ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বর্তমান সরকার জাতির ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে: জামায়াত আমির


বর্তমান সরকার জাতির ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে: জামায়াত আমির

বর্তমান সরকার জাতির ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অবিলম্বে জনগণের সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। দাবি না মানলে তা একদফায় রূপ নেবে এবং দেশের স্বার্থে সেই ডাক দিতে বাধ্য হবেন বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।

শনিবার মধ্যরাতে কুষ্টিয়া শহরের শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে ১১দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "কুষ্টিয়াবাসী আপনারা বিকেল থেকে শুরু করে এই গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন। রাত ১২টা বাজতে চলল; আর এর আগেই বর্তমান সরকার জাতির ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে। আমরা আপনাদের দাবি নিয়ে সামনে হাজির হয়েছি। ১১ দলের নিজস্ব কোনো দাবি নেই, আমরা যে সাত দফা নিয়ে মাঠে নেমেছি, তার সবই এ দেশের সাধারণ মানুষের দাবি।"

আরও পড়ুন: গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানির অভিযোগে ছাত্রলীগ-শ্রমিক লীগের ৩০ নেতাকর্মী গ্রেফতার

বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, "১৪ শতাধিক সন্তানের তাজা রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত যে নতুন বাংলাদেশ অর্জিত হয়েছিল, এই সরকার তা লালন করছে না।" একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটকে অবৈধ আর সংসদ নির্বাচনকে বৈধ বলা চরম প্রবঞ্চনা বলেও তিনি মন্তব্য করেন। রাজনীতির নোংরা ধারা মাটির নিচে চাপা দিয়ে বৈষম্যহীন ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়াই ছিল শহীদদের মূল আকাঙ্ক্ষা।

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন দখল করে সরকার জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করছে উল্লেখ করে তিনি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "ইতিহাস সাক্ষী, যখনই জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করা হয়েছে, তখনই সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীকে করুণ পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে। ভালোয় ভালোয় জনগণের সাত দফা মেনে নিন, তা না হলে আন্দোলন একদফায় রূপ নেবে।"

সমাবেশে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির খন্দকার এ কে এম আলী মুহসীনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, চাকসুর ভিপি মো. ইব্রাহীম হোসেন (রনি), ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, এনসিপির মিডিয়া সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত এবং সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদসহ জোটের শীর্ষ নেতারা।

সমাবেশে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা ও কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ঢাবির জগন্নাথ হল থেকে ছাত্রলীগ নেতা অর্ক সাহা আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হবো: জামায়াত আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ এম


সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হবো: জামায়াত আমির

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, "গণভোট অবৈধ হলে সরকারও অবৈধ।" তিনি উল্লেখ করেছেন, "আমরা গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবি নিয়ে আসছি।" এসব দাবি না মানলে তা ১ দফায় পরিণত হবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, "জাতির সঙ্গে এই দ্বিচারিতা এবং বেঈমানীর জন্য তাদেরকে চরমমূল্য দিতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আমরা আঙুল বাঁকা করতে বাধ্য হবো।"

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের শেষে সমাপনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং বাজার সিন্ডিকেট বিলোপসহ ৭ দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের আয়োজনে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৫টায় আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে রাত সাড়ে ১১টায় ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে আসা সহস্রাধিক গাড়ির বহর উপস্থিত হয়। এ সময় আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম ছাড়িয়ে পুরো কুষ্টিয়া শহর জনসমুদ্রে পরিণত হয়ে যায়।

কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ খন্দকার একেএম আলী মহসিনের সভাপতিত্বে সমাপনী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদ, আরিফুল ইসলাম আদিব, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তফিজুর রহমান ইরান, জাগপা সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের সহ-সভাপতি মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন এবং নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মুফতি আমির হামযা এমপি প্রমুখ।

জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, "একদলকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য দেড় হাজার মানুষ জীবন দেয়নি।" তিনি উল্লেখ করেন, "তারা চেয়েছিলেন একটি পরিবর্তন। যে সংবিধান শাসকদের ফ্যাসিস্ট বানায় তার পরিবর্তন করে এমন রাষ্ট্র কাঠামো দাড় করানো যাতে কেউ আর স্বৈরাচার হবে না কতৃত্ববাদি হবে না।"

তিনি বলেন, "কিন্তু ক্ষমতায় এসে তারা একটা ভোট মানলেন আরেকটা মানলেন না। রাষ্ট্রপতির একই আদেশে ২টি ভোট হলো একটি বৈধ হলে আরেকটিও বৈধ। আর অবৈধ হলে ২টিই অবৈধ।" সুতরাং, তিনি মন্তব্য করেন, "গণভোট অবৈধ হলে সরকারও অবৈধ।"

তিনি আরও বলেন, "জনগন যে ম্যান্ডেট দিয়েছে তা ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন হবে। আর আমরা সেটা বাস্তবায়ন করেই ঘরে ফিরব।"

জামায়াত আমির বলেন, "৭ দফা দাবি না মানলে এক দফা দাবিতে আগামীতে আপনাদেরকে ঢাকায় ডাকা হতে পারে।" তিনি সকলকে প্রস্তুত থাকতে আহবান জানিয়ে বলেন, "আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব অপেক্ষা করছে। তার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।"

