ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সরকারি রাস্তা দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ, বিপাকে জমির মালিক ফেরদৌসী বেগম; নীরব ভূমি অফিস


সরকারি রাস্তা দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ, বিপাকে জমির মালিক ফেরদৌসী বেগম; নীরব ভূমি অফিস
 
নাটোর সদর উপজেলার ধরাইল ইউনিয়নের ধরাইল এলাকায় সরকারি রাস্তা ও জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখল করে পাকা বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে রাস্তা সংলগ্ন জমির মালিক ফেরদৌসী বেগমসহ স্থানীয়রা ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি নাটোর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
 
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধরাইল মৌজার ২৩৫ নম্বর খতিয়ানের ৩৪০ নম্বর দাগে থাকা সরকারি রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এ পথ দিয়ে স্থানীয় কৃষকরা গরু-মহিষের গাড়িতে ফসল আনা-নেওয়া এবং পায়ে হেঁটে যাতায়াত করেন।
 
অভিযোগকারী ফেরদৌসী বেগমের দাবি, তাঁর জমির পাশ দিয়ে থাকা সরকারি রাস্তার অংশ দখল করে বাড়ি নির্মাণ করায় তাঁর জমিতে চলাচল ও স্বাভাবিক ব্যবহারে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে রাস্তার আশপাশের ৩৩৫, ৩৩৬, ৩৩৭, ৩৩৮ ও ৩৩৯ নম্বর দাগেও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
 
ফেরদৌসী বেগম বলেন, “সরকারি রাস্তা দখল করে বাড়ি নির্মাণের কারণে আমি চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। রাস্তা সংলগ্ন আমার জমি নিয়ে নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। আমি চাই, সরকারি রাস্তার সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে অবৈধ দখল থাকলে তা উচ্ছেদ করা হোক এবং আমার জমির স্বাভাবিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক।”
 
এ ঘটনায় মোছাঃ আকলিমা বেগম বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর আবেদন করেন। পরে বিষয়টির সমাধান না হওয়ায় নাটোর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি ৭(২) পি/২৬ নম্বরে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১৪৪/১৪৫ ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
 
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি রাস্তা দখলের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে জানানো হলেও দীর্ঘদিনেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি রাস্তার প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে দখল হয়ে থাকলে তা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
 
এ বিষয়ে নাটোর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরাদ হোসেন বলেন, “সরকারি রাস্তায় বসতবাড়ি নির্মাণ করার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি এবং দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করছি।”
 
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবি, দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে সরকারি রাস্তার সঠিক সীমানা নির্ধারণ, অবৈধ দখল থাকলে তা উচ্ছেদ এবং জনসাধারণের চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কাউট আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছে: হুইপ দুলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


স্কাউট আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছে: হুইপ দুলু

জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর -২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মন্তব্য করেছেন যে, স্কাউট আন্দোলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, তারা নিজেদের এবং পরিবেশকে সুন্দর করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এই শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ, এবং আগামীতে তারা দেশের নেতৃত্বে আসীন হবে।

হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু আরও বলেন, অস্থির পৃথিবীতে সারা বিশ্বের ৬ কোটি স্কাউট সদস্য মানবতার সেবায় নিরলসভাবে নিয়োজিত রয়েছে। তাদের এই অসামান্য অবদান ভবিষ্যতে ব্যাপকভাবে মূল্যায়িত হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

হুইপ দুলু শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর বারোটায় নাটোর রাণী ভবানী রাজবাড়ী চত্বরে বাংলাদেশ স্কাউটসের ৬ দিন ব্যাপী সপ্তম আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

এবারের ক্যাম্পুরীর প্রতিপাদ্য বিষয় হলো 'আজকের কাব আগামীর নেতৃত্ব'।

রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক এবং রাজশাহী আঞ্চলিক স্কাউটসের আঞ্চলিক পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কাব সদস্যদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করেন। কাব সদস্যদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অতিথিদের মুগ্ধ করে।

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা ও একটি মেট্রোপলিটনসহ মোট ২৬০টি ইউনিটের কাব স্কাউট, ইউনিট লিডার, স্বেচ্ছাসেবক এবং কর্মকর্তা সহযোগে দুই হাজার ২০০ জন এই ক্যাম্পুরীতে অংশগ্রহণ করছেন। ক্যাম্পুরী আগামী ৪ঠা নভেম্বর শেষ হবে।

শিশুদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃংখলা, সৃজনশীলতা, আত্ননির্ভরশীলতা ও সেবার মানসিকতা বিকাশের লক্ষ্যে ক্যাম্পুরীতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার কমে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের অর্ধেকেরও বেশি অকৃতকার্য হয়েছে। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে অটোপাসের পর এটিই বোর্ডের সর্বনিম্ন পাসের হার। তবে সামগ্রিক ফলাফল খারাপ হলেও পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি, উভয় ক্ষেত্রেই ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন।
বোর্ডের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জন। পাস করেছে মাত্র ৬১ হাজার ৮৯৪ জন। সে হিসাবে অকৃতকার্য হয়েছে ৭৫ হাজার ৪৬২ জন শিক্ষার্থী।
রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলে দেখা যায়, ছেলেদের পাসের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যদিকে মেয়েদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ।
এ বছর বোর্ডে মোট ৪ হাজার ৫২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৯৬৫ জন এবং মেয়ে ২ হাজার ৫৫৫ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও ছেলেদের তুলনায় ৫৯০ জন এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন জানান, পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এ বছর বিভাগের আট জেলায় মাত্র ৯টি কলেজের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। বিপরীতে ৩৯টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
বোর্ডের গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২০ সালে শতভাগ পাসের পর ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশে। ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ছিল ৮১ দশমিক ২৪ শতাংশ। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে পাসের হার আরও কমে দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশে। এবার তা কমে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে নেমেছে।
ফলাফলের বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, শিক্ষার্থীরা খাতায় যেমন লিখেছে, সেভাবেই নম্বর পেয়েছে। কাউকে বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়নি। তাই সামগ্রিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।
এদিকে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ৩৯টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি শিক্ষার মান ও ফলাফল পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।#

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্ধত্ব জয় করে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেলেন মৌমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


অন্ধত্ব জয় করে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেলেন মৌমি

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতার কারণে তাহমিনা আক্তার মৌমিকে পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে তার ইচ্ছাশক্তি কোনো প্রতিবন্ধকতাকেই দমাতে পারেনি। মনের দৃঢ়তা ও অদম্য অধ্যবসায়কে সাথে নিয়ে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন।

সিলেট সরকারি মদন মোহন কলেজের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর গ্রামের আব্দুল আহাদের কন্যা।

বর্তমানে মৌমি সিলেটে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করা ‘গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন’ (জিডিএফ)-এর আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

মৌমির এই অসাধারণ অর্জনে জিডিএফর নির্বাহী পরিচালক বায়েজিদ আহমদ খান মন্তব্য করেন, মৌমি প্রথম শ্রেণি থেকেই তাদের আবাসিক শিক্ষার্থী। তার ধারাবাহিক সাফল্যে তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

বায়েজিদ আহমদ খান বলেন, "শারীরিক সীমাবদ্ধতা যে মেধার বিকাশ ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মানতে বাধ্য, মৌমি তা আবারও প্রমাণ করেছেন।" তিনি আরও বলেন, অদম্য এই তরুণী শুধু নিজের ও পরিবারের মুখই উজ্জ্বল করেননি, বরং সমাজের সব বাধা পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বামীকে পুনরায় বিয়ে করতে বলায় ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ দিলেন নারী ও তার ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


স্বামীকে পুনরায় বিয়ে করতে বলায় ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ দিলেন নারী ও তার ছেলে

ভারতের মহারাষ্ট্রের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে একটি আবাসিক ভবনের ১৮ তলা থেকে পড়ে ৩৩ বছর বয়সী এক নারী এবং তার ছয় বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানিয়েছে, ওই নারীর বাসা থেকে সাত থেকে আট পৃষ্ঠার একটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। চিঠিতে তার মৃত্যুর পর স্বামীকে নতুন করে জীবন শুরু করতে এবং বিয়ে করতে বলা হয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই নারীর নাম একতা বানগাড় এবং তার ছেলে মাধব। তারা সিগনেচার পার্কের একটি আবাসিক এলাকায় একতার স্বামী মনোজ বানগাড়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। মনোজ পুনের একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একতা তার ছেলেকে নিয়ে ভবনটির ১৮ তলায় যান। পরে সেখানকার করিডর থেকে একটি ডাক্টে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, একতা কয়েক বছর ধরে মেরুদণ্ডের সমস্যায় ভুগছিলেন। তার বাসা থেকে উদ্ধার করা সাত থেকে আট পৃষ্ঠার চিঠিতে স্বামীর প্রতি অনুভূতি প্রকাশের পাশাপাশি মৃত্যুর পর তাঁকে নতুন করে জীবন শুরু করতে এবং বিয়ে করার কথা বলা হয়েছে।

চিঠিতে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন একতা। মায়ের অনুপস্থিতি ছেলেকে কীভাবে প্রভাবিত করবে, সে বিষয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ছেলেকে সঙ্গে নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে মাকে হারানোর পর তার বারবার মায়ের কথা জানতে চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চিঠির বক্তব্য এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে চিঠিতে উল্লেখ করা বিষয়গুলো নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%