ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

“ভুল আইভিএফের ঘটনায় নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করছেন মার্কিন দম্পতি”


“ভুল আইভিএফের ঘটনায় নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করছেন মার্কিন দম্পতি”

যুক্তরাষ্ট্রে আইভিএফ পদ্ধতির ভুলের কারণে জন্ম নেওয়া একটি শিশুকে ঘিরে অস্বাভাবিক ও জটিল এক আইনি পরিস্থিতির অবসান ঘটেছে। শুরুতে মামলা হলেও শেষ পর্যন্ত এক দম্পতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জৈবিকভাবে তাদের না হলেও তারা শিশুটিকে নিজেদের কাছেই রেখে বড় করবেন।

ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছেন স্টিভেন মিলস এবং টিফানি স্কোর। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর তারা একটি কন্যাশিশুর বাবা-মা হন। তবে জন্মের কিছুদিন পরই তাদের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। কারণ দম্পতি দুজনেই শ্বেতাঙ্গ হলেও শিশুটির শারীরিক বৈশিষ্ট্য তাদের সঙ্গে মিলছিল না।

পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও পরীক্ষার পর জানা যায়, শিশুটির সঙ্গে তাদের কোনো জৈবিক সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ আইভিএফ প্রক্রিয়ার সময় বড় ধরনের একটি ভুল হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এই ঘটনার পর তারা ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরের একটি ফার্টিলিটি ক্লিনিক এবং এর প্রধান চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আরও পড়ুন: জানা গেল মার্কিন নির্বাচনে হিজাবি নারীদের পরিচয়

দম্পতির অভিযোগ, ২০২০ সালে তাদের শুক্রাণু ও ডিম্বাণু ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভ্রূণ ভুলভাবে অন্য এক নারীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। সেই নারী এখন সেই শিশুটিকে জন্ম দিয়ে বড় করছেন, যে শিশুটি জৈবিকভাবে মিলস ও স্কোর দম্পতির সন্তান।

পরবর্তী সময়ে আইনজীবীরা জানান, শিশুটির জৈবিক বাবা-মাকে শনাক্ত করা হয়েছে। আদালতের নথিতে তাদের পরিচয় গোপন রেখে শুধু টপেশেন্ট ০০৪' হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

শুক্রবার আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে জানানো হয়, দুই পক্ষের মধ্যে একটি যৌথ অভিভাবকত্ব চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, স্টিভেন মিলস ও টিফানি স্কোরকেই শিশুটির স্থায়ী অভিভাবক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে অন্য পক্ষের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: শ্রমিক আন্দোলনের নামে নৈরাজ্যের চেষ্টা চলছে: নুর

শিশুটির জৈবিক বাবা-মা জানিয়েছেন, তারা শিশুটির জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। একই সঙ্গে তারা স্বীকার করেছেন, এই ঘটনায় কোনো পক্ষেরই সরাসরি দোষ নেই এবং এটি দুই পরিবারের জন্যই অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

সোমবার আদালত শুনানিতে বিচারক মার্গারেট শ্রাইবার এই সমঝোতাকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, শিশুটি এখনো খুব ছোট, এই পর্যায়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো দুই পক্ষের জন্যই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত।

মামলা শুরুর পর থেকেই দম্পতি বলে আসছিলেন, তারা শিশুটিকে বড় করতে প্রস্তুত। তবে তাদের মতে, শিশুটিকে তার জৈবিক বাবা-মায়ের সঙ্গে মিলিত করা এবং তারা চাইলে শিশুটিকে তাদের কাছে তুলে দেওয়া নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।

সে সময় তাদের আইনজীবী বলেছিলেন, তারা এই শিশুটিকে খুব ভালোবেসে ফেলেছেন। তারা খুব খুশি হতেন যদি এই শিশুটিকে নিজেরাই বড় করতে পারতেন। কিন্তু তাদের চিন্তা ছিল যে সে অন্য কারো সন্তান। যে কোনো সময় কেউ এসে শিশুটিকে নিজের বলে দাবি করতে পারে এবং তাকে তাদের কাছ থেকে নিয়েও যেতে পারে।

আরও পড়ুন: ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম মুসলিম নারী ভিপি নাশরাকে সাদিক কায়েমের অভিনন্দন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“কুড়িগ্রামে টেকসই কৃষি নিয়ে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


“কুড়িগ্রামে টেকসই কৃষি নিয়ে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত”

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় "টেকসই কৃষি ও কৃষক সম্মেলন-২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে লুমিনাস গ্রুপের আয়োজনে উপজেলার সিংগারডাবড়ীহাট শিশু নিকেতন মাঠে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে লুমিনাস ওয়ার্ল্ড এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুড়িগ্রাম জেলা যুবদল সভাপতি নাসিম পারভেজ তারা।

