ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চীন উৎক্ষেপণ করল আরও ৩টি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট


চীন উৎক্ষেপণ করল আরও ৩টি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট

চীনের মহাকাশ কর্মসূচিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে তিনটি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সিচুয়ান প্রদেশের শিচাং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে এই স্যাটেলাইটগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লং মার্চ-২সি ক্যারিয়ার রকেটের মাধ্যমে ইয়াওগান-৫১ সিরিজের ০৭, ০৮ ও ০৯ নম্বর স্যাটেলাইটগুলো মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।

উৎক্ষেপণের পর জানানো হয়েছে যে, তিনটি স্যাটেলাইট সফলভাবে নির্ধারিত কক্ষপথে প্রবেশ করেছে। এগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তড়িৎচৌম্বকীয় পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও শনাক্তকরণের কাজে ব্যবহৃত হবে।

আরও পড়ুন: ইরানে হামলার আশঙ্কার মধ্যে কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোনালাপ

এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমে চীনের লং মার্চ সিরিজের রকেটের ৬৭৫তম মিশন সম্পন্ন হলো।

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর, চীন দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ প্রদেশ হাইনান থেকে নিম্ন কক্ষপথের ইন্টারনেট স্যাটেলাইটের একটি বহর উৎক্ষেপণ করে। সেটি ছিল লং মার্চ রকেট সিরিজের ৬৭৪তম মিশন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে থাকা হাসিনা রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


দিল্লিতে থাকা হাসিনা রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দিল্লিতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না, এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যদি অনুশোচনা প্রকাশ না করেন, তবে বাংলাদেশের জনগণ তাদের রাজনীতিতে ফিরে আসার অনুমতি দেবে না।

শুক্রবার চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বাবুনগরী মাদরাসায় অনুষ্ঠিত এক মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যারা গণহত্যার সঙ্গে জড়িত, তারা এখনও পর্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেনি এবং অনুশোচনা করেনি। যারা গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে গিয়ে দিল্লিতে বসে আছেন, তারা আর কখনো এই দেশে এসে রাজনীতি করার সুযোগ পাবেন না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে আলেম-ওলামাসহ দেশের মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শাপলা চত্বরের ঘটনায় বহু মানুষ শহীদ হয়েছেন, এবং তাদের নাম ও কবরের ঠিকানা এখনো জানা যায়নি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহীদ হয়েছেন। এর আগে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে প্রায় ৩ হাজার মানুষ গুম হয়েছেন এবং প্রায় ৭ হাজার মানুষ বিভিন্নভাবে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। লাখ লাখ মানুষ হামলা, মামলা ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘আমরা কি আবার সেই ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন চাই? যারা গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের পেছনে সেই ফ্যাসিবাদী শক্তির হাত রয়েছে।

ইসলামের নাম ব্যবহার করে রাজনীতি করা একটি দলের সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা নিজেদের ইসলামী দল দাবি করলেও নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলামী শাসনব্যবস্থা বা শরিয়াভিত্তিক আইন প্রতিষ্ঠার কথা বলেনি। মুখে এক কথা বললেও তাদের দলিল-প্রমাণ ভিন্ন কথা বলে। ধর্মের নাম ব্যবহার করে রাজনীতি করে তারা দেশে বিভক্তি সৃষ্টি করছে।

বিএনপির রাজনীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আমরা ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস করি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে বিসমিল্লাহ সংযোজন করেছেন। আমরা সেই দলের পক্ষে রাজনীতি করি, যারা জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে সব জনগোষ্ঠীকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটানো হবে। শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি বাদ দিয়েছিলেন, তিনি উল্লেখ করেন যে, বিএনপি তা পুনঃস্থাপন করবে।

তিনি বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনায় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাসের কথাটি আমরা পুনরায় ধারণ করব, ইনশা আল্লাহ।

আন্দোলনের নামে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমালোচনা ও গঠনমূলক আলোচনা করা যেতে পারে। সরকারকে অসহযোগিতা করা যেতে পারে, কিন্তু দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হবে। একই সঙ্গে আলেম-ওলামা ও কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নেও কাজ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনে সৌদি হামলায় শিশুসহ ৯ নিহত, আহত ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


ইয়েমেনে সৌদি হামলায় শিশুসহ ৯ নিহত, আহত ১৪

ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থানে সৌদি আরবের হামলার ফলে তিনটি শিশু সহ অন্তত ৯ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন।

বৃহস্পতিবার এসব হামলা পরিচালিত হয় ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থানে।

শুক্রবার ভোরে ইয়েমেনের রাজধানী সানার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি হামলায় নিহতদের মধ্যে তিনটি শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হামলায় আহত ১৪ জনের মধ্যে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।

তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু, ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ বা হতাহতদের পরিচয় সম্পর্কে বিবৃতিতে আর কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সঞ্চয় বাড়াতে চান? বিনিয়োগের আগে বিবেচনায় রাখুন ৫ বিষয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


