ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

শিশুর মৃত্যু: সাজিনাজ হাসপাতালের পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ


শিশুর মৃত্যু: সাজিনাজ হাসপাতালের পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় সাজিনাজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার জন্য আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চট্টগ্রামের ৩য় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়, ভুক্তভোগী শিশুর মা আমাতুল মাকনুনের পক্ষে।

এ অভিযোগের মধ্যে সাজিনাজ হাসপাতালের পরিচালক হাসান মাহমুদ চৌধুরীসহ মোট ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন হাসপাতালটির সহযোগী কনসালটেন্ট (এনআইসিইউ) ডা. আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র কনসালটেন্ট (এনআইসিইউ) ডা. ফয়সাল আহমেদ, পেডিয়াট্রিক সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদ, কার্ডিওথোরাসিক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. মো. মিনহাজুল হাসান, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুর রহমান, কার্ডিওথোরাসিক ও ভাস্কুলার সার্জন ডা. মো. ফজলে মারুফ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডা. মো. তামিম সাফায়েত চৌধুরী।

এছাড়া, অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন ডাক্তার ও নার্সকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ মে সার্জিস্কোপ হাসপাতালে সি সেকশনে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন আমাতুল মাকনুন।

এ সময় নবজাতকের শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বায়েজিদ লিঙ্ক রোডস্থ সাজিনাজ হাসপাতালে এনআইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার শুরুতে শিশুর শারীরিক অবস্থার অন্যান্য সবদিক স্বাভাবিক থাকলেও শ্বাসকষ্ট ছিল।

আরও পড়ুন: বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জের রনি মল্লিক ও নবী হোসেন।

৩০ মে বাদি (শিশুটির মা) দেখতে পান নবজাতকের বাম হাতে ব্যান্ডেজ করা। কর্তব্যরত চিকিৎসক সামান্য বিষয় বলে তা এড়িয়ে গেলেও পরের দিন দেখা যায়, শিশুর বাম হাতের তালু কালো হয়ে গেছে এবং আঙুলে পচন (গ্যাংগ্রিন) শুরু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে শিশুর শরীরে সংক্রমণ (ইনফেকশন) ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকার ইবনে সিনা ও পরের দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, সাজিনাজ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে শিশুর বাম হাতে ভুল স্থানে আইভি ক্যানুলা দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে ভুল অস্ত্রোপচারের কারণে রক্তনালী কাটা পড়েছে, যা এই পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ৪ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।

বাদিপক্ষের আইনজীবী শুভাশীষ শর্মা জানান, শিশু মৃত্যুর ঘটনায় আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং একই সঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিনিয়র স্পেশালিস্ট থেকে মতামত সংগ্রহ করতে নির্দেশও দিয়েছেন সিআইডিকে।

আরও পড়ুন: মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে কাউনিয়ায় পুলিশের আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান

এর আগে চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ করে ভুক্তভোগী মা আমাতুল মাকনুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন। বিষয়টি নিয়ে 'ভুল চিকিৎসা সাজিনাজ হাসপাতালে, গ্যাংগ্রিন সংক্রমণে শিশুর মৃত্যু' শিরোনামে একটি সংবাদও প্রকাশিত হয়েছিল। সংবাদ প্রকাশের ৫ দিন পরে আইনি প্রক্রিয়ায় যান ভুক্তভোগী।

অপর দিকে, হাসপাতালটির পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম জানান, কোন পক্ষই আমাদেরকে অভিযোগ করেনি। আমরা নিজেদের উদ্যোগে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য। যদি দোষী প্রমাণিত হয়, তবে উক্ত হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের জন্য সুপারিশ করা হবে।

তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তদন্ত কমিটি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেন। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে হাসপাতালটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: মাইশার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িত ঘাতক লরি চালককে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেস্তোরাঁ খাত চাই একক ৫ শতাংশ ভ্যাট, দাবি ওয়ান স্টপ সার্ভিসের চালুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


রেস্তোরাঁ খাত চাই একক ৫ শতাংশ ভ্যাট, দাবি ওয়ান স্টপ সার্ভিসের চালুর

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে রেস্তোরাঁ খাতের জন্য একক ৫ শতাংশ ভ্যাট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর প্রত্যাহার এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি জানিয়েছে।

