ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে সৌদি-রাশিয়ার আলোচনা


হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে সৌদি-রাশিয়ার আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের প্রেক্ষাপটে হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে আলোচনা করেছেন সৌদি আরব ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইয়েমেনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর বিষয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।

বৈঠকের সময় দুই মন্ত্রী আঞ্চলিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। এ সময় হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।

আরও পড়ুন: শত্রুর হুমকি দেখলে তাৎক্ষণিক হামলার নির্দেশ খামেনির

এছাড়া, তারা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের জন্য চলমান প্রচেষ্টাগুলোও পর্যালোচনা করা হয়েছে বলে জানায় সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু পরিবর্তনে সংকট বাড়ছে, ঝুঁকিতে দেশের পৌনে ২ কোটি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


জলবায়ু পরিবর্তনে সংকট বাড়ছে, ঝুঁকিতে দেশের পৌনে ২ কোটি মানুষ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে। এর ফলে উপকূলের জনজীবন, কৃষি ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যদি উচ্চমাত্রায় গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকে, তবে ২১০০ সাল নাগাদ প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ মানুষ পরিবেশগত ঝুঁকিতে পড়তে পারে। দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্টে’ বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উচ্চমাত্রায় গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২১০০ সাল নাগাদ উপকূলীয় বন্যার ঝুঁকি বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ মানুষের জন্য বাড়বে। এতে বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দেশের জিডিপির সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয়ভাবে ভূমি দেবে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় বদ্বীপ ক্রমশ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বদ্বীপের কিছু অংশ বছরে ৪ থেকে ৫৫ মিলিমিটার পর্যন্ত দেবে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যনিরাপত্তা এবং মানুষের জীবন-জীবিকাকে আরও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব শুধু বসতভিটা ও কৃষিজমিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং উপকূলীয় মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও পড়ছে। নিরাপদ পানি, জীবিকা ও বসবাসের অনিশ্চয়তায় উপকূলের একাংশের মানুষ অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি বাড়ছে, স্থানীয় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার মন্তব্য করেন, অধিক লবণাক্ততা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের নারী ও কিশোরীরা উপকূল ছেড়ে ঢাকা কিংবা অন্যান্য শহরাঞ্চলে চলে যাচ্ছেন। অভ্যন্তরীণ এই অভিবাসনের ফলে যেসব এলাকায় তারা আশ্রয় নিচ্ছেন, সেখানে নতুন করে পরিবেশের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।

উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় প্রয়োজন যথেষ্ট অর্থায়ন, দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনে কার্যকর পরিকল্পনা। বিশেষজ্ঞরা স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের খাপ খাইয়ে নিতে হবে। এ জন্য জলবায়ু সহনশীল উপাদান ও বীজ ব্যবহার করতে হবে এবং উপকূলীয় এলাকার অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে হবে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় কোথায় এবং কীভাবে আশ্রয় নেয়া যাবে, সে বিষয়ে প্রস্তুতি থাকতে হবে। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নিজেদের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর শুধু পরিবেশগত সংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি দারিদ্র্য, বৈষম্য ও বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। ফলে উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কার্যকর অভিযোজন উদ্যোগ জরুরি হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহিদ কাপুরের সাবেক প্রেমিকা কারিনা ও স্ত্রী মীরা পডকাস্টে মুখোমুখি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


শহিদ কাপুরের সাবেক প্রেমিকা কারিনা ও স্ত্রী মীরা পডকাস্টে মুখোমুখি

বলিউডের তারকা শহিদ কাপুরের প্রাক্তন প্রেমিকা এবং অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান সম্প্রতি মুখোমুখি হলেন শহিদের স্ত্রী মীরা কাপুরের। একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে তারা প্রথমবারের মতো তাদের সম্পর্কের গোপনীয়তা প্রকাশ করেন দর্শকদের সামনে।

এবারের কারিনার পডকাস্টটি নেটিজেনদের মধ্যে বিশেষভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কারিনার পডকাস্টের ওই পর্বে ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন মীরা।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) থেকে পডকাস্টের কিছু অংশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যা দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল বাড়াচ্ছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশে দেখা যায়, কারিনা ও মীরা হাসি-ঠাট্টায় মেতে উঠেছেন। এ সময় কারিনা মন্তব্য করেন, "আমার মনে হয়, এই পর্বের জন্য সবাই একটু বেশিই উত্তেজিত।"

আলোচনার এক পর্যায়ে মীরা কারিনাকে ‘আদর্শ স্ত্রী’ হিসেবে প্রশংসা করেন। এর জবাবে কারিনা বলেন, "আমি তো বলিউডের আদর্শ স্ত্রী হওয়ারই স্বপ্ন দেখি!"

আরেকটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কারিনা শহিদ ও মীরার ‘তৃতীয় সন্তান’ প্রসঙ্গে আলোচনা করছেন। মীরার জবাব ছিল, "না না, আমাদের আর সন্তান চাই না। আমাদের পরিবার সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে।"

২০০৪ সাল থেকে শহিদ কাপুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন কারিনা কাপুর। তবে ব্যক্তিগত নানা কারণে তাদের সম্পর্ক তিন বছরের মাথায় ভেঙে যায়। ২০০৭ সালে বিচ্ছেদের পর কারিনা ও শহিদের জীবন ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। ২০১২ সালে কারিনা বিয়ে করেন অভিনেতা সাইফ আলী খানকে। অন্যদিকে, ২০১৫ সালে শহিদ কাপুর বিয়ে করেন মীরা কাপুরকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার স্বাধীন সংবাদপত্র ‘নোভায়া গেজেতা’ বন্ধ হতে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


রাশিয়ার স্বাধীন সংবাদপত্র ‘নোভায়া গেজেতা’ বন্ধ হতে যাচ্ছে

রাশিয়ার একটি অন্যতম পরিচিত স্বাধীন সংবাদপত্র ‘নোভায়া গেজেতা’ বন্ধ হতে চলেছে। পত্রিকাটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং আগামী ৯ নভেম্বর তারা তাদের কার্যালয় ত্যাগ করবে এবং সার্ভার বন্ধ করে দেবে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রুশ কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা সংস্থার চাপের কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে, যা সরকারের সমালোচনা, দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য পরিচিত।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) কার্যালয়ের জিনিসপত্র গুছিয়ে সরানোর কাজ চলছিল। চারপাশে পিচবোর্ডের বাক্স এবং প্লাস্টিকের ব্যাগ ছড়িয়ে ছিল। মস্কোর এই কার্যালয়টি প্রায় ৩০ বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। অনুসন্ধানী সাংবাদিক আনা পলিতকভস্কায়ার স্মৃতির জিনিসপত্রও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যিনি ২০০৬ সালে নিজের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে গুলিতে নিহত হন।

পত্রিকাটির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী দিমিত্রি মুরাতভ বলেছেন, কর্তৃপক্ষ তাদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে। তিনি বলেন, “কাউকে হত্যা করার অনেক উপায় আছে। তারা আমাদের শ্বাসরোধ করে মারার পথ বেছে নিয়েছে।” পত্রিকাটির অভিযোগ, প্রথমে তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়, এরপর ছাপা পত্রিকার প্রকাশনা নিষিদ্ধ করা হয় এবং গণমাধ্যমের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। সাংবাদিকদের ‘বিদেশি এজেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করার ঘটনাও ঘটেছে।

নোভায়া গেজেতা জানিয়েছে, পাঠকদের অনুদান গ্রহণের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে সংবাদমাধ্যমটির আয় করার পথ সংকুচিত হয়েছে। কার্যালয় ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশের পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটির সম্পাদকীয় দল।

২০২১ সালে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় অবদানের জন্য মুরাতভ নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। তবে ২০২৩ সালে রুশ কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘বিদেশি এজেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে নোভায়া গেজেতাকেও একই পরিচয় দেওয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, রাশিয়ায় সরকারের সমালোচক সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে এই পরিচয় ব্যবহার করা হচ্ছে।

নোভায়া গেজেতা দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সরকারি কর্মকর্তা ও আমলাদের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। পত্রিকাটির দাবি, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাদের ছয়জন সহকর্মী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আনা পলিতকভস্কায়া অন্যতম। চেচনিয়ার যুদ্ধ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য পরিচিত এই সাংবাদিককে ২০০৬ সালের অক্টোবরে হত্যা করা হয়।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার হামলা শুরু হওয়ার পর দেশটিতে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ আরও বেড়েছে। যুদ্ধ ও সরকারের সমালোচনাকারীদের শাস্তি দেওয়ার সুযোগ রেখে আইন প্রণয়ন করা হয়। ওই বছরের মার্চে নোভায়া গেজেতা রাশিয়ায় ছাপা সংস্করণের প্রকাশনা স্থগিত করে। পরে পত্রিকাটির অনেক সাংবাদিক দেশ ছেড়ে যান এবং লাটভিয়ায় ‘নোভায়া গেজেতা ইউরোপ’ নামে একটি আলাদা সংবাদমাধ্যম গড়ে তোলেন, যা রাশিয়ার বাইরে থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে পত্রিকাটির কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিক ওলেগ রলদুগিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত তথ্য বেআইনিভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। পরে পত্রিকাটির বর্তমান প্রধান সম্পাদক সের্গেই সোকোলভের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয় এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পত্রিকাটির মতে, এসব পদক্ষেপ তাদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ আরও সীমিত করেছে।

নোভায়া গেজেতা তাদের বিদায়ী বিবৃতিতে বলেছে, রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। সংবাদমাধ্যমটি অভিযোগ করেছে, দেশে মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হচ্ছে এবং নাগরিক অধিকার রক্ষার প্রচেষ্টাকে অপরাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে রুশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

পত্রিকাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও মুরাতভ বলেছেন, তাঁরা নিজেদের মূল্যবোধ ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তাঁর মতে, মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার ও মানবাধিকার রাষ্ট্রের অধিকারের চেয়ে বড়। নোভায়া গেজেতার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া রাশিয়ায় স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে চলমান উদ্বেগকে আরও সামনে এনেছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাকিমির হ্যাটট্রিকে পিএসজির ৫-১ গোলের দাপুটে জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৮ এম


হাকিমির হ্যাটট্রিকে পিএসজির ৫-১ গোলের দাপুটে জয়

চোটের কারণে বেশ কিছু নিয়মিত খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি এবং কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে বেঞ্চে রেখে মাঠে নেমেছিলেন লুইস এনরিকে। তবুও জয় পেতে কোনো বেগ পোহাতে হয়নি পিএসজির। উড়ন্ত ফর্মে থাকা ফুল-ব্যাক আশরাফ হাকিমির হ্যাটট্রিকে লে আভরেকে উড়িয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা শীর্ষস্থান মজবুত করেছে।

শুক্রবার লিগ আঁ-তে তলানির দলের বিরুদ্ধে ৫-১ গোলের জয় পেয়েছে পিএসজি। মৌসুমের প্রথম নয়টি লিগ ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ এখন ২০ পয়েন্ট।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা লিলের চেয়ে তারা দুই পয়েন্ট এবং তৃতীয় স্থানে থাকা রেনের চেয়ে চার পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। আরসি লঁসের বিপক্ষে ডার্বিতে বদলি হিসেবে নেমে ৮৬তম মিনিটে গোল করে লিলকে ১-০ ব্যবধানে জয় এনে দেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার অলিভিয়ে জিরু, যার ফলে তারা রেনকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে।

অন্যদিকে নিসের মাঠে ৫-২ গোলের বড় হার দেখেছে রেন। টানা পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ জয় পাওয়া নিসের হয়ে এলিয়ে ওয়াহি হ্যাটট্রিক করেন। গত মৌসুমে অবনমন এড়ানো দলটি এই জয়ে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে।

স্তাদ ওশেনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হাকিমি তিন গোল করার পাশাপাশি দুটি অ্যাসিস্টও করেন। তার তৈরি করা সুযোগ থেকে গোল করেন মিকা গোডৎস ও সেনি মায়ুলু। যদিও ম্যাচের শুরুতে জশ মাজা গোল করে লে আভরেকে এগিয়ে নেন।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি ছিল পিএসজির টানা নবম জয়। অন্যদিকে লে আভরে টানা পঞ্চম পরাজয়ের মুখ দেখল। মৌসুমে এখনও তারা জয়ের মুখ দেখেনি। মাত্র দুই পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে লিগের তলানিতে।

তবে শুরুর দিকে মাজা গোল করে স্বাগতিকদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। এরপর হাকিমির পাস থেকে সমতা ফেরান গোডৎস। ২৮তম মিনিটে নিকট পোস্টে দারুণ এক শটে পিএসজিকে এগিয়ে দেন মরক্কোর এই ডিফেন্ডার।

৫৫তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে নিচের কর্নারে বল জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন হাকিমি। এরপর দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ৬২তম মিনিটে মায়ুলুর গোলেও সহায়তা করেন তিনি, যাতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-১।

৬৯তম মিনিটে প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন হওয়া শটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন হাকিমি।

ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে বলেন, “আমি খুশি, কারণ কিছু খেলোয়াড় এর আগে খুব কম সময় মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিল। আমরা যদি শিরোপা জিততে চাই, তাহলে সবার অবদান প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “চোটের কারণে নতুনদের জন্য সুযোগ তৈরি হয়। আজ রাতটা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল কুয়েনতিন এনজানতু ও ডেভিড বলির জন্য, যে লিগ আঁ-তে অভিষেক করেছে।”

নিসের হয়ে ওয়াহির হ্যাটট্রিকে ছিল প্রথমার্ধের দুটি পেনাল্টি গোল এবং ৭৩তম মিনিটের একটি প্রথম স্পর্শে নেওয়া দুর্দান্ত ফিনিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%