এ সময় ডা. শফিকুর রহমান জোটের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, "গণভোটের কাঙ্খিত রায় অবিলম্বে কার্যকর ও বাস্তবায়ন করতে হবে।" এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, "জুলাই গণহত্যার দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, "তেল, সার, বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে এনে বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে।" তিনি চাঁদাবাজি, দুর্নীত, দখলদারি ও স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার চিরতরে অবসান ঘটাতে হবে বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়ন সাধন করে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবজাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন, মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ হোসেন প্রমুখ।

সমাপনী বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ খন্দকার একেএম আলী মহসিন লংমার্চ সফল করায় কুষ্টিয়াবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে লংমার্চ জনসভার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেরানীগঞ্জে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৬.৬৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ এম


কেরানীগঞ্জে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৬.৬৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ শিক্ষার্থী

ঢাকার কেরানীগঞ্জে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার পাসের হার ৫৬ দশমিক ৬৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এবারের পরীক্ষায় উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১১ জন শিক্ষার্থী। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, কেরানীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ পাসের হারে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। অপরদিকে, সর্বনিম্ন পাসের হার রয়েছে জিনজিরা পিএম পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাকির হোসেন মোল্লা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এইচএসসি পরীক্ষায় কেরানীগঞ্জ উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮৭১ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৬০৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১ হাজার ২২৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ জন।

কলেজভিত্তিক ফলাফলে কেরানীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৮৫ দশমিক ৯৯ শতাংশ পাসের হার নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। অন্যদিকে, ৩৬ দশমিক ৪০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে জিনজিরা পিএম পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে।

ফলাফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও, অনেক শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাঁচ কলেজের শিক্ষার্থীরা সবাই ফেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ এম


লক্ষ্মীপুরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাঁচ কলেজের শিক্ষার্থীরা সবাই ফেল

লক্ষ্মীপুরে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পাঁচটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে সক্ষম হয়নি। এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মোট ১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও, সকলেই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শূন্য পাশের তালিকায় রয়েছে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তোরাবগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফজু মিয়ার হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজ।

ফজু মিয়ার হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, কিন্তু তাদের মধ্যে কেউই পাশ করতে পারেনি। তোরাবগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুইজন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজ থেকে তিনজন, ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ থেকে একজন এবং লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিনজন পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে, এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুর জেলায় এ বছর ৮ হাজার ৭৭৭ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৬২৪ জন পাস করেছে। জেলায় পাসের হার ৪১ দশমিক ২৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৮১ জন শিক্ষার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কলেজে ১৪ শিক্ষকের মধ্যে ৫ পরীক্ষার্থীর পাস ১ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কলেজে ১৪ শিক্ষকের মধ্যে ৫ পরীক্ষার্থীর পাস ১ জন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের ক্যা.এবি তাজুল ইসলাম কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরে কলেজটির ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত থাকার পরও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছে। এর ফলে কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ২০ শতাংশ। আগের বছরের ফলাফলের চিত্রও প্রায় একই রকম ছিল।

এমন ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলাফল প্রকাশের পর এলাকার বাসিন্দা ও প্রশাসনের নজরে আসে এই বিষয়টি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর কলেজটির ফলাফলের তথ্য জানা যায়। ২০১৬ সালে সাবেক এমপি ক্যা. এবি তাজুল ইসলাম কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে কলেজটিতে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তবে শিক্ষার্থীদের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলতি বছর কলেজটি থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র একজন। গত বছর ২৭ জন পরীক্ষার্থী মধ্যে ৪ জন পাস করেছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কলেজটিতে পড়াশোনার পরিবেশ দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবর্তে অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টিকটক ব্যবহারে বেশি সময় ব্যয় করছে। ফলে শিক্ষার পরিবেশ এবং ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. ইসমাইল জামাল বলেন, "এ বছর আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাস করেছে। তার নাম জান্নাতুল মীম, সে জিপিএ ৩ পেয়েছে। আগামী বছর ২০ জন পরীক্ষা দেবে।" তিনি আরও বলেন, "ভর্তি হওয়ার পর অনেক শিক্ষার্থী বিদেশ চলে যায়। আর যারা থাকে, তাদের অনেকেই নিয়মিত ক্লাসে আসত না।"

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, "আমার কলেজটি রীতিমতো আই সি ইউ তে আছে। পাঠদানের অনুমতিপত্র (EIIN NO139351) বাঁচাতে ও এমপিওভুক্তির আশায় শিক্ষার্থী অনুরোধ করে এনে পরীক্ষা দেওয়ানো হচ্ছে। কাগজে কলমে ১৪ জন শিক্ষক থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তা নেই। বলতে গেলে আমি একা যুদ্ধ করছি কলেজটিকে বাঁচিয়ে রাখতে।" সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনার প্রতিমন্ত্রী বরাবর ‘কলেজ বাঁচানোর আবেদন’-এর একটি দরখাস্ত তিনি প্রতিবেদককে দেখান।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য ভিপি নাজমুল হুদা বলেন, "কলেজের বেহাল দশা পরিকল্পনা মন্ত্রী জোনায়েদ সাকিকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, সমাধান আসবে। ভবিষ্যতে রেজাল্ট ভালো হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%