এই সংগঠনটির প্রকাশিত দাবি অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে খাতটির বর্তমান সংকট কাটিয়ে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের চাপ রয়েছে দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পের উপর। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে, রেস্তোরাঁ ব্যবসার বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ভ্যাট ও ট্যাক্সের হার সব ধরনের রেস্তোরাঁর জন্য একই করাসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরে বাজেট-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, বর্তমানে রেস্তোরাঁয় ৫ শতাংশ এবং ক্যাটারিং সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক বৈষম্য দূর করার জন্য সব ধরনের রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং সেবায় অভিন্ন ৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এমন সময় উপস্থাপিত হয়েছে, যখন দেশের অর্থনীতি নানাভাবে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এবং ব্যাংক খাতে দুরাবস্থার মতো নানা প্রতিকূলতার মধ্যে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহায়ক বাজেট প্রণয়নের জন্য বিএনপি সরকার এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

তবে দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের রেস্তোরাঁ ও হসপিটালিটি খাত উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ের চাপ দ্বারা আক্রান্ত। এলপিজি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাজেটে খাতটির ব্যয় হ্রাস, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্ব উন্নয়নে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে। কিন্ত, কিছু প্রস্তাব ও নীতি ব্যবসার পরিচালনাকে আরও ব্যয়বহুল ও জটিল করে তুলতে পারে। রেস্তোরাঁ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সংরক্ষণ এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এসব বিষয় পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রস্তাবের মধ্যে অন্যতম হল:

ভ্যাট ও ট্যাক্সের হার সব ধরনের রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং সার্ভিসের ক্ষেত্রে একই রাখার প্রস্তাব: রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং খাতের জন্য, ভ্যাট ও করের হার সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমানভাবে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। বর্তমানে রেস্তোরাঁ খাতে ৫ শতাংশ এবং ক্যাটারিং সার্ভিসে ১৫ শতাংশ দিতে হয়। এই হার সমান ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলে, বিদ্যমান বৈষম্য দূর হবে।

বিভিন্ন শ্রেণির রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং সেবার ওপর ভিন্ন ভিন্ন হারে ভ্যাট ও কর আরোপ ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় বৈষম্য সৃষ্টি করে এবং কর প্রশাসনকে জটিল করে তোলে। অভিন্ন হার নির্ধারণ করা হলে, কর কাঠামো আরও সহজ, স্বচ্ছ ও ব্যবসাবান্ধব হবে; একই সাথে কর পরিপালন বৃদ্ধি পাবে এবং রাজস্ব আহরণ আরও কার্যকর হবে। স্ট্রিট ফুডসহ সব ধরনের রেস্তোরাঁকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনা আবশ্যক। এটি চলমান অসম প্রতিযোগিতা বন্ধ করবে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াবে।

জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত ০.৫ শতাংশ উৎসে কর এবং ১০ শতাংশ এসডি বা সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণ হ্রাস করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আলোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর প্রস্তাবিত ০.৫ শতাংশ উৎসে কর এবং ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাতিলের দাবি জানানো হচ্ছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতির চাপ, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের কর আরোপ করা জনসাধারণের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করবে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে, জনস্বার্থ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা সুরক্ষার স্বার্থে, প্রস্তাবিত বাজেট চূড়ান্ত করার পূর্বে এ বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা হোক। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর প্রস্তাবিত উৎসে কর ও রেস্তোরাঁ খাতে বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক বাতিল করা হোক।

ব্যবসা ও বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রস্তাব: সরকার ঢাকার বাইরে রেস্তোরাঁ ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে নতুন রেস্তোরাঁর স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির ওপর প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ অবচয় সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। এতে নতুন উদ্যোক্তারা কর রেয়াত পাবেন। তবে, স্বল্পসুদে ঋণ নিশ্চির জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নির্দেশনা প্রয়োজন। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কর কাঠামোকে সহজ ও স্বচ্ছ করা, ব্যবসার পরিচালন ব্যয় কমানো, কর প্রশাসনে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি। আশা করা হচ্ছে, চূড়ান্ত বাজেটে এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের একটি পরিকল্পনা থাকবে।

আগের মত প্রতি মাসে ভ্যাট আদায়ের প্রস্তাব: প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট পরিশোধের সময় বাড়িয়ে ৩ মাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে পূর্বের মতোই মাসিক ভিত্তিতে ভ্যাট পরিশোধ ও রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থাকে বহাল রাখার প্রস্তাব করা হচ্ছে।

রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিচালনায় ওয়ান স্টপ সার্ভিসেসের দ্রুত বাস্তবায়নের প্রস্তাব: সরকারের একার পক্ষে রেস্তোরাঁ খাতের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এজন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রস্তাবিত বাজেটে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়নসহ সব কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনা করার প্রস্তাবকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি সরকারের নীতি ও নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনার জন্য একাধিক দফতর থেকে ১০-১২টি অনুমোদন নিতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। ফলে ব্যবসা পরিচালনা এবং কার্যকর তদারকি উভয়ই বাধাগ্রস্ত হয়। তাই রেস্তোরাঁ খাতকে একটি সমন্বিত কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থার আওতায় এনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি একটি ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর প্রস্তাব করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ হবে, সময় ও ব্যয় কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে কার্যকর মনিটরিং সম্ভব হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে প্রস্তাবিত বাজেটে রেস্তোরাঁ খাতের জন্য ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালুর বিষয়টি বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে রেস্তোরাঁ সেক্টরের জন্য সুনির্দিষ্ট শিল্পনীতি ঘোষণা এবং সমিতির সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব: বাংলাদেশের রেস্তোরাঁ শিল্প বর্তমানে দেশের অন্যতম বৃহৎ সেবা খাত হিসেবে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের লাখো উদ্যোক্তা ও বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীর জীবিকা এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। তবুও রেস্তোরাঁ সেক্টর এখনও একটি স্বতন্ত্র শিল্পখাত হিসেবে প্রয়োজনীয় নীতিগত স্বীকৃতি ও সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আলোকে রেস্তোরাঁ সেক্টরের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট শিল্পনীতি ঘোষণার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।

একটি পৃথক শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হলে লাইসেন্সিং, কর ও ভ্যাট ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং উদ্যোক্তা সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা সম্ভব হবে। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পৃথক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে উদ্যোক্তারা জটিলতা ও অতিরিক্ত ব্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছেন। যেকোন রেস্তোরাঁ ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে বাণিজ্য সংগঠন আইন অনুযায়ী রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সদস্য পদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হলেও এর বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি বিশ্বাস করে, রেস্তোরাঁ শিল্পকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাত হিসেবে বিবেচনা করে বাজেটে এর জন্য পৃথক ও যুগোপযোগী নীতি ঘোষণার উদ্যোগ নিলে দেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও গতিশীল হবে এবং উদ্যোক্তাদের জন্য একটি স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে আগ্রহী এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে।

রেস্তোরাঁ সেক্টরে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা এবং রেস্তোরাঁ শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে উন্নীত করার প্রস্তাব: রন্ধনশিল্পকে বিশ্বমানের পর্যায়ে উন্নীত করতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতের জন্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণের উদ্যোগ গ্রহণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। প্রস্তাব করা হচ্ছে, গ্রামীণ ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে সরকারি-বেসরকারি কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ভর্তুকিসহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার।

একই সঙ্গে রেস্তোরাঁ খাতের শ্রমিক ও কর্মীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর দাবি জানানো হচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি, গ্রাহকসেবা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি করলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হবে, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক রেমিট্যান্স বাড়বে এবং রেস্তোরাঁ ও পর্যটন খাত আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হবে।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি আশা করে, বাজেটে রেস্তোরাঁ খাতের মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের রেস্তোরাঁ শিল্পকে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বিশ্বমানের সেবা খাতে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এসব প্রস্তাবনা দ্রুত বাস্তবায়িত হলে রেস্তোরাঁ শিল্পের চলমান সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে এবং এই খাত আবারও অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি আশা করে, বর্তমান সরকার বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রস্তাবিত বাজেট কার্যকর করার পূর্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে অনলাইন জুয়ার একটি বড় চক্রের সন্ধান, আটক ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


সিলেটে অনলাইন জুয়ার একটি বড় চক্রের সন্ধান, আটক ৯

সিলেট নগরীতে অনলাইন জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। গত শুক্রবার (১৯ জুন) র‍্যাব-৯-এর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগের দিন, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানার কাজিরবাজার মোগলটুলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‍্যাব জানায়, কাজিরবাজার মোগলটুলা এলাকায় একটি চক্র অনলাইনে জুয়া পরিচালনা করছে, এই খবরে র‍্যাব-৯, সিপিএসসি সিলেটের একটি আভিযানিক দল সেখানে পৌঁছায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে ৯ জনকে আটক করা হয়।

পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে। তাদের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও ছয়টি টালি খাতা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই মোবাইল ফোনে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন অ্যাপ ও অবৈধ লেনদেনের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানান র‍্যাব।

র‍্যাবের তথ্যমতে, গ্রেফতারকৃতরা সাধারণ মানুষকে অল্প টাকায় অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করত এবং সেখান থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নিত।

র‍্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, ‘গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে জব্দ আলামতসহ তাদের কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, অনলাইন জুয়া, সাইবার অপরাধ ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই, জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই, জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন

আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো ধরনের নিরাপত্তার শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) এস এন নজরুল ইসলাম।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ বিষয়ে মত দেন।

তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে যাতে সংগঠনটি কোনো সভা, সমাবেশ ও মিছিল করতে না পারে, সেজন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা সাফ জানিয়ে দেন যে, অনুষ্ঠানের আয়োজনে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করতে দেয়া হবে না।

এদিকে, গত মার্চে রাজধানীর সায়েদাবাদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদফতরের পরিদর্শককে গুলির ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহকারী অটো সজলকে গ্রেফতারের তথ্যও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। সজলের কাছ থেকে পুলিশের লুণ্ঠিত দুইটি অস্ত্র ও ৭৭টি গুলি, পাশাপাশি আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, সজল পবন পুলিশের ওয়ারি বিভাগের একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক ফ্রেমে সারা আলি ও হেনরি ক্যাভিল!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


এক ফ্রেমে সারা আলি ও হেনরি ক্যাভিল!

যুক্তরাজ্যের বার্কশায়ারের ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা 'রয়্যাল অ্যাসকট'। এটি রাজকীয় আভিজাত্য এবং ড্রেস কোডের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত একটি মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন। তবে এবারের রয়্যাল অ্যাসকট ভারতীয় সিনেপ্রেমীদের জন্য একটি দারুণ চমক নিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে মুখোমুখি হয়ে দাঁড়িয়েছেন হলিউড এবং বলিউডের দুই জনপ্রিয় তারকা।

বলিউড অভিনেত্রী সারা আলি খান এবং 'সুপারম্যান' খ্যাত হলিউডের মেগাস্টার হেনরি ক্যাভিল এই অনুষ্ঠানের অতিথি। রয়্যাল অ্যাসকটের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে তারা ছবিও তুলেছেন।

অনুষ্ঠানের আভিজাত্য বজায় রেখে দুজনেই নজরকাড়া লুকে হাজির হয়েছিলেন। সারা আলি খানের পরনে ছিল আন্তর্জাতিক ফ্যাশনের সাথে রয়্যাল অ্যাসকটের ঐতিহ্যের সাথে মানানসই মার্জিত পোশাক ও হ্যাট।

অন্যদিকে, ব্রিটিশ জেন্টলম্যান লুকে থ্রি-পিস স্যুট এবং ক্লাসিক ডার্বি হ্যাটে উপস্থিত ছিলেন হেনরি ক্যাভিল। ছবিতে দুই তারকার সাবলীল আড্ডা ও হাসিমুখের উপস্থিতি তাদের রসায়নকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

ছবিগুলো ভাইরাল হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে সারার এই উপস্থিতি এবং হেনরি ক্যাভিলের মতো বিশ্বখ্যাত তারকার সাথে কুশল বিনিময়কে অনেকেই দেখছেন অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারের একটি বড় মাইলফলক হিসেবে। কান চলচ্চিত্র উৎসব কিংবা আন্তর্জাতিক ফ্যাশন উইকের পর, এই আয়োজন সারার বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও জোরালো করেছে।

সারা আলি খানকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘পতি পত্নী অউর ওহ দো' চলচ্চিত্রে। তবে খুব শীঘ্রই তিনি পর্দায় ফিরবেন নতুন একটি অবতারে। শোনা যাচ্ছে, একটি স্পাই কমেডিতে অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানার বিপরীতে দেখা যাবে তাকে।

পর্দায় ফেরার আগেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হেনরি ক্যাভিলের সাথে সারার এই রাজকীয় সাক্ষাৎ, তার বৈশ্বিক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে—এটা বলাই বাহুল্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%