ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বেইজিং সফরে গেলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আকবর খান


বেইজিং সফরে গেলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আকবর খান

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খান চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। আজ শনিবার সন্ধ্যায় তিনি ১২ দিনের সফরে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের দিকে রওনা হন।

আকবর খান, যিনি বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য, সেখানে মতাদর্শ ও রাজনীতির তত্ত্বগত বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করবেন। তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন। একইসাথে, তিনি চীনের বিভিন্ন অঞ্চল পরিদর্শনের পরিকল্পনা করেছেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কমিউনিস্ট ও ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ প্রতিনিধিরা এসব কর্মশালা ও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। চীন যাত্রার প্রাক্কালে আজ সন্ধ্যায় আকবর খান দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নতুন পে স্কেলে তিন মাসের বর্ধিত বেতন কবে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলজেরীয় বিপ্লব বিশ্বরাজনীতিতে ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানে প্রভাব ফেলেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


আলজেরীয় বিপ্লব বিশ্বরাজনীতিতে ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানে প্রভাব ফেলেছে

বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি মন্তব্য করেছেন যে, ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান, জাতীয় স্বাধীনতা এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আলজেরীয় বিপ্লব বিশ্বরাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। ১৩২ বছরের ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার জনগণের দীর্ঘ সংগ্রাম কেবল দেশটির স্বাধীনতা অর্জনে সহায়ক হয়নি, বরং এটি আফ্রিকা, এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন মুক্তিকামী আন্দোলনকেও অনুপ্রাণিত করেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘১৯৫৪ সালের ১ নভেম্বরের আলজেরীয় বিপ্লব এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এই সম্মেলন আলজেরিয়ার নভেম্বর বিপ্লবের ৭২তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।

আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ ১৩২ বছরের ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার জনগণ সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে মুক্তির সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ১৯৬২ সালের জুলাইয়ে স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে আলজেরিয়া দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ফলস্বরূপ মুক্ত হয়। এই সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইরত মানুষের কাছে আশার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের চতুর্থ প্রজাতন্ত্রের পতন এবং পঞ্চম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পেছনে আলজেরীয় যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টি উল্লেখ করেন। এছাড়াও, জাতিসংঘের ১৯৬০ সালের ১৫১৪ নম্বর সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক দেশ ও জনগণের স্বাধীনতার অধিকার স্বীকৃতির প্রক্রিয়ায় আলজেরীয় সংগ্রামের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, স্বাধীনতার পর আলজেরিয়া আন্তর্জাতিক মুক্তি আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ও কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কারণে দেশটি ‘বিপ্লবীদের মক্কা’ হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে। এ সময় ফ্রান্তজ ফ্যানন এবং জ্যঁ-পল সার্ত্রের মতো চিন্তাবিদদের অবদানের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তাদের লেখালেখিতে ঔপনিবেশিক নিপীড়ন, নির্যাতন, মনস্তাত্ত্বিক ক্ষত ও মানবিক মর্যাদার প্রশ্ন আন্তর্জাতিক পরিসরে উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার সম্পর্ক নিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আত্মত্যাগ, মর্যাদা ও জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণের মূল্যবোধ বাংলাদেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে সংহতি, শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তি এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজা। তিনি বলেন, আলজেরীয় বিপ্লব কেবল একটি স্বাধীনতাযুদ্ধ ছিল না, বরং এটি ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন রাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংগ্রাম ছিল। ১৯৫৪ সালের ১ নভেম্বর ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের (এফএলএন) নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই বিপ্লব ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং আফ্রো-এশীয় সংহতি জোরদারে ভূমিকা রাখে। কূটনৈতিক তৎপরতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন দেশের সমর্থনে আলজেরিয়ার স্বাধীনতার প্রশ্ন জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্ব পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২

জয়পুরহাটের কালাইয়ে একটি মালবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইক চালক নিহত হয়েছেন। এর ফলে নিহতের সংখ্যা দুইজনে পৌঁছেছে। অপর আহত ব্যক্তি বর্তমানে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের কালাই উপজেলার পুনট কোল্ড স্টোরেজের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের আফলাপাড়া গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে নুরনবী (৬০) এবং একই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইজিবাইক চালক এনামুল হক (৬০)। আহত সোহরাব আলী (৫৫) একই গ্রামের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে এনামুল হক ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তার ইজিবাইকে যাত্রী হিসেবে ছিলেন নুরনবী ও সোহরাব আলী। তারা কালাই থেকে আফলাপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। পুনট কোল্ড স্টোরেজের সামনে পৌঁছালে একটি মালবোঝাই ট্রাক ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক ও দুই যাত্রী সড়কে ছিটকে পড়েন। ঘটনাস্থলে নুরনবী ট্রাকের পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান। এনামুলের ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সোহরাব আলী গুরুতর আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের অবস্থা গুরুতর দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আটটার দিকে এনামুল হক মারা যান।

এদিকে দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। ট্রাকের চালক ও সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে কালাই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত নুরনবীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, ‘ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইক থেকে ছিটকে পড়ে একজন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছিলেন। আহত ব্যক্তিদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। পরে ইজিবাইক চালক এনামুল হক সেখানে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।’

