ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

এইচএসসিতে নীলফামারীর ১৪ প্রতিষ্ঠানে ১৩৯ শিক্ষার্থী ফেল করেছে


এইচএসসিতে নীলফামারীর ১৪ প্রতিষ্ঠানে ১৩৯ শিক্ষার্থী ফেল করেছে

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলফামারী জেলার ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এ ছাড়া, মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের আওতায় ২টি প্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী সকলেই ফেল করেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, নীলফামারী জেলার ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- নীলফামারী সদর উপজেলার আদর্শ কলেজ (৪০ জন), পঞ্চপুকুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৬ জন), তারনিবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২ জন), লক্ষ্মীচাপ সৃজনশীল কলেজ (১ জন), কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেরভেরি মঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৫১ জন), নয়ন খাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৩ জন), ডোমার উপজেলার জামিরবারি মহিলা কলেজ (৫ জন), বাগডোকড়া নিমোজখানা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৩ জন), জলঢাকা উপজেলার সমিরুদ্দিন আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২ জন), ডিমলা উপজেলা আদাবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২ জন), জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১ জন) এবং গয়াখড়িবাড়ি মহিলা কলেজ (১ জন)।

আরও পড়ুন: বেরোবি ব্লাড অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে শাহ পরান ও শাফায়েত হোসেন শুভ

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দুইটি প্রতিষ্ঠান হলো- সৈয়দপুরের পোড়াহাট ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা (৭ জন) এবং ডোমারের পাঙ্গা চৌপথী আব্দুল মজিদ আলিম মাদরাসা (১৫ জন)।

নীলফামারী সদর উপজেলার আদর্শ কলেজের প্রভাষক সারিউল ইসলাম জানান, "২৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠান চলছে, এমন ফলাফল এর আগে হয়নি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের কোনো বিল-বেতন এখনো খোলেনি। কলেজের ৩৭ জন স্টাফ মানবেতর জীবনযাপন করছি সরকার এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।"

ডোমারের পাঙ্গা চৌপথী আব্দুল মজিদ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আবুল কালাম বলেন, "আমাদের মাদরাসা থেকে এবার ১৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। পর্যাপ্ত গুরুত্ব সহকারে সবাইকে পাঠদান করার পরেও এবারের ফলাফল কেন এমন হলো বুঝতেছি না। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ১ বিষয়ে ফেল করেছে, আমরা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার পরিকল্পনা নিয়েছি।"

স্থানীয়রা জানান, ফেল করা অনেক স্কুলের এখনো বিল-বেতন খুলেনি। এরপরেও ১৪ প্রতিষ্ঠানে মোট ১৩৯ জন শিক্ষার্থীর শতভাগ ফেল করার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন তারা।

আরও পড়ুন: খুবিতে ওবিই পদ্ধতিতে প্রশ্ন প্রণয়ন ও পরিমার্জন বিষয়ক কর্মশালা

মনিরুজ্জামান নামে এক অভিভাবক ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, "একটা কলেজে ৪০ বা ৫০ জন অংশ নিয়ে সবাই ফেল করবে এটা মেনে নেয়া যায়না। যদি সামান্য কয়েকজন পাস করত এরপরেও তাদের বিষয়গুলো মেনে নেওয়া যেত- যে তারা চেষ্টা করেছে।"

এ বিষয়ে শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কেউ ফোন রিসিভ করেননি।

২০২৫ সালে নীলফামারী জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৯ দশমিক ৯২ শতাংশে। এক বছরের ব্যবধানে জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কমেছে ১৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন: বেরোবিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হলো ১৬তম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড ২০২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


যবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হলো ১৬তম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড ২০২৭

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ১৬তম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড ২০২৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং শপথ পাঠসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।

শনিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টায় বাংলাদেশ রসায়ন সমিতির উদ্যোগে এবং যবিপ্রবির রসায়ন বিভাগের আয়োজনে বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড ২০২৭ এর শুভ উদ্বোধন করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অলিম্পিয়াডের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে সাতটি কলেজের অংশগ্রহণে রসায়ন অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতার শেষে সেরা দশ শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর উল্লেখ করেন, “ডিজিটাল আসক্তি এখন মারাত্মক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই মোবাইলের এই নেশা ছেড়ে তোমাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। সবসময় বড় স্বপ্ন দেখবে, আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রম থাকলে তোমাদের মধ্য থেকেই একদিন নোবেল বিজয়ী হওয়া সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “অলিম্পিয়াডের মতো প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, জানার আগ্রহ নিয়ে অংশগ্রহণ করাটাই আসল। রসায়নকে ভালোবেসে, আনন্দের সঙ্গে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে নিজেদের দক্ষ রসায়নবিদ ও দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলো।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান বলেন, “কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াডের মতো আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো পাঠ্যবইয়ের জটিল বিষয়গুলোকে তোমাদের সামনে সহজ ও আনন্দদায়কভাবে তুলে ধরা। আমি আশা করি, তোমাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অমর্ত্য সেন কিংবা আব্দুস সালামের মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব ও নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী তৈরি হবে।” তিনি আরও বলেন, “একজন অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে আমি মনে করি, সন্তান ও শিক্ষার্থীরা যখন নিজ নিজ যোগ্যতায় আমাদের ছাড়িয়ে অনেক বড় অবস্থানে পৌঁছায়, সেখানেই একজন শিক্ষক ও মা-বাবার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও গর্ব নিহিত থাকে। আশা করি তোমরা একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।”

অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে. এম. আনিস-উল-হক এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন। এসময় রসায়ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত দায়িত্বের অজুহাতে অফিস সর্বদা তালাবদ্ধ, কাঁঠালিয়ার পিআইও জোবায়েরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রব্বানী,(স্টাফ রিপোর্টার)

