ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুমিল্লায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ চারজন


কুমিল্লায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ চারজন

কুমিল্লার দেবিদ্বারে মদপান করার পর অসুস্থ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু ঘটেছে, যাদের মধ্যে একজন কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা। এ ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ধান্নারপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগের কথা প্রচার করা হলেও পরে জানা যায়, অতিরিক্ত মদপানের বিষয়টি এর সাথে জড়িত।

নিহতদের মধ্যে একজন হলেন দেবিদ্বার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গুনাইঘর উত্তর পাড়ার বাচ্চু মিয়ার ছেলে সালাউদ্দিন (৩২), যিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য। অপরজন হলেন উপজেলার হাপুড়খাড়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে বাসার খান (৩১)।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

অসুস্থ চারজনের মধ্যে আছেন ধান্নারপাড় এলাকার আতিক (৩৩), শাহীন শাহ (২৮), মোহাম্মদ নাঈম (২৮) এবং এলাহাবাদ গ্রামের অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই রাতে নাঈমের মামার বাড়িতে সালাউদ্দিন, বাসার খানসহ কয়েকজন মদপান করেন। কিছুক্ষণ পরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরদিন প্রতিবেশীরা সালাউদ্দিনকে নিজ ঘরে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পেয়ে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন। দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ অক্টোবর তার মৃত্যু ঘটে।

অন্যদিকে, অসুস্থ বাসার খানকেও প্রথমে দেবিদ্বার ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করার পর ২৫ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। দুই যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অন্য অসুস্থরা গোপনে চিকিৎসা নিতে ঢাকায় যান বলে জানা গেছে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাহমুদুল হাসান তামিম বলেন, ‘নিহত সালাউদ্দিন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কথা জানানো হলেও পরে অতিরিক্ত মদপানের কারণে মৃত্যুর বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। পরিবার বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করছে।’

আরও পড়ুন: মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতদের পরিবারের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মৃত্যুর ঘটনা সত্য। মাদকসংশ্লিষ্ট বিষয় হওয়ায় সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার আশঙ্কায় পরিবার হয়তো বিষয়টি গোপন রেখেছে। মরদেহ দাফনের পর সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমাও সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন বলে জানান।

আরও পড়ুন: গফরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জহিরুল ইসলামের মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাথা উঁচু করে আত্মমর্যাদার নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


মাথা উঁচু করে আত্মমর্যাদার নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের প্রশংসা অর্জন করছেন, ইসলামী নীতি ও ঈমানী দৃঢ়তা বজায় রেখে এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও সামনে মাথা নত না করার জন্য। সম্প্রতি টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যালয় ‘কান্তে’-তে উষ্ণ অভ্যর্থনা গ্রহণকালে তিনি জাপানের পতাকার সামনে মাথা নোয়াননি। স্বাগতিক প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বিনয়ের সাথে মাথা নত করে অভিবাদন জানালেও, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আত্মমর্যাদা ও ইসলামী মূল্যবোধ বজায় রেখে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে তা গ্রহণ করেন।

এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে প্রশংসার ঢল বইছে। ইসলামী আকীদা ও তৌহিদী চেতনায় বিশ্বাসী বাংলাদেশী নাগরিকরা এটি এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও সামনে মাথা নত না করার অদম্য ঈমানী অবস্থানের প্রতীক হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, এই দৃশ্য অতীতের স্মৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছে পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার কথা, যিনি পূর্বে জাপান সফরকালে স্বাগতিক নেতাদের ও ভিনদেশের পতাকার সামনে নিচু হয়ে মাথা নত করে রুকু সদৃশ ভঙ্গিতে অভিবাদন জানিয়ে ইসলামী আকিদা ও দেশীয় জাতীয় আত্মমর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছিলেন। অতীতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে সরকারপ্রধানদের অতিরিক্ত নতজানু আচরণ জাতিকে হতাশ করেছে, কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাথা উঁচু করে দেশের স্বকীয়তা ও অহংকার বজায় রেখেছেন।

ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও সাধারণ নাগরিকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর এই নীতিগত অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, “একেই বলে মুসলিম। একজন প্রকৃত মুসলিম এক আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথা নত করে না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখে শিক্ষা নেওয়া উচিত।”

অন্য একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানানো প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। তবে সম্মান দেখাতে গিয়ে রুকু বা সিজদার ন্যায় ভঙ্গি করে কোনো সৃষ্টি বা প্রতীকের সামনে মাথা নোয়ানো ইসলামী শরিয়তে স্পষ্ট শিরক ও তাওহীদের পরিপন্থী। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে সঠিক কাজটাই করেছেন।”

