ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হলেন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদের সহযোগী সানি


নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হলেন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদের সহযোগী সানি

চট্টগ্রাম, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী মো. সাব্বির হোসেন সানিকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশের মতে, সানি কারাগারে বন্দি অপর সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের পরিবর্তে চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আজ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গতকাল শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন: ৮ নং পঞ্চপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে মাওলানা আমিজা রহমান

গ্রেপ্তার হওয়া সানি সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ থানার সাতবসু এলাকার মো. মালেকের পুত্র। তিনি চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় বসবাস করতেন।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও নজরদারির পর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সানির অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। এরপর শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সানির বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় দুটি আলাদা মামলা রয়েছে। हाल ही में চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি ঘটনার অডিও রেকর্ড জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে এসেছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সানি জানিয়েছেন যে, তিনি বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন। এছাড়া, কারাগারে থাকা ডেভিড ইমনের পরিবর্তে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্বও তার উপর ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় যুব দিবসে ৪ উদ্যোক্তার হাতে ৪ লাখ টাকার ঋণ, নানা আয়োজনে উদযাপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় জোড়া খুন: ৪৫ ঘণ্টা পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ এম


পাবনায় জোড়া খুন: ৪৫ ঘণ্টা পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার নেই

পাবনায় দুই রাজনৈতিক নেতাকে হত্যার ঘটনায় ৪৫ ঘণ্টা পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার পর এখনো কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে নিহত শ্রমিক দল নেতা রিপন হোসেনের ভাই রুবেল হোসেন আতাইকুলা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

আতাইকুলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তবে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কোনো ক্লু পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে প্রদীপ কুমার সাহা জানান, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত চলছে।

এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া হাটে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইজারাদারসহ দুইজন নিহত হন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ পাবনা সদর উপজেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক ও হাট ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী (৫৫) এবং তার ভাগ্নে আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি রিপন হোসেন (৫০)। আব্দুস সালাম ধর্মগ্রাম এলাকার মৃত আরজ আলী ব্যাপারীর পুত্র। রিপন একই এলাকার মৃত ওমেদ আলীর পুত্র। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর আব্দুস সালামকে জামায়াতের বিভিন্ন মিছিল ও সমাবেশে দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুষ্পপাড়া হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। হাটের বর্তমান ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী ও তার ভাগ্নে রিপন হাটের পাশে তাদের অফিসে বসে নাস্তা করছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা কয়েকজন লোক এসে তাদের উপর গুলি বর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১০৯, ধর্ষণের শিকার ৬১৭ নারী ও শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ এম


৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১০৯, ধর্ষণের শিকার ৬১৭ নারী ও শিশু

চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার ২ হাজার ৯০১টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার ফলে ১০৯ জন নিহত হয়েছেন এবং ২ হাজার ৭৯২ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬১৭ নারী ও শিশু, যাদের মধ্যে ৩৮৮ জন ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু।

এ ছাড়া গত নয় মাসে গণপিটুনিতে ৭৪ জন এবং কারাগারে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে সীমান্তে নিহত হয়েছেন ১১ বাংলাদেশি।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনী সহিংসতার ১ হাজার ৩৮১টি ঘটনা ঘটেছে এ সময়ে। এসব ঘটনায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন এবং ১ হাজার ৩৬৮ জন আহত হয়েছেন। গণপিটুনিতে নিহত ৭৪ জনের মধ্যে মে মাসে সর্বোচ্চ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, জুনে মারা গেছেন ১২ জন।

ধর্ষণের শিকার ৩৮৮ মেয়েশিশু

অধিকারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নয় মাসে ধর্ষণের শিকার ৬১৭ জনের মধ্যে ৩৮৮ জন মেয়েশিশু এবং ২২৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী। বাকি দুজনের বয়স জানা যায়নি।

এ সময়ে যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়ে ২২ নারী নিহত হয়েছেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৩৭ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন সাতজন। নারীদের উত্ত্যক্ত করার ৩৭টি ঘটনাও সংগঠনটি নথিভুক্ত করেছে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ১৬৯ ঘটনা

জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ১৬৯টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে অধিকার। এর মধ্যে ৬৫টি ঘটনায় সাংবাদিকেরা আহত হয়েছেন, ২২ জন লাঞ্ছিত হয়েছেন এবং ২৫ জন হুমকির শিকার হয়েছেন।

এ ছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা ও ২১টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেদনে পাঁচটি হামলা, একজন সাংবাদিকের গ্রেপ্তার এবং একজনকে নির্যাতনের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময়ে গুমের শিকার হয়েছেন দুজন।