এতে খায়রুল বাবু ও রায়হান রাজুর যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, লুমিনাস ওয়ার্ল্ডের পরিচালক আবু ইউসুফ আলী, লুমিনাস এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের ডিরেক্টর কৃষিবিদ মমিনুল ইসলাম মোনেম, লুমিনাস গ্রুপের কনসালটেন্ট ডক্টর নুর হোসেন, লুমিনাস গ্রুপের ডিরেক্টর এডমিন আনোয়ার হোসেন, লুমিনাস গ্রুপের ডিরেক্টর রুহুল আমীন, রাজারহাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও প্রেসক্লাব রাজারহাটের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, রাজারহাট থানা সেকেন্ড অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নয়ন আলী, লুমিনাস গ্রুপের ডিরেক্টর আর,এম রাসেল, লুমিনাস ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ। এতে বিভিন্ন এলাকার কয়েক শত কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টেকসই কৃষি ব্যবস্থার বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষকদের সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, কৃষিতে জৈব সার ব্যবহারের গুরুত্ব, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাড়ানো গেলে উৎপাদন খরচ কমিয়ে অধিক ফলন অর্জন সম্ভব হবে।

সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে আয়োজকরা কৃষি খাতে গবেষণা, প্রযুক্তি সম্প্রসারণ এবং কৃষকবান্ধব নীতিমালা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“শিক্ষকেরাই পারেন জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপ দিতে: এহছানুল হক মিলন”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


“শিক্ষকেরাই পারেন জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপ দিতে: এহছানুল হক মিলন”

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের দেশে বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং এটি জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে পারেন শিক্ষকেরাই।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিন অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন,

শিক্ষা খাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ শতাংশ বাজেট দিয়েছেন যেটা আমাদের কার্যকর করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকেরাই। আমাদের এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য শুধু উচ্চ শিক্ষাই নয়, কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও প্রয়োজন।

ডিন অ্যাওয়ার্ড একটি অর্থবহ পুরস্কার-এ কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজকে যারা এ পুরস্কার পেলেন তারা অনুপ্রাণিত হলেন। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে এটি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন-এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,

অনেকেই শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্বলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তবে আমরা কাজ করছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবার ক্ষমতায় এসে কাজ করা হচ্ছে। যেন শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো আঘাত না আসে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। এ কারণেই তিনি এ খাতে ৫ শতাংশ বাজেট রেখেছেন।

আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগের দিকে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন, আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি-এ কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন,

বিগত সরকার চেয়েছিলো শিক্ষাকে ধ্বংস করে দিতে, সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। আজকে আমরা যে নেতা পেয়েছি তা আমরা আর পাব কিনা জানি না। সারা দেশকে আনন্দমুখর পরিবেশে শিক্ষাব্যবস্থাকে নিয়ে যেতে চাই। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।

হল, ছাত্রাবাস তৈরি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করা হবে আর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর বৃদ্ধি পেলে বিশ্ববিদ্যালয়টি আরো সুন্দর হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে বলেও তিনি জানান।

এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ১০৪ জনকে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ১৭, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স ২৯, আইন অনুষদ ৩ জন, চারুকলা থেকে ৩ জনকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“স্বপ্নের সূত্রে কবর খুঁড়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেলেন স্বজনরা”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


“স্বপ্নের সূত্রে কবর খুঁড়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেলেন স্বজনরা”

ভোলা সদর উপজেলায় দাফনের ১৮ দিন পর মৃত মরিয়ম (২০) নামে এক তরুণীর কবর খুঁড়েছেন স্বজনরা, আরও ঠিক জানানো হয়নি তার স্থানে কি দেখেছেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে, উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চর রমেশ গ্রামের হোসেন লাহারি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত মরিয়ম ওই বাড়ির প্রবাসী দিনমজুর খলিল লাহারি-তাসনুর বেগম দম্পতির কন্যা।

জানা গেছে, মরিয়ম বাবার সংসারের অভাব দূর করতে গত কয়েক বছর আগে চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টসে পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। গত ২৬ মে ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তার পরিবার তাকে চিকিৎসার জন্য বাড়িতে রেখে দেন। চিকিৎসার সময় ২৮ জুন ভোরে, ঈদের দিন, তিনি নিজেদের বসতঘরে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ঈদের নামাজ শেষে বাড়ির সামনের মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পুকুর পাড়ের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে, দাফনের কয়েকদিন পরে কবরটি থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে বলে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে আলোচনা শুরু হয় তরুণীর কবরটি। প্রতিদিন উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমাতে শুরু করেন।

স্থানীয় পাঞ্জেখানা মসজিদের ইমাম আবুল কাশেম গণমাধ্যমকে জানান, আমি মরিয়মের জানাজা নামাজ পড়িয়েছি। সম্প্রতি স্বজনরা জানিয়েছিলেন, মরিয়ম তার ভাই হাসান ও ছোট বোনকে স্বপ্নে জানান যে তিনি কবরের মধ্যে জীবিত আছেন এবং তাকে জীবিত দাফন করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় অন্যান্য আলেমদের সঙ্গে আলোচনা করলে তারা জানান, এটি অবাস্তব।