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্য কেউ হলে হয়তো বিদেশিদের খুশি করার জন্য খানিকটা হলেও মাথা নত করত। কিন্তু তিনি একজন মুসলমান ও স্বাধীন দেশের প্রতিনিধি হিসেবে মর্যাদার সাথে নিজ অবস্থান ধরে রেখেছেন। আপনাকে পেয়ে বাংলাদেশ আজ গর্বিত।”

বিশ্লেষকদের মতে, জাপানে চারদিনের সরকারি সফল সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাথে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময়ের পাশাপাশি জাতীয় মর্যাদা সমুন্নত রেখেছেন। একপাক্ষিক নতজানু কূটনীতির বিপরীতে স্বকীয়তা ও ধর্মীয় অনুভূতির সম্মান বজায় রাখার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন—আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কারও সামনে মাথা নোয়াবে না, কেবল মহান সৃষ্টিকর্তার সামনেই নত হবে। তোষামোদ বা অতিরিক্ত বিনয়ের নামে আত্মমর্যাদাহীন আচরণ বাদ দিয়ে তাঁর এই মাথা উঁচু করে চলার নীতি দেশবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবদুল আল-সাইয়েদের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণা, মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


আবদুল আল-সাইয়েদের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণা, মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে লক্ষ্য করে ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য এবং বিদ্বেষমূলক প্রচারণার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় মুসলিম ও আরব-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সত্ত্বেও, তারা রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেছেন।

ডেট্রয়েটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনি সমাবেশের বাইরে ডানপন্থি উসকানিদাতা জেক ল্যাং বুলহর্নে মুসলিমবিরোধী স্লোগান দেন। তার সহযোগীদের হাতে ছিল ক্রুসেডের প্রতীকসংবলিত সামগ্রী এবং রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইক রজার্সের নির্বাচনি প্রচারপত্র। ল্যাং মুসলমানদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

আরব ও মুসলিম অধিকারকর্মী সুহাইলা আমেন মন্তব্য করেছেন, মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ বর্তমানে নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। তার মতে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরবর্তী সময়ের পরিস্থিতি বর্তমানের তুলনায় অনেক সহজ ছিল।

ডেট্রয়েটের উপশহর ডিয়ারবর্নের মেয়র আবদুল্লাহ হামুদ জানিয়েছেন, শহরটিতে প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, জরুরি নম্বর এবং ফোনকলের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তবে মুসলমানরা এসব হুমকির মুখে ভীত না হয়ে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হচ্ছে। হামুদের মতে, বিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে আবদুল আল-সাইয়েদকে সিনেটে পাঠানো হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার এল-সাইদের নাম বিকৃত করে উচ্চারণ করেছেন এবং তাকে ‘জিহাদি’ বলে অভিহিত করেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সও আল-সাইয়েদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুড, হামাস, হিজবুল্লাহ এবং ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

ট্রাম্পের স্বাস্থ্যবিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র আরবদের সাহিত্য ও বিজ্ঞানে অবদান নিয়েও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। সিনেটর টেড ক্রুজ আল-সাইয়েদকে ‘জিহাদি লেপ্রেচন’ বলে কটাক্ষ করেছেন এবং তার সম্ভাব্য সিনেট গোয়েন্দা কমিটিতে থাকা নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলেছেন।

অন্যদিকে, আল-সাইয়েদ এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক মনোযোগ সরানোর কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি মিশিগানে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা একজন চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্যবিষয়ক ডক্টরেটধারী। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।

মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির সম্ভাব্য ভোটারদের ওপর পরিচালিত এক জরিপে ৩৮ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, কোনো প্রার্থী মুসলিম হলে তাকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ কমতে পারে।

মাইক রজার্সের পক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে ট্রাম্প প্রায় দুই ঘণ্টার বক্তব্যের বড় অংশজুড়ে আল-সাইয়েদকে আক্রমণ করেন। সমাবেশে কয়েকজন অংশগ্রহণকারী তাকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে স্লোগান দেন।

৯/১১ হামলায় ছেলেকে হারানো ট্রাম্পসমর্থক ডেভিড বিমার এল-সাইদের মার্কিন পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার বক্তব্য, জন্মসনদ থাকলেই কেউ প্রকৃত আমেরিকান হয়ে যায় না।

