ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ডিএনএ বিশ্লেষণে সর্বোচ্চ ১৭৪৭ গুণ দ্রুত বাকৃবির নতুন সফটওয়্যার


ডিএনএ বিশ্লেষণে সর্বোচ্চ ১৭৪৭ গুণ দ্রুত বাকৃবির নতুন সফটওয়্যার
 
ডিএনএ বিশ্লেষণে কয়েক সেকেন্ডেই ফল দিবে বাকৃবির নতুন সফটওয়্যার
 
 
 
 
ডিএনএ বিশ্লেষণের কাজ আরও সহজ ও দ্রুত করতে নতুন একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা। তাঁদের দাবি, জনপ্রিয় সফটওয়্যার ‘মেগা’র তুলনায় নতুন সফটওয়্যারটি ৫৫ থেকে ১ হাজার ৭৪৭ গুণ দ্রুত কাজ করতে পারে। পাশাপাশি প্রচলিত অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় ৩০ থেকে ৯৯ শতাংশ কম কম্পিউটার মেমোরি ব্যবহার করে। সফটওয়্যারটি কম্পিউটারের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও ব্যবহার করা যাবে।
 
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান গবেষকরা।
 
গবেষক দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিকস (সিএসএম) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিন। গবেষক দলে আরও ছিলেন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মাইফি-উল আসাদ এবং বাকৃবির বায়োইনফরমেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতক শিক্ষার্থী মুহাম্মদ ইশমামুল হক ও মো. আসিফুজ্জামান।
 
গবেষকরা জানান, জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য ও পারস্পরিক সম্পর্ক জানতে ডিএনএ বিশ্লেষণ করা হয়। তবে প্রচলিত পদ্ধতিতে বিপুল পরিমাণ ডিএনএ তথ্য বিশ্লেষণ করতে অনেক সময় লাগে। কম্পিউটারের মেমোরিও বেশি প্রয়োজন হয়। এসব সমস্যা দূর করতে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় নতুন সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে।
 
নতুন সফটওয়্যারটির মূল কাজ হলো দুটি বা একাধিক ডিএনএর মধ্যে কতটা মিল রয়েছে, তা দ্রুত খুঁজে বের করা। সাধারণত ডিএনএর প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে তুলনা করতে হয়। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে ডিএনএর ছোট ছোট অংশের মিল পরীক্ষা করা হয়। একই সঙ্গে ডিএনএ সিকোয়েন্সের সরাসরি ও বিপরীত পরিপূরক বিন্যাসের মিলও বিবেচনায় নেওয়া হয়। এসব মিলের ভিত্তিতে প্রতিটি ডিএনএ সিকোয়েন্সের জন্য একটি সংখ্যাগত তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর তালিকাগুলো তুলনা করে ডিএনএগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়। এই সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি বংশবৃক্ষ তৈরি করা যায়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন জীবের মধ্যে জিনগত মিল ও পার্থক্য সহজে বোঝা সম্ভব। গবেষক দলের দাবি, পরীক্ষায় নতুন পদ্ধতিতে তৈরি ডিএনএর বংশবৃক্ষ ৯৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সঠিক পাওয়া গেছে।
 
এ গবেষণার একটি প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘মলিকিউলার জেনেটিক্স অ্যান্ড জিনোমিক্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
 
গবেষক দলের প্রধান ড. মেছবাহ উদ্দিন বলেন, সাধারণ পদ্ধতিতে ডিএনএ বা প্রোটিনের গঠনের মিল খুঁজে বের করতে কখনো কখনো প্রায় এক মাস সময় লেগে যায়। অথচ তাঁদের তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে কয়েক সেকেন্ডেই নির্ভুল ফলাফল পাওয়া সম্ভব। সফটওয়্যারটি দ্রুত কাজ করার পাশাপাশি কম্পিউটারের মেমোরিও তুলনামূলক কম ব্যবহার করে।
 
তিনি আরও বলেন, সফটওয়্যারটির ডেস্কটপ ও ওয়েব সংস্করণ ইতিমধ্যে সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে গবেষক ও শিক্ষার্থীরা সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
 
‘গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ভিত্তিক ডেস্কটপ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে ডিএনএ সিকোয়েন্সের সাদৃশ্য দক্ষতার সঙ্গে শনাক্তকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মজিদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএসএম বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. সাইদ ইফতেখার ইউসুফ। এ ছাড়া অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিন অধ্যাপক ড. মজিদ বলেন, প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে গবেষণার কাজে ব্যবহারযোগ্য এমন একটি সফটওয়্যার তৈরি করা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিন মাসের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি সফটওয়্যারটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি এর ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি।
 
