০১:০৬ এম
পাবনায় দুই রাজনৈতিক নেতাকে হত্যার ঘটনায় ৪৫ ঘণ্টা পর অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার পর এখনো কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে নিহত শ্রমিক দল নেতা রিপন হোসেনের ভাই রুবেল হোসেন আতাইকুলা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
আতাইকুলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন ডা. আমির হামজার, রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি
তবে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কোনো ক্লু পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে প্রদীপ কুমার সাহা জানান, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত চলছে।
এর আগে, গত ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া হাটে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইজারাদারসহ দুইজন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ পাবনা সদর উপজেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক ও হাট ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী (৫৫) এবং তার ভাগ্নে আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি রিপন হোসেন (৫০)। আব্দুস সালাম ধর্মগ্রাম এলাকার মৃত আরজ আলী ব্যাপারীর পুত্র। রিপন একই এলাকার মৃত ওমেদ আলীর পুত্র। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর আব্দুস সালামকে জামায়াতের বিভিন্ন মিছিল ও সমাবেশে দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুষ্পপাড়া হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। হাটের বর্তমান ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী ও তার ভাগ্নে রিপন হাটের পাশে তাদের অফিসে বসে নাস্তা করছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা কয়েকজন লোক এসে তাদের উপর গুলি বর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: মহেশখালীতে রোগীদের জন্য এনসিপির তিনটি হুইল চেয়ার বিতরণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন