমকালো আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গৌরবের ঐতিহ্য ও ইতিহাস ধারণ করে তারুণ্যের উল্লাস, ব্যান্ডের তালে তালে আর স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছিল ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা। বর্ণিল আয়োজন, প্রাণবন্ত র‍্যালি আর নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাসে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে আলফাডাঙ্গা লোকাল বাসস্ট্যান্ড চত্বরে এ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ব্যান্ডের ছন্দময় সুরে র‍্যালি এগিয়ে চলে, আর স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন পায় উৎসবমুখর আবহ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের গৌরবময় ঐতিহ্য ও ইতিহাস স্মরণের পাশাপাশি তারুণ্যের শক্তি, সাংগঠনিক ঐক্য এবং আগামী দিনের পথচলা নিয়ে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। ব্যান্ডের তালে তালে র‍্যালি আর স্লোগানের ছন্দে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাসে অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে প্রাণচঞ্চল।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিন মোল্যার সভাপতিত্বে এবং পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমরান হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহীদুর রহমান শহীদ, সহসভাপতি মাহিদুল হাসান কাকন ও হেমায়েত হোসেন হেলাল, প্রচার সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান সেন্টু এবং উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম কুদ্দুস শেখ প্রমুখ।

এ সময় যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরুল হাসানসহ স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

গৌরবময় অতীতকে ধারণ করে আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়, তারুণ্যের উল্লাস আর ব্যান্ডের তালে তালে র‍্যালির প্রাণচাঞ্চল্যে আলফাডাঙ্গায় উদ্‌যাপিত হয় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি দ্বারা মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল ইসলাম তাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী (বটগাছ) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬৮ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা চারজন।

প্রসঙ্গত, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%