প্রতিবেদনে দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত বন্দী থাকার চিত্রও উঠে এসেছে। অধিকার বলছে, দেশের ৭৫টি কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা ৪৩ হাজার ১৫৭ জন। অথচ গত ১৩ সেপ্টেম্বর এসব কারাগারে বন্দী ছিলেন ১ লাখ ৫ হাজার ১০২ জন। অর্থাৎ ধারণক্ষমতার আড়াই গুণের বেশি বন্দী ছিলেন কারাগারগুলোতে।

নয় মাসে কারাগারে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া কারাগারে নির্যাতন, দুর্নীতি এবং অসুস্থ বন্দীদের হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

এ সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ১০ জন। তাদের মধ্যে ছয়জন নির্যাতনে, দুজন পিটুনিতে এবং দুজন গুলিতে নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ২০০ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিহত ১১ বাংলাদেশি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত নয় মাসে সীমান্তে বিএসএফের হাতে ১১ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ১১ জন। এ ছাড়া বাংলাদেশে ৫৬ জনকে পুশ ইন করার ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে বিএসএফের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ৭৮টি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গুম ও মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে উদ্বেগ

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে অধিকার। সংগঠনটির মতে, আইনের ১৪(৩) ধারায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব অন্য কোনো বাহিনী বা আন্তবাহিনী তদন্ত দলকে দেওয়ার বিধান রয়েছে। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

এ ছাড়া আইনের ২১ ধারায় অভিযোগ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। এ ধরনের বিধান গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ করতে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে মনে করে সংগঠনটি।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনেও প্যারিস নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন আইনের ১৯ ধারা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা এর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কমিশন নিজ উদ্যোগে তদন্ত করতে পারবে না।

র‍্যাবের পরিবর্তে নতুন বাহিনী গঠন নিয়েও প্রশ্ন

র‍্যাব বিলুপ্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও গত ১৫ সেপ্টেম্বর সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন পাসের মাধ্যমে র‍্যাবের জনবল, সম্পদ, ক্ষমতা ও চলমান মামলাসহ বিভিন্ন বিষয় নতুন বাহিনীতে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে অধিকার।

সংগঠনটির মতে, এর ফলে র‍্যাবের প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে।

অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হওয়ায় বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে অধিকার। এ ছাড়া পুলিশে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে মানবাধিকার সংগঠনটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধানমন্ডিতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী আফিয়া আক্তার ছুরিকাঘাতে খুন, ছেলে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ এম


ধানমন্ডিতে সাবেক রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী আফিয়া আক্তার ছুরিকাঘাতে খুন, ছেলে গ্রেপ্তার

রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসায় খুন হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত প্রয়াত আবুল কাশেমের স্ত্রী আফিয়া আক্তার (৬৮)। এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোরের দিকে ধানমন্ডির ৯/এ সড়কের একটি ফ্ল্যাটে।

পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতের ছোট ছেলে তাহসিন আরিফ অর্নবকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তাহসিন ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা মায়ের কক্ষে গিয়ে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এই হামলায় আফিয়ার মুখ ও গলায় গুরুতর জখম হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু ঘটে।

পুলিশের তথ্যমতে, শুক্রবার রাতে মা ও ছেলে আলাদা কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন। শনিবার সকালে তাহসিন পাশের কক্ষে গিয়ে মাকে ছুরিকাঘাত করেন।

পরে গৃহকর্মী ও আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে। খবর পেয়ে পুলিশ বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত আফিয়া আক্তারের বড় ছেলে কয়েক বছর আগে মারা গেছেন এবং ছোট ছেলে তাহসিনের সঙ্গে তিনি ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল ইসলাম জানান, বাসা থেকে তাহসিনকে আটক করা হয়েছে। আফিয়া আক্তারকে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তাহসিনের পূর্বে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ওসি জানিয়েছেন, তার মানসিক সমস্যা রয়েছে বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে নিষিদ্ধ মশাল মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ এম


রাজধানীতে নিষিদ্ধ মশাল মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ

রাজধানীর কল্যাণপুরে একটি মশাল মিছিলের ঘটনা ঘটেছে, যা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে দারুস সালাম এলাকা থেকে এই মশাল মিছিলটি শুরু হয়। পরে এটি শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক সদস্য মশাল হাতে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্যসচিব ও সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবের নির্দেশনায় এই মিছিলটি বের করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে তেজগাঁও বিভাগের সেকেন্ড ইন কমান্ড (টুআইসি) মো. ফজলুল হক জানান, সন্ধ্যার দিকে দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি মশাল মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিলটি শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় এসে শেষ হয়।

এদিকে, দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল হোসেন তার এলাকায় মিছিলের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%