সঞ্চয় বাড়াতে চান? বিনিয়োগের আগে বিবেচনায় রাখুন ৫ বিষয়

হাতে কিছু টাকা জমানোর পর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন মনে আসে—এই টাকা কোথায় বিনিয়োগ করলে লাভ বেশি হবে এবং নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তা থাকবে না? জমি কেনা, ব্যাংকে এফডিআর করা, সঞ্চয়পত্র কেনা অথবা শেয়ারবাজারে ঝুঁকি নেওয়া—কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা নিয়ে অনেকেই দোলাচলে ভোগেন।

বর্তমান বাজারে মূল্যস্ফীতির কারণে টাকা জমিয়ে রাখা একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বড় ব্যবসায়ীরা সহজেই কারখানা স্থাপন কিংবা ব্যবসা বড় করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কিন্তু সাধারণ চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অথবা অবসরপ্রাপ্ত মানুষের জন্য এই হিসাবটা বেশ জটিল হয়ে যায়।

সুতরাং সীমিত সঞ্চয়কে সুরক্ষিত রেখে তা থেকে নিয়মিত আয় এবং ভবিষ্যতের চাহিদা মেটানোই আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত। বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের বিনিয়োগের জন্য বেশ কিছু প্রচলিত মাধ্যম রয়েছে।

সঞ্চয়পত্র: নিশ্চিত রিটার্ন, তবে রয়েছে সীমার বেড়াজাল

যারা কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চান না, তাদের কাছে সঞ্চয়পত্র সবসময়ই প্রথম পছন্দ হয়ে থাকে। এতে সরকারি নিশ্চয়তা থাকায় মুনাফা হারানোর ভয় থাকে না। পরিবার সঞ্চয়পত্র বা পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মতো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১১ শতাংশের বেশি হারে মুনাফা পাওয়া যায়।

তবে সমস্যা হলো, এতে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া আছে। তাই বড় অঙ্কের টাকা পুরোটা এক জায়গায় খাটানো যায় না। এ ছাড়া মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে টাকা তুলতে গেলে মুনাফায় টান পড়তে পারে।

ব্যাংকের এফডিআর: সহজ ও পরিচিত পথ

ব্যাংকের স্থায়ী আমানত বা এফডিআর সাধারণ মানুষের সবচেয়ে চেনা মাধ্যম। নির্দিষ্ট মেয়াদে টাকা জমা রেখে নির্দিষ্ট হার (প্রায় সাড়ে আট শতাংশের কাছাকাছি) মুনাফা পাওয়া যায়। অনেক ব্যাংক আবার এফডিআরের বিপরীতে ঋণ দেওয়ার সুবিধাও দিয়ে থাকে। তবে সব ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা সমান নয়। তাই শুধু বেশি সুদের লোভ না করে ব্যাংকের সুশাসন ও তারল্য পরিস্থিতি যাচাই করে তবেই এফডিআর করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ডাকঘর সঞ্চয়: আস্থার পুরনো ঠিকানা

গ্রামাঞ্চল বা শহর—সবখানেই ডাকঘর সঞ্চয় বেশ জনপ্রিয়। এর মেয়াদি হিসাবে বিনিয়োগ করলে শেষের দিকে প্রায় ১২ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সাধারণ হিসাব ও মেয়াদি হিসাবের শর্তগুলো আলাদা হওয়ায় বিনিয়োগের আগে নিয়মকানুন ভালো করে জেনে নেওয়া জরুরি।

শেয়ারবাজার: উচ্চ আয়ের সম্ভাবনা, তবে রয়েছে ঝুঁকিও

যারা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে চান এবং বাজারের উত্থান-পতন মেনে নেওয়ার মানসিকতা রাখেন, তাদের জন্য শেয়ারবাজার ভালো হতে পারে। ভালো কোম্পানির শেয়ারে লভ্যাংশ ও দাম বাড়ার সুবাদে ভালো রিটার্ন পাওয়া সম্ভব। তবে গুজবে কান দিয়ে বা কোনো রকম পড়াশোনা ছাড়া হুট করে শেয়ারবাজারে নামলে বড় লোকসানের ঝুঁকি থেকেই যায়।

জমি: দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ, কিন্তু টাকা আটকে যাওয়ার ভয়

অনেকেই জমানো টাকা দিয়ে জমি কিনতে পছন্দ করেন। সঠিকভাবে কেনা গেলে জমির দাম যেমন বহুগুণ বাড়তে পারে, তেমনই এটি বড় সম্পদও বটে। তবে এর প্রধান অসুবিধা হলো—এতে একসঙ্গে অনেক টাকার প্রয়োজন হয় এবং বিপদের মুহূর্তে জমি বিক্রি করে রাতারাতি নগদ টাকা পাওয়া কঠিন। পাশাপাশি দলিলপত্র যাচাই না করে জমি কিনলে আইনি ঝামেলায় পড়ার ঝুঁকিও থাকে।