নতুন এই সফটওয়্যার ডিএনএ বিশ্লেষণের সময় ও কম্পিউটারের মেমোরির ব্যবহার কমাতে সহায়তা করবে এবং পাশাপাশি দেশের জীবপ্রযুক্তি ও বায়োইনফরমেটিক্স গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির ক্রীড়া উইং ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’ আত্মপ্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


এনসিপির ক্রীড়া উইং ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’ আত্মপ্রকাশ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ক্রীড়া উইং হিসেবে ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’ (এনএসএ) আত্মপ্রকাশ করেছে। ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিম সংগঠনটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম সদস্যসচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের অডিটোরিয়ামে সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি আগামী ছয় মাসের জন্য ঘোষণা করা হয়।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, দলের সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত কমিটিতে নাজমুল আবেদীন ফাহিমের পাশাপাশি যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সালমান মোহাম্মাদ জাভেদ, এম রফিকুল ইসলাম, মো. জহির রায়হান, খালেক শিকদার ও মো. আব্দুল মোনায়েম।

সদস্যসচিব এম. নাজমুল ইসলামের সঙ্গে যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাহমুদুল হাসান রাকিব (দপ্তর), আবু বক্কর সিদ্দিক সুমন (সহদপ্তর), আব্দুল্লাহ আল মামুন (মিডিয়া), সাদিয়া ফাইরোজ (সহ মিডিয়া), মো. রাকিব হোসেন, মো. নাঈম হাওলাদার ও জিনিয়া শারমিন রিয়া। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আরমানুল ইসলাম নয়ন।

এছাড়া কমিটিতে সংগঠক হিসেবে রয়েছেন আকিব জাবেদ মুন্না, মো. মনির হোসেন, ফাহাদ আহমেদ রকি, মো. একরামুল হক (রনি), মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, মো. আরাফাত জোয়ার্দ্দার ও মাঈনউদ্দিন মো. সাকিব। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মুহাম্মদ হোসাইন, মো. আলী রাজা, মো. নাজির হোসেন, সাবের সালেহ চৌধুরী, সাইদুল হাসান, আলমা জাহান ইমা, আব্দুল মুহাইমিন চৌধুরী (সাদমান), মো. খাইরুল ইসলাম ইমরুল, আকিবুল হাসান ভূঁইয়া, মোহাম্মাদ ওমর ফারুক যুবরাজ, সোয়াদ মাহমুদ লিওন, মাহফুজ কাউসার সাদি, আমজাদ হোসেন, মো. গোলাম সারোয়ার, নাসিমুর সাকিব, অনিক হাসান লিমন, মো. ফারহান তানভীর ফাহিম ও মো. জাহিদুল সর্দার জনিসহ আরও অনেকে।

সংগঠনটির উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, তারেক এ আদেল, জহিরুল ইসলাম মুসা, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন ও আহনাফ সাঈদ খান।

কমিটি অনুমোদনের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক, দায়িত্বশীল ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ছয় মাসের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিকে আরও শক্তিশালী হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইন্দো-প্যাসিফিকে আরও শক্তিশালী হচ্ছে

২০২৬ সালের জুলাইয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় দুই দেশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সম্মত হয়। এই চুক্তিগুলোর মধ্যে সামুদ্রিক ও সাইবার নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং যৌথ সহযোগিতার বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গত দুই দশকের মধ্যে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক বাণিজ্য ও অভিবাসনের সীমা ছাড়িয়ে প্রতিরক্ষা খাতে আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। নিয়মিত সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইন্দো-প্যাসিফিকে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতির প্রতি অনিশ্চয়তা দুই দেশকে আরো কাছাকাছি এনেছে। যোগাযোগ ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও যৌথ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন, সামুদ্রিক নজরদারি এবং সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

কৌশলগত প্রেক্ষাপট

ঐতিহাসিকভাবে, চারটি কারণে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার কৌশলগত সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতে পারেনি। প্রথমত, স্নায়ুযুদ্ধের সময় অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মিত্র ছিল, যেখানে ভারত জোটনিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করলেও ১৯৭১ সালের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এই সময় অস্ট্রেলিয়া ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা সম্পর্ক স্থাপন করে।

দ্বিতীয়ত, ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে আন্তর্জাতিক রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, যা অস্ট্রেলিয়াসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করে।

তৃতীয়ত, দীর্ঘকাল ধরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক সীমিত ছিল।

চতুর্থত, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগের অভাব ছিল। অস্ট্রেলিয়ার ‘হোয়াইট অস্ট্রেলিয়া’ নীতি এই দূরত্বকে আরো বাড়িয়ে দেয়। তবে ২০০০ সালে অস্ট্রেলিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জন হাওয়ার্ডের ভারত সফরের পর সম্পর্ক উন্নতির সূচনা ঘটে। ওই বছর প্রতিরক্ষা আলোচনা শুরু হয় এবং ২০০১ সালে প্রথম কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

২০০৪ সালে সুনামির পর ভারত, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান যৌথভাবে মানবিক সহায়তা প্রদান করে। ২০০৬ সালে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। ২০০৭ সালে প্রথম কোয়াড সংলাপ এবং মালাবার নৌ-মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। তবে ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়া কোয়াড থেকে সরে যায় এবং একই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার কারণে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার উদ্যোগ নেয়। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কঠোর অবস্থান, সাইবার হামলা এবং ২০১৭ সালে ডোকলাম সীমান্তে ভারত-চীন উত্তেজনা এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

২০০৯ সালে দুই দেশ নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়ে প্রথম যৌথ ঘোষণা দেয়। ২০১১ সালে বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু হয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় নিরাপত্তা সহযোগিতার কাঠামো তৈরি হয়। এরপর যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হয়। ২০১৭ সালে কোয়াড পুনরায় সক্রিয় হয় এবং ২০১৮ সালে ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

২০১৯ সালের পর চীনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পায়। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চীনের বাণিজ্য বিরোধ ও সাইবার হামলার ঘটনা এবং ২০২০ সালে ভারত-চীন সীমান্ত সংঘাত দুই দেশের সম্পর্ককে আরো ঘনিষ্ঠ করে। ওই সংঘাতে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হন। এরপর ভারত চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায় ভারত ও অস্ট্রেলিয়া নিজেদের নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দেয়। অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অকাস চুক্তি করে। অন্যদিকে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, মহাকাশ ও উন্নত প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ায়। তবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা নীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হওয়ায় দুই দেশ বিকল্প অংশীদারির দিকে নজর দিচ্ছে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশ ভারত মহাসাগরের দুই প্রান্তে অবস্থিত। তাদের বাণিজ্যের জন্য হরমুজ, মালাক্কাসসহ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখা অপরিহার্য। যৌথভাবে সমুদ্র নিরাপত্তা বৃদ্ধি করলে দুই দেশ নিজেদের উপকূল ও বাণিজ্যপথ সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হবে।

২০২০ সালের পর ভারত-অস্ট্রেলিয়ার কৌশলগত সহযোগিতা

২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি ও স্কট মরিসন পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা সহযোগিতা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০২০ সালে দুই দেশ ‘সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারি’ গড়ে তোলে। পাশাপাশি সামুদ্রিক ও সাইবার নিরাপত্তা, সামরিক সরঞ্জাম ও রসদ সরবরাহ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় একাধিক চুক্তি সম্পন্ন হয়।

২০২১ সালে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা বৈঠক করেন। এ সময় ভারত অস্ট্রেলিয়ার ‘তালিসমান সাবর’ সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করতে সম্মত হয়। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, আধুনিক প্রযুক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও মহাকাশ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

২০২৪ সালে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। একই বছর আকাশে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থাপনা নিয়েও দুই দেশ সমঝোতা করে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় নিয়মিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পাশাপাশি দুই দেশের সামরিক বাহিনীর যৌথ মহড়াও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ১৪টি দ্বিপক্ষীয় এবং ৬৪টি ত্রিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

২০২১ সালে দুই দেশের নৌবাহিনী পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি যৌথ নির্দেশিকা স্বাক্ষর করে। তাদের যৌথ নৌ-মহড়া ‘অসইন্ডেক্স’-এ সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধ ও যুদ্ধবিমান ব্যবহারের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অন্যদিকে স্থলবাহিনীর ‘অস্ত্রাহিন্দ’ মহড়ায় ড্রোন ও ড্রোন প্রতিরোধের কৌশলে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০২৬ সালের মহড়ায় উভচর যুদ্ধ ও উপকূলীয় এলাকায় সামরিক অভিযান পরিচালনার প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

যৌথ উৎপাদন ও সামরিক সহযোগিতার পথে বাধা

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হলেও কিছু সমস্যা এখনও বিদ্যমান। এর মধ্যে নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থার অভাব, সামরিক সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণে জটিলতা এবং দ্রুত ভিসা পাওয়ার সমস্যা অন্তর্ভুক্ত।

অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকায় ভারত-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপক্ষীয় সামরিক কার্যক্রমে অনেক সময় যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানে সমস্যা দেখা দেয়। আবার যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নীতির কারণে সামরিক বিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ ও মেরামতের কাজও জটিল হয়ে পড়ে।

এছাড়া সামরিক মহড়া, বন্দর পরিদর্শন ও অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিতে দুই দেশের সেনাসদস্যদের দ্রুত ভিসা পাওয়ার সুযোগও সীমিত। এসব সমস্যা সমাধান না হলে যৌথ সামরিক অভিযান ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা কঠিন হয়ে পড়বে।

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের উদ্বেগ প্রায় একই। এই সহযোগিতা জোরদার করতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি যৌথভাবে উৎপাদন, সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা, পি-৮ নজরদারি বিমানের পারস্পরিক ব্যবহার এবং নৌযান ও সাবমেরিন মেরামতে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থা, সাঁজোয়া যান ও চালকবিহীন ডুবোযান তৈরিতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হারামিয়া ইউপির চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন চান ফছিউল আলম রহিম ৬৮টি রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণ, ১০ বছরের বেশি সময় ছিলেন কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


হারামিয়া ইউপির চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থন চান ফছিউল আলম রহিম ৬৮টি রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণ, ১০ বছরের বেশি সময় ছিলেন কারাগারে

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার ১৮ নম্বর হারামিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও হারামিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ফছিউল আলম রহিম।
এ উপলক্ষে সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় নিজের বাসভবনে সন্দ্বীপে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এ সময় হারামিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ, নির্যাতন, মামলা ও কারাবরণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ফছিউল আলম রহিম বলেন, ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি সক্রিয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তার পরিবার বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়।
তিনি জানান, ১৯৭৭ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনার পর তার বড় ভাই সৈনিক আবুল কালাম আজাদ ২২ বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত অবস্থায় দোষী সাব্যস্ত হন। পরে তার মা ও বড় ভাই আবুল কাশেমের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার ভাইয়ের প্রাণভিক্ষার আবেদন গ্রহণ করেন। সেই ঘটনা তাদের পরিবারের রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
নিজের ও পরিবারের রাজনৈতিক নির্যাতনের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তাকে ও তার পাঁচ ভাইকে একসঙ্গে গ্রেফতার করা হয়। তার মরহুম ভাই আবুল কাশেম, অহিদুল মাওলা, আবু তাহের ও সামছুল হক বলি মেম্বারসহ পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে কারাবরণ করেন।
ফছিউল আলম রহিমের দাবি, জাতীয় পার্টির শাসনামল থেকে ১৯৯০ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ ১৯টি মামলা দায়ের হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তার বিরুদ্ধে আরও ৪৯টি মামলা করা হয়। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে ৬৮টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি হত্যা মামলা। এসব মামলায় তাকে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে এবং জীবনের ১০ বছরের বেশি সময় কারাগারে কাটাতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি হারামিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, তিনবারের সাবেক সভাপতি, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং হারামিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও জানান, ২০১১ ও ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি তাকে দুইবার দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল। প্রথমবার জাহাজ প্রতীক এবং দ্বিতীয়বার ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। ওই দুই নির্বাচনে ইউনিয়নবাসী তাকে বিপুল ভোটে সমর্থন দিলেও কাঙ্ক্ষিত বিজয় অর্জন করতে পারেননি।
আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পেলে হারামিয়া ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং উপকূলীয় এলাকার সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ফছিউল আলম রহিম। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদকে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত, জনবান্ধব সেবাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলবেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ ও পরিবারের অবদানের মূল্যায়ন করে বিএনপি এবারও তাকে চূড়ান্ত সমর্থন দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে হারামিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ‘গার্ডিয়ান শার্ক’ মহড়া শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ‘গার্ডিয়ান শার্ক’ মহড়া শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ মহড়া ‘গার্ডিয়ান শার্ক’ শুরু হচ্ছে, যা দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এ তথ্য যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র মারা বার্ডের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রামে এই যৌথ মহড়া শুরু হয়েছে, যা আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। মহড়াটিতে খরস্রোতা পানিতে উদ্ধার অভিযান এবং চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দুই বাহিনীর প্রস্তুতি জোরদার করার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি ও সংকট মোকাবেলায় যৌথভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের অভিন্ন কৌশল তৈরি করাই এই মহড়ার মূল লক্ষ্য। অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব পরিস্থিতির আদলে তৈরি বিভিন্ন অনুশীলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিজেদের অভিজ্ঞতা ও কার্যকর পদ্ধতি বিনিময় করবেন। এর মাধ্যমে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন রক্ষায় তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

‘গার্ডিয়ান শার্ক’ মহড়া বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে আঞ্চলিক নিরাপত্তার অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই ধরনের যৌথ মহড়ার মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর হচ্ছে এবং একটি মুক্ত, অবাধ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়ে তোলার অভিন্ন অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%