শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৪৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদকে লক্ষ্য করে ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য এবং বিদ্বেষমূলক প্রচারণার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় মুসলিম ও আরব-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সত্ত্বেও, তারা রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেছেন।
ডেট্রয়েটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনি সমাবেশের বাইরে ডানপন্থি উসকানিদাতা জেক ল্যাং বুলহর্নে মুসলিমবিরোধী স্লোগান দেন। তার সহযোগীদের হাতে ছিল ক্রুসেডের প্রতীকসংবলিত সামগ্রী এবং রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইক রজার্সের নির্বাচনি প্রচারপত্র। ল্যাং মুসলমানদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
আরব ও মুসলিম অধিকারকর্মী সুহাইলা আমেন মন্তব্য করেছেন, মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ বর্তমানে নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। তার মতে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরবর্তী সময়ের পরিস্থিতি বর্তমানের তুলনায় অনেক সহজ ছিল।
ডেট্রয়েটের উপশহর ডিয়ারবর্নের মেয়র আবদুল্লাহ হামুদ জানিয়েছেন, শহরটিতে প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, জরুরি নম্বর এবং ফোনকলের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তবে মুসলমানরা এসব হুমকির মুখে ভীত না হয়ে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হচ্ছে। হামুদের মতে, বিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে আবদুল আল-সাইয়েদকে সিনেটে পাঠানো হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার এল-সাইদের নাম বিকৃত করে উচ্চারণ করেছেন এবং তাকে ‘জিহাদি’ বলে অভিহিত করেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সও আল-সাইয়েদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুড, হামাস, হিজবুল্লাহ এবং ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
ট্রাম্পের স্বাস্থ্যবিষয়ক মন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র আরবদের সাহিত্য ও বিজ্ঞানে অবদান নিয়েও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। সিনেটর টেড ক্রুজ আল-সাইয়েদকে ‘জিহাদি লেপ্রেচন’ বলে কটাক্ষ করেছেন এবং তার সম্ভাব্য সিনেট গোয়েন্দা কমিটিতে থাকা নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলেছেন।
অন্যদিকে, আল-সাইয়েদ এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক মনোযোগ সরানোর কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি মিশিগানে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা একজন চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্যবিষয়ক ডক্টরেটধারী। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির সম্ভাব্য ভোটারদের ওপর পরিচালিত এক জরিপে ৩৮ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, কোনো প্রার্থী মুসলিম হলে তাকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ কমতে পারে।
মাইক রজার্সের পক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে ট্রাম্প প্রায় দুই ঘণ্টার বক্তব্যের বড় অংশজুড়ে আল-সাইয়েদকে আক্রমণ করেন। সমাবেশে কয়েকজন অংশগ্রহণকারী তাকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে স্লোগান দেন।
৯/১১ হামলায় ছেলেকে হারানো ট্রাম্পসমর্থক ডেভিড বিমার এল-সাইদের মার্কিন পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার বক্তব্য, জন্মসনদ থাকলেই কেউ প্রকৃত আমেরিকান হয়ে যায় না।
এদিকে, ডেট্রয়েটের মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বলছেন, নির্বাচনি প্রচারণার নামে এ ধরনের বক্তব্য শুধু একজন প্রার্থীকে নয়, পুরো সম্প্রদায়কে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব জানিয়েছেন, বর্ণবাদী বিজ্ঞাপন ও বক্তব্যের কারণে নিজের দুই সন্তানকে নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন।
‘আমরা এই দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ’
মুসলিম অধিকারকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক বিতর্কের আড়ালে আরব ও মুসলিম আমেরিকানদের বহিরাগত হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিগত ব্যর্থতা, ইরান যুদ্ধ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মতো বিষয় থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতেও মুসলিম সম্প্রদায়কে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।
আমেরিকান মুসলিমস ফর প্যালেস্টাইনের যোগাযোগ পরিচালক আবদেলহালিম আবদেলরহমান বলেন, এল-সাইদের মুসলিম পরিচয় ও নামকে সন্দেহের কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, যা স্পষ্ট ইসলামবিদ্বেষ।
সুহাইলা আমেন বলেন, প্রেসিডেন্টের মতো ক্ষমতাধর ব্যক্তি যখন মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন, তখন তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বৈষম্যকে উৎসাহিত করে।
তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের পছন্দ হোক বা না হোক, আমরা এই দেশের সামাজিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ।’
অন্যদিকে, ট্রাম্পের সমাবেশে অংশ নেওয়া রিপাবলিকান সমর্থক ব্রায়ান প্যানেবেকার বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লেও ভোটারদের একজন ‘সমাজতান্ত্রিক ইসলামপন্থি’ প্রার্থীকে সমর্থন করা উচিত হবে না।
তবে স্থানীয় নেতারা বলছেন, ভয় ও বিদ্বেষের জবাব তারা রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, ঐক্য এবং নাগরিক অধিকার চর্চার মধ্য দিয়েই দেবেন।
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ের ঘটনা ঘটলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, গরু হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য পবিত্র। তাই এর ক্ষতি হলে তা বরদাশত করা হবে না। একই সঙ্গে তিনি কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর এবং হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় এসব মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘গোমাতার বিরুদ্ধে যেন কেউ হাত না তোলে। কারও গোমাতার ক্ষতি করা উচিত নয়। আমি স্পষ্ট করে বলছি, এমন ঘটনা ঘটলে আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না।’
সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে শুভেন্দু বলেন, সেখানে অবৈধ মাদরাসা থাকতে দেওয়া হবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, জাতীয়তাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশকারীদের হোল্ডিং সেন্টারে রাখার পর বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
শুভেন্দু জানান, উত্তর দিনাজপুর জেলায় সিএএর আওতায় নাগরিকত্বের জন্য প্রায় ৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তিনি জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এসব আবেদনের শুনানি শেষ করতে। যোগ্য আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী জানুয়ারিতে ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
বাংলাদেশ থেকে আসা কোনো হিন্দু শরণার্থী যেন কারাগারে আটক না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন শুভেন্দু। এ বিষয়ে রাজ্যের আইনমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের শান্তিরক্ষা মিশনের অধীনে দায়িত্ব পালনরত একটি ইতালীয় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে, যেখানে জানা যায় যে, এই দুর্ঘটনায় চারজন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে দুজন ইতালীয় সেনাবাহিনীর সদস্য এবং দুজন ইতালীয় রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক সামরিক কোরের সদস্য ছিলেন। আহত ১১ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে কারও অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয়। হেলিকপ্টারটিতে মোট ১৫ জন আরোহী ছিলেন।
ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো মন্তব্য করেন, ‘এই গভীর শোকের মুহূর্তে, আমার প্রথম ভাবনা নিহতদের পরিবারের প্রতি। আমি তাদের প্রতি এবং পুরো প্রতিরক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যক্তিগত সমবেদনা জানাচ্ছি।’
সংবাদ সংস্থা আনসা জানিয়েছে, ব্রকো জেলার গোরিচে গ্রামে এই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একটি সামরিক পরিবহন হেলিকপ্টার মাটিতে উল্টে পড়ে আছে এবং সেটি টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।
হেলিকপ্টারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফোর্সের অপারেশন আলথিয়ার অংশ হিসেবে নিয়োজিত ছিল। এই মিশনটি ডেটন শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকি করে থাকে।
ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটি কেন বিধ্বস্ত হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে তদন্ত চলছে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের শিবচরে একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে অবস্থিত গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাকিবুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার সন্ন্যাসীরচর এলাকায়।
নিহত রাকিবুল ইসলাম ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরমানাইর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের পুত্র।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে খাসেরহাট বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন রাকিবুল। শিবচর উপজেলার সন্ন্যাসীরচর এলাকায় পৌঁছানোর পর তিনি সামনে থাকা আরেকটি মোটরসাইকেলকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। এ সময় তার মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিবচর হাইওয়ে থানার ওসি মিজানুর রহমান দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভী (পীর সাহেব বরুণা) মন্তব্য করেছেন যে, সমাজ সংস্কার সম্ভব নয় যদি না আত্মশুদ্ধির মেহনত করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের পরিপূর্ণ গোলামি কেবল আত্মশুদ্ধির মাধ্যমেই অর্জন করা যেতে পারে। সাহাবায়ে কেরাম ইসলাম গ্রহণের পূর্বে যেসব গোনাহে লিপ্ত ছিলেন, ইসলাম গ্রহণের পর আত্মশুদ্ধির মেহনতের মাধ্যমে তারা সোনার মানুষে পরিণত হয়েছেন। বর্তমান সমাজে বিদ্যমান অনাচার, হত্যা, দুর্নীতি ও অরাজকতা আত্মশুদ্ধির মেহনতের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব হবে।
আজ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ৮২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আজিমুশশান ইসলাহী ইজতেমার উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ শুক্রবার বাদ ফজর থেকে শুরু হওয়া ইজতেমায় আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বর্তমানে এলজিবিটিকিউ এবং ট্রান্সজেন্ডারকে বিভিন্নভাবে প্রমোট করা হচ্ছে। এই অভিশপ্ত ঘৃণ্য কাজ সমাজে ছড়িয়ে দিতে নানাবিধ চক্রান্ত চলছে। যেকোনো মূল্যে এসব রুখে দিতে হবে।
পীর সাহেব বরুণা আরও বলেন, নব্বই ভাগ মুসলমানের এই দেশে মুসলমানের সন্তানদের ঈমান-আমলের হেফাজতের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা উচিত এবং ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্র যদি সঠিক দায়িত্ব পালন না করে, তবে আমাদের দায়িত্ব, আমাদের সন্তানদের ফরজে আইন পরিমাণ দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করা।
ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পীর সাহেব বরুণার ভক্ত-মুরিদানরা বাস ও ট্রেন ভর্তি করে ফজরের আগেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পৌঁছান। শেষ রাতে তাহাজ্জুদ, জিকির-আজকার ও রোনাজারির আমলে মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত ঢল নামে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পীর সাহেব বরুণার ইমামতিতে অনুষ্ঠিত হবে বৃহৎ জুমার জামাত। লক্ষাধিক মুসল্লি এতে অংশগ্রহণ করবেন।
আঞ্জুমানের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি শেখ সাদ আহমদ আমীন বর্ণভী, মুফতি ওয়াজেদ আলী এবং মুফতি ফয়জুল্লাহ আশরাফীর সঞ্চালনায় ইতিমধ্যেই বয়ান করেছেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন, মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা আকরাম আলী ফরিদপুরী, মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