এদিকে, ডেট্রয়েটের মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বলছেন, নির্বাচনি প্রচারণার নামে এ ধরনের বক্তব্য শুধু একজন প্রার্থীকে নয়, পুরো সম্প্রদায়কে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব জানিয়েছেন, বর্ণবাদী বিজ্ঞাপন ও বক্তব্যের কারণে নিজের দুই সন্তানকে নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন।

‘আমরা এই দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ’

মুসলিম অধিকারকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক বিতর্কের আড়ালে আরব ও মুসলিম আমেরিকানদের বহিরাগত হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগত ব্যর্থতা, ইরান যুদ্ধ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয় থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতেও মুসলিম সম্প্রদায়কে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।

আমেরিকান মুসলিমস ফর প্যালেস্টাইনের যোগাযোগ পরিচালক আবদেলহালিম আবদেলরহমান বলেন, এল-সাইদের মুসলিম পরিচয় ও নামকে সন্দেহের কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, যা স্পষ্ট ইসলামবিদ্বেষ।

সুহাইলা আমেন বলেন, প্রেসিডেন্টের মতো ক্ষমতাধর ব্যক্তি যখন মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তখন তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বৈষম্যকে উৎসাহিত করে।

তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের পছন্দ হোক বা না হোক, আমরা এই দেশের সামাজিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

অন্যদিকে, ট্রাম্পের সমাবেশে অংশ নেওয়া রিপাবলিকান সমর্থক ব্রায়ান প্যানেবেকার বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লেও ভোটারদের একজন ‘সমাজতান্ত্রিক ইসলামপন্থি’ প্রার্থীকে সমর্থন করা উচিত হবে না।

তবে স্থানীয় নেতারা বলছেন, ভয় ও বিদ্বেষের জবাব তারা রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, ঐক্য এবং নাগরিক অধিকার চর্চার মধ্য দিয়েই দেবেন।

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই হলে আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না: শুভেন্দু অধিকারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাই হলে আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না: শুভেন্দু অধিকারী

পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ের ঘটনা ঘটলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, গরু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য পবিত্র। তাই এর ক্ষতি হলে তা বরদাশত করা হবে না। একই সঙ্গে তিনি কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর এবং হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় এসব মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘গোমাতার বিরুদ্ধে যেন কেউ হাত না তোলে। কারও গোমাতার ক্ষতি করা উচিত নয়। আমি স্পষ্ট করে বলছি, এমন ঘটনা ঘটলে আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না।’

সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে শুভেন্দু বলেন, সেখানে অবৈধ মাদরাসা থাকতে দেওয়া হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, জাতীয়তাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশকারীদের হোল্ডিং সেন্টারে রাখার পর বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

শুভেন্দু জানান, উত্তর দিনাজপুর জেলায় সিএএর আওতায় নাগরিকত্বের জন্য প্রায় ৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তিনি জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এসব আবেদনের শুনানি শেষ করতে। যোগ্য আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী জানুয়ারিতে ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

বাংলাদেশ থেকে আসা কোনো হিন্দু শরণার্থী যেন কারাগারে আটক না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন শুভেন্দু। এ বিষয়ে রাজ্যের আইনমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বসনিয়ায় ইইউ মিশনের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ পি.এম


বসনিয়ায় ইইউ মিশনের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৪

বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের শান্তিরক্ষা মিশনের অধীনে দায়িত্ব পালনরত একটি ইতালীয় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, যেখানে জানা যায় যে, এই দুর্ঘটনায় চারজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে দুজন ইতালীয় সেনাবাহিনীর সদস্য এবং দুজন ইতালীয় রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক সামরিক কোরের সদস্য ছিলেন। আহত ১১ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে কারও অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয়। হেলিকপ্টারটিতে মোট ১৫ জন আরোহী ছিলেন।

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো মন্তব্য করেন, ‘এই গভীর শোকের মুহূর্তে, আমার প্রথম ভাবনা নিহতদের পরিবারের প্রতি। আমি তাদের প্রতি এবং পুরো প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যক্তিগত সমবেদনা জানাচ্ছি।’

সংবাদ সংস্থা আনসা জানিয়েছে, ব্রকো জেলার গোরিচে গ্রামে এই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একটি সামরিক পরিবহন হেলিকপ্টার মাটিতে উল্টে পড়ে আছে এবং সেটি টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।

হেলিকপ্টারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফোর্সের অপারেশন আলথিয়ার অংশ হিসেবে নিয়োজিত ছিল। এই মিশনটি ডেটন শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকি করে থাকে।

ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটি কেন বিধ্বস্ত হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে তদন্ত চলছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: রয়টার্স

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%