সরকারি ট্রেজারি বিল-বন্ড: নিরাপদ বিকল্প

সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংকের বাইরে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডেও এখন অনেকে বিনিয়োগ করছেন। প্রায় ৯ শতাংশের কাছাকাছি মুনাফা পাওয়া এই মাধ্যমগুলো তুলনামূলক নিরাপদ হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বিক্রি করতে গেলে বাজারদর অনুযায়ী কিছুটা লাভ-লোকসান হতে পারে।

বিনিয়োগের আগে যে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

জরুরি তহবিলের টাকা আলাদা রাখুন: চিকিৎসার বা দৈনন্দিন জরুরি প্রয়োজনের টাকা কখনোই দীর্ঘ মেয়াদে আটকে রাখবেন না। এটি সহজে তোলা যায় এমন হিসাবে রাখুন।

লক্ষ্য স্থির করুন: আপনি কি নিয়মিত আয় চান, নাকি দীর্ঘ মেয়াদে বড় কোনো সম্পদ গড়তে চান—তা আগে ঠিক করুন।

সব টাকা এক জায়গায় নয়: আপনার সমস্ত সঞ্চয় এক খাতে বিনিয়োগ না করে ভাগ করে রাখুন। এতে একটি খাত থেকে ঝুঁকি তৈরি হলেও বাকিগুলো নিরাপদ থাকবে।

লোভে পা দেবেন না: অস্বাভাবিক বেশি মুনাফার আশ্বাসে কোনো অনিয়ম বা গুজবের ফাঁদে পা দেবেন না।

খরচ ও কর হিসাব করুন: শুধু ঘোষিত মুনাফা দেখে খুশি হবেন না; বরং কর, ফি এবং অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে আপনার পকেটে শেষ পর্যন্ত কত আসছে, সেটাই আসল হিসাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


মুন্সীগঞ্জে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর নির্ধারণ

মুন্সীগঞ্জ, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ : মুন্সীগঞ্জ জেলা দেশের অন্যতম আলু উৎপাদনকারী এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে কৃষকদের জন্য প্রধান অর্থকরী ফসল হলো আলু। এই জেলার প্রান্তিক কৃষকরা লাভ-ক্ষতির হিসাব না কষে আলু চাষে নিযুক্ত থাকেন।

আলু চাষ তাদের কাছে একটি নেশার মতো হয়ে উঠেছে। চলতি মৌসুমে জেলায় আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন আলুবীজ এবং সার সরবরাহে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা গত মৌসুমের সমান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সদরে ৯৫৮১ হেক্টর, টংগিবাড়ীতে ৯০৭০ হেক্টর, লৌহজংয়ে ৩১০৯ হেক্টর, সিরাজদিখানে ৮৯৫৮ হেক্টর, গজারিয়ায় ১৯৯৮ হেক্টর এবং শ্রীনগরে ১৯৪৪ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকরা প্রধানত ডায়মন্ড আলু চাষ করেন। ডায়মন্ড আলু খাবারের জন্য ব্যবহৃত হলেও অন্য কোনো পণ্যে এর ব্যবহার নেই, ফলে বাজারে এর চাহিদা কম। প্রাকৃতিকভাবে এই আলু বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায় না। বাড়িতে সংরক্ষণ করলে এটি পচে যায়, যার ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

কৃষকরা চলতি মৌসুমে আলুর পরিবর্তে সরিষা, কালিজিরা, গাজর এবং ধনিয়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। গত কয়েক বছরে কৃষকরা এসব ফসলে লাভবান হয়েছেন। সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের কৃষক আজমির হোসেন বাসসকে জানান, "আগামী ১৫/২০ দিন পর থেকে আলু আবাদের জন্য জমি প্রস্তুতির কাজ শুরু হবে। প্রতি বছর আমি প্রায় ৫ একর জমিতে আলু চাষ করি। চলতি মৌসুমে উঁচু জমিতে আলুর পরিবর্তে সিম, টমেটো এবং সরিষা চাষ করবো।"

মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান বাসসকে জানান, "মুন্সীগঞ্জের কৃষক প্রধানত ডায়মন্ড আলু চাষ করে থাকেন। এ আলুর ফলন ভালো হলেও টেকসই কম।"

ডায়মন্ড আলুর পরিবর্তে বাজারে পর্যাপ্ত সানসাইন ও শান্তানা জাতের আলুর বীজ পাওয়া যাচ্ছে। দামেও সাশ্রয়ী। মানের দিক থেকেও এসব আলুবীজ উন্নত। খাবারের পাশাপাশি চিপসসহ অন্যান্য আলুর তৈরি খাদ্যপণ্যে তা ব্যবহার করা যায়।

মুন্সীগঞ্জ জেলার আলুবীজ ও সার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী সতর্ক করে বলেন, "সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার ও আলুবীজ বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে ডিলারশিপ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" সভায় প্রতিবাক্স আলুবীজের সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%