ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে আলোচনা


আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশ ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বো‌য়ে‌সেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার অনুষ্ঠিত এই সভায় বো‌য়ে‌সেল ও আইওএম বাংলাদেশের মধ্যে অভিবাসন খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিশেষ করে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান কার্যক্রমের সার্বিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে আইওএম কীভাবে বো‌য়ে‌সেলকে সহযোগিতা করতে পারে, সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন: ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

এছাড়া, বাংলাদেশের অভিবাসন কার্যক্রমকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করার উপায়, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের জন্য উন্নত সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বাংলাদেশে শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও নিরাপদ করতে বো‌য়ে‌সেল ও আইওএমের মধ্যে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা এবং যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে আর্থিক সহায়তা পেলেন ১৩ অসচ্ছল ব্যক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


বাগেরহাটে আর্থিক সহায়তা পেলেন ১৩ অসচ্ছল ব্যক্তি

বাগেরহাট, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ১৩ জন অসহায় ও অসচ্ছল রোগীকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

জেলা পরিষদের উদ্যোগে আজ রোববার বেলা ১১টায় জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন সুবিধাভোগীদের হাতে এ আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থের অভাবে যাতে কোনো অসহায় রোগীর চিকিৎসা ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে জেলা পরিষদ আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এ কারণে সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে ১৩ জন অসচ্ছল রোগীকে সহায়তা দেয়া হলেও এটি একটি চলমান উদ্যোগ। আগামীতে প্রকৃত অর্থে যারা চিকিৎসা সহায়তা পাওয়ার যোগ্য, তাদের চিহ্নিত করে সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু রিয়াদ, সহকারী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. শহীদুল আলম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ মো. আবু সাঈদ শুনু, সহ-সভাপতি এসএম রাজ, নির্বাহী সদস্য সোহেল রানা বাবু এবং জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

জেলা পরিষদ প্রশাসক সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমাজের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রকৃত অসহায় ও চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন এমন মানুষের তথ্য লেখনীর মাধ্যমে জেলা পরিষদ প্রশাসনের নজরে আনতে হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে সহায়তা পৌঁছে দেয়া সহজ হবে।

জেলা পরিষদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন, চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাওয়া অসচ্ছল মানুষের জন্য এ ধরনের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করে সহায়তার পরিধি আরও বাড়ানো গেলে জেলার দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিতর্কের পালে নতুন হাওয়া

মুছে ফেলা পোস্টে ট্রাম্পের প্রতি নাটালি হার্পের উগ্র আনুগত্যের প্রমাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


মুছে ফেলা পোস্টে ট্রাম্পের প্রতি নাটালি হার্পের উগ্র আনুগত্যের প্রমাণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী নাটালি হার্প ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি, ক্যাপিটল হিলে হামলার দিন, ট্রাম্পের প্রতি তাঁর গভীর আনুগত্যের প্রকাশ ঘটিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৫০টিরও বেশি পোস্ট করেছিলেন।

হার্প তার পোস্টগুলোতে ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থকদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ট্রাম্পকে পরাজিত করা হয়েছে- এই মিথ্যা দাবিও প্রচার করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের পর্যালোচনায় হার্পের বর্তমানে মুছে ফেলা এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টের এসব পোস্টের তথ্য উঠে এসেছে। এখন তার অ্যাকাউন্টটি স্থগিত রয়েছে। তবে কখন এবং কীভাবে এই অ্যাকাউন্টটি সরানো হয়েছে- তা পরিষ্কার নয়, হার্প নিজে নাকি প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষ পোস্টগুলো সরিয়েছে।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে তার প্রতি আনুগত্যের জন্য পরিচিত। কিন্তু ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির পোস্টগুলোতে হার্পের আনুগত্যের যে প্রকাশ দেখা যায়, তা খুব স্পষ্ট ও প্রকাশ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাক্রন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডেভিড বি. কোহেন, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ও রাজনীতি নিয়ে গবেষণা করেন, বলেন, হার্প ট্রাম্পের প্রতি ‘সম্পূর্ণ অনুগত’ এবং ‘তোষামোদকারী’ উপদেষ্টা ও কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। কোহেনের মতে, ট্রাম্প এমন ব্যক্তিদের পছন্দ করেন, যারা তাকে প্রশ্ন না করে বরং শ্রদ্ধা ও আনুগত্য দেখান।

হার্প কিংবা হোয়াইট হাউস- কেউই এ বিষয়ে সিএনএনের মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি সকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পের সমর্থকেরা জড়ো হতে শুরু করলে হার্প তাদের ‘দেশপ্রেমিক’ হিসেবে অভিহিত করেন। সে সময় হার্প ছিল ২৯ বছর বয়সী, ওয়ান আমেরিকা নিউজ নেটওয়ার্কের উপস্থাপক এবং তার টুইটার বায়োতে নিজেকে ট্রাম্পের ‘অ্যাডভাইজরি বোর্ড’-এর সদস্য বলে উল্লেখ করেছিলেন।

হার্প ট্রাম্পের পরিবারের সদস্যদের পোস্টও নিজের অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে দেন। প্রতি পোস্টে বলা হচ্ছিল, “এই আন্দোলন কখনও, কোনও সময় শেষ হবে না এবং এই লড়াই মাত্র শুরু হয়েছে।”

হার্প, ট্রাম্পের ভাষণ শুনতে জড়ো হওয়া সমর্থকদের প্রশংসা করে আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে তাদের ‘সাহস ও আবেগের সামান্য অংশ’ দেখানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি লেখেন, “আজ আমরা চুরি বন্ধ করব- যা ২০২০ সালের নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ট্রাম্পের কাছ থেকে জয় ‘চুরি’ করা হয়েছে- এই ভিত্তিহীন দাবিরই প্রতিফলন।”

হার্প রুডি জুলিয়ানির একটি বক্তব্যও প্রচার করেন। জুলিয়ানির বক্তব্য ছিল, “চলুন, যুদ্ধের মাধ্যমে বিচার হোক।” পরে জুলিয়ানির আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, বক্তব্যটি অতিরঞ্জিত বা রূপক অর্থে বলা, সহিংসতার আহ্বান হিসেবে নয়।

হার্প, যখন ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের কাছে সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ শুরু করেন, তখন একটি পোস্টে বহুবার লেখেন, “ট্রাম্পের জন্য লড়াই করুন!” এরপর তিনি লেখেন, “আজ ওয়াশিংটন ডিসি ট্রাম্পের দেশ।”

ট্রাম্পের বক্তব্য সরাসরি প্রচার করতে থাকেন এবং তার পোস্টে উঠে আসে- “আমরা কখনও হাল ছাড়ব না। আমরা কখনও মেনে নেব না।” এর কিছুক্ষণ পরই ট্রাম্প-সমর্থকদের একটি দল মার্কিন ক্যাপিটলে ঢুকে পড়ে। কংগ্রেসের অধিবেশন চলাকালে হামলা ও তাণ্ডব শুরু হলে হার্প এমন পোস্টও শেয়ার করেন, যেখানে দাবি করা হয়, হামলাকারীরা ট্রাম্পের সমর্থক নয়। তিনি মিথ্যা দাবি ছড়ান যে, বামপন্থী সংগঠন অ্যান্টিফা’র সদস্যরা ওই জনতার মধ্যে ঢুকে পড়েছিল।

পরে অবশ্য হার্প ট্রাম্পের সেই আহ্বানও প্রচার করেন, যেখানে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট তার সমর্থকদের ক্যাপিটল ছেড়ে বাড়ি ফিরে যেতে বলেছিলেন। ক্যাপিটল হামলার পরেও হার্প জুলিয়ানির বক্তব্য প্রচার করেন। উদ্ধৃত করে লিখেন, এই বাধার ফলে ‘আরও কয়েকটি বিকল্প’ তৈরি হয়েছে এবং ট্রাম্পের আইনজীবীরা কীভাবে সেসব বিকল্প কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে কাজ করছেন।

এরপর অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট গণনায় আপত্তি জানানো রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের প্রস্তাব representante পরিস্থিতিতে প্রত্যাখ্যাত হলে হার্প লেখেন, “আমেরিকা হয়তো আর আমেরিকা নেই। কিন্তু ঈশ্বর এখনও ঈশ্বর। বিশ্বাস করা বন্ধ করবেন না!”

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আপত্তি অব্যাহত রাখা আইনপ্রণেতাদেরও হার্প প্রকাশ্যে প্রশংসা করেন। রিপাবলিকান প্রতিনিধি জোডি হাইসকে তিনি ‘নিজের কথা ও সংবিধানের প্রতি অবিচল’ বলে প্রশংসা করেন। মার্জরি টেলর গ্রিনের ‘সাহসের’ প্রশংসা করেন এবং জশ হাওলিকে ‘সত্যিকারের দেশপ্রেমিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, তিনি সংবিধানের প্রতি তার দায়িত্ব পালনের পথ থেকে ভয় দেখিয়ে সরানো যায়নি।

অ্যারিজোনার ইলেক্টোরাল ভোটের আপত্তি বহাল রাখার পক্ষে ভোট দেওয়া ছয় রিপাবলিকান সিনেটর—টেড ক্রুজ, জশ হাওলি, সিন্ডি হাইড-স্মিথ, জন কেনেডি, রজার মার্শাল ও টমি টিউবারভিলকেও হার্প ‘দেশপ্রেমিক’ বলে অভিহিত করেন। তাদের সম্পর্কে তিনি লেখেন, তারা ‘প্রিয় দেশ ও প্রেসিডেন্টের’ জন্য লড়াইয়ে পিছপা হননি।

ট্রাম্পের নির্বাচনী পরাজয় মেনে না নেওয়ার প্রচারণায় হার্পের সক্রিয়তা ৬ জানুয়ারির দিনেই শুরু হয়নি। সিএনএনের পর্যালোচনা অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির আগের কয়েক সপ্তাহেও তিনি তার অনুসারীদের উদ্দেশে লিখেছিলেন, “আমরা কখনও হাল ছাড়ব না- কারণ সত্য আমাদের পক্ষে। ৬ জানুয়ারি আসছে!”

২০২০ সালের নির্বাচনের ফল ঘোষণার কয়েক দিন পর তিনি লিখেছিলেন, “আমরা তোমাকে ভালোবাসি!... ৭ কোটি ১০ লাখ।” ১৪ ডিসেম্বর জো বাইডেনের বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর হার্প লিখেছিলেন, “এটা একটি অভ্যুত্থান।” পরদিন, ট্রাম্প যখন প্রকাশ্যে স্বীকার করেন যে নতুন একটি প্রশাসন দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে, হার্প তার সেই বক্তব্যও শেয়ার করেন- “আমাদের অবিশ্বাস্য যাত্রা মাত্র শুরু হয়েছে।”

এর মাত্র ১৪ মিনিট পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে হার্প লেখেন, “আমরা আপনাকে ভালোবাসি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প!” ২০১৬ সাল থেকেই ট্রাম্পের প্রতি হার্পের আনুগত্য। সিএনএনের পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, ট্রাম্পের প্রতি হার্পের প্রকাশ্য আনুগত্য অন্তত ২০১৬ সাল পর্যন্ত পুরোনো। ওই সময় থেকেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পকে নিয়ে নিয়মিত পোস্ট করতে শুরু করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০১৯ সালে ট্রাম্প অভিশংসনের মুখে পড়ার দিনও হার্প বাইবেলের উদ্ধৃতি ব্যবহার করে তাকে সমর্থন করেছিলেন। সেসময় তিনি এমন ভাষায় পোস্ট করেন, যার অর্থ দাঁড়ায়— “হে আমার ঈশ্বর, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে ন্যায়বিচার করুন এবং অবিশ্বস্ত জাতির বিরুদ্ধে তার পক্ষ নিন।” অন্য একটি পোস্টে তিনি বাইবেলের ভাষা ব্যবহার করে লেখেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প, তোমার কথা স্মরণ করলেই আমি আমার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই।”

