প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাগেরহাট, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ১৩ জন অসহায় ও অসচ্ছল রোগীকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
জেলা পরিষদের উদ্যোগে আজ রোববার বেলা ১১টায় জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা পরিষদ প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন সুবিধাভোগীদের হাতে এ আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অসচ্ছল মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থের অভাবে যাতে কোনো অসহায় রোগীর চিকিৎসা ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে জেলা পরিষদ আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এ কারণে সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে ১৩ জন অসচ্ছল রোগীকে সহায়তা দেয়া হলেও এটি একটি চলমান উদ্যোগ। আগামীতে প্রকৃত অর্থে যারা চিকিৎসা সহায়তা পাওয়ার যোগ্য, তাদের চিহ্নিত করে সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু রিয়াদ, সহকারী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. শহীদুল আলম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ মো. আবু সাঈদ শুনু, সহ-সভাপতি এসএম রাজ, নির্বাহী সদস্য সোহেল রানা বাবু এবং জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
জেলা পরিষদ প্রশাসক সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমাজের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রকৃত অসহায় ও চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন এমন মানুষের তথ্য লেখনীর মাধ্যমে জেলা পরিষদ প্রশাসনের নজরে আনতে হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে সহায়তা পৌঁছে দেয়া সহজ হবে।
জেলা পরিষদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন, চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাওয়া অসচ্ছল মানুষের জন্য এ ধরনের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃত সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করে সহায়তার পরিধি আরও বাড়ানো গেলে জেলার দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন