ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নভেম্বরে অকটেন-পেট্রোলের দাম নির্ধারণ, বিক্রি হবে ১৬৫ ও ১৬০ টাকায়


নভেম্বরে অকটেন-পেট্রোলের দাম নির্ধারণ, বিক্রি হবে ১৬৫ ও ১৬০ টাকায়

সরকার আগামী নভেম্বর মাসের জন্য দেশের বাজারে অকটেন-পেট্রোলসহ সকল ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা অক্টোবর মাসের মতোই থাকবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম হবে ১৩৫ টাকা, কেরোসিনের দাম ১৫৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৬০ টাকা।

আরও পড়ুন: নভেম্বর থেকে টিসিবি হলুদ-মরিচের গুঁড়া ও চা বিক্রি করবে

গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। অক্টোবর মাসেও পূর্বনির্ধারিত দামই কার্যকর ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে পুরো মাসজুড়ে এই নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার পাঁচ হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের অভাব, ৬ লাখ শিশুর চিকিৎসা ঝুঁকিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


ভোলার পাঁচ হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের অভাব, ৬ লাখ শিশুর চিকিৎসা ঝুঁকিতে

ভোলার দ্বীপজেলায় শিশু বিশেষজ্ঞের অভাবের কারণে প্রায় ৬ লাখ শিশুর সুচিকিৎসা বর্তমানে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। জেলার সাতটি সরকারি হাসপাতালে পাঁচটি হাসপাতালে শিশু চিকিৎসক নেই। বর্তমানে পুরো জেলায় মাত্র ২ জন ডাক্তার কর্মরত আছেন। এই কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে নামমাত্র সেবা নিয়েই হাসপাতাল ছাড়তে হচ্ছে সেবাপ্রার্থী শিশুদের, বিশেষ করে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের।

বছরের পর বছর ধরে এই সংকট চলতে থাকলেও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ভোলা জেনারেল হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডের শয্যার সংখ্যা ৬০। কিন্তু গত এক বছরে এই ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে তিন শতাধিক রোগী ভর্তি থাকে। স্থান সংকুলানের অভাবে শিশুদের মতো সংবেদনশীল রোগীদের হাসপাতালের বারান্দা, চলাচলের স্থান ও সিঁড়ির কোণে রাখা হচ্ছে।

বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসার জন্য এখানে মাত্র একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. সালাহউদ্দীন হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের দেখতে ছোটাছুটি করছেন। তিনি শিশু ওয়ার্ড থেকে হাম ও ডেঙ্গু ওয়ার্ডে, আবার সেখান থেকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে যাচ্ছেন। ইনডোরে সকালে রোগী দেখা শুরু করলেও দুপুর গড়িয়ে গেলেও শেষ হচ্ছে না। এদিকে, আইটডোরেও অসুস্থ শিশু নিয়ে অনেক অভিভাবক অপেক্ষা করছেন। অক্লান্ত পরিশ্রম করেও রোগীর অভিভাবকদের সন্তুষ্ট করতে পারছেন না চিকিৎসক। আবার রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে ব্যর্থ হয়ে ডাক্তার নিজেও অখুশি।

ডা. মো. সালাহউদ্দিন জানান, একজনের পক্ষে এত রোগীর সঠিক চিকিৎসা দেওয়া অসম্ভব। শিশুর অভিভাবকদের সব কথা শোনা সম্ভব হয় না। তবুও তিনি সামর্থ অনুযায়ী চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে শিশুরোগ চিকিৎসক না থাকায় জেলা সদরে সবসময় রোগীর চাপ বেশি থাকে। রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হলে ডাক্তারদের সংখ্যা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

গত সোমবার দুপুরে ঠান্ডায় আক্রান্ত ৯ মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে আনসার উদ্দিন দম্পতি ভোলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আসেন। আনসার উদ্দিন জানান, তার বাড়ির পাশে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। সেখানে শিশুরোগের চিকিৎসক না থাকায় তিনি প্রায় ৫০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ভোলা হাসপাতালে এসেছেন। কর্তৃপক্ষ ভর্তি করালেও কোনো বেড নেই এবং ডাক্তারের দেখা পাচ্ছেন না। তাই তার উৎকণ্ঠা কমছে না।

২০২২ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী, ভোলায় ০-১৪ বছর বয়সী মোট শিশুর সংখ্যা ৬ লাখ ৪১ হাজার। এর মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশু ৪ লাখ ২৭ হাজার। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে বর্তমানে ৫ বছরের নিচে শিশুর সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজার। এসব শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলা উপজেলার ৭টি হাসপাতালে মোট ৮ জন শিশু বিশেষজ্ঞের পদ রয়েছে। এর মধ্যে সদরে জেনারেল হাসপাতালে একজন সিনিয়র কনসালটেন্ট ও লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট আছেন। বাকি ৬টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসা না পেয়ে অসুস্থ শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা জেলা সদরের দিকে ছুটছেন।

সদর হাসপাতালের একমাত্র ডাক্তারের পক্ষে বিপুলসংখ্যক রোগীর কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব না হওয়ায় অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ। শিশু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিভাবকদের অভিযোগের শেষ নেই। মরজিনা বেগম, রিয়াজ উদ্দিন, রহমত আলীসহ অনেকের অভিযোগ, চিকিৎসক না থাকার কারণে শিশুরা চিকিৎসা বঞ্চিত হচ্ছে। শিশুর মা মনিরা বিবি বলেন, অসুস্থ শিশুকে ডাক্তার দেখানোর জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেছি। কিন্তু সেখানে ডাক্তার নেই। তাহলে আমরা কোথায় যাব? তার মতে, বেসরকারিভাবে চিকিৎসা করানোর সামর্থ তার নেই।

ডাক্তার সংকটের কারণে শিশুদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলে জানান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান। তিনি বলেন, একজন ডাক্তার দিয়ে তারা সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করছেন। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য জরুরি ভিত্তিতে শিশুরোগের চিকিৎসক প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ভোলা দ্বীপ এলাকা হওয়ায় জেলার সব রোগী সদর হাসপাতালে আসে।

সিভিল সাজন ডা. মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, জেলার ৭টি হাসপাতালে মোট ৮ জন শিশুরোগ চিকিৎসকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে সদর হাসপাতাল ও লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। বাকি ৬টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এতে শিশুদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। শূন্যপদে ডাক্তার নিয়োগের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

চিকিৎসক সংকট অন্যান্য বিভাগেও বিদ্যমান। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকের ৮৭টি পদের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৭ জন ডাক্তার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ দুই আশিক গ্রুপ সদস্য গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


খুলনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ দুই আশিক গ্রুপ সদস্য গ্রেফতার

খুলনায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬ একটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে।

বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী, গ্রেফতার হওয়া দুজন আশিক গ্রুপের সদস্য। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৩টা ৩৫ মিনিটে নগরীর সদর থানাধীন আহমাদিয়া মাদ্রাসা রোডের চানমারি শিপইয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন খুলনা সদর থানার চানমারি বাজার এলাকার সওগাতুল আলম ছগীরের ছেলে ছাহিল মাহমুদ (২৫) এবং অন্যজন লবণচরা থানার মোহাম্মদিয়া পাড়া এলাকার বারেক হাওলাদারের ছেলে শাহাদাত হোসেন শুভ (২৩)।

এসআরবি-৬ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহিনীর স্পেশাল কোম্পানির একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ছাহিল মাহমুদ ও শাহাদাত হোসেন শুভকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এসআরবির ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার হওয়া দুজন আশিক গ্রুপের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় জমি বিরোধে বৃদ্ধ মকবুল হোসেন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


গাইবান্ধায় জমি বিরোধে বৃদ্ধ মকবুল হোসেন নিহত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে মকবুল হোসেন (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ প্রতিপক্ষের মারপিট ও ধারালো হাঁসুয়ার আঘাতে নিহত হয়েছেন। পুলিশ এই ঘটনার পর নারীসহ ১৬ জনকে আটক করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মকবুল হোসেন ওই গ্রামের মৃত ফেলান উদ্দিনের পুত্র।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, ২২ শতাংশ আবাদি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মকবুল হোসেনের প্রতিবেশী শাহাবুদ্দিন মিয়ার পরিবারের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়টি আদালতে মামলার মাধ্যমে চলছে।

ঘটনার দিন সকালে ফজরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মকবুল হোসেন। পথে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। হামলায় মারপিট ও ধারালো হাঁসুয়ার কোপে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাদেরও বেধড়ক মারপিট করা হয়। হামলায় মকবুলের পরিবারের বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ১৬ জনকে আটক করে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামের মো. শাহাবুদ্দিন মিয়া (৬০), মো. নজরুল ইসলাম (৫০), মঞ্জু মিয়া (৪০), রেজাউল করিম (২৮), রাশেদুল ইসলাম (২৮), মো. মোকছেদুল ইসলাম (১৮), আবিল হোসেন (১৮), মিন্টু মিয়া (৩৫), মো. লিটন মিয়া (৩৫), মোছা. নিরফুল (৪০), কল্পনা বেগম (২৫), নুর ভানু (৪৫), শিল্পী বেগম (৩৫), মোছা. খোরশেদা বেগম (২৬), ফাতেমা বেগম (১৯) এবং শাবানা খাতুন (২২)।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজা জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধান রক্ষা করতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে প্রাণ গেল কৃষকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


ধান রক্ষা করতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে প্রাণ গেল কৃষকের

কক্সবাজারের রামুর ঈদগড়ে ফসলি জমির ধান রক্ষা করতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণের শিকার হয়ে আব্দুর রশিদ, যিনি খুইল্যা মিয়া নামেও পরিচিত, (৫৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু ঘটেছে।

এটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে, উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মইত্যাতলী এলাকায়।

ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন সিকদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যখন ধানখেতে বন্যহাতির একটি দল প্রবেশ করে, তখন সেগুলো তাড়াতে যান আব্দুর রশিদ। এই সময় হাতির আক্রমণে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

জসিম উদ্দিন সিকদার স্বজনদের উদ্ধৃত করে বলেন, প্রতিদিনের মতো সকালে কৃষিকাজে জমিতে গিয়েছিলেন আব্দুর রশিদ এবং তার শ্যালক। এ সময় পাশের বনের থেকে একটি দল বন্যহাতি ধানখেতে চলে আসে। হাতিগুলোকে তাড়াতে গিয়ে আব্দুর রশিদ আক্রমণের শিকার হন। তার শ্যালক পালিয়ে বাঁচলেও আব্দুর রশিদ পালাতে পারেননি। পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%