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


অতিরিক্ত দায়িত্বের অজুহাতে অফিস সর্বদা তালাবদ্ধ, কাঁঠালিয়ার পিআইও জোবায়েরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

অতিরিক্ত দায়িত্বের অজুহাত দেখিয়ে মূল কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং কার্যালয় সর্বদা তালাবদ্ধ রেখে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (PIO) মোঃ জোবায়ের হোসেনের বিরুদ্ধে কর্মকর্তাবৃন্দ - উপজেলা ত্রাণ অফিস। একই সাথে গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে । এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এলাকায় তীব্র জনক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং দোষী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে কাঠালিয়া উপজেলায় প্রেসক্লাবে মানবন্ধনের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাঁঠালিয়া উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়টি বছরের অধিকাংশ সময়ই তালাবদ্ধ থাকে। সাধারণ মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে ফাইলে স্বাক্ষর বা সরকারি বিভিন্ন সেবার জন্য এসে মাসের পর মাস ঘুরেও পিআইও বা তার অফিস সহকারীর দেখা পান না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অফিস থেকে জানানো হয়, তিনি অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা নলছিটি উপজেলায় আছেন। প্রশ্ন উঠেছে, একজন সরকারি কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্বের দোহাই দিয়ে মূল কর্মস্থল কাঁঠালিয়াকে কীভাবে প্রতিদিন ফাঁকি দিয়ে অফিস তালা মেরে রাখতে পারেন?
লুটপাটের আখড়া: অভিযোগের পাহাড় পিআইও জোবায়েরের বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পিআইও জোবায়ের হোসেন ও তার কার্যালয়ের কতিপয় অসাধু চক্র মিলে কাঁঠালিয়ায় দুর্নীতির এক বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।

ঠিকাদারি আঁতাত ও কমিশন বাণিজ্য: গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (TR), কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) ও কাবিখা প্রকল্পে বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামমাত্র বরাদ্দ দিয়ে ঠিকাদারদের সাথে যোগসাজশে প্রতি টনের বিপরীতে মোটা অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নেওয়া এবং নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ শেষ করা।

ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাৎ: অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির (EGPP) আওতায় ভুয়া শ্রমিকের নাম ও ভুয়া হাজিরা খাতা ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

তথ্য অধিকার আইন লঙ্ঘন: বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট ও ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে চাইলে তা সরবরাহ না করে তথ্য গোপনের চেষ্টা এবং প্রশ্ন উত্থাপনকারী সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

উক্ত কর্মকর্তার লাগামহীন অনিয়ম, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং জনগণের ভোগান্তির বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, "একজন সরকারি কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও মূল কর্মস্থলকে অবহেলা বা অফিস তালাবদ্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। জনগণের সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার। উক্ত কর্মকর্তার অনিয়ম ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব এবং কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে জানিয়েছেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ পরিচালনায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসের কাজ জনগণের কল্যাণের জন্য। যদি কোনো কর্মকর্তা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে সরকারি সেবা ব্যাহত করেন কিংবা বরাদ্দের অপব্যবহার করেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC) ও বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

এই গুরুতর অনিয়ম ও সরকারি অফিস তালাবদ্ধ থাকার বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জোবায়ের হোসেনের দাপ্তরিক ইমেইলে ([email protected]) যোগাযোগ করা হলেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি কর্মকর্তাবৃন্দ - উপজেলা ত্রাণ অফিস। ভুক্তভোগীদের দাবি, অনতিবিলম্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপে তদন্তের মাধ্যমেই এই সিন্ডিকেটের মূল উপড়ে ফেলা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধে অভিযান, ধ্বংস ২০ বোমা মেশিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধে অভিযান, ধ্বংস ২০ বোমা মেশিন

সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের জুমপাড় ও তৎসংলগ্ন পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) থেকে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন দিনভর টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রতুন কুমার অধিকারী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে অবৈধ উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত ২০টি লিস্টার (বোমা মেশিন) ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া, পাঁচটি অস্থায়ী তাঁবু গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং দুটি লিস্টার মেশিন জব্দ করা হয়।

অভিযান চলাকালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের প্রায় ২০ ফুট অংশ তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা হয়। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দাদের অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয়। প্রশাসন জানায়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন প্রতিরোধ এবং পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশকে সার্বক্ষণিক টহল দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

টাস্কফোর্সের এই অভিযানে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ, ৪৮ বিজিবির সদস্য এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রতন কুমার অধিকারী সাংবাদিকদের জানান, "জনস্বার্থ রক্ষা, পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারাদেশের ৪ হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণ করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


সারাদেশের ৪ হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণ করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরো গতিশীল ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার সারাদেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, উপজেলা পর্যায়ে স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজও চলছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে রংপুর জেলা স্টেডিয়াম মাঠ পরিদর্শন শেষে ভলিবল ও হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সুস্থধারার ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর। খেলাধুলাকে সরকার শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, জেলা পর্যায়ের স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষভাবে রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্টেডিয়ামটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এখানে নিয়মিত খেলাধুলা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিবেশ তৈরি করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দেন, আগামী জানুয়ারি থেকে ক্রিকেট, হকি, শুটিংসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনের জন্য একটি বছরব্যাপী ক্রীড়া ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হবে। পরিকল্পিতভাবে সারা বছর বিভিন্ন খেলাধুলা ও প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে, যাতে খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে নতুন খেলোয়াড় তৈরির পথও সুগম হবে।

আমিনুল হক ক্রীড়াঙ্গনে অতীতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান। তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনকে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। খেলাধুলার উন্নয়নে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে ভলিবল ও হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%