হার্প ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছেন। এতদিন তিনি মূলত আড়ালেই ছিলেন। তবে চলতি সপ্তাহে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ ট্রাম্পের সমালোচনা করে দেওয়া এক বক্তব্যে হার্পের নাম উল্লেখ করার পর তিনি নতুন করে আলোচনায় আসেন।

এরপর বৃহস্পতিবার ডেইলি বিস্ট হার্পের লেখা বলে দাবি করা দুটি চিঠি প্রকাশ করে। ওই চিঠিগুলোতে ট্রাম্পের প্রতি তার অত্যন্ত গভীর আনুগত্যের প্রকাশ পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। হার্পের মুছে ফেলা পোস্টগুলো এখন প্রকাশ্যে না থাকলেও সিএনএনের পর্যালোচনায় উঠে আসা তথ্যগুলো দেখাচ্ছে, ট্রাম্পের প্রতি তার রাজনৈতিক আনুগত্য সাম্প্রতিক নয়। বরং ২০১৬ সাল থেকে শুরু করে ২০২০ সালের নির্বাচনের পর এবং শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলার দিন পর্যন্ত তার প্রকাশ্য অবস্থানে ট্রাম্পের প্রতি একই ধরনের অটল সমর্থনের ধারাবাহিকতা ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বম্ভরপুরে মাদকবিরোধী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিক শাহনূর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গুরুতর আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​জেলা প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


বিশ্বম্ভরপুরে মাদকবিরোধী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিক শাহনূর আলমের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গুরুতর আহত

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আন্দোলন এবং সামাজিক মাধ্যমে সচেতনতামূলক ভিডিও (কনটেন্ট) তৈরির কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও স্থানীয় সংবাদকর্মী শাহনূর আলমের ওপর একটি বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২১ আগস্ট শুক্রবার রাতে আনুমানিক ৮টার দিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসের সামনে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়। এ তথ্য জানিয়েছেন আহত ভুক্তভোগী শাহনূর আলম।

আহত শাহনূর আলম জানান, শুক্রবার রাতে তিনি মোটরসাইকেলযোগে সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে নিজের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। যখন তিনি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসের সামনে পৌঁছান, তখন গাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাঁর ওপর অতর্কিতে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় তিনি চলন্ত মোটরসাইকেলসহ সড়কে লুটিয়ে পড়েন।

পরে সন্ত্রাসীরা তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার চেষ্টা করা হয় এবং রড দিয়ে কোমর ও হাঁটুতে বেধড়ক পিটিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়।

হামলা শেষে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগী পিছন থেকে একটি হামলাকারীর গেঞ্জি চেপে ধরেন এবং তাঁকে শনাক্ত করতে সক্ষম হন। চিহ্নিত ওই হামলাকারী এলাকাভিত্তিক চিহ্নিত মাদক কারবারি শাহরিয়ার হিসেবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সাংবাদিক শাহনূর আলম বলেন, "আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি সচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি করে আসছি। এর জেরে চিহ্নিত মাদক কারবারিরা আমাকে বেশ কিছুদিন ধরে ভিডিও তৈরি বন্ধ করার জন্য হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। তাঁদের হুমকিতে নতিস্বীকার না করায় পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে।"

বর্তমানে আহত অবস্থায় তিনি সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় আইনগত ব্যবস্থা ও মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ উল্লাহ ভূঁইয়া কিরণ জানান, এমন একটি ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেট্রোরেলের নিচে সতর্কীকরণ সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কি না, জানতে চাইলেন হাইকোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


মেট্রোরেলের নিচে সতর্কীকরণ সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কি না, জানতে চাইলেন হাইকোর্ট

মেট্রোরেলের নিচে নিরাপত্তার জন্য সতর্কীকরণমূলক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে কিনা, এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি, এ সংক্রান্ত সতর্কীকরণ টিমের কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত হতে চাইছে আদালত।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে মেট্রোরেলের নিচে নিরাপত্তা ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট টিমের কার্যক্রমের অগ্রগতি জানিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেছেন অ্যাডভোকেট মো. তানভীর আহমেদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%