অন্যদিকে, কবর থেকে সুগন্ধি বের হওয়ার সম্পর্কে জানালে তারা কবরটির উপরে পুনরায় মাটি দেওয়ার ফতোয়া দিলে স্বজনরা মাটি দেন।

আরও জানা গেছে, সর্বশেষ মঙ্গলবার বিকেলে স্বজনরা প্রায় ৩০০ মানুষের উপস্থিতিতে কবরটি খুঁড়ে দেখেন, কবরের ভেতরে মরিয়মের মরদেহটিতে পচন ধরেছে। পরে পুনরায় কবরটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, যেহেতু মরিয়ম তার সংসারের উপার্জনক্ষমদের মধ্যে একজন ছিলেন, তাই তার স্বজনরা মরিয়মকে নিয়ে মৃত্যুর পর অতিরিক্ত চিন্তাভাবনার ফলে ঘুমের মধ্যে এরকম স্বপ্ন দেখতে পারেন।

পুনরায় কবর খোঁড়ার কাজে সহযোগিতা করা স্থানীয় বাসিন্দা মো. কালু বলেন, মরিয়মের স্বজনরা তার কবর খুঁড়েছেন মূলত জানার জন্য তিনি বেঁচে আছেন কিনা। আমিও তাদেরকে সহযোগিতা করেছি কবর খুঁড়তে। কবর খোঁড়ার পর স্বজনরা দেখেন তিনি মৃত অবস্থায় রয়েছেন, কবর খোঁড়ার পর কবরের ভেতর থেকে কোন সুগন্ধির ঘ্রাণ আমি পাইনি।

এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, মরিয়মের স্বজনরা থানায় এসে জানিয়েছিলেন যে তার কবর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে এবং তারা স্বপ্নে দেখেছেন তিনি কবরের মধ্যে জীবিত আছেন। আমি তাদেরকে বলেছি- যদি আপনারা কবর খুঁড়ে দেখতে চান, তাহলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। পরে কবর খোঁড়ার বিষয়টি আমি জানি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলিক গবেষণায় বিজ্ঞানীদের আরও বেশি আত্মনিয়োগের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


মৌলিক গবেষণায় বিজ্ঞানীদের আরও বেশি আত্মনিয়োগের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের সত্যিকার অর্থে মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। তাদের প্রমাণ করতে হবে যে তাদের গবেষণা বিদ্যমান বৈশ্বিক গবেষণা থেকে স্বতন্ত্র, নতুন এবং বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে সক্ষম।

বুধবার (১৭ জুন) মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) ‘মিঠাপানির মাছের মড়ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন’ প্রকল্পের ইনসেপশন ওয়ার্কশপে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন,

দেশের মৎস্যখাতে বিপুল সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে। এ খাতের উন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার মাধ্যমে যারা উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবেন সরকার তাদের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশেষভাবে সম্মানিত করবে।

গুণীজন, বিজ্ঞানী ও গবেষকদের যথাযথ মর্যাদা দিতে চায় সরকার-এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, নতুন নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি বিকাশে তাদের ভূমিকার দিকে প্রত্যাশার দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছে দেশ।

তিনি বলেন,

বাংলাদেশে বহু গবেষণা প্রতিষ্ঠান থাকলেও এখনও গবেষণার একটি সুস্পষ্ট ও স্বতন্ত্র ধারা গড়ে ওঠেনি। দেশে যখন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, তখন তার দৃশ্যমান ফলাফল ও নিজস্ব গবেষণা-ধারা প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, পানির গুণগত মান মাছ চাষের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। পানিকে মাছের উপযোগী করে তুলতে পারলে মাছের রোগবালাই অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। এ লক্ষ্যে বিজ্ঞানী ও মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশের প্রাকৃতিক মাছের অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরিবেশগত কারণে প্রাকৃতিক জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে গবেষণা, সচেতনতা এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন,

দেশের মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় থাকা মিঠাপানির মাছকে রোগমুক্ত ও টেকসইভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। বলেন, মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মড়ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর গবেষণা পরিচালনার কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাছ চাষে অযৌক্তিক ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি গবাদিপশুর জন্য ব্যবহৃত কিছু অ্যান্টিবায়োটিকও মাছের খামারে প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে মৎস্য অধিদফতরকে কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,

রাষ্ট্রের প্রতিটি দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উচিত নিজ নিজ দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করা। জনগণের করের অর্থে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়, তাই জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান। ওয়ার্কশপে প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো: সিরাজুম মনির। এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী, বিএফআরআই এর বিজ্ঞানীবৃন্দ, গবেষক, মৎস্য বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মামুন হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%