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি খাদে পড়ে রয়েছে। চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রথম নিহত নুরনবীর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএমইউয়ে অধ্যাপক ডা. মবিন খানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


বিএমইউয়ে অধ্যাপক ডা. মবিন খানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের(বিএমইউ) প্রখ্যাত লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মবিন খানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। একই সঙ্গে ‘ফরম কন্ট্রোল টু কিউর: দ্যা এইচবিভি থেরাপিউরেটিক রিভ্যুলেশন / বিপিরোভারসেন এন্ড বিয়ন্ড (Form Control to Cure: The HBV Therapeutic Revolution Bepiroversen and Beyond)” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ৫ম তলার লেকচার হলে হেপাটোলজি বিভাগ এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, "অধ্যাপক ডা. মবিন খান স্যার আমার সরাসরি শিক্ষক ছিলেন। তিনি আমার অনুপ্রেরণা ছিলেন এফসিপিএস করার। আমি ১৯৮৩ সালে আই পি জি এমআর এ ইন্টার্নশিপ করতে এসে তাঁকে পেয়েছি। তিনি তখন অস্ট্রেলিয়া থেকে হেপাটোলোজিতে মাস্টার্স করে ফিরে আসেন এবং হেপাটোলজি বিভাগ খুলতে চান। এরপর তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে বদলী হন। দুই বছর পর তিনি আবার আইপিজিএমআর-এ ফিরে এসে হেপাটোলজি বিভাগ খুলতে এসে সংগ্রাম করেছেন।" অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী সেমিনার সম্পর্কে বলেন, "আমি আজ আনন্দিত ও উদ্বেলিত যে একটি ফাংশনাল ওষুধ সামনে আসছে। যেটি ফাংশনাল। যা একসময় অবিশ্বাস্য মনে হতো।"

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্বাবিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ শাহিনুল আলম। তিনি বলেন, "অধ্যাপক ডা. মবিন খান অসাধারণ মানুষ ছিলেন। তিনি সারা বছরের প্রতিদিনই সময়ে আসতেন। তিনি হাসপাতালে আসতেন সকাল ৭টার সময়ে। তিনি হাসপাতালে আসার আগে একশ রোগী দেখে আসতেন। সারা দিন আমরা তার সাথেই থাকতাম। কখনই তার কোন ব্যক্তি জীবন ছিল না। সব জায়গায় তিনি ট্রান্সপারেন্ট ছিলেন। অধ্যাপক ডা. মবিন খান সাবজেক্ট খুলেছেন, কোর্স খুলেছেন এবং মেডিক্যাল কলেজগুলোতে বিভাগ খুলেছেন। লিভার বিভাগ কখনোই গবেষণায় পিছিয়ে ছিল না। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই সেমিনার। আজ আমরা একটি প্রোটোকল নিয়ে আলোচনা করছিলাম। শেষ পর্যন্ত এসে তিনটি প্রোটোকল নিয়ে আলোচনা করতে হলো। সবারই উদ্দেশ্যে হলো রোগীর চিকিৎসা ব্যয় কমানো।"

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এসকে নাজমুল হাসান ‘সাইলেন্সিং এইচবিপি, আনলকিং কিউর: দ্যা প্রোমোসিস অব বিপরোভারসেন” এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ এন্ড মিটফোর্ট হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মোঃ ফরহাদ হোসেন ‘দ্যা ফাংশনাল কিউর ট্রায়াল: বিপরোভারসেন ভিএস, পেগিলেটেড ইন্টারফেরন’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সেমিনারে মডারেটর হিসেবে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম এলিন। তিনি অধ্যাপক ডা. মবিন খান এর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন নিয়ে একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডা. তানভীর আহমাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডা. তাহরিনা মাহাবুব। সেমিনারে প্যানেল অব এক্সপার্ট হিসেবে বারডেমের হেপাটোলোজি বিভাগের হেড অধ্যাপক ডা. গোলাম আজম, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের হেপাটোলজি বিভাগের হেড অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, শহীদ সৌরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের হেড অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ আল ফারুক, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের হেপাটোলজি বিভাগের হেড অধ্যাপক ডা. এবি.এম শাকিল গনি, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজের হেপাটোলজি বিভাগের হেড অধ্যাপক ডা. ফজল করিম, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ বি এম ছফিউল্লাহ, অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান, মুগদা মেডিক্যাল কলেজের হেপাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আসাদুজ্জামান বিশেষজ্ঞ মতামত প্রদান করেন। সম্পাদনা: অধ্যাপক ডা. মোঃ সাইফুল আজম রঞ্জু। ছবি: মোঃ আরিফ খান। নিউজ: সুব্রত মন্ডল ও প্রশান্ত মজুমদার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিএসসির নতুন সদস্য ড. শামীমা সুলতানার শপথ আগামীকাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


পিএসসির নতুন সদস্য ড. শামীমা সুলতানার শপথ আগামীকাল

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন সদস্য অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানার শপথ গ্রহণ আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী আগামীকাল রোববার বিকেল ৩টায় শপথবাক্য পাঠ করাবেন।

এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%