ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সুন্দরবনে জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার, অস্ত্র ও গুলি জব্দ


সুন্দরবনে জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার, অস্ত্র ও গুলি জব্দ

সুন্দরবনের কোস্ট গার্ডের পৃথক দুটি অভিযানে ডাকাতদের হাতে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত জেলেদের সঙ্গে অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) খুলনার কয়রা ও দাকোপ উপজেলা-সংলগ্ন সুন্দরবনে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন একই দিন বিকেলে এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।

মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে কয়রা থানাধীন সুন্দরবনের আড়শীপসা নদীর গানধার খাল এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে সাত্তার বাহিনী মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছিল। অভিযানে জিম্মি থাকা কয়রার পাঁচ জেলে জহুরুল ইসলাম (২৭), ফারুক গাজী (৪২), রেজাউল করিম (২৬), নুরুল হুদা (২৩) ও হাসান গাজীকে (২৭) উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে বরিশাল নগরীতে ডিবি পুলিশের আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান

অভিযানের সময় একটি ডিঙি নৌকা থেকে চারটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, ছয় রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ১৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যায়।

সাব্বির আলম সুজন আরো জানান, একই দিন সকাল ১১টার দিকে ডাকাতদের উপস্থিতির খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের আরেকটি দল দাকোপ থানাধীন সুন্দরবনের কুমড়োখালী খালসংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা সুন্দরবনের গহিনে পালিয়ে যায়।

পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা চারটি একনলা বন্দুক, একটি ০.২২ ক্যালিবার বন্দুক, ২০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ০.২২ ক্যালিবার বন্দুকের ৫২ রাউন্ড গুলি এবং দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: রংপুরে ৩৩ ওয়ার্ডে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রোগ্রামের উদ্বোধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‎তিন যুগেও নির্মিত হয়নি সেতু, প্রতিশ্রুতির ভারে নুয়ে পড়েছে সাহেবের চরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হোসেনপুর( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


‎তিন যুগেও নির্মিত হয়নি সেতু, প্রতিশ্রুতির ভারে নুয়ে পড়েছে সাহেবের চরবাসী
 
 
একটি ছোট সেতুর অভাবে তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাহেবের চর গ্রামের হাজীবাড়ী এলাকার হাজারো মানুষ। ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের হলেও আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি। জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি, সরকারি কর্মকর্তাদের মাপজোক এবং গণমাধ্যমে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশের পরও মেলেনি স্থায়ী সমাধান।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাহেবের চর হাজীবাড়ী প্রান্তের খালের ওপারে রয়েছে প্রায় ৫০০ একর আবাদি জমি। এসব জমিতে উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে প্রতিদিনই কৃষকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কোনো কোনো সময় বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়, আবার পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে বুকসমান পানি পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে কৃষকদের পাশাপাশি স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও পড়তে হয় চরম বিপাকে। পানিতে ভিজে নষ্ট হয় বই-খাতা ও পরনের পোশাক।
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল ওয়াদুদ বলেন, “এই খালের ওপর একটি সেতু আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা এই দুর্ভোগ সহ্য করছি। জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময়ে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন, কর্মকর্তারাও এসে মাপজোক করেছেন। কিন্তু বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। আমরা আর আশ্বাস চাই না, দ্রুত সেতু নির্মাণের উদ্যোগ দেখতে চাই।”
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দা শিমুল হাজী বলেন, “একটি সেতুর অভাবে আমাদের এলাকার কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল আনা-নেওয়া করতে অনেক কষ্ট করতে হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সেতু নির্মাণ করা হোক।”
‎
‎আরেক বাসিন্দা খলিল মিয়া বলেন, “নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা নানা প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু নির্বাচনের পর এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কথা অনেকেই ভুলে যান। বছরের পর বছর ধরে আমরা একটি সেতুর জন্য অপেক্ষা করছি। আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, সেটাই এখন আমাদের প্রশ্ন। কোনো দুর্ঘটনায় প্রাণহানির আগে সেতুটি নির্মাণ করা জরুরি।”
‎
‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। অথচ একটি সেতু নির্মিত হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
‎
‎এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর দাবি, সরেজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ এবং সেতু নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হোক।
‎
‎তিন যুগের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সাহেবের চর হাজীবাড়ী এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে একটি সেতু নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। প্রতিশ্রুতি নয়, এলাকাবাসী চান দৃশ্যমান বাস্তবায়ন।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৮০ জন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


শেরপুরে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৮০ জন আহত

শেরপুর সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পাগলা কুকুরের কামড়ে নারী, পুরুষ এবং শিশুসহ অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভাতশালা, লছমনপুর ও চরশেরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে শেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতাল এবং আহতদের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, পাগলা কুকুরটি বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়ানোর ঘটনা ঘটিয়েছে। এর ফলে অন্তত ৮০ জন আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে মামুন মিয়া (৩৫), আবুল হোসেন (৬০) এবং আইজউদ্দিন (৭০) রয়েছেন।

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মাহমুদুল হাসান সোহাগ দৈনিক ইনকিলাবকে জানিয়েছেন, কুকুরের কামড়ে আহতদের জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের কাছে পর্যাপ্ত টিকার মজুত রয়েছে। অন্য আহতরাও হাসপাতালে এলে তাঁদের প্রয়োজনীয় টিকা ও চিকিৎসা প্রদান করা হবে।

অন্যদিকে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, অবিলম্বে কুকুর নিধন কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাজেকের অবরোধে কৃষিপণ্য ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীবাহী যান চলাচলে ছাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


সাজেকের অবরোধে কৃষিপণ্য ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীবাহী যান চলাচলে ছাড়

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে চলমান অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে কৃষিপণ্য পরিবহণকারী যানবাহন এবং স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী যান চলাচলে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তটি সাজেকের দুটি সংগঠনের যৌথ সভায় গৃহীত হয়েছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এবং সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাজেকের পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে কৃষক ও কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পূর্বে অবরোধ চলাকালে যেসব যানবাহন চলাচলে ছাড় দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে নতুন করে কৃষিপণ্য পরিবহণকারী এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীবাহী যানবাহনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তবে, সাজেকবাসীর পাঁচ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। যৌথ সভায় উপস্থিত সকল সদস্য এই সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবায় মানুষের আস্থা অর্জন ডা. আমীর হামজার, রেনু বেগমের মৃত্যু ঘিরে সামনে আসলো প্রকৃত ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবায় মানুষের আস্থা অর্জন ডা. আমীর হামজার, রেনু বেগমের মৃত্যু ঘিরে সামনে আসলো প্রকৃত ঘটনা

দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প খরচে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন চিকিৎসক আমীর হামজা, এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয়দের অনেকে। সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কারণে এলাকায় তাঁর পরিচিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে রেনু বেগমের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় চিকিৎসকের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের সেবামূলক কার্যক্রম এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি সামনে আনা জরুরি হয়ে উঠেছে।

দীর্ঘদিনের চিকিৎসাসেবা, সাধারণ মানুষের পাশে ডা. আমীর হামজা

চিকিৎসা মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা পাওয়া অনেক সময় বড় চ্যালেঞ্জ। এমন বাস্তবতায় ডা. আমীর হামজা দীর্ঘদিন ধরে অল্প খরচে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন অস্ত্রোপচার করে আসছেন বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাব্যয় কমাতে তাঁর এই ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।

একজন চিকিৎসকের পেশাগত মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর চিকিৎসাসেবা, রোগীদের অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার বাস্তব চিত্র,সবকিছুই বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। একটি মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের চিকিৎসাসেবার সামগ্রিক মূল্যায়ন যেন একপাক্ষিক না হয়ে পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

রেনু বেগমের চিকিৎসা ও পরবর্তী ঘটনা

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের উত্তর হলতা গ্রামের বাসিন্দা দুলাল মিয়ার স্ত্রী রেনু বেগম (৪৫) জরায়ুর টিউমারের চিকিৎসার জন্য গত ১০ অক্টোবর বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা বাজারে ডা. আমীর হামজার চেম্বারে যান। চিকিৎসকের পরামর্শে পরদিন তিনি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হন। পরে তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়।

অস্ত্রোপচারের পর কয়েক দিন কোন সমস্যা ছিল না রেনু বেগমের। এরপর হটাৎ বুকে ব্যথা হয় সাথে হালকা শ্বাসকষ্ট হলে ডিউটি ডাক্তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে হার্টে সমস্যা মনে করলে তৎখনাত তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ২০ অক্টোবর হার্টের ইউনিটে ভর্তি হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।


অস্ত্রোপচার-পরবর্তী চিকিৎসা নিয়ে ডা. আমীর হামজার বক্তব্য।

ডা. আমীর হামজার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি রেনু বেগমের অস্ত্রোপচার ভালোভাবে সম্পন্ন করেন। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর নিয়মিত পরিচর্যা ও পরবর্তী চিকিৎসার দায়িত্ব ছিল কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের। ক্লিনিকের আবাসিক ডাক্তার প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁর কাছ থেকে মুঠোফোনে চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শও নিয়েছিলেন বলে তিনি জানিয়েছেন।


প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ তথ্য

এজন্য রেনু বেগমের মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে অস্ত্রোপচারের নথি, রোগীর শারীরিক পরীক্ষার প্রতিবেদন, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসার তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ( যেখানে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা আছে হার্ট এট্যাকের কথা)। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

চিকিৎসাসেবা একটি দায়িত্বশীল পেশা। কোনো চিকিৎসককে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অনুমান বা অসম্পূর্ণ তথ্যের পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা-নথি ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করাই যুক্তিযুক্ত। এতে যেমন চিকিৎসকের পেশাগত অবস্থান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়, তেমনি মৃত রোগীর পরিবারেরও প্রকৃত ঘটনা জানার সুযোগ তৈরি হয়।

মানবিক চিকিৎসাসেবা ও ন্যায়সংগত মূল্যায়ন,দুটিই গুরুত্বপূর্ণ!

স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ডা. আমীর হামজার দীর্ঘদিনের এমন সেবার বিষয়টি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও চিকিৎসা প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপও স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

একটি মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় আবেগের পাশাপাশি প্রয়োজন তথ্য, চিকিৎসা-নথি ও বাস্তবতার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন। ডা. আমীর হামজার চিকিৎসাসেবা এবং রেনু বেগমের চিকিৎসার পুরো ঘটনাপ্রবাহ, দুটিই যথাযথভাবে তুলে ধরার মাধ্যমে সাধারণ জনমনে যে প্রশ্ন সেটি উন্মোচিত হয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%