ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

হংকংয়ে বাংলাদেশি পোশাক খাতের সক্ষমতা তুলে ধরল এইচএসবিসি ও বিজিএমইএ


হংকংয়ে বাংলাদেশি পোশাক খাতের সক্ষমতা তুলে ধরল এইচএসবিসি ও বিজিএমইএ

দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি) বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) সম্প্রতি হংকংয়ে বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো ২০২৬ আয়োজন করেছে। এতে ১৩০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং সোর্সিং প্রফেশনালরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, অংশগ্রহণ করেন। এই আয়োজনে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সক্ষমতা, নতুন সোর্সিং সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

এইচএসবিসি বাংলাদেশ গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে, পণ্যের বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার অনুসন্ধান, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের পরিবর্তনশীল চাহিদাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রোডশোতে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৮ অক্টোবর হংকংয়ের আইল্যান্ড শাংরি-লা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এইচএসবিসির হেড অব গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ব্যাংকিং অলিভার টি জোনস। বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং হংকংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. শাহ মোহাম্মদ তানভীর মনসুর। মোহাম্মদী গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. রুবানা হক ‘হোয়াই বাংলাদেশ: লিগ্যাসি অ্যান্ড দ্য ফিউচার’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

সম্মেলনে ‘কেন বাংলাদেশ থেকে পণ্য সোর্সিং করব’ এবং ‘ক্রেতাদের দৃষ্টিকোণ থেকে’ শীর্ষক দুটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া ‘দ্য বাংলাদেশ কালেক্টিভ’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাকের বৈচিত্র্য, উদ্ভাবন ও আধুনিক প্রযুক্তিগত উৎপাদন সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী ক্রেতা ও উদ্যোক্তাদের মাঝে একটি ফলপ্রসূ নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে বিরোধী শিবিরকে একত্রিত করতে আইজেনকোটের নেতৃত্বে বৈঠক

হংকংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. শাহ মোহাম্মদ তানভীর মনসুর মন্তব্য করেন, তৈরি পোশাকশিল্প আমাদের জাতির প্রাণস্পন্দন ও গভীর অনুরাগের প্রতীক।

এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প এখন আর কেবল বিপুল পরিমাণের উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে টিকে নেই। আমাদের ভবিষ্যৎ উচ্চমূল্যের উদ্ভাবন, টেকসই ব্যবস্থা এবং অতুলনীয় দক্ষতার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখে অযথা শিস বাজানো নিয়ে ইসলামের শরয়ি বিধান ও গুনাহের আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ এম


মুখে অযথা শিস বাজানো নিয়ে ইসলামের শরয়ি বিধান ও গুনাহের আলোচনা

মানুষের জীবন গঠিত হয় বিভিন্ন অভ্যাস, আচরণ এবং দৈনন্দিন ছোট ছোট কর্মকাণ্ডের সমষ্টি দ্বারা। কখনো সচেতনভাবে আবার কখনো অচেতনভাবে আমরা অনেক কিছু করে ফেলি। এর মধ্যে কিছু ভালো, কিছু অনর্থক এবং কিছু শরীয়তের দৃষ্টিতে পরিত্যাজ্য। এমন একটি বিষয় হলো, মনের অজান্তে বা অচেতনভাবে মুখ দিয়ে শিশ বাজানো। প্রশ্ন হল, এতে কি গুনাহ হবে?

ইসলাম মানুষের আচার-আচরণ, সংস্কৃতি ও অভ্যাসের দিকেও সূক্ষ্ম দৃষ্টি দেয়। তাই ইসলামের দৃষ্টিতে কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলো সরাসরি হারাম না হলেও তা অনুচিত, অশোভন বা ফাসেক-ফুজ্জারদের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। অপ্রয়োজনে শিশ বাজানোও সেই ধরনের একটি কাজ হিসেবে আলেমরা বিবেচনা করে থাকেন। কারণ, হাদিসে এসেছে, ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ করে, সে তাদেরই একজন।" (সুনান আবি দাউদ, হাদিস : ৪০৩১)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, মুসলমানের উচিত এমন সব কাজ থেকে বিরত থাকা, যা অসৎ বা অবাধ্য লোকদের সংস্কৃতি ও আচরণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রাচীনকাল থেকে শিস বাজানোকে অনেক সময় ফাসেক-ফুজ্জারদের আমোদ-প্রমোদের অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে। ফিকহের গ্রন্থগুলোতে উল্লেখ আছে যে, নাচ, ঠাট্টা-বিদ্রূপ, হাততালি এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র-যেমন তানবুর, রাবাব, মিজমার ইত্যাদি-এসবকে অপছন্দনীয় (মাকরূহ) বলা হয়েছে।

কারণ এগুলো সাধারণত অশ্লীল বা গুনাহপূর্ণ পরিবেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একইভাবে, এই ধরনের কাজ শোনা বা উপভোগ করাও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। তবে যদি কেউ অনিচ্ছাকৃতভাবে এগুলো শুনে ফেলে, তাহলে তাকে গুনাহগার গণ্য করা হয় না। তবে শর্ত হলো, সে তা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবে। (রাদ্দুল মুহতার, খন্ড : ৯, পৃষ্ঠা : ৫৬৬, কারতাশি ও দারুল ফিকর, খন্ড : ৬, পৃষ্ঠা : ৩৯৫)

এখন প্রশ্ন আসে, মনের অজান্তে যদি মুখ দিয়ে শিশ বের হয়ে যায়, তাহলে কি গুনাহ হবে? এর উত্তর হল, ইসলাম মানুষের ইচ্ছা ও নিয়তকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। যদি কোনো কাজ সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃতভাবে, অভ্যাসবশত বা অজান্তে হয়ে যায়, তাহলে সাধারণত তার জন্য গুনাহ হয় না। কারণ আল্লাহ তাআলা বান্দার উপর এমন কোনো বোঝা চাপান না, যা তার সাধ্যের বাইরে। তবে এটাও সত্য, একজন সচেতন মুসলমানের উচিত নিজের অভ্যাসগুলোকে পরিশুদ্ধ করা এবং ধীরে ধীরে এমন কাজগুলো পরিত্যাগ করা, যা ইসলামী শালীনতা ও আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সুতরাং আমাদের উচিত—নিজের আচরণকে পরিমার্জিত করা, উত্তম অভ্যাস গড়ে তোলা এবং এমন সব কাজ বর্জন করা, যা আমাদের চরিত্র ও ইসলামী পরিচয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে করে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভ করতে পারব। ইনশাআল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের কেশম দ্বীপে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের ঘটনা, মার্কিন হামলার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ এম


ইরানের কেশম দ্বীপে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের ঘটনা, মার্কিন হামলার আশঙ্কা

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপে সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমের ধারণা, বিস্ফোরণের তীব্রতা দেখে দ্বীপের ভেতরে কোনো স্থাপনায় হামলা হয়ে থাকতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, বিস্ফোরণের সময় দ্বীপের আকাশে দুটি বিমান উড়তে দেখা গেছে। তবে ওই বিমানগুলোর পরিচয় কিংবা বিস্ফোরণের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

এছাড়া, দক্ষিণ ইরানের বন্দর লেঙ্গেহ-এর অদূরে জলসীমায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথাও জানিয়েছে সংবাদ সংস্থাটি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলার হুমকির মধ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ, কোন স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে এবং হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে, হরমুজ প্রণালিতে কেশম দ্বীপের কাছে ইলেকট্রনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি এমকিউএম-১৭০ গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) মহাকাশ বাহিনী।

সোমবার রাতে আইআরজিসি মহাকাশ বাহিনী জানায়, কেশম দ্বীপের দক্ষিণে ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোন দুটি ভূপাতিত করা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই মডেলের মার্কিন ড্রোন জব্দের সংখ্যা বর্তমানে চারটিতে দাঁড়িয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে ইরানের হাতে এমকিউএম-১৭০ মডেলের চারটি ড্রোন রয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ ড্রোনও প্রতিহত করার দাবি করেছে আইআরজিসি।

কেশম দ্বীপ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড। পারস্য উপসাগরের প্রবেশমুখের কাছে এবং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথের পাশে অবস্থিত হওয়ায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সামরিক উত্তেজনায় দ্বীপটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

আট মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও নতুন করে সামরিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আলোচনায় থাকা একটি প্রস্তাবিত কাঠামোয় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয় রয়েছে বলে জানা গেছে।

চলমান সংঘাতে এর আগেও কেশম দ্বীপে সামরিক তৎপরতার খবর পাওয়া গেছে। গত ৩০ অক্টোবর ইরানি সংবাদমাধ্যম জানায়, দ্বীপটির কাছে একটি ড্রোন প্রতিহত করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

একই সময়ে, দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আশপাশের এলাকায় বিস্ফোরণ ও সম্ভাব্য আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার তৎপরতার খবর প্রকাশ করে। তবে ওই সপ্তাহে পৃথক একটি ঘটনায় ড্রোনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিষয়ে ইরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী।

এদিকে, ইরানে নতুন করে মার্কিন সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আরও এক দফা হামলার বিষয়টি বিবেচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেরানীগঞ্জে অবৈধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অভিযান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ এম


কেরানীগঞ্জে অবৈধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অভিযান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর চারপাশের নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর অবৈধ শিল্প প্রতিষ্ঠানে একটি সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করছে। সোমবার (২ নভেম্বর) কেরানীগঞ্জের একাধিক ওয়াশিং কারখানায় এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। অভিযানের ফলস্বরূপ ১০টি কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার পরিচালক মাহবুব জামিল জানান, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া এবং ইটিপি বিহীন তরল বর্জ্য নির্গমনকারী বিভিন্ন ডাইং ও ওয়াশিং কারখানায় অভিযান চালানো হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, "ঢাকা শহরের চারপাশে যে নদী পথ, বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও ধলেশ্বরী নদী যেভাবে দূষিত হচ্ছে, এর মূল কারণ হলো অব্যবস্থায় গড়ে ওঠা ফ্যাক্টরিগুলো। ফ্যাক্টরিগুলোর বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। ঢাকা শহরে যে জনবসতি, তাদের জীবনমানে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কিন্তু এই নদীগুলোই গুরুত্বপূর্ণ। এই নদীগুলোকে কিভাবে দূষণ থেকে রক্ষা করা যায় সে জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি সেন্ট্রাল কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির অধীনে তিনটি সাবকমিটি, যার প্রথম কমিটিটি হচ্ছে আমাদের আজকের যে অভিযান পরিচালনা করছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের অনুরোধেও নেতানিয়াহুর সরকারের সদস্য হচ্ছেন না আইজেনকোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ এম


ট্রাম্পের অনুরোধেও নেতানিয়াহুর সরকারের সদস্য হচ্ছেন না আইজেনকোট

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের সদস্য হিসেবে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা গাদি আইজেনকোট, যিনি ইয়ার পার্টির নেতা, তা নাকচ করে দিয়েছেন। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পরও তিনি নেতানিয়াহুর সরকারে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি বলে জানানো হয়েছে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কেএএন থেকে।

সোমবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বেনামি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক গোপন বৈঠকে আইজেনকোট এসব মন্তব্য করেছেন। প্রতিবেদনে তার উদ্ধৃতি উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আমি নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারে বসব না।’

আইজেনকোট আরও জানিয়েছেন, ‘যদি ট্রাম্প আমাকে আমন্ত্রণ জানান, তবে আমি প্রেসিডেন্টকে সম্মান জানিয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করব। তবে আমি তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেব, এটি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ হতে দেব না।’

নেতানিয়াহুর বৃহত্তর সরকার গঠনের আগ্রহ প্রকাশের পর আইজেনকোটের এই বক্তব্য উঠে এসেছে। তবে নেতানিয়াহু শর্ত রেখেছেন যে, নতুন সরকারের নেতৃত্ব দিতে হবে তাকেই। পাশাপাশি, তিনি দেশটির প্রধান দুই আরব দল রা’আম ও জয়েন্ট লিস্টের ওপর নির্ভরশীল কোনো জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনাও নাকচ করেছেন।

গত সপ্তাহের পার্লামেন্ট নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন অর্জন করেছে। অন্যদিকে, ইহুদি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলো ৪৮টি আসন এবং আরব দলগুলো ১৯টি আসন পেয়েছে। ফলে ১২০ সদস্যের নেসেটে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।

নাফতালি বেনেটের টুগেদার পার্টি, ইয়ার গোলানের ডেমোক্র্যাটস এবং আভিগদর লিবারম্যানের ইসরাইল বেইতেনু পার্টি পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য আইজেনকোটের নাম সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদি আরবদের দুটি তালিকার সম্ভাব্য সমর্থন যুক্ত হয়, তবে তার পক্ষে সমর্থন ৬৭ জন আইনপ্রণেতায় পৌঁছাতে পারে।

তবে, আরব দলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে কিংবা তাদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করে গঠিত কোনো সরকারে যোগ দিতে লিবারম্যানের অস্বীকৃতি জোট গঠনের পথে একটি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার থেকে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ পার্লামেন্টের বিভিন্ন দলের সঙ্গে দুই দিনের পরামর্শ শুরু করবেন। এর আগে মঙ্গলবার বিরোধী দলগুলোর নেতাদের বৈঠকে বসার কথা রয়েছে নিজেদের অবস্থান সমন্বয় করার